কাল সন্ধ্যায় দেশে আসছে মওদুদ আহমদের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কাল সন্ধ্যায় দেশে আসছে মওদুদ আহমদের মরদেহ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে বৃহস্পতিবার ( ১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশে আসার পর মরদেহ রাখা হবে ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমাগারে। এরপর শুক্রবার (১৯ মার্চ) সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে।

হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তৃতীয় জানাজা শেষে নোয়াখালীতে লাশ নেয়া হবে। এরপর কোম্পানীগঞ্জ কলেজ মাঠে সর্বশেষ জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই শায়িত হবেন প্রবীণ এ রাজনীতিক।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।


ঢাকায় ছুটির আমেজ, রাস্তা ফাঁকা

বিশ্বের দূষিত রাজধানীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা

ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে আগুন, নিহত ৩জন

নিভৃত পল্লী টুঙ্গীপাড়াতেই কেটেছে জাতির জনকের শৈশব আর কৈশোর


বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মওদুদ আহমদ। গত ১ ফেব্রুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য মওদুদ আহমদ সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল।

ফুসফুসে পানি জমার কারণে অবস্থার অবনতি হলে গত ৯ মার্চ তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা মাহামারি কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ : আব্দুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা মাহামারি কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ : আব্দুর রহমান

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিল বলেই আজ একটি উন্নত রাষ্ট্র আমরা পেয়েছি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান। 

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং উন্নত বিশ্বের একটি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ‘আয়েশা শরিয়তউল্যা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের‘ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বরণ করে বলেন, হে পিতা তুমি দেখে যাও ২৫ বছর পরে আজ ফরিদপুর ছাত্রলীগের বন্ধাত্বক ঘুচেছে। ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্যদিয়ে ফরিদপুরে সরকার এবং আওয়ামীলীগের মুখ উজ্জ্বল হবে। 

তিনি ছাত্রলীগকে হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, ছাত্রলীগের কেউ টেন্ডারবাজি, জমি দখল গোলমাল গোলোযোগ, সহিংসতায় জড়াতে পারবেনা। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দল থেকে তাদেরকে বহিষ্কারও করা হবে। বর্তমান বিশ্ব করোনা মাহামারি চলছে। বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। দেশে করোনা সংক্রামন বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমারা শেখ হাসিনার মত একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ সহনশীলতা মধ্যে আছে এবং প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে এই করোনা মাহামারি কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ। বর্তমান আওয়ামী লীগের সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। সে জন্যে সরকার সাধারণ শিক্ষার পাশা পাশি কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১০০ উপজেলায় ১০০টি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সরকারি এ কলেজের উদ্বোধনী সংক্ষিপ্ত সভায় সভাপতিত্বে করেন বোয়ালমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক ও অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগ নেতা এম এম শফিউল্লাহ শাফি। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, বোয়ালমারী পৌর মেয়র সেলিম রেজা লিপন, মধুখালী পৌর মেয়র মোরশেদ রহমান লিমন, আলফাডাঙ্গা পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফার, কাদিরদী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুজ্জামান মিয়া, শাহ জাফর টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন লিটন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ জাহান মীরদাহ পিকুল, সহসভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সহসভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টু, ফরিদপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রাহাত হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান, সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমদ, বোয়ালমারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল সিকদার,  ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মোর্তুজা তমাল, সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত সিদ্দিকী প্রমুখ। এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটু, এসএম ফারুক হোসেন, নুরুল আলম মিনা মুকুল, মোশাররফ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।  

প্রসঙ্গত, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রথম পর্যায় ১০০টি উপজেলায় একটি করে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন শির্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে বোয়ালমারীতে আয়েশা শরিয়তউল্যা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপিত হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

অথচ আমরা বাংলাদেশকে অষ্টম আশ্চর্য বলি: অলি

অনলাইন ডেস্ক

অথচ আমরা বাংলাদেশকে অষ্টম আশ্চর্য বলি: অলি

দেশের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সৎ, নিষ্ঠাবান, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক লোকদের নিয়ে সরকারকে দ্রুত জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে দুর্নীতির মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে। জনগণের ওপর অত্যাচারের মাত্রাও সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। লুটপাট-দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। 

‘এ অবস্থার অনুধাবন করে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকার যত দ্রুত সম্ভব সৎ, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক লোকদের নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।’

বলে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাজধানীর ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ এখন জীবন-জীবিকার জন্যে কঠোর সংগ্রাম করছে। আরেক শ্রেণির মানুষ মদ ও গাঁজা খেয়ে জীবনযাপন করছে। 

তিনি বলেন, করোনার অজুহাতে অনেকে আজ নিজের অফিসে পর্যন্ত যায় না। দেশের অনেক ভূমি অফিসে আজ খাজনা পর্যন্তও নিচ্ছে না। অথচ আমরা সব সময় অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে বাংলাদেশকে সপ্তম আশ্চর্যের পর অষ্টম আশ্চর্য বলে উল্লেখ করে থাকি।’

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


তিনি আরও বলেন, দেশ আজ যে ভয়াবহ সমস্যা অতিক্রম করছে- সে বাস্তবতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবহিত নই। বিদ্যমান এসব সমস্যার সমাধানে তিনি যত দ্রুত সম্ভব যোগ্য, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক লোকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানান।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এবার টাকা না দিয়ে দুটি ছাগল নিয়ে গেল ছাত্রলীগ সভাপতি!

অনলাইন ডেস্ক

এবার টাকা না দিয়ে দুটি ছাগল নিয়ে গেল ছাত্রলীগ সভাপতি!

বুধবার সকালের দিকে দুটি ছাগল বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে যান ছাগলের মালিক সোয়ের আলী গাজী। কিন্তু সেখানে বরগুনার আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মাহবুবুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ছাগলবাজারে এসে আমার ছাগল দুটি ছিনিয়ে নেন। এ সময় মাহবুব টাকা না দিয়েই ছাগল বিক্রির রশিদ করেন। সেই রশিদে আবার স্বাক্ষর করতে বলেন ছাগলের মালিককে। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় সেই রশিদে স্বাক্ষর না করাই  ছাগল মালিককে মারধর করে অজ্ঞান করে ছাগল নিয়ে চলে যান তারা।

ভুক্তভোগী কৃষক সোয়ের আলী গাজী বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া এলাকার মরহুম হাশেম গাজীর ছেলে।

সোয়েব গাজী অভিযোগে বলেন, সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চাওড়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোটেক মহসিন তালুকদারের প্রচারণা করেন। এতে ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত বেসরকাবিভাবে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান খান বাদলের মামাতো ভাই মো. মাহবুবুল ইসলাম তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন।

তাই সে আমাকে মারধর করে আমার ছাগল দুটো নিয়ে যায়। ছাগল দুটির দাম আট হাজার জানিয়ে তিনি বলেন, আমার ঘরে কোনো বাজার-সদাই নেই। ছাগল বিক্রির টাকা দিয়ে ঘরের বাজার-সদাই করতে চেয়েছিলাম। মাহবুব টাকা না দিয়েই আমার ছাগল নিয়ে গেছে। তাই পরিবার নিয়ে আমার এখন না খেয়ে থাকতে হবে।

এ বিষয়ে সোয়েব গাজীর বড় ভাই শহিদ গাজী বলেন, ছাগল ছিনিয়ে নেওয়ার আগের দিন মঙ্গলবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব ৪০ থেকে ৪৫ জন লোক নিয়ে আমাদের বাড়িঘরে হামলা করেন। এ সময় আমরা বাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যাই।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. মাহবুবল ইসলাম মুঠোফোনে  গণমাধ্যমকে বলেন, ছাগল চুরির এ অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়া।  ছাগল বিক্রি করা হয়েছে এবং বিক্রির রশিদও আছে। নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ হওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

এ ঘটনায় আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ছাগলের মালিক সোয়ের আলী গাজী।

এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম হাওলাদার  বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাঙালির সব অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বাঙালির সব অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে : তথ্যমন্ত্রী

‘বাঙালির সব অর্জন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এসেছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ দু’টি নাম ওতোপ্রোতভাবে  জড়িত। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা অর্জন।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ‘আমাদের মুক্তি আমাদের স্বাধীনতা’ শীর্ষক হাওয়াইয়ান গিটারে ৫০ জন শিল্পীর দেশাত্মকবোধক সঙ্গীতের সিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশ হাওয়াইয়ান গিটার শিল্পী পরিষদের নির্বাহী সভাপতি ও গিটারচর্চার পথিকৃৎ মো: হাসানুর রহমান বাচ্চু ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কবি ও গবেষক আমিনুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

‘১৯৪৯ সালে ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পরই তখনকার ‘ড্রয়িংরুমভিত্তিক রাজনীতি’ জনগণের কাছে যায় এবং প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ হলেও পরে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ একটি অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে’ বলেন তথ্যমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করার আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো সংবিধান ছিল না। নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন শহীদ সোহওয়ার্দীর নেতৃত্বে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত হয়। ১৯৫২ সালে আমাদের ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা হলেও প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাভাষা চালু হওয়া, ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ সবই শুরু হয় ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করার পর। 

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬দফা ঘোষণা করে স্বাধীনতার লক্ষ্যে বাঙালির মনন তৈরি করেছিলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের হয়েই সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েছিলেন এবং আওয়ামী লীগ ধস নামানো বিজয় অর্জন করেছিল। তার প্রেক্ষিতেই অসহযোগ আন্দোলন এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর ডাকে স্বাধীনতাসংগ্রাম, স্বাধীনতা ঘোষণা স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন। সেকারণেই আজকে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জনের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম জড়িয়ে আছে। 

আমাদের এই বাঙালি সংস্কৃতিটা হারিয়ে যেতো।  এটি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল বিধায় আমাদের সংস্কৃতি আমাদের ভাষা আমরা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি এবং শুধু তা নয়, আজকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি তোমাকে ভুলিতে পারি। এই গান এখন সারা পৃথিবীতে বাজানো হয়, জাতিসংঘ দিবস হিসেবে। সারা পৃথিবীতে বাজানো হয় বিভিন্ন ভাষায়। 

আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ খাদ্যঘাটতির দেশ আজ খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশ, মাথাপিছু আয়ে ভারতকেও ছাড়িয়ে, সামাজিক, অর্থনৈতিক, মানবউন্নয়ন সব সূচকে পাকিস্তানকে অনেক আগেই অতিক্রম করা, করোনার মধ্যেও আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জননেত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বেই এ অর্জন সম্ভবপর হয়েছে, বলেন ড. হাছান। 

আরও পড়ুন:


চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড, দাফনের ১৫ দিন পর তরুণীর লাশ উত্তোল

হাওয়াইয়ান গিটার শিল্পী পরিষদের সদস্য কবির আহমদ, মোঃ শফিউল্লাহ খোকন, মোঃ ফরহাদ আজিজ এবং আব্দুর রউফ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পটিয়া আওয়ামী লীগ নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ, ভেঙে দেওয়া কমিটি পুনর্বহালের দাবি

অনলাইন ডেস্ক

পটিয়া আওয়ামী লীগ নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ, ভেঙে দেওয়া কমিটি পুনর্বহালের দাবি

জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন পটিয়া আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতারা। তিনি তার বশংবদ ‘এমপি লীগ’ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে দলের নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে জামায়াত-হাইব্রিড-অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই দিচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রে অভিযোগের পাহাড় জমা পড়ছে। প্রভাব খাটিয়ে যেসব নেতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

গত সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে পটিয়া উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগপত্র কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এতে নেতাদের স্বাক্ষর রয়েছে। 

এতে বলা হয়, ‘আমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাংগঠনিক নিয়মে গঠনতন্ত্র অনুসারে সাংগঠনিক এবং দলীয় সব কর্মকাণ্ড সুচারুরূপে পরিচালনা করে আসছি। পরিতাপের বিষয়, সম্প্রতি কোনো প্রকার সভা, সম্মেলন না করে এবং আমাদের কোনোরূপ চিঠি বা মৌখিকভাবে অবগত না করে উপজেলা আওয়ামী লীগ হঠাৎ করে অগঠনতান্ত্রিকভাবে পটিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। আরও দুঃখের বিষয়, বিভিন্ন দল থেকে আগত অনুপ্রবেশকারী, পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগবিদ্বেষী, কট্টর সাম্প্রদায়িক ও অসাংগঠনিক ব্যক্তিদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে অন্যায়ভাবে কমিটি ঘোষণা করা হয়। যার দরুণ দলীয় ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।’

সূত্রমতে, পটিয়া উপজেলার ১৪ নম্বর ভাটিখাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন সন্তোষ কুমার বড়ুয়া। ৭৪ বছর বয়সী এই সাবেক স্কুলশিক্ষক কয়েক দশক ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত। তিনি স্থানীয় নলিনীকান্ত মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে কাজ করতেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভাটিখাইন ইউনিয়নে হাতে গোনা যে দু-চার জন আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছিলেন তার অন্যতম সন্তোষ কুমার বড়ুয়া। সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রবীণ এই নেতাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে জাতীয় পার্টি থেকে আসা এক নেতাকে পদায়ন করা হয়েছে। শুধু সন্তোষ কুমার বড়ুয়াই নন, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি সাংগঠনিক নিয়মবহির্ভূতভাবে ভেঙে দিয়ে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত থেকে আসা অনেক নেতাকে নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোকের মাস আগস্টে আওয়ামী লীগের কোনো স্তরেই কমিটি গঠনের রেওয়াজ না থাকলেও পটিয়ায় এমনটাই করা হয়েছে। সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত ১৪টি ইউনিয়ন কমিটি ২০১৯ সালের আগস্টে ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা হয়। এমন কাণ্ডের পেছনের ব্যক্তিটি হলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

হুইপ সামশুল, তার দুই ভাই ও এক ছেলের বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগের অন্ত নেই। মতের অমিল হলেই পুরনো ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্যাতন ও অপমান, জবরদখল, দলীয় পদ বাণিজ্য, অনিয়ম-দুর্নীতির বহু অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে পটিয়া আওয়ামী লীগের নেতারা নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। ১৪ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের কাছে লিখিত অভিযোগও দেন। জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘কিছু অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করছি। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সামশুল হকের সঙ্গে মতের অমিল হওয়ায় পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগসাজশে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে ১৪ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের আগস্টে এ কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। যদিও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো পর্যায়ের কমিটিই শোকের মাস আগস্টে গঠন করা হয় না। নতুন গঠিত এসব কমিটিতে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি থেকে আসা অনেক নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়। অসাংগঠনিকভাবে কমিটি ভেঙে দেওয়া ও অনুপ্রবেশকারীদের কমিটিতে স্থান দেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে পাঠানো অভিযোগপত্রে পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৩ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কজনের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা জানান, কেন্দ্রীয় নেতারা অভিযোগগুলো আমলে নিয়েছেন। তারা সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটি পুনর্বহাল হবে বলে জানিয়েছেন। সামশুল হকের অনুসারীদের নিয়ে গঠিত কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

কমিটি ভেঙে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে কোলাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভেঙে দেওয়া কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ হারুন বলেন, ‘পুরনো ও ত্যাগী আওয়ামী লীগের নেতারা টাকাপয়সার লোভ করেন না। তারা দল নিয়ে ভাবেন, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করেন। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় সুবিধাবাদী লোক ঢুকে গেছে। তারা আমাদের মতো পুরনো নেতাদের কারণে অপকর্ম করতে পারেন না। সেজন্য আমাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করেছিল।’

কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে খেপে যান হুইপ সামশুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম শামসুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এটা আপনার জানার প্রয়োজন কী? এখানে আমার দলের ভালোমন্দ আমি বুঝতেছি। যেটা ভালো সেটা করতেছি।’

সোমবার দুপুরে সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী। প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘সামশুল হক চৌধুরী নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে দলকে বিতর্কিত করছে। তার কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’

এ সময় তিনি সামশুল হকের নানা অপকর্মের কথা তুলে ধরতে চাইলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন তাকে থামিয়ে দেন। সভায় আরও কয়েকজন নেতা সামশুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দিদারুল আলমকে থামিয়ে দেওয়ায় অন্যরা আর কথা বলেননি। তবে ১৪ ইউনিয়নের সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর