প্রত্যেকটি ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বানানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রত্যেকটি ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বানানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (২০ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পার্বতীনগর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ম্যুরাল ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক উন্মোচন করেন।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধার চেতনা নিয়ে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও দেশের উন্নয়নে কাজ করছে আওয়ামী লীগ সরকার। এ সরকার সবসময় মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন


রাজধানীতে চোলাই মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ভোলায় পুকুরে পাওয়া গেল ১ কেজি ওজনের ৮টি ইলিশ

এবার ইমরানের গানে সুযোগ পেলেন পনি চাকমা

করোনায় আক্রান্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান


সদর উপজেলা পরিষদ সূত্র জানায়, শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্ত্রী উপলক্ষে পার্বতীনগর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামফলক স্থাপন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে আসাদুজ্জামান খান কামাল উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে তিনি আসতে পারেননি। তবে লক্ষ্মীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে দেখা করতে পরবর্তী সময় আসবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা পাটওয়ারী ও পার্বতীনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহম্মেদ ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

সংসদে চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানালেন এমপি মোশারফ

অনলাইন ডেস্ক

সংসদে চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানালেন এমপি মোশারফ

সরকারি চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন। জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্ব তিনি এ দাবি করেন। 

তিনি বলেন, বেকার যুবকরা শিক্ষা থেকে অনেক পিছিয়ে গেছেন। তার বয়স বাড়ানো দরকার। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। সংসদে  

মোশারফ হোসেন আরও বলেন, করোনাকালীন সময়ে আজকে শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের দিকে। আজকে যেভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে শেষ করতে দশ বছর লেগে যাবে। তাহলে স্কুল কবে খুলবে? 

বেশিরভাগ জায়গায় দেখা যাচ্ছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আর মসজিদে সব করোনার ঢেড় লেগেছে। অতিদ্রুত চাইল্ড এবং অ্যাডাল্টদের ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরানোর দাবি জানান তিনি।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান এমপি মোশারফ হোসেন। সেইসঙ্গে করোনার সময় সব হাট/বাজার মার্কেট ইত্যাদি সব কিছুই খোলা থাকে তাহলে শুধুমাত্র করোনার সময়ে স্কুল এবং মসজিদ কেন বন্ধ থাকবে বলেও প্রশ্ন রাখেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্য কমিয়ে আনারও দাবি জানান।

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসন। এই আসন ভিআইপি আসন হিসেবেও পরিচিত। জীবদ্দশায় বিএনপির নেতৃত্বে নিজের আসনসহ নোয়াখালীতে সর্বেসর্বা ছিলেন প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর এ আসনে বিএনপির নেতৃত্ব কে দেবেন তাই নিয়ে আলোচনা চলছে। 

এই আসনে মওদুদের উত্তরসূরী হিসেবে বিএনপির হাল ধরতে চান তার সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদসহ ৭জন। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে দলের ত্যাগী-পরিক্ষিত নেতা যেমন আছেন, তেমনি আছেন নতুন বিএনপি নেতাও। এ পরিস্থিতিতে যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন প্রয়াত ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি সাবেক সংসদ সদস্য হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফোরকান ই আলম, ২০ দলীয় জোট সমর্থিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি।
   
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ এগিয়ে রয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপি ছিল মওদুদ আহমদের মতো পাহাড়সম যোগ্যতার অধিকারী রাজনীতিবিদের নেতৃত্বে। আগামী দিনের রাজনীতিতে মওদুদ আহমদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধের ওপর নির্ভর করবে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা। এইটা ভুলে গেলে চলবে না।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মেহেদী হাসান টিপু বলেন, শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন। দলকে সু-সংগঠিত করতে তাকে দলের নেতৃত্বে সুযোগ দেওয়া উচিত।

হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ বলেন, প্রিয়জন হারিয়ে আমি এখনো শোকের মধ্যে আছি। তবে আমাদের দল থেকে যখন যে সিদ্ধান্ত আসবে, সে হিসেবে আমি করণীয় ঠিক করব এবং সেটাই পালন করব। তবে এলাকার মানুষ চাইলে আমি বিয়টি প্রাধান্য দেব।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি বলেন, এখানে বলতে গেলে বিএনপির অস্তিই ছিল না। সদর-কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থাটা আমি তৈরি করেছি।

বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, মওদুদ সাহেবই এলাকার রাজনীতিতে আমাকে উৎসাহিত করেন। আমি চাচ্ছি না, মওদুদ সাহেবের মৃত্যুর পরপরই এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে। বরং আমি চাচ্ছি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই এলাকার রাজনীতির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দেখভালের জন্য দায়িত্ব দিবেন। দলকে ভালোবেসে দলের দায়িত্ব নিতে আমার আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে দলের হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নিবে তা মেনেই আমরা রাজনীতি করব।

ফোরকান ই আলম বলেন, দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় আমি দায়িত্ব পালনে আগ্রহী।

ফখরুল ইসলাম বলেন, এখন অনেককে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।  দল কাকে দিবে এটা দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। 

অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি বলেন, আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। বিভিন্নভাবে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দলের কাছে আমার বক্তব্য তুলে ধরব। দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমরা তা মেনে দলের জন্য কাজ করব।

এ বিষয়ে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, যারা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলের কাজ করবে তারাই নতুন নেতৃত্বে উঠে আসবেন।

স্থানীয়দের ধারণা, এ আসনটিতে যে প্রার্থী জয় পান, তার দল সরকার গঠন করে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের সময় থেকেই এ আসনে লড়ে আসছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও মওদুদ আহমদ। যেবার মওদুদ জিতেছেন, সেবার বিএনপি সরকার গঠন করেছে, যেবার ওবায়দুল কাদের জিতেছেন, সেবার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যু হয়। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ১৯৪০ সালের ২৪ মে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতিতে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং হাওয়া ভবনের প্রতিষ্ঠাতা বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম।

তিনি আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শূন্য সহিষ্ণুতা নীতিতে অটল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী, আমলা যারাই দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর।

দুদক স্বাধীন ভাবে তদন্তের মাধ্যমে কাজ করছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলীয় অনেক এমপিরও সাজা হয়েছে, কেউই রেহাই পাচ্ছে না এবং দলীয় পরিচয়ের অনেকেই দুর্নীতির অভিযোগে জেলে আছেন।

দুর্নীতি ও অপকর্মের সাথে জড়িত কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশী আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে কোনভাবেই মনোনয়ন পাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


দুদকের মতে তথ্য প্রমাণের অভাবে অনেক মামলা এগুচ্ছে না, কাজেই ঢালাও ভাবে অভিযোগ না করে এবং অন্ধকারে ঢিল না ছুড়ে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ দিতে বিএনপির প্রতি আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন দুর্নীতি করে যারা দেশ-বিদেশে অর্থ পাচার করেছে বা সম্পদ গড়েছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকার গণমাধ্যম বান্ধব সরকার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাংবাদিক সমাজের সুখ দুঃখের সাথে তিনি জড়িয়ে আছেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গণমাধ্যমের ব্যাপক সম্প্রসারণ সরকারের উদারনীতির সাক্ষ্য বহন করে।

করোনাকালে মিডিয়া কর্মীদের বন্ধু ও স্বজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পাশে দাঁড়িয়েছেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পেশাগত মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষায় নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তায় আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

বিএনপির উদ্দেশ্যমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্যের বিপরীতে ওবায়দুল কাদের বলেন দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের স্বার্থের বিপক্ষে কোনো কাজ শেখ হাসিনা সরকার করেনি, করবেও না।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির শাসনামলে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের রেকর্ড গড়েছিলো তারা এবং তাদের শাসনামলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার অভিযোগও এনেছিলো বিএনপি। 

গণমাধ্যমের সেই শত্রু ও নির্যাতনকারী বিএনপি আজ সাংবাদিকদের বন্ধু সেজেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, তাদের মুখোশ সবার জানা, বিভিন্ন পেশায় কর্মরতদের উস্কানি দিয়ে বিদ্যমান স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি। 

ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো ভাবেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হবে না বলেও জানান।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। বাতিল করেন বাকশালী আমলের সব কালাকানুন। বিএনপি বহুমত, পথ ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে বারবার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। বহুমাত্রিকতা বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ। বারবার অবৈধ স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর কবল থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে বিএনপি।

১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিন তৎকালীন চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল সরকার তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র সরকারিভাবে প্রকাশ করে এবং বাকিগুলো বন্ধ করে দিয়ে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দেয়। বিএনপির ভাষায় বুধবার (১৬ জুন) সংবাদপত্রের কালো দিবস। এ উপলক্ষে এক বাণী দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


ফখরুল বলেন, এদিন স্বাধীনতার আকাঙ্খা তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েন। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র। গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়। মানুষের স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না: মান্না

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, গণতন্ত্রের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমান সরকার গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাই নয়, সব গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।

বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারকে হঠাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মান্না বলেন, সরকারের অপশাসনে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আসবে না।

জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মান্না বলেন, এটা না পারলে অন্তত এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ন্যায় যুগপৎ আন্দোলন করতে পারে।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

‘১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজ) আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।

বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ'র সভাপতিত্বে এবং ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় বিশিষ্ট কলাম লেখক ফরহাদ মজহার, বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ,  ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের সহসভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য এ এক এম মহসীন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না সম্প্রতি ইসরায়েলে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে এখন পুলিশি শাসন চলছে। কোথাও আওয়ামী লীগের শাসন নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলো কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারছে না। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে এ সরকারকে বিদায় করতে সবাইকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।

সমাজচিন্তক ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার দেশে গুম হওয়ার সঠিক পরিসংখ্যান নেই উল্লেখ করে বলেন, যারা এ সরকারের বিরোধিতা করছে তারাই গুমের শিকার হচ্ছেন; আইন বহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চেতনা যতো দৃঢ় হচ্ছে সরকারের দমননীতি ততো জোরালো হচ্ছে।

সর্বশেষ ইসলামী বক্তা আদনান গুমের বিষয়টি উল্লেখ করে ফরহাদ মাজহার বলেন, আদনানের বক্তব্য তরুণদের আকৃষ্ট করার কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকার তাঁকে গুম করেছে। গণআন্দোলন ও গণবিক্ষোভ জনগণের অধিকার। কিন্তু এ সরকার সেটি হরণ করেছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

আওয়ামী লীগকে সভ্যতা বিনাশী দল উল্লেখ করে শওকত মাহমুদ বলেন, সভ্যতা ফিরে পেতে চাইলে এ সরকারকে বিদায় করতে হবে। তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে বলেই সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো কালাকানুনন করে বাক স্বাধীনতা হরণ করতে চায়।

সভাপতির বক্তব্যে এম আব্দুল্লাহ বলেন, ১৯৭৫-এর ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ‘কালো দিবস’ পালন করা হয়। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে গাঢ় কালো দিবস কোনটি সেটি এখন বাছাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম বন্ধ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন, দৈনিক সংগ্রাম কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও বয়োবৃদ্ধ সম্পাদক আবুল আসাদ এবং ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, গত ১২ বছরে শত শত কালো দিবস তৈরি করেছে এ সরকার। এ সরকার গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না।

বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন বলেন, গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার স্বার্থে এ সরকারকে বিদায় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গতে তুলতে হবে।

বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেতে হলে বহুদলীয় ক্রিয়াশীল গণতন্ত্র থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল সংবাদপত্র বিহীন একটি অন্ধকার দিন। সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার হরণের দিন। সরকারের মতের বিরুদ্ধে সামান্য মন্তব্যের কারণে তৎকালীন শেখ মুজিবের সরকার আবদুস সালাম, এনায়েতউল্লা খান, হাসান হাফিজুর রহমান, তোয়াব খানের মতো প্রথিতযশা সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত ও নির্যাতন করেছে। কবি ফররুখ আহমেদের মতো বরেণ্য কবি মারা যাওয়ার পর তাঁকে কবর দেওয়ার জায়গা দিতে রাজি হয়নি ওই ফ্যাসিস্ট সরকার।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা বিনা ভোটের সরকার এখন ভিন্নভাবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে। এ সরকারকে বিদায় করা না গেলে মুক্তি মিলবে না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর