গরমে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও যেসব খাবার খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও যেসব খাবার খাবেন

গরমে এ শারীরিক পরিবর্তনগুলোকে প্রতিরোধ করতে খাবারের গুরুত্ব অপরীসিম। গরমে সঠিক পুষ্টির লক্ষ্যে সুস্বাস্থ্য রক্ষায় সে দিকগুলো খেয়াল রাখতে হবে তা হল-

* প্রথম ও প্রধান সাবধানতা হল বাহিরের খোলা জায়গার পানি, শরবত, আখের রস পরিহার করা, এগুলো গ্রহণের ফলে সৃষ্ট ডায়রিয়া, আমাশয় হয়।

* নিরাপদ বিশুদ্ধ পানি পান করা, ঘরের তৈরি শরবত, পানি জাতীয় শাকসবজি ও ফল বেশি খাওয়া।

* গরমে ডাব, তরমুজ, বাঙ্গি, বেলের শরবত এগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে হাত ধুয়ে খাবারের উপযোগী করা।

* গরমে মাছ, মাংস, ভুনা, ভাজি, খিচুড়ি, পোলাও, ফাস্টফুড কমিয়ে পাতলা আম ডাল, পাতলা দুধ, টকদই, করলার ঝোল তরকারি, লেবু চিনির শরবত, সালাদ, রসালো ফল খাওয়া যেতে পারে।

* গরমে সাদা ভাত, পোলাও, বিরানি, খিচুড়ি পরোটা থেকে অনেক বেশি খাদ্যোপযোগী।


দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত

মওদুদ আহমদ আমাদের একজন অভিভাবক ছিলেন: ফখরুল

সুনামগঞ্জে আবারও মহাসমাবেশ ডেকেছে হেফাজত

পত্রিকার সাংবাদিকগুলো বিসিএস ক্যাডার চাকরিটাকে বিশাল কিছু বানিয়ে ফেলেছেন


* যারা নিয়মিত হাঁটেন, তারা শুধু সময় পরিবর্তন করলেই চলবে। যেমন সকালে না হেঁটে বিকাল/সন্ধ্যার পর হাঁটা বেশি আরামদায়ক।

* গরমে খুব বেশি হাঁটা, ব্যায়াম, অত্যাধিক পরিশ্রম, অত্যাধিক খাদ্য গ্রহণ পরিহার করুন।

* পোশাক পরুন আরামদায়ক। হালকা রং বেছে নিন পোশাকে।

* নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

যারা অতিরিক্ত ওজনে ভুগছেন তারা এই গরমে সজাগ হোন পথ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে। ওজন কমানোর জন্য গরমকাল সহায়ক। কেননা আপনি যদি উচ্চ ক্যালরি পরিহার করে নিন্ম ক্যালরির খাদ্য গ্রহণ করেন তবে ওজন কমবে। নিন্ম ক্যালরি খাবারের মধ্যে রয়েছে ফল (যেমন- তরমুজ, বাঙ্গি, জাম, জামরুল, ডাব ইত্যাদি) ও সবজি (যেমন- লাউ, পেঁপে, ঝিংগা, কুমড়া ইত্যাদি)। 

গরমে খাদ্য তালিকায় তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক হোন। গরমে তেলের ব্যবহার একেবারেই কমিয়ে দিন। কেননা ১ গ্রাম তেল শরীরের ভেতর ৯ কিলো ক্যালোরি তাপ উৎপন্ন করে। উচ্চ তাপমাত্রায় ও আদ্রতায় শরীরের তাপ বাইরে বেরুতে পারে না।

news24bd.tv আয়শা

পরবর্তী খবর

বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখার ঘরোয়া ৩টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখার ঘরোয়া ৩টি টিপস

বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ঘর জীবাণুমুক্ত রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে জীবাণুনাশক ব্যবহারের চেয়ে ঘরোয়া কিছু উপাদানে ঘর পরিষ্কার করলেই জীবাণু দূর হবে। এমনকি ঘরের ছোট সদস্যরাও বিপদমুক্ত থাকবে। 

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে কোন ঘরোয়া উপাদানগুলো ব্যবহার করবেন-

লেবুর রস

স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই সকালে গরম পানি ও তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে পান করে থাকেন। কিন্তু এর পাশাপাশি লেবুর একটি অন্য গুণও আছে। লেবুর রস জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া লেবু দিয়ে পরিষ্কার করলে তা আরও বেশি দ্রুত উজ্জ্বল হয়।

সাদা ভিনেগার

এই উপাদানটি অ্যাসিড হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও জীবাণুনাশক হিসেবে এর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও চটচটে ময়লা সহজেই তুলে ফেলতে পারে ভিনেগার।

বাষ্প

ঘরে জলীয় বাষ্প তৈরি করা গেলেও, তার কারণে জীবাণুর উৎপাত কমে যেতে পারে এটা অনেকেই জানতেন না। স্বাভাবিকভাবেই এই পদ্ধতিতে অনেকেই ঘর জীবাণুমুক্ত করে থাকেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তির ৬টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তির ৬টি টিপস

ঘরে তেলাপোকার যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আমরা অনেকেই কীটনাশক ব্যবহার করে থাকি। কিন্ত ঘরে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকলে কীটনাশক ব্যবহার বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। 

তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ তাদের এক প্রতিবেদনে কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি টিপস দিয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

১. দারচিনির গুঁড়া ছিটিয়ে দিন রান্নাঘরের কোণে। তেলাপোকা আসবে না।

২. বোরিক অ্যাসিড ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে ছিটিয়ে দিন তেলাপোকার বাসা বাধার স্থানে।

৩. গরম পানির সঙ্গে এক ভাগ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে সিঙ্কের ড্রেনে রাতে ঘুমানোর আগে ঢেলে দিন। পাইপে থাকা তেলাপোকা দূর হবে। দ্রবণটি সিঙ্ক ও চুলার আশেপাশেও স্প্রে করে দিন।

৪.একটি লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও এক লিটার গরম পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। দ্রবণটি স্প্রে করে দিন সেসব জায়গায় যেখানে তেলাপোকার আনাগোনা বেশি।

৫.এসেনশিয়াল অয়েলের সাহায্যে দূর করতে পারেন তেলাপোকা। তেল ছিটিয়ে দিন তেলাপোকা যেখানে বেশি দেখা যায় সেখানে। সারারাত রেখে পরদিন পরিষ্কার করে ফেলুন।

৬.নিমপাতা ছড়িয়ে দিন ঘর ও রান্নাঘরের আনাচেকানাচে। তিন দিন পর সরিয়ে ফেলুন। নিম অয়েলের সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে স্প্রে করলেও উপকার পাবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেদ কমাতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

মেদ কমাতে করণীয়

মেদ কমাতে করণীয়

ওজন কমানোর জন্য বেশি সমস্যায় পড়তে হয় পেটের মেদ কমানোর সময়। শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও পেটের মেদ সহজে কমে না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই পেটের মেদ কমানো যাবে।


আরও পড়ুন:

মোংলা হাসপাতালে ১৫টি বেডসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল ভারতীয় কোম্পানি

লোকালয়ে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা ৮ ফুট অজগর

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


রুটিন মেনে খাওয়া দাওয়া

বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত, খাওয়ার সময় যদি ধীরে ধীরে, অনেকক্ষণ ধরে চিবিয়ে খাবার খাওয়া হয়, তাহলে সেটা হজম হবে অনেক তাড়াতাড়ি। তাড়াহুড়ো করে খেলে মস্তিষ্ক ঠিক মতো শরীরকে বার্তা পাঠাতে পারে না।

উদ্বেগ কম

মন শান্ত না থাকলে শরীরের মেটাবলিজম হার কমে যায়। ঘুম ঠিক করে হয় না। এমনকি খাবারও হজম হতে দেরি হয়। তাই পারুন মন শান্ত রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে খাওয়ার সময় এবং ঘুমের আগে।

সোজা হয়ে বসুন

আমরা বেশির ভাগ সময় সোজা হয়ে বসি না। বসার সময় খেয়াল রাখতে হবে শিরদাঁড়া যেন সোজা থাকে।

পেটের ব্যায়াম করুন

পেটের মেদ কমাতে শুধু কার্ডিয়ো করলে হবে না, পেটের ব্যায়াম করতে হবে। তবে পেটের মাংসপেশিগুলো ট্রেন করে টানটান করার জন্য পেটের ব্যায়ামের বিকল্প নেই।

যোগব্যায়াম

যোগব্যায়ামেও পেটের মেদ কমানো সম্ভব। ধনুরাসন, ভুজাঙ্গাসন, উস্ত্রাসনের মতো বেশ কিছু আসন আপনাকে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।

 news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

হেডফোন খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তবে প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি ব্যবহারের একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক হেডফোনকে ভালো রাখার কিছু সহজ টিপস-

১. ট্রাভেলের সময় অবশ্যই একটি খাপে ভরে রাখুন হেডফোন।

২. অফিস বা বাড়িতেও হেডফোন রাখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৩. যদি অনেক দিন হেডফোন অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে এবং সেই হেডফোন যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে অবশ্যই ব্যাটারি খুলে রাখুন।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


৪.ফোনের জ্যাকে ঢোকানো অবস্থায় কখনোই হেডফোন প্যাক করা উচিত নয়। এতে ছিঁড়ে যেতে পারে হেডফোনের তার বা জ্যাকের সংযোগস্থল।

৫. ফোন বা আইপ্যাডের সঙ্গে শক্ত করে হেডফোন জড়াবেন না। এতে হেডফোনের তার কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ফলে খুব সাবধানে গুছিয়ে রাখতে হবে হেডফোন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে ভয়ের কিছু নেই। বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা মাছের কাঁটা দূর করবে সহজেই। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে মাছের কাঁটা নামানো যায় চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. অনেক সময় ঠাণ্ডা পানি, ভাতের দলা মুখে দিলে কাঁটা নেমে যায়।

২. লবণ কাঁটা নরম করতে সাহায্য করে। তবে শুধু লবণ না খেয়ে পানিতে মিশিয়ে তারপর খান। এই পানির ফলে সহজেই কাঁটা নেমে যাবে।

৩.পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ভিনেগার গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটাকে সহজেই নরম করতে পারে। তাই পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে খেলে কাঁটা সহজেই নেমে যায়।

আরও পড়ুন:


পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: প্রধান আসামী নাসিরসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে না: কাদের

পরীমণিকে নির্যাতনের ঘটনায় সংসদে বিচার চাইলেন এমপি হারুন

মামলার এজাহারে যা বলেছেন পরীমণি


 

৪.গলায় কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে অলিভ অলিভ অয়েল খেয়ে নিন। অলিভ অয়েল অন্য তেলের তুলনায় বেশি পিচ্ছিল। তাই গলা থেকে কাঁটা পিছলে নেমে যাবে সহজেই।

৫. গলায় কাঁটা আটকালে হালকা গরম পানিতে একটু লেবু চিপে নিয়ে খান। লেবুর অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দিতে পারবে। ফলে গরম পানিতে একটু লেবু দিয়ে খেলে কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে সহজেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর