চুল পাকা রোধের কয়েকটি উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চুল পাকা রোধের কয়েকটি উপায়

কম বয়সে চুল পাকা মানে অস্বস্তিকর একটি বিষয়। জিনগত কারণেই কম বয়সে চুল পাকে। একটি-দুইটি চুল পাকলে আবার অনেকে তা তুলে ফেলেন। এ নিয়েও অনেক কথার প্রচলন আছে। হয়তো কাউকে না কাউকে বলতে শুনেছেন, মাথায় একটা বা দুইটি চুল পাকতে শুরু করলে তা তুলে ফেলা উচিত নয়।

কারণ, এতে ওই স্থানে দুটি চুল উঠতে পারে। মার্কিন বিশেষজ্ঞ রবার্ট বরিন বলছেন, এটা শুধু প্রচলিত কথা। মাথার পাকা চুল তুলে ফেলতে সেখান থেকে দুটো গজায় না। তবে পাকা চুল তোলাও ঠিক নয়।

ইতোমধ্যেই চুল পেকে গিয়ে থাকে তাহলে নিচে আলোচিত ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগাতে পারেন। দেখবেন দারুণ উপকার পাবেন। পদ্ধতিগুলো হলো...

১. আমলকি
সময়ের আগে পেকে যাওয়া চুলকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আমলকির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে একটা বাটিতে অল্প করে নারকেল তেল এবং কয়েক টুকরো আমলকি নিয়ে গরম করুন। তারপর সেই তেলটা ধীরে ধীরে সারা চুলে লাগিয়ে কয়েক মিনিট ভালো করে মাসাজ করুন। এমনটা ১৫ দিন করলেই দেখবেন সুফল পেতে শুরু করেছেন। আসলে আমলকিতে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপদান পিগমেন্টের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সাদা চুল কালা হতে শুরু করে।

২. আদা

১ চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণমতো আদা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি প্রতিদিন চুলে লাগান। এই ঘরোয় মিশ্রণটি চুলকে দীর্ঘসময় কালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. নারকেল তেল

চুলের যত্নে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে একটা বাটিতে সমপরিমাণে নারকেল তেল এবং লেবুর রস নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রণটা মথার খুলির ত্বকে লাগিয়ে ভালো করে কয়েক মিনিট মাসাজ করুন। এই পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নিলে চুল তো পাকেই না। সেই সঙ্গে চুলের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও ফিরে আসে।


ঢাকায় ছুটির আমেজ, রাস্তা ফাঁকা

বিশ্বের দূষিত রাজধানীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা

ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে আগুন, নিহত ৩জন

নিভৃত পল্লী টুঙ্গীপাড়াতেই কেটেছে জাতির জনকের শৈশব আর কৈশোর


৪. পেঁয়াজ বাটা

মশলা হিসেবে বাংলাদেশে কমবেশি সব রান্নাঘরেই পেঁয়াজ থাকে। আর পেঁয়াজ বাটা চুল পাকা রোধের অত্যন্ত কার্যকরী অস্ত্র। পেঁয়াজ ভালোমত বেটে নিয়ে প্রতিদিন কিছুক্ষণ মাথার চামড়ায় ও চুলে ম্যাসাজ করলে এবং চুলে পেঁয়াজ বাটা শুকিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই পাকাচুল কালো হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, চুল পড়া বন্ধ হয়ে নতুন চুল গজাতে শুরু করবে।

৫. গাজরের রস

গাজর একটি পুষ্টিকর সবজি উপাদান। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের সিংহভাগ গাজর একাই পূরণ করার ক্ষমতা রাখে। চুলের যত্নেও গাজর বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বাজার থেকে গাজর কিনে এনে সেটিকে ব্লেন্ডারে পানি, চিনি মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। গাজরের যে জুস পাওয়া যাবে, সেটি নিয়মিত পান করুন। প্রতিদিন অন্তত একগ্লাস করে গাজরের রস পান করলেই আপনার পাকা চুলের প্রতিকার পাওয়া শুরু করবেন। শুধু চুল নয়, সেইসাথে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতেও এই গাজরের জুস সাহায্য করবে। আর ত্বক হবে উজ্জ্বল লাবন্যময়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভালো ছাতা চেনার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ভালো ছাতা চেনার উপায়

ভালো ছাতা চেনার কিছু উপায় রয়েছে। চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

১. ছাতা তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের কাপড় দিয়ে। তবে প্যারাসুটের কাপড় অথবা বেলপেকের কাপড় দিয়ে তৈরি ছাতাগুলো ভালো মানের। কেননা এই ধরনের কাপড় সহজে ছিদ্র হয় না এবং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এছাড়া বেশ কিছু ছাতা রয়েছে যেগুলোতে দুই স্তরের কাপড় ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে রোদ-বাদলের দিনগুলোতে ছাতার বাইরের কাপড় গরম কিংবা ভেজা থাকলেও ভেতরের কাপড় একই রকম থেকে যায়।

২. ছাতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শিক। শিক যদি কম থাকে অথবা নিম্নমানের হয় তাহলে হালকা বৃষ্টি কিংবা তুফানে ছাতা উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিক যতো বেশি থাকবে ছাতা তত মজবুত হবে। শিকের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় হলো স্টিলের শিক ভেজা থাকলে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। স্টেইনলেস স্টিলের শিক, অ্যালুমিনিয়ামের শিকগুলো বেশ উন্নত মানের। তাছাড়াও শিকের সঙ্গে ফাইবার সংযুক্ত করে দেওয়া ছাতাগুলোও টেকসই। এই ধরনের শিকগুলোতে সহজে মরিচা পড়ে না।

৩. একটি ছাতা ব্যবহার করে তখনই আরাম পাওয়া যায় যখন ছাতার হাতল মজবুত থাকে এবং ধরে তৃপ্তি হয়। কিছু ছাতা রয়েছে যেগুলোতে কাঠের হাতল ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের হাতল ভিজে গেলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্লাস্টিকের হাতলগুলো টেকসই, পাতলা এবং মজবুত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওভেন পরিষ্কারের সহজ টিপস

অনলাইন ডেস্ক

ওভেন পরিষ্কারের সহজ টিপস

দীর্ঘ সময় মাইক্রোওয়েভ ওভেন সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে বাসা বাধতে পারে জীবাণু। সহজে এটি পরিষ্কারের কিছু টিপস জেনে নিন ঝটপট।

যেভাবে পরিষ্কার করবেন

প্রথমে মাইক্রোওয়েভ থেকে র‍্যাক ও গ্রিল বের করে সাবানপানিতে ডুবিয়ে রাখুন। ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ ঘষে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

একটি মাইক্রোওয়েভ সেফ পাত্রের মধ্যে ভিনেগার আর পানি মিশিয়ে উচ্চতাপে ওভেনের ভেতর এটি ৫ মিনিট রেখে দিন। এ থেকে যে স্টিম তৈরি হবে তা মাইক্রোওভেনে লেগে থাকা ময়লা নরম করবে। তারপর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্রটি বের করে পেপার টাওয়েল বা কাপড় দিয়ে ওভেন পরিষ্কার করে নিন।

পানির সঙ্গে বেকিং সোডা, লেবু ও লবণ মেশান। মিশ্রণটিতে কাপড় ভিজিয়ে মাইক্রোওয়েভের ভেতরের অংশ ভালো করে পরিষ্কার করুন।

এক কাপ পানিতে ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি একটু গরম করে তাতে একটি কাপড়ের টুকরো ডুবিয়ে মাইক্রোওয়েভ পরিষ্কার করতে পারেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

অনলাইন ডেস্ক

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

শরীরে জারিত না হওয়ায় গ্রিন টি অন্য চায়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। এটি শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে দেয় না। এছাড়াও দ্রুত ফ্যাট ঝরাতে এটি সাহায্য করে।

সঠিক গ্রিন টি চেনা বেশ মুশকিল। তবে খাঁটি গ্রিন টি তে রয়েছে কিছু বৈশিষ্ঠ্য যেগুলো জানা থাকলে সহজেই আসল গ্রিন টি চিনে নিতে পারবেন--

# সতেজ গ্রিন টি হালকা সবুজ রঙের হবে

# এর পাতার আকার হবে বড়

# আসল গ্রিন টি ৬ মাসের বেশি রাখা যায় না

# গ্রিন টি-র প্যাকেটে এপিগ্যালোক্যাটেচিন (ইজিসিজি) আছে কি না দেখে কিনতে হবে।

# গ্রিন টির গন্ধ হবে হালকা, সতেজ, কচি ঘাসের মতো

খাওয়ার বিষয়ে যেসব খেয়াল রাখা জরুরি--

# গ্রিন টি-তে দুধ মেশানো ঠিক নয়

# গ্রিন টি-তে কখনই চা মিশিয়ে খাবেন না

# ওয়ার্ক আউটের আগে বা পরে গ্রিন টি খাওয়া যায়

news24bd.tv/এমিজান্নাত

 

পরবর্তী খবর

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

ঘরে অনেকেই অ্যাকুরিয়াম রাখতে পছন্দ করেন। ঘরকে সুশোভিত রাখার জন্য শৌখিন মানুষরা এটি রাখেন। কিন্তু এর যত্ন নেওয়ার সময় হিমশিম খান অনেকে। বিশেষ করে অ্যাকুরিয়ামের কাঁচের ভেতরের দেয়ালের শ্যাওলা পরিষ্কার করা কষ্টকর একটি কাজ। এমন কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করে অ্যাকোয়ারিয়ামের কাঁচ পরিষ্কার করা যায়। এসব উপায় অবলম্বন করার জন্য খুব পরিশ্রম করারও প্রয়োজন নেই। 

আলো: অ্যাকুরিয়ামের ভেতর আলো বেশি থাকলে শেওলাও দ্রুত জমে। এ সমস্যা এড়াতে যথাসম্ভব আলো কমিয়ে রাখা ভালো। যদি সেখানে সত্যিকারের গাছ থাকে তাহলে ভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গাছ: অ্যাকুরিয়ামে যদি শেওলা জমে যায় তাহলে সেখানে গাছের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। এতে গাছ পানি থেকে অনেক খাবার সংগ্রহ এবং পানিতে থাকা কার্বন-ডাই অক্সাইডও নিতে পারবে। খাবার না পেয়ে ধীরে ধীরে শেওলা মরে যাবে।

চিংড়ি: অ্যাকুরিয়ামে রাখার জন্য বাজারে ছোট মাপের চিংড়ি কিনতে পাওয়া যায়। এসব চিংড়ির প্রিয় খাবার শেওলা। তাই শেওলা দূর করতে মোক্ষম হাতিয়ার হলো ছোট চিংড়ি। তবে মাছও চিংড়ি খেতে পছন্দ করে বলে চিংড়ি রাখবেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে।

শামুক: শেওলা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ পথ হলো শামুক। তবে শেওলা খাওয়ার শেষে তারা অ্যাকুরিয়ামের অন্যান্য গাছের প্রতি আক্রমণ করতে পারে। এ বিষয়ে সাবধান হয়ে নিতে হবে আগেই।

আরও পড়ুন:


এবারও হচ্ছে না প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা

আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

ওসমানীনগরে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যার পর গৃহকর্মীর আত্মহত্যা

এবার মাহিয়া মাহির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন


প্লেকো মাছ: অ্যাকুরিয়ামের দেয়ালের শেওলা পরিষ্কারের জন্য অনেকেই প্লেকো মাছ রাখেন। এই মাছ অনেক শান্ত প্রকৃতির হয়। তবে এরা আকারে বড় হয়। তাই অতি ছোট ট্যাংকে এসব মাছ না রাখাই উত্তম।

অ্যালগি-ইটার: অ্যালগি-ইটার নামে বিশেষ ধরনের মাছ শেওলা খেতে ভালোবাসে। তবে সমস্যা হচ্ছে এসব মাছ অন্য মাছের আঁশ খেয়ে নেয়। ফলে অ্যাকুরিয়ামে থাকা অন্যান্য মাছ মারা যায়। তাই অ্যাকুরিয়ামে অ্যালগি-ইটার মাছ রাখার আগে চিন্তাভাবনা করা উচিত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বর্ষায় ঘরে পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

বর্ষায় ঘরে পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচার টিপস

বর্ষা মৌসুমে বসতঘরে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রপ বেড়ে যায়। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার বাড়ি হবে পোকামাকড়মুক্ত এবং আপনি থাকবেন রোগবালাইমুক্ত। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বর্ষায় পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচতে আপনার করণীয় কী-

পোকামাকড়

বর্ষার সময় রান্নাঘরের সিংক ও বাথরুমের বেসিন বা কমোড দিয়ে বিভিন্ন পোকামাকড় উঠে আসে। এর থেকে রক্ষা পেতে গরম পানিতে স্যাভলন মিশিয়ে কয়েক দিন পরপর কমোড, বেসিন ও রান্নাঘরের সিংকে ঢালুন। বিশেষ করে যেদিন বৃষ্টি পড়বে সেদিন। তবে ঢালার সময় এমনভাবে ঢালুন যাতে সরাসরি পাইপে পড়ে। না হলে কমোড কিংবা বেসিনে চিড় ধরতে পারে।

মশা-মাছি

মশা-মাছির তাড়ানোর জন্য কয়েক টুকরো কর্পূর আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে ঘরের এক কোণে রেখে দিন। রান্নাঘরে ঢাকনা দেওয়া ডাস্টবিন ব্যবহার করুন। এছাড়া শুকনা চা-পাতা পোড়ানো ধোঁয়া ছড়িয়ে দিন পুরো বাড়িতে। এতে মশা-মাছির উপদ্রব কমে যাবে।

তেলাপোকা ও পিঁপড়া

তেলাপোকা ও পিঁপড়ার উপদ্রব এ সময় বেড়ে যায়। তাই সব সময় ঘর পরিষ্কার রাখুন। কোথাও খাবার পড়ে থাকলে বেসিনের সিংকে যাতে খাবার জমে না থাকে, খেয়াল রাখুন। প্রতিদিনের ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে আসুন। রান্নাঘর স্যাভলন ও ভিনেগার দিয়ে মুছে নিন। পিঁপড়ার উপদ্রব কমাতে জানালায় ও দরজায় বরিক পাউডার ঢেলে রাখুন।

আরও পড়ুন:


বেতন বাড়ছে ক্রিকেটারদের, কত পান সাকিব-তামিম-মুশফিকরা

রিজার্ভের সব রেকর্ড ভেঙে ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

বাব-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন


এছাড়া অন্যান্য পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেতে রান্নাঘরের কেবিনেট, বুক সেলফ, আলমারিসহ ঘরের বিভিন্ন জায়গায় নিমপাতা ও কালিজিরা কাপড়ে মুড়ে বেঁধে রাখুন। এছাড়া এক কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়া মিশিয়ে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছিটিয়ে দিন। ঘরের কোনায় কীটনাশক স্প্রে করতে পারেন। পোকামাকড়ের আনাগোনা কমাতে বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর