কৃষি ব্যাংকের হাজার শাখা ডিজিটালাইজেশনে ফ্লোরাব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

কৃষি ব্যাংকের হাজার শাখা ডিজিটালাইজেশনে ফ্লোরাব্যাংক

বাংলাদেশের একমাত্র কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হিসেবে অভিনব মাইলফলক স্পর্শ করেছে ফ্লোরাব্যাংক। সম্পূর্ণ বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের প্রতিষ্ঠিত ফ্লোরা সিস্টেমস লিমিটেড উদ্ভাবিত ফ্লোরাব্যাংক অনলাইন কোর ব্যাংকিং সলিউশনের (সিবিএস) মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের  হাজারের বেশি শাখায় দেড় কোটির বেশি হিসাব পরিচালিত হচ্ছে।এটি বাংলাদেশি কোনো ব্যাংকিং সফটওয়্যারের ইতিহাসে প্রথম।

এছাড়া এককভাবে সবচেয়ে বেশি ব্যাংকের শাখাকে যুক্ত করার অনন্য উদাহরণ। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বাবিদ্যালয় (বুয়েট) এবং যুক্তরাজ্যের সার্টিফিকেশন প্রতিষ্ঠানের গবেষণা মতে, ন্যূনতম সার্ভার কনফিগারেশনে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ছয় হাজার নিরাপদ লেনদেনে সক্ষম ফ্লোরাব্যাংক সফটওয়্যার।
 
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ফ্লোরাব্যাংক অনলাইন কোর ব্যাংকিং সলিউশন (সিবিএস) হাজারের বেশি শাখায় প্রতিস্থাপনে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন  করেছে। শতভাগ বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের তৈরি ফ্লোরাব্যাংক সফটওয়্যারটি প্রতিদিন দেড় কোটির বেশি গ্রাহকের ঋণ, আমানত ছাড়াও অন্যান্য ব্যাংকিং পরিষেবা, নিশ্চয়তা আর সুদক্ষ নিরাপত্তার সাথে সম্পন্ন করে আসছে।


বগুড়ার শেরপুরে দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

সুন্দরবনে মারা যাওয়া বাঘটির মৃত্যুরহস্য জানা গেলো

হাসপাতালে ভর্তি বাবা, সব ফেলে দেশে ফিরলেন নায়ক মারুফ

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইলে বিষদাঁত ভেঙে দেয়া হবে: কাদের


বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ফ্লোরাব্যাংকের মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য, ট্রেজারি, রেমিটেন্স (ফরেন/লোকাল), এটিএম/পিওএস, আরটিজিএস, ইএফটি, এসএমএস ছাড়াও অন্যান্য আধুনিক সেবার এপিআই যেমন স্মার্টফোন ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কর্পোরেট বাল্ক ফান্ড ট্রান্সফারের মতো আধুনিক সেবা গ্রহণ করছে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সরকার পরিচালিত একটি বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। যা বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৩৮টি শাখায় ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কৃষি ব্যাংকের শাখাগুলো দেশের জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত  গ্রামাঞ্চলে কোটি কোটি মানুষের ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করছে।
 
১৯৯৭ সালের জুলাই মাসে ফ্লোরাব্যাংক অনলাইন কোর ব্যাংকিং সলিউশন প্রকল্পের সূচনা হয়, যা আজ দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকিং সেবার সাথে জড়িত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি

অনলাইন ডেস্ক

সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি

গ্রাহক পণ্যের সরবরাহ বুঝে পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সেই পণ্যের মূল্য পাবে, ই-কমার্সের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল।

আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ই-কমার্স নিয়ে বহুপক্ষীয় বৈঠক হয়। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ক্রেতাদের কাছে পণ্য ডেলিভারির পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো মূল্য পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে।

ই–ভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল এ বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘গণমাধ্যমের সূত্রে বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিষয়টিকে আমরা স্বাগত জানাই। এ ছাড়া শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি পরিচালন নির্দেশিকা করা হবে, যাতে পণ্য ডেলিভারির আগে পেমেন্ট নেওয়া না হয়। ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড যাদের আছে, তারা পেমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ই-কমার্স নীতিমালা নেই। ই-ভ্যালি নিজেও দীর্ঘদিন এই নীতিমালার কথা বলে আসছে। আজকের এ সিদ্ধান্ত সেই নীতিমালা প্রণয়নের প্রথম ধাপ বলেই তিনি বিশ্বাস করেন। 

এর ফলে গ্রাহক, বিক্রেতা, ই-কমার্সসহ পুরো ইকো সিস্টেমই উপকৃত হবে। আর এ সিদ্ধান্ত শুধু ই–ভ্যালি নয়, বরং সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সে জন্য তিনি একে সাধুবাদ জানান।

আরও পড়ুন:


চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড, দাফনের ১৫ দিন পর তরুণীর লাশ উত্তোল

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাল ইভ্যালি

অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাল ইভ্যালি

ই-কমার্স ইস্যুতে সদ্য গৃহীত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। গ্রাহক পণ্যের সরবরাহ বুঝে পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সেই পণ্যের মূল্য পাবে এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ই-কমার্স ইস্যুতে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসে যে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্য ডেলিভারির পরই টাকা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে।

আরও পড়ুন:


পঞ্চাশোর্ধ জেলায় করোনার উচ্চ সংক্রমণ, ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


এ বিষয়ে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো ই-কমার্স নীতিমালা নেই যার জন্য ইভ্যালি নিজেও দীর্ঘদিন অ্যাডভোকেসি করে আসছে। আজকের এই সিদ্ধান্ত সেই নীতিমালা প্রণয়নের প্রথম ধাপ বলেই আমরা বিশ্বাস করি। এর ফলে গ্রাহক, মার্চেন্ট, মার্কেটপ্লেসসহ পুরো ইকো-সিস্টেমই উপকৃত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। যেকোনো রেগুলেটরি থেকে আসা সিদ্ধান্ত শুধু ইভ্যালি না বরং সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। আমরা এর সাধুবাদ জানাই।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ই-কমার্স

গ্রাহক পণ্য না পাওয়া পর্যন্ত টাকা থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকে

অনলাইন ডেস্ক

গ্রাহক পণ্য না পাওয়া পর্যন্ত টাকা থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকে

ই-কমার্স থেকে কেনাকাটায় গ্রাহকের অগ্রিম পেমেন্ট পণ্য ডেলিভারির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে থাকবে বলে জানিয়েছে সরকার।

দেশের ই-কমার্সগুলোর বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যকার পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে কাজ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দুপুরে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে 'ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা' বিষয়ক সভা শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডাব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, ই-কর্মাস মার্চেন্টকে যে অগ্রিম পেমেন্ট দেওয়া হবে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকবে। কেবলমাত্র গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর এই টাকা মার্চেন্ট বা ওই প্ল্যাটফর্মকে দেওয়া হবে।

পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনাকে টেক্কা দিতে অক্ষম চীন: বিপিন রাওয়াত

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি


 

news24bd.tv / তৌহিদ

 

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্যই নিরাপদ বিনিয়োগের নাম হচ্ছে সঞ্চয়পত্র। আবার নিশ্চিত ও সর্বোচ্চ মুনাফার দিক থেকেও সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে আকর্ষণীয়, অন্তত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের তুলনায়।  ​বাংলাদেশে পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে। মেয়াদ অনুযায়ী এসব সঞ্চয়পত্রের মূল্য ও মুনাফা পৃথক হয়ে থাকে। এবার তাহলে সঞ্চয়পত্রের ধরন সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) 

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এটি দেশের সবচেয়ে পুরোনো সঞ্চয়পত্র। ১৯৭৭ সালে চালু হয় এটি। দেশের যেকোনো নাগরিক কিনতে পারেন এটি। বাজারে ১০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকা; ১০০০, ৫০০০, ১০০০০, ২৫০০০ ও ৫০০০০ টাকা এবং ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র পাওয়া যায়। ব্যক্তির ক্ষেত্রে একক নামে ৩০ লাখ ও যৌথ নামে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সীমা নির্ধারিত নেই।

মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র (৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক) :

তিন বছর মেয়াদী ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এটি। এর মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এটি চালু হয় ১৯৯৮ সালে। পাওয়া যায় ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মতো এটিও সবাই কিনতে পারেন। এই সঞ্চয়পত্র একক নামে ৩০ লাখ টাকা ও যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়।

পরিবার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এতে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। সঞ্চয়পত্রটি বিক্রি হয় ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। ২০০৯ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে মাসিক মুনাফা নেওয়ার সুযোগ আছে। এক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে সবাই এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন না। কেবল ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ এবং ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নারী-পুরুষ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ শ্রেণিতে ৫০ হাজার, ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। ২০০৪ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে তিন মাস পরপরও মুনাফা তোলা যায়। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানরাই শুধু এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্র (৩ বছর মেয়াদী) :

সঞ্চয়পত্রটি শুধু ডাকঘর থেকে লেনদেন করা হয়। তিন বছর মেয়াদী ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বর্তমানে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ডাকঘর থেকে এ সঞ্চয়পত্র কেনা ও নগদায়ন করা যায়। যে কেউ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।


আগামী ১ জুলাই থেকে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা একটু বাড়বে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সঞ্চয়কারীদের জন্য বাজেটে যেভাবে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা সেভাবেই যদি পাস হয়, তাহলে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা পাওয়া নিশ্চিত হবে।

সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবের গ্রাহকদের জন্য অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২১–২২ অর্থবছরের বাজেটে সামান্য বাড়তি সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন। সেটি হলো, এখন থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ছাড়াই সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের সুযোগ। এত দিন টিআইএন ছাড়া এক লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যেত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বেনাপোল স্থল বন্দরের সকল শ্রমিককে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি

বকুল মাহবুব

করোনা কালীন সময়েও স্বাভাবিক আছে বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছে হাজার হাজার শ্রমিক। বন্দরের সকল শ্রমিককে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি শ্রমিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের। 

করোনাকালীন সময়ে সরকারের বিধিনিষেধ ঘোষণার মধ্যেও বেনাপোল স্থল বন্দর খোলা রাখা বিষয়ে নির্দেশনা ছিল। কিন্তু শ্রমিকদের বেশিরভাগ সময় ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের পাশে থেকে কাজ করতে হয়। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পরে।

ফলে তাদের আক্রান্তের হার বাড়তে পারে। এজন্য পরীক্ষা এবং একই সঙ্গে তাদেরকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি জানান শ্রমিক নেতারা।

বেনাপোল স্থল বন্দরে মোট ৮ হাজার শ্রমিক পণ্য ওঠানো ও নামানোর কাজ করে।  এখানে দুই দেশের পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক ও হেলপারদের মধ্যে নেই কোন স্বাস্থ্য সচেতনতা।

ফলে সংক্রমণ ঝুঁকিতে রয়েছেন বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ট্রাকচালক ও হেলপার, সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পণ্য খালাসের সঙ্গে জড়িত হ্যান্ডেলিং শ্রমিকসহ ১০ হাজার মানুষ। যদিও, বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে যাবতীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর