এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ নওগাঁ জেলা পরিষদ পার্ক

নওগাঁ

সংস্কার কাজে ধীরগতির কারণে প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ নওগাঁ জেলা পরিষদ পার্ক। শহরবাসীর একমাত্র পার্কটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংস্কার কাজে ঠিকাদারের অনিয়মের কারণে বন্ধ করা হয়েছে কাজ। তবে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের। 

নওগাঁ জেলা পরিষদ পার্ককে ঢেলে সাজাতে  গেল বছর ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয় জেলা পরিষদ। শুরু হয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার। ৬ মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার কথা; তবে  সেই কাজ শেষ হয়নি এখনও। গেল এক বছর ধরে এই পার্ক বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্ধ স্থানীযরা।

সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের মধ্যে এখনও বাকি মূল ফটক পুন:নির্মাণ, ভেতরে পায়ে হাঁটার জন্য রাস্তা সংস্কার। ব্যায়ামাগার ও পাঠাগারে রং ও টাইলস বসানোর কাজও শেষ হয়নি। শুরু হয়নি সীমানা প্রাচীর সংস্কার কাজও। ঠিকাদাররা বলছেন- জেলা পরিষদ কাজ বন্ধ করে দেয়ায় কিছুটা দেরি হচ্ছে।


বাড়িতে একা পেয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

৭ বছরের সন্তানকে বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল বাবারও

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিককে দল বেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

এই দেশে সব হতে পারে; কিন্তু বাচ্চাদের পরীক্ষা হতে পারে না!


জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দাবি; উন্নয়ন ও সংস্কার কাজে অনিয়ম করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তাই নির্মান সামগ্রী পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাসও দেন তিনি।

সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে পার্কটি ব্যবহার উপযোগী করার দাবি শহরবাসীর।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঘরে ফিরছে মানুষ, ফেরি ঘাটে উপচে পড়া ভিড়

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী:

ঘরে ফিরছে মানুষ, ফেরি ঘাটে উপচে পড়া ভিড়

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে। ঘরে ফিরছে মানুষ। দুরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও চলছে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার-মাক্রোবাস। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও চলছে ফেরি। এদিকে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঘরমুখি ও ব্যক্তিগত যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় দেখা মেলে। 

আজ শুক্রবার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে সরেজমিন এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লকডাউনের শুরু থেকে জরুরি যানবাহন নদী পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করে। এই সুযোগে প্রতিনিয়ত পন্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স এর পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৫শত ব্যক্তিগত যানবাহন নদী পার হয়ে থাকে।

 সেই হিসেবে দুই পার মিলে প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তিগত যানবাহন নদী পারাপার হয়ে থাকে। যানবাহনের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ নদী পারাপার হয়ে আসছে। এ সময় কাউকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা দূরে থাক মুখে মাস্ক পর্যন্ত দেখা যায় না। 

এদিকে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। গত দুইদিন যাবৎ বিগত দিনের চেয়ে তিনগুন যাত্রী ও ভাড়ায় চালিত ব্যক্তিগত নদী পারাপার হচ্ছে। সামাজিক দুরত্ব কেউ মানছে না। গাদাগাদি করে যাচ্ছে গৌন্তব্যস্থানে। যানবাহন সংকটে থাকার কারণে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয়ে সাধারণ মানুষের। 

ভাড়ায় চালিত মাক্রোবাস চালক মোশারফ হোসেন জানান, প্রায়োজনের তাগিদে গাড়ি চালাতে এসেছি। লকডাউনের শুরু থেকে ভাড়ায় মাক্রোবাস চালাচ্ছি। তিনি বলেন, পরিবারে ৭জনের সংসার। ঘরে বসে কিভাবে চলব। সুতরাং বাধ্য হয়ে ঘর থেকে বের হতে হয়েছে। 

ঢাকা থেকে যশোরগামী সুজন মিয়া-(৫০) বলেন, লকডাউনের কর্মহীন হয়ে পড়েছি। কত দিন ঢাকা বসে থাকব। বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছি। 

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকার রিক্সা চালক ইউনুছ বলেন, লকডাউন চলছে তবে সরকারি কোন অনুদান পায়নি। তাহলে ঘরে বসে কিভাবে এতগুলো মানুষের জীবন চলবে। তিনি আরও বলেন, ঘরে বসে না খেয়ে মরার চেয়ে করোনার সাথে যুদ্ধ করে মরা শ্রেয়। 

দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মুন্নাফ মিয়া বলেন, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় স্বার্বক্ষনিক পুলিশ রয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করার জন্য সাধারণ মানুষকে বুঝানো হচ্ছে। তবু যাত্রীরা গাদাগাদি করে ফেরি পার হচ্ছে।
   
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. ফিরোজ শেখ জানান, লকডাউনের মধ্যেও জরুরি যানবাহন নদী পারাপার করার জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল চালু রাখা হয়েছে। এই সুযোগে যাত্রীরা নদী পার হয়ে আসছে। তিনি বলেন, এই নৌরুটে বর্তমান ছোট বড় ১৫টি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রংপুর মেডিকেলে ডায়ালাইসিস বিভাগ ২০ দিন ধরে বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

রংপুর মেডিকেলে ডায়ালাইসিস বিভাগ ২০ দিন ধরে বন্ধ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস বিভাগটি ২০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ডায়ালাইসিস না করতে পেরে ১৮ জন রোগী মারা গেছেন। কিডনি জটিলতার শত শত রোগী ডায়ালাইসিস করতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২০ দিনে ডায়ালাইসিস না করতে পারায় ১৮ জন রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। শুধুমাত্র ডায়ালাইসিস মেশিন নষ্ট হওয়ায় এসব রোগী বিনাচিকিৎসায় মারা গেছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ।

দায়িত্বরত নার্স, আয়া আর টেকনিশিয়ানরা জানান, ডায়ালাইসিসের পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট এবং বেশ কয়েকটি ডায়ালাইসিস মেশিন বিকল হওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ছয় লাখ টাকা খরচ করলে দুটি পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট বসানো সম্ভব। কিন্তু সেটাই কেনা হচ্ছে না। অথচ ডায়ালাইসিস বিভাগ থেকে প্রতি মাসে আয় হয় তিন লাখ টাকারও বেশি।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুট ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুট ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়

আগামীকাল রোববার থেকে সকল শপিংশল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়ায় মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া চাপ পড়েছে।

সকাল থেকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে যাত্রীর চাপ আরও বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে অনেক ক্ষেত্রে যাত্রী চাপে জরুরি যানবাহন পারাপারও ব্যাহত হচ্ছে।

মাত্র ৫ টি ফেরি দিয়ে পারাপার করায় ও অধিকাংশ ফেরি, সকল লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরিগুলোতে বেশি যাত্রীর ভীড় পড়েছে। অতিরিক্ত ভীড়ের কারণে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে চরমভাবে।

আরও পড়ুন:


ফ্ল্যাটের অংশ লিখে না দেয়ায় স্ত্রীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ২৬৯৭

দেশে করোনায় আজ ৮৩ জনের মৃত্যু

খালেদা জিয়ার স্টাফদের আবারও করোনা টেস্ট


ঘাট এলাকায় ব্যক্তিগত যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাকের সাড়ি রয়েছে। কোথাও দেখা যায়নি স্বাস্থ্যবিধি মানার লক্ষণ। মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহনে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ঘাটে আসছেন যাত্রীরা।

লঞ্চ বন্ধ থাকলেও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্পীডবোট ও ট্রলারে পারাপার হচ্ছে। ইজিবাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলে বরিশাল থেকে ৫ শ থেকে ৬ শ টাকা, গোপালগঞ্জ ৫শ টাকা, খুলনা ৭ শ টাকা, মাদারীপুর ২শ টাকা, বাগেরহাট ৬শ৫০ টাকাসহ প্রতিটি যানবাহনেই কয়েকগুন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

৯ ঘণ্টা রিক্সা চালিয়ে সাত মাসের সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে বাবা

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

৯ ঘণ্টা রিক্সা চালিয়ে সাত মাসের সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে বাবা

সাত মাস বয়সী শিশু কন্যা জান্নাত গত মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে রাতেই বাবা তারেক ইসলাম ঠাকুরগাঁও সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান। একদিন চিকিৎসা দিয়েই  উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশু জান্নাতকে রংপুরে রেফার্ড করেন চিকিৎসক।

কিন্তু চলমান কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া টাকা জোগাড় করতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েন রিক্সাচালক বাবা।

চারদিন ধরে কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে গতকাল নিজে রিক্সা চালিয়ে সন্তানকে নিয়ে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান তিনি।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে  প্রায় ১১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিকাল সোয়া তিনটায় রংপুরে পৌঁছান।

তারেক ইসলাম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর গ্রামের রামবাবুর গোডাউন এলাকার আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে।


সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

নারী ফুটবল দলে করোনার হানা

নিখোঁজের ১১২ দিন পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল নারীর লাশ


জানা যায়, তারেক ইসলাম রিক্সা চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ওয়াজ মাহফিলে সাউন্ড সিস্টেম অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু কোভিড ১৯ ও কঠোর লকডাউন শুরুর পর থেকে অনুষ্ঠান না থাকায় তার বাড়তি আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। লকডাউন পরিস্থিতিতে রিক্সা  চালাতে না পেরে অসহনীয় কষ্ট নেমে এসেছে পরিবারটির উপর।

তারেক ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে হাসপাতাল থেকে বাচ্চাকে নিয়ে বাড়িতে যাই। কিন্তু বাড়িতে আসার পর বাচ্চার অবস্থা দেখে আমি চিন্তিত হয়ে পড়ি। কিন্তু লকডাউনের কারণে আমার অবস্থা এতটাই খারাপ যে আগামীকাল কী খেয়ে বেঁচে থাকব সেই ব্যবস্থাও আমার নেই। এ অবস্থায় আমি কীভাবে শিশু বাচ্চাকে নিয়ে এত দূরের রাস্তা যাব ভেবে পাচ্ছিলাম না। যখন অ্যাম্বুলেন্সের টাকা জোগাড় করতে পারলাম না। তখন এক মাত্র শিশুকন্যাকে বাঁচানোর জন্য রিক্সা চালিয়ে রংপুরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

তিনি আরও বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজের শিশু ওয়ার্ডে শিশু জান্নাতকে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক দেখার পর প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র লিখে দেন। অপারেশন করতে হতে পারে বলে জানান  চিকিৎসক। কিন্তু অপারেশন করার মতো টাকা আমার কাছে নেই। এমনকি চিকিৎসকের লিখে দেওয়া প্রাথমিক পর্যায়ের ওষুধ, স্যালাইন, ইঞ্জেকশন ক্রয়ের জন্য কোনো টাকাও আমার নেই। এখন আমি কী করব আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না বলে জানান তিনি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাস্তায় অসহনীয় যানজট, তার ওপরে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ

অনলাইন ডেস্ক

রাস্তায় অসহনীয় যানজট, তার ওপরে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ

করোনা নিয়ন্ত্রণে আগামিকাল থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে সরকার। এমন ঘোষণার পর থেকেই যে যেভাবে পারে ছুটছেন গ্রামের উদ্দেশে। লকডাউনের আগের দিন হওয়ায় বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি, মোটরসাইলের কারণে ঢাকার রাস্তায় অসহনীয় যানজট।

ট্রাক অথবা পিকআপে করে গ্রামে ছুটছেন অসংখ্য মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ট্রাকে গাদাগাদি করেই ফিরছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি মানারতো বালাই নেই। কারও মাস্ক আছে তো কারও নেই। যা ইচ্ছে তাই অবস্থা। মনে হচ্ছে করোনা বলে তাদের কোন শব্দই জানা নেই।

কর্তব্যরত ট্রাফিক ‍পুলিশরাও যেন নির্বিকার। তারা বলছেন, লকডউনে খেটে খাওয়া মানুষের কাজকর্ম থাকবে না। অনেকের অফিস বন্ধ। তাই অনেকেই ঢাকা ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন। এ কারণে অন্যান্য সময়ের তুলনায় গত দুই দিনে গাড়ির চাপ বেশি।

আরও পড়ুন


ভিডিও ফুটেজ দেখে তাণ্ডবকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: কাদের

দৌলতদিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যান

আনুশকার জন্যে নায়ক হলেন ইরফানের ছেলে (ভিডিও)

শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষদের উপচে পড়া ভিড়


এদিকে গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী তোলার কথা থাকলেও কিছু গণপরিবহনে যাত্রীরা দাঁড়িয়ে আছেন। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বেশি। আবার অনেকে গাড়ির জন্য ঘণ্টাব্যাপী অপেক্ষা করে অবশেষে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে ছুটেছেন।

ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা বলছেন, ঢাকার উত্তর-পশ্চিম অংশের গাবতলী পর্যন্ত ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের এলাকা। কিন্তু ডিএমপির এলাকার বাইরেও গাড়ির চাপ আছে। এ কারণে ডিএমপি থেকে ট্রাফিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবু চাপ সামলানো যাচ্ছে না।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর