বাংলাদেশ হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা: শেখ হাসিনা

শাহ্ আলী জয়

বাংলাদেশ হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা: শেখ হাসিনা

ফাইল ছবি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা। 

মুজিব বর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, বাংলাদেশে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার আশ্বাস দেন। আর ভিডিও বার্তায় রুশ প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুকে রাশিয়ারও প্রকৃত বন্ধু বলে উল্লেখ করেন। 

বাংলাদেশের ইতিহাসের দুই মাহেন্দ্রক্ষণ বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গী হন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ঘিরে ‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্যে দশ দিনের যে অনুষ্ঠানমালা তাতে শুক্রবারের থিম ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা। প্যারেড গ্রাউন্ডে উপভোগ করেন রাষ্ট্রীয় অতিথি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জণে জাতির জনকের অবিস্মরণীয় নেতৃত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।


বাড়িতে একা পেয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

৭ বছরের সন্তানকে বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল বাবারও

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিককে দল বেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

এই দেশে সব হতে পারে; কিন্তু বাচ্চাদের পরীক্ষা হতে পারে না!


শ্রীলঙ্কা সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হলো। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। আশ্বাস দেন উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার।

এদিন ভিডিও বার্তায় রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাঙালির বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাশিয়ারও প্রকৃত বন্ধু। তৃতীয় দিনে প্যারেড গ্রাউন্ড মঞ্চে দেশের শীর্ষ শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের সংগ্রাম, ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং জাতির জনকের অবিস্মরণীয় অবদান ফুটে ওঠে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায়।

news24bd.tv / কামরুল  

পরবর্তী খবর

রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন : আইনমন্ত্রী

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। 

মঙ্গলবার (১৮ মে) রাতে রাজধানীর গুলশানে সরকারি আবাসিক অফিসে  সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেস ক্লাব ও বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোজিনা ইসলামের বিষয়ে তাঁকে অবহিত করেন। এ সময় মন্ত্রী ওই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুধু এইটুকু বলব, এ রকম একটি ঘটনায় সরকার ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হোক—এ রকম কোনো সন্দেহ যদি থাকে, তাহলে সরকার সেটি দূর করার চেষ্টা করবে। পরশুদিন বোধ হয় জামিনের শুনানি আছে, সেটি আদালত নিশ্চয়ই দেখবেন, সবকিছু বিবেচনা করবেন। আমিও প্রসিকিউশনকে মামলাটা খতিয়ে দেখার জন্য বলব। তবে এটুকু বলতে পারি অবশ্যই তিনি (রোজিনা ইসলাম) ন্যায়বিচার পাবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের জন্য হুমকি

অনলাইন ডেস্ক

সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের জন্য হুমকি

সচিবালয়ে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা হেনস্তার পর প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে থানায় সোপর্দ, মামলা দায়ের, সারা রাত থানায় রাখা, আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন, জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।

আজ মঙ্গলবার সম্পাদক পরিষদের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

সংগঠনের পক্ষে সংগঠনের সভাপতি মাহফুজ আনাম ও সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম বিবৃতিটি পাঠিয়েছেন। সম্পাদক পরিষদ রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবি করছে। নিঃশর্তভাবে তাকে মুক্তির পাশাপাশি পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে।

সম্পাদক পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদ গভীর উৎকণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ্য করছে, ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টের আওতায় রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই যুগে এই সময়ে একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ আমলের করা আইনে মামলা দায়ের সংশ্লিষ্টদের সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের নেতিবাচক মনোভাব ও অশুভ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্বের চেষ্টার পাশাপাশি আগামী দিনের স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের জন্য হুমকি। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের হীন চেষ্টা সংবাদপত্রের অস্তিত্বকে হুমকির দিকে ঠেলে দেয় ও পেশাকে চ্যালেঞ্জের দিকে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এই নজিরবিহীন ঘটনা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কক্ষে জিম্মি করে রাখা, তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করার ঘটনা শুধু দুঃখজনক নয়, এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোন আইনে একজন সাংবাদিককে এভাবে আটকে রাখা হলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা বের করতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে দোষীদের বিরুদ্ধে।

পরবর্তী খবর

তদন্ত কমিটি গঠন, মামলার বাদীর দপ্তর বদল

অনলাইন ডেস্ক

তদন্ত কমিটি গঠন, মামলার বাদীর দপ্তর বদল

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আটক করে রাখার ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) মো. সাইফুল্লাহিল আজমকে আহ্বায়ক করে আজ মঙ্গলবার এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

কমিটির দুই সদস্য হলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মো. আবদুছ সালাম ও মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

এদিকে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরকারী স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানীর দপ্তর বদল করা হয়েছে। তাঁকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জনস্বাস্থ্য-১ অধিশাখা থেকে জনস্বাস্থ্য-২ অধিশাখায় পদায়ন করা হয়েছে। গত সোমবারের অফিস আদেশে এই বদলি করা হলেও আজ সেটি জানা যায়। একই আদেশে আরও পাঁচ কর্মকর্তার দপ্তর বদল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, অনুমতি ছাড়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার পর শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এরপর মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার।

পরে রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর প্রিজন ভ্যানে করে তাকে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক রোজিনাকে ‌হেনস্তার বিষয়ে যা বলল টিআইবি

অনলাইন ডেস্ক

সাংবাদিক রোজিনাকে ‌হেনস্তার বিষয়ে যা বলল টিআইবি

রোজিনা ইসলামের মুক্তি ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, তার প্রতি আচরণ শিষ্ঠাচার বহির্ভূত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরার শামিল।

মঙ্গলবার (১৮ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে হেনস্তা এবং রাতে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে যেভাবে নথি চুরির মামলা দেওয়া হয়েছে তাতে টিআইবি তীব্র নিন্দা ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।

এ ঘটনায় অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের নামে দেওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত মুক্তি দানের আহবান জানাই। একইসঙ্গে এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে বিবেচনাবোধের পরিচয় দেওয়ার আহ্বানও জানায় টিআইবি।

সংস্থাটি বলছে, করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের ক্রয় থেকে শুরু করে প্রতিটি পর্যায়ে দুর্নীতির যে ভয়াল ও অমানবিক চিত্র জাতির সামনে এসেছে, তার অনেকটাই সম্ভব হয়েছে রোজিনা ইসলামের মতো অকুতোভয় সাংবাদিকদের নিরন্তর প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার কারণে। এই সময়ে এমন ঘটনা মুক্ত সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরারই নামান্তর।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং করোনা সংকট মোকোবিলায় প্রতিষ্ঠানটির সমন্বয়হীনতা, পেশাদারিত্বের যে ঘাটতি ও স্বরূপ রোজিনা ইসলামের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনসমূহে উঠে এসেছে, এটাকে তারই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করাই স্বাভাবিক। এখন পর্যন্ত যারা কিছুটা হলেও নীতি ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করছেন, শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিয়মিত জনস্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছেন, এটা তাদের জন্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষ থেকে একটি হুঁশিয়ারি বার্তা বলে মনে করি। এর রেশ আমাদের ধারণারও বাইরে।'

এ ঘটনায় যেভাবে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার বিষয়কে টেনে এনে ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩’  এর ৩ ও ৫ ধারা এবং পেনাল কোডের ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় যেভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, 'এক্ষেত্রে রোজিনা ইসলামের সাংবাদিক পরিচয়কে কোনোভাবেই বিবেচনা করা হয়নি, বরং তাকে ফাঁদে ফেলে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে পুরো গণমাধ্যমকেই একহাত নেওয়ার অপচেষ্টা করেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।'

ড. জামান আরও বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইন পাস হওয়ার ফলে বাক ও মত প্রকাশের যে আশার আলোটুকু আমরা দেখতে শুরু করেছিলাম অচিরেই ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে নিবর্তনমূলক ৩২ ধারায় ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩’ সন্নিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল রোজিনা ইসলামের ঘটনার মধ্য দিয়ে তার নগ্ন পরিণতি পেয়েছে। এর নিন্দা জানাবার ভাষাও হারিয়ে ফেলেছি। আমরা কী সামনের দিকে এগোচ্ছি না-কী উল্টো যাত্রা শুরু করেছি? এর শেষ কোথায়! এক শ্রেণির অসাধু, নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মকর্তা ও উচ্চ পদে আসীনদের কাছে সরকার কী ক্রমাগত জিম্মি হয়ে পড়ছে!'

ইতোপূর্বে সাংবাদিক নির্যাতনের একটি ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়ার যে দৃষ্টান্ত রয়েছে তার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে টিআইবি গণতন্ত্র, ন্যায়বোধ, সুশাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখার স্বার্থে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের ভবিষ্যতের জন্য অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের জোর দাবি জানায়।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় সাংবাদিকরা

অনলাইন ডেস্ক

স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় সাংবাদিকরা

দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা এবং তাকে নিপীড়নের প্রতিবাদে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে শাহবাগ থানায় অবস্থান করছেন।

স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে শাহবাগ থানায় অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকরা হলেন- বদরুদ্দোজা বাবু, মিলটন আনোয়ার, মহিম মিজান, পারভেজ রেজা, মুনজুরুল করিম, আব্দুল্লাহ তুহিন, খান মুহাম্মদ রুমেল, অপূর্ব আলাউদ্দীন, আবদুল্লাহ আল ইমরান, নয়ন আদিত্য, মুক্তাদির রশীদ রোমিও, এস এম নূরুজ্জামান, শাহনাজ শারমিন ও কাওসার সোহেলী।

এ সময় রোজিনা ইসলামের সঙ্গে জেলে যেতে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদের কাছে আবেদন করেন তারা। 

মঙ্গলবার (১৮ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা শাহবাগ থানায় যান। তারা জানান, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে একই অভিযোগ যেকোনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা যায়। কারণ, অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা জনস্বার্থে এমন গোপন নথির মাধ্যমে দুর্নীতির উন্মোচন করেন।

প্রসঙ্গত, অনুমতি ছাড়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার পর শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এরপর মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার।

পরে রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর প্রিজন ভ্যানে করে তাকে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর