টিকা নেওয়ার পরও সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত সুনামগঞ্জের এমপি

মো.বুরহান উদ্দিন, সুনামগঞ্জ

টিকা নেওয়ার পরও সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত সুনামগঞ্জের এমপি

টিকা নেওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হলেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি ও তার স্ত্রী মাসকুরা হোসাইন দীনা।

গত মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) করোনার উপসর্গ সন্দেহে নমুনা দেন পীর মিসবাহ ও তার সহধর্মিণী পরে গতকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তের বিষয়টি সুনামগঞ্জ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন।


দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত

মওদুদ আহমদ আমাদের একজন অভিভাবক ছিলেন: ফখরুল

সুনামগঞ্জে আবারও মহাসমাবেশ ডেকেছে হেফাজত

পত্রিকার সাংবাদিকগুলো বিসিএস ক্যাডার চাকরিটাকে বিশাল কিছু বানিয়ে ফেলেছেন


তবে পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ সামান্য জ্বর সর্দি থাকলেও সুস্থ্য আছেন বলে জানা যায়। সুনামগঞ্জ-৪ আসন (সুনামগঞ্জ সদর-বিশ্বম্ভরপুর) সাংসদ ও বিরোধীদলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ জানান, "গত তিন দিন আগে হালকা জ্বর-সর্দি হলে করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষা করতে দেই। সুনামগঞ্জে এখন করোনার নমুনা দিলে তিন দিন পরে রেজাল্ট আসে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আমার এবং আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।" 

তবে তিনি এবং তার স্ত্রী হালকা জ্বর-সর্দি ছাড়া এমনিতে সুস্থ আছেন। সাংসদ সবার কাছে সুস্থতা কামনা করে দোয়া চেয়েছেন।

news24bd.tv আয়শা

পরবর্তী খবর

কোভিড-১৯ এর ভয় আর নয় আর নয়

আলিয়া ফেরদৌস আজাদ

কোভিড-১৯ এর ভয় আর নয় আর নয়

আলিয়া ফেরদৌস আজাদ

মাত্র ১২৫ ন্যানো মিটার এর অদৃশ্য শত্রু। পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় কুক্ষিগত করে রেখেছে। আজ আমাদের জীবনটাও তার ইশারাতেই চলছে। মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সামাজিক দূরত্ব, লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন এই নতুন শব্দ গুলো যেনো আমাদেরকে আষ্টে পৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ, বাচ্চারা বাসায় থেকে থেকে সংকীর্ণমনা হয়ে যাচ্ছে, তাদের গেজেট আসক্তি বাড়ছে, আচরণগত সমস্যা দেখা দিচ্ছে, পড়ালেখা পেছাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ধ্বস আর তার সাথে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, সব মিলিয়ে আমাদের জীবনটা যেনো তার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। আমাদের কাছের মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে ,নিজেদের জীবন নিয়ে ভয়ে আছি। এই পরিস্থিতিতে মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। ‘ভয়’ মানুষের স্বাভাবিক আবেগের প্রকাশ। কিন্তু, এটাই যখন আতঙ্কে রূপ নেয়, আমরা মানসিক ভাবে অসুস্থ হই যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে থাকে। 

কোভিড এর সাথে যুদ্ধের প্রধান অস্ত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। তাই মানসিক ভাবে আরো দৃঢ় থাকাটা জরুরী। কিন্তু কিভাবে? আমাদের কারোরই দুশ্চিন্তা করতে অথবা ভয় পেতে ভালো লাগে না। এটা অজান্তেই মনে বাসা বাঁধে। এই দুশ্চিন্তা, ভয় কমানোর বা মানসিক ভাবে ভালো থাকার বেশ কিছু উপায় আছে যা সুস্থ থাকতে এবং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সাহায্য করবে। 

এখন আমরা মনের যত্নের উপাত্তগুলো জেনে নেই-

গুণগত সময় ব্যয় করা: পরিবারের সদস্যদের একে অপরের সাথে গুণগত সময় ব্যয় করতে হবে। যেমন- একসাথে গান শোনা বা কোন মুভি দেখা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একে অপরের পছন্দকে প্রাধান্য দিতে হবে। রুটিন করে একেকদিন একেক জনের পছন্দের বিষয় নিয়ে একসাথে উপভোগ করা যেতে পারে। এতে সবারই মন ভালো থাকবে।

হালকা ব্যয়াম অনুশীলন: ফ্ল্যাট বাসা গুলো আয়তনে অনেক ছোট হয়, ব্যয়ামের জন্য জায়গা পাওয়া যায় না। তাই যাদের বাসায় ব্যয়ামের যন্ত্র নেই তারা কিছু আসবাব একপাশে সরিয়ে ব্যয়ামের জন্য জায়গা বের করে নিতে পারেন। নিয়মিত ব্যয়ামে আমাদের মনের অস্থিরতা কমবে এবং সন্তানদের মাঝে সুঅভ্যাস গড়ে উঠবে।

ধর্ম চর্চা: ধর্ম চর্চা মানুষের মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সকলে অথবা আপনি একাই ধর্ম চর্চা শুরু করতে পারেন। আপনাকে দেখে পরিবারের ছোট সদস্যরা আগ্রহী হবে। 

সামাজিক মাধ্যম: এই সময় বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম থেকে আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি যার সব সঠিক নয়। কিন্তু বিভিন্ন গুজব অথবা ভুল তথ্য আমাদের মনের অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এছাড়া এধরণের নেতিবাচক খবর অনেক সময় নিয়ে দেখলে বা শুনলে মনে বিষন্নতা জন্ম নেয়। তাই খবর দেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।

সামাজিক যোগাযোগ: সময়ের অভাবে অনেকদিন হয়ত বন্ধু, আত্নীয়দের খোঁজ নেয়া হয়নি। এই সময় এই কাজটি করা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে আলোচনার বিষয় সবসময় যেন নেতিবাচক না হয়।

প্রাণ ভরে হাসুন: হাসি একটি বিনে পয়সার ঔষধ যা বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না, কিন্তু এটি আমাদের মনকে ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সবাই মিলে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় হাসির ব্যয়ামের জন্য বেছে নিতে পারেন।  

নিশ্বাসের ব্যয়াম: নাক দিয়ে জোরে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রেখে তা মুখ দিয়ে ছেড়ে দিন। এভাবে কয়েকবার নিশ্বাসের ব্যয়াম করুন। এতে মনের অস্থিরতা কমবে।

ভাষার ব্যবহার: আমাদের সবারই ভাষা ব্যবহারে সচেতন হওয়া উচিত। এই সময়টা আমরা একে অপরের সমালোচনা না করে বরং তার ভাল কাজের জন্য আগ্রহ দিতে পারি। কিংবা উপদেশের পরিবর্তে ভাল কাজের দৃষ্টান্তে আপনি নিজেই অনুকরণীয় হতে পারেন। 

ইতিবাচক চিন্তা: বিশ্বব্যপী যে সংকট দেখা দিয়েছে তাতে মনে ইতিবাচক চিন্তা আনা কঠিন। কিন্তু একটিবার যদি ভেবে দেখি আমাদের অহেতুক দুশ্চিন্তা কোন সমাধান আনবেনা বরং এটা ছোঁয়াচে রোগের মত আরো মানুষের ক্ষতি করবে। তাই আমরা যদি মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই তা আমাদের মানসিক শান্তির সহায়ক হবে। ইতিবাচক কাজ ইতিবাচক চিন্তা বাড়ায়।

ঘুম ও খাদ্যভ্যাস: পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে পরিবারের সকলকে আগ্রহী করতে হবে।

পরিশেষে মনে রাখুন, আপনি একা নন। সারা বিশ্বের কোটি মানুষ কোভিড-১৯ মোকাবেলার জন্য ত্যাগ স্বীকার করছে। একটি সুন্দর আগামীর প্রত্যাশাই আমাদের বেঁচে থাকার চাবিকাঠি।

লেখক, আলিয়া ফেরদৌস আজাদ
সিনিয়র কাউন্সিলর, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ৪০ জেলা : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ৪০ জেলা : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬৮ জনের। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৮ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৫ জনে। এদিকে  বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২১ শে জুন প্রকাশিত সর্বশেষ সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৪০ জেলা বর্তমানে করোনা সংক্রমণের অত্যান্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

দেশের ৬৪ জেলায় এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনা  প্রতিটা দেশের ঝুঁকির তিনটি স্তর চিহ্নিত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের সব জেলাতেই সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছয়টি খুব উচ্চ ঝুঁকিতে আছে, এবং বাকি দুটি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে চট্রগ্রামের ছয় জেলাও আছে অত্যন্ত ঝুঁকিতে, তিনটি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে এবং একটি জেলা মাঝারি ঝুঁকিতে।

খুব বেশি সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে দেশের, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, বরিশাল, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, সিলেট ও ​​রাজবাড়ি।

দেশের রাজধানী ঢাকাসহ আরও দুটি জেলা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে বরিশালের তিনটি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে এবং বাকি তিনটি রয়েছে মাঝারি ঝুঁকিতে।

সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সংক্রমণ এখনো তুলনামূলক কম বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

গত বছর চীনের উহান থেকে সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর দেশে গত বছরের ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

অনলাইন ডেস্ক

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

সারা দিনে আমরা যত পানি খাই তা আমাদের কিডনির মাধ্যমে ছেঁকে মূত্রনালি দিয়ে মূত্র হিসেবে বেরিয়ে যায়। প্রস্রাবের ইনফেকশনের কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু যাদের এই ইনফেকশন আছে তারা  জানে কি যন্ত্রণাদায়ক এই রোগ। এই সমস্যাটিকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বলা হয়। প্রস্রাবের ইনফেকশন হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনেকেই আবার প্রায়ই প্রস্রাবের ইনফেকশনে ভোগেন।

দীর্ঘ সময় এই স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়াভাবে এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করুন। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি এমন কিছু খাবার খান যেগুলো প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে।

পেঁপে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। ফলে ইনফেকশন তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।

ব্রোকলি
ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। পাশাপাশি এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ইনফেকশন থেকে মুক্তি মেলায়।

ক্রেনবেরি জুস
লাল রঙা জাম জাতীয় এই ফল প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয়। ক্রেনবেরিতে বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

দারুচিনি
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই সমাদৃত দারুচিনি। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়। একটি গবেষণায় জানা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে দারুচিনি।

মেনে চলুন কিছু বিষয়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের হয়ে যাবে।

ইউরিন ইনফেকশন সেরে না উঠা পর্যন্ত চা-কফি, ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল পান করবেন না। কারণ এগুলো মূত্রথলির আরো ক্ষতি করতে পারে।

জাম জাতীয় ক্রেনবেরি ছাড়াও ব্লু বেরি ফল পেলে খাবেন, এসব ফল প্রস্রাব ইনফেকশন দূর করতে উপকারি।

মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না।

প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই খেলে উপকার পাবেন।

প্রস্রাবের ইনফেকশনের সময় অ্যাসিডিক ফল (লেবু, কমলালেবু) বেশি খেলে পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যেতে পারে।

ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলে অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স পুরো শেষ করুন। ভালো বোধ করলেও অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করা জরুরি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

সুস্থ পেশি, ওজন নিয়ন্ত্রণ, উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য কাঠবাদাম খাওয়া বেশ উপকারী। এসকল গুণাগুণের জন্য একে ‘সুপার ফুড’ বলেও অভিহিত করা হয়। কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। 

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।


 কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।

 কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

অনলাইন ডেস্ক

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

প্রতিবছর সারাবিশ্বে সাত লাখ লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার লোক মারা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই তথ্য জানা যায়। মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর তৃতীয় কারণ স্ট্রোক। আমাদের দেশেও এ সংখ্যা কম নয়। স্ট্রোকে আক্রান্তদের দুই-তৃতীয়াংশই মারা যায় বা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। আর একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় স্ট্রোক বলে।

স্ট্রোক দুই প্রকার। ইসকেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালির ভেতর জমাট বাধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। মোট স্ট্রোকের শতকরা ৮০ ভাগই এ ধরনের স্ট্রোক। 

মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে গেলে রক্তক্ষরণ হয়। এটি হেমোরেজিক স্ট্রোক।

বয়স কম হোক কিংবা বেশি- অনেকেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা এর কারণ হিসেবে দায়ী করছেন অনিয়মিত জীবন যাপনকে। লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনলেই হার্ট অনেকটা সুস্থ থাকবে।

চলুন জেনে নিই জীবনযাপনে কী পরিবর্তন আনতে হবে- 

নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে হার্ট সুস্থ থাকে। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন শরীরচর্চা করতে হবে।

মদ্যপান এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকুন
ধূমপান একেবারে ছেড়ে দেয়া দরকার। অ্যালকোহলজাত পানীয় কম পান করুন।

রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা দরকার
শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শর্করা থাকলে তা কখনও ভালো নয়। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা এমনিই কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম দরকার
৭ ঘণ্টা ঘুম সুস্থ থাকার জন্য খুব জরুরি। স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা দরকার। তার জন্য নিয়মিত যোগব্যায়াম করাও দরকার। নিয়মিত শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে রাতের ঘুম ভালো হয়। রক্তকণিকা সুস্থ থাকে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে
আপনার প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড, আর ফ্যাট-এর পরিমাণে যেন সমতা থাকে। সতেজ ফল, শাক সবজি খান। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, এমন মাছ রাখুন রোজকার ডায়েটে। নুন, মিষ্টি, রেড মিট খাওয়া কমান।

news24bd.tv /আলী

পরবর্তী খবর