পতনের সময় আপনি শূণ‍্যহস্তে কাতরাবেন

রউফুল আলম

পতনের সময় আপনি শূণ‍্যহস্তে কাতরাবেন

জীবনে একজন মেন্টর লাগে। একজন কোচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা চাকরি জীবনে হোক, ছাত্রাবস্থায় হোক আর বেকার জীবনেই হোক। 

জীবনে কাজ করবেন একজন মেধাবী বসের অধীন। জাঁদরেল বসের অধীন। তাহলে আপনি নিজেও একসময় জাঁদরেল হতে পারবেন। জাঁদরেল মানে হলো আধুনিক, ব্রিলিয়ান্ট, স্ট্রেটেজিক ও চ‍্যালেঞ্জ নেয়ার মতো সাহসী। 

আফ্রিকান এক প্রবাদ আছে—An army of sheep lead by a lion can defeat an army of lion lead by a sheep 

নেতৃত্ব যদি সিংহের মতো হয়, তাহলে আপনি ভেড়ার মতো হলেও অনেক কিছু জয় করতে পারবেন। কিন্তু নেতৃত্ব যদি ভেড়া হয়, আপনি সিংহ হয়ে তেমন কোন লাভ হবে না। এটা সমাজের সবর্ত্রই সত‍্য। জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ‍্য। 

স্টুপিডের পদলেহন করে আপনি হয়তো সাময়িকভাবে দৃশ‍্যত উপরে উঠতে পারবেন—তাতে তৃপ্তি থাকবে না। এবং আপনি জানবেনও না কি করে অর্জন ধরে রাখতে হয়। পতনও হবে দ্রুত। সুতরাং পতনের সময় আপনি শূণ‍্যহস্তে কাতরাবেন। 


বগুড়ার শেরপুরে দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

সুন্দরবনে মারা যাওয়া বাঘটির মৃত্যুরহস্য জানা গেলো

হাসপাতালে ভর্তি বাবা, সব ফেলে দেশে ফিরলেন নায়ক মারুফ

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইলে বিষদাঁত ভেঙে দেয়া হবে: কাদের


জীবনকে যেহেতু আমরা যুদ্ধক্ষেত্র বলি, সুতরাং সেই যুদ্ধক্ষেত্রে শুধু রেজাল্ট, সনদ, অর্থ এগুলোই যথেষ্ট নয়। যুদ্ধক্ষেত্রে স্ট্রেটেজিক হতে হয়। স্ট্রেটেজি না জানলে প্রচুর সৈন‍্য ও গোলাবারুদ নিয়েও যুদ্ধ হেরেছে অনেক বীর। দুঃখজনক হলো, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শুধু বলে মেধাবী হতে। ভালো রেজাল্ট করতে। ভালো চাকরি পেতে। কিন্তু স্ট্রেটেজিক হতে শেখায় না। জীবন তো ভালো রেজাল্টের চেয়ে অনেক বড়ো। অনেক কঠিন। অনেক কন্টকাকীর্ণ। 

“দ‍্যা আর্ট অব ওয়ার” নামক বিখ‍্যাত বইয়ের লেখক Sun Tzu লিখেছেন—Strategy without tactics is the slowest route to victory. Tactics without strategy is the noise before defeat. তিনি হয়তো যুদ্ধক্ষেত্রের জন‍্য বুঝিয়েছেন। কিন্তু এটা জীবন যুদ্ধের জন‍্যও খাটে। জীবনেরও কিছু “সেটস অব রুল” আছে। সেগুলোর প্রয়োগ, অপপ্রয়োগ, ভুল প্রয়োগে জীবন বহুদিকে বাঁক নেয়। 

তরুণরা, শুধু ভালো রেজাল্টের পিছু দৌঁড়ে নিঃস্ব হয়ো না। বলছি না, ভালো রেজাল্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়। বলছি, শুধু সেটার জন‍্য জীবনের দারুণ সময় শেষ করলে হবে না। You have to learn strategy to win the life, to enjoy the every bit of life. You have to learn how to push the boundary without hurting yourself! 

আর এজন‍্যই প্রয়োজন একজন মেন্টর। একজন গুরু। একজন শিক্ষক। একজন গাইড। সেটি হতে পারে বাবা কিংবা মা। হতে পারে শিক্ষক। হতে পারে বস। ফেসবুক থেকে

লেখক: রউফুল আলম,নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র। 

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে!

তসলিমা নাসরিন

প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে!

তসলিমা নাসরিন

পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের বড় বোনকে দিদি বলে ডাকে, অথবা না ডাকলেও দিদি মানে কী, তা জানে। মুসলমানদের মধ্যে দিদিকে বুবু ডাকার চল বেশ। 

আমার কিছু উপন্যাসে ছোটবোন বড়বোনকে বুবু বলে ডাকে। 'অপরপক্ষ' এবং 'ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে' -- এই দুটো উপন্যাসিকায় দু'বোনের কাহিনী বর্ণনা করেছি। ছোটবোন নূপুর বড়বোন যমুনাকে বুবু বলে। 

পশ্চিমবঙ্গে আমার ওই দুটো উপন্যাসিকা যারা পড়েছে, তারা অনেকেই আমার সঙ্গে কাহিনী নিয়ে আলোচনা করেছে। আমাকে কিন্তু বারবারই তখন  মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। তারা ভেবেছে, আমার  কাহিনীর চরিত্র তিনজন, নূপুর, যমুনা আর বুবু। 

তারা বুবু যে দিদি জানে না, তারা মনে করে বুবু কারও নাম,  কারণ তাদের অনেকের  ডাক নাম বুবু। দুটো চরিত্রের মধ্যে কথোপকথন চলতে থাকলে ওরা কিভাবে তিনটে চরিত্রের  মধ্যে কথোপকথন চলছে ভেবে নেয়, আমার মাথায় ঢোকে না। 

একজন বললো, তোমার বইয়ে নূপুর একটু ভীরু, যমুনা ততটা ভীরু নয়, তবে বুবু বেশ সাহসী চরিত্র। আমি বললাম, বুবু আবার আলাদা চরিত্র কী করে হলো, যমুনাই তো নূপুরের বুবু, মানে দিদি!  কী বলছো? 

পাঠিকা অবিশ্বাস চোখে আমার দিকে তাকায়, যেন আমি মিথ্যে বলছি। দিদিকে যে বাঙালি- মুসলমানদের অনেকে বুবু ডাকে, এ তোমার জানা নেই? আকাশ থেকে পড়লো পাঠিকা, 

একেবারেই জানা নেই। তোমার রাজ্যের শতকরা তিরিশ ভাগ তো মুসলমান, তাই না? হ্যাঁ। ওদের দাদা দাদি নানা নানি চাচা ফুপা ডাক জানো না, কিন্তু হিন্দি ছবি দেখে তো জানো ডাকগুলো।

আরও পড়ুন:


পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: প্রধান আসামী নাসিরসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে না: কাদের

পরীমণিকে নির্যাতনের ঘটনায় সংসদে বিচার চাইলেন এমপি হারুন

মামলার এজাহারে যা বলেছেন পরীমণি


তাছাড়া আমার বই যখন পড়ছো, তখন তো বোঝার কথা যে, বড়বোনকে বুবু বলে ডাকা হচ্ছে। অন্য কোনও কালচারের বা ভাষার বই যদি পড়ো তাহলে কি ওদের অনেক কিছুই জানা হয়ে যায় না? কোনও বইয়ে যদি পিটার নাম দেখ, তাহলে কি ভাবতেই হবে, এ তোমাদের কুকুরকে নিয়ে গল্প, যেহেতু তোমাদের কুকুরের নাম পিটার? 

নিজের ছোট্ট গন্ডি থেকে বেরোতে হয় দুনিয়াকে জানতে হলে! অবশ্য প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে! আমি কী বললাম পাঠিকা হয়তো বুঝতেই পারেনি। নূপুর আর যমুনার মতো নয়, বুবুর মতো চরিত্র যেন আরও নির্মাণ করি, সেই আশা ব্যক্ত করে বিদেয় নিয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মরে যায়!

এমি জান্নাত

স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মরে যায়!

ঘর-সংসার শব্দটা আমরা একসাথে জুড়ে দেই ঠিকই। কিন্তু ঘর আর সংসারের মধ্যে একটা বিস্তর ফারাক আছে বোধহয়।

আমার সীমিত জ্ঞানে ঘর বলতে বুঝি একটা ভালোবাসার ছায়াতলে বসবাস। যেখানে সুখ না থাকলেও শান্তি থাকে। দিন শেষে ফেরার তাড়া থাকে। কিন্তু সংসার নামক বেড়াজালে মানুষ শুধুই আবদ্ধ থাকে দায়িত্ব, ভাঙা গড়ার খেলায় মত্ত সুখের খোঁজে! প্রশান্তিটা এসবের মাঝেই অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। ঘর মানে চার দেয়ালের প্রতিটা কোণায় অভিমান, অনুরাগ আর ভালোবাসার নিবিড় বন্ধন, যেখানে সংসারে চারটা দেয়াল থাকে আর স্যাক্রিফাইস এর বদলে কম্প্রোমাইজ বেশি থাকে। কোথায় একটা লিখেছিলাম, স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মন মরে যায়! সংসারের সবাই হতে পারে, কিন্তু ঘরের কয়জন!

সংসার থেকে পালিয়ে বাঁচা যায়, ঘর থেকে না। মনের বসত তো ঘরেই হয়। দায়িত্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া মায়া কাটানো যায়, কিন্তু ভালোবাসা থেকে সৃষ্টি হওয়া মায়া কাটানো বড় কঠিন!

তাই মনে হয়, সব ঘরই সংসার, কিন্তু সব সংসার ঘর হতে পারে কী?

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে ভালো কথা। যুক্তি বোঝা যায়। যেটা বোঝা যায় না সেটা হলো শিক্ষার ব্যাপারে পরিকল্পনা কি?

কিভাবে ভালো ভাবে ক্লাস নেওয়া যাবে অনলাইনে? কোনো নতুন হাল্কা (লাইট) সফটওয়ার কেনা হয়েছে? পরীক্ষা পদ্ধতির ব্যাপারে কোনো চিন্তা ভাবনা?

অনলাইনে বেশী মানুষকে কিভাবে এনগেজ করা হবে তার কোনো পরিকল্পনা? বিশ্বের অন্যদেশ অনলাইনে কিভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তার কোনো গবেষণা কি হয়েছে?

কিভাবে ছাত্রদের সৃজনশীলতার বাড়ানো যাবে তার ব্যাপারে কেউ কি কিছু ভেবেছে?

অনলাইনে কিউ এস রাংকিং এর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রাম পার্টনারশিপ করছে। অল্প কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। বাকিরা?

ছাত্রদের মোটিভেট করতে কোনো মাস্টারপ্লান আছে?

যেহেতু কোনো ফল দেখছিনা তাই ধরে নেওয়া যায় প্রশ্ন গুলোর পজিটিভ উত্তর নাই।

তাহলে এত মন্ত্রনালয় থেকে কি হয়? কি হবে? দেশের সেরা মেধাবীদের নিয়ে তৈরি, দেশ সেবায় নিয়জিত ক্যাডার সার্ভিসের মানুষজন কি ভাবে শিক্ষার উন্নয়নে তাদের সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন?


আরও পড়ুন:


ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ: মাঠে যাওয়ার সময় আম্পায়ারদের গাড়িতে হামলা

১০ বছরের জেল হতে পারে নেতানিয়াহুর: ইসরাইলি আইনজীবী

এবার ফিলিস্তিনি নারীকে গুলি করে হত্যা ইসরাইলি বাহিনীর

বিয়ের আসরে নকল গহনা, মারামারি পরে ক্ষতিপূরণ রেখে তালাক


আগেও বলেছি করোনার আগের শিক্ষা ব্যবস্থা আর পরেরটা একই থাকবে না। বদল হবে। হবেই।

এই কথা সরকার-মন্ত্রানালয়-শিক্ষক-ছাত্র-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যত দ্রুত বুঝবে ততই মঙ্গল।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

সাকিবের একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

আনোয়ার সাদী

সাকিবের একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

সাকিবের আচরণ ক্রিকেটের ভাষায় শোভন নয়। তার সাজা হয়েছে । তিনি সাজা মেনে নিয়েছেন। ঘটনা এখানেই শেষ নয়।  সাকিব পরিকল্পিতভাবে ইউকেটে লাত্থি দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের এটাই মত। তিনি বল ছোঁড়ার পর বসে আবেদন করেছেন। ফিরে যখন দেখলেন আম্পায়ার আউট দেননি, সাকিব প্রথমে উইকেটে লাত্থি দিয়েছেন, তারপর আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেছেন। 

এই ভিডিও বিশ্লেষন করে একজন বিশেষজ্ঞ আমাকে বলেছেন, হতে পারে সাকিব আগেই ভেবে রেখেছে, LBW সে পাবে না। কারণ আগের সাত ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে কোনো LBW নাই। 

এখন বিসিবি একটা তদন্ত কমিটি করেছে । তারা সব ক্লাবের সঙ্গে কথা বলবে। ’আম্পায়ার’ বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে বলে জানা গেছে। 
এর মানে হলো বিসিবি অভিযোগ আমলে নিয়েছে। আম্পায়ারদের স্বজনপ্রীতি আছে কী না, তা প্রমাণ করার এটা একটা উদ্যোগ। এটাকে একই সঙ্গে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি থাকার বেশ ভালো সম্ভাবনার স্বীকৃতি হিসাবেও কেউ কেউ দেখছেন। 

তাহলে জল গড়ালো অনেক দূর। সাকিব ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রকাশ্যে, ক্ষমা চেয়েছেন প্রকাশ্যে, সাজা পেয়েছেন, তা মেনে নিয়েছেন। তিনি কখনো দাবী করেননি, তিনি সিস্টেমকে লাত্থি দিয়েছেন। তিনি দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন বলে কোথাও দাবী করেননি। আউট দেয়নি বলে তিনি রেগে গেছেন। 

এমনকী ফেইসবুকে ক্ষমা চাওয়ার সময়ও সিস্টেম নিয়ে তার কোনো জোড়ালো বক্তব্য নেই। 
তাহলে প্রশ্ন, একটা অসদাচরণকে প্রতিবাদ হিসাবে সবার মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে কে?

এটা কার বুদ্ধি ? ​

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আনোয়ার সাদী, সিনিয়র নিউজ এডিটর, নিউজটোয়েন্টিফোর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সবার আগে সাকিবের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া দরকার

শওগাত আলী সাগর

সবার আগে সাকিবের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া দরকার

ক্রিকেটার সাকিবকে নিয়ে নানা জনের নানা রকমের প্রতিক্রিয়ার কোনোটাই পড়িনি, পড়ার প্রয়োজন মনে করিনি। সাকিব একজন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, যে কোনো পরিস্থিতিতে তার আচরণ হবে খেলোয়াড়সুলভ- এটিই হচ্ছে বটমলাইন। এর ব্যত্যয় হলে সেটিকে অবশ্যই ‘রেড ফ্ল্যাগ’ হিসেবে বিবেচনায় নিতে হবে।

একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় ‘বিহেভিয়ারাল নর্মস’ সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন থাকেন, থাকতে হয়। সেখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন হয়ে পরে। 

সাকিব আল হাসানের ঘটনাকে আমি এই আঙ্গিকে দেখার পক্ষপাতি। একজন খেলোয়াড় হুটহাট রেগে যান না, রেগে গেলেও তারা ভায়োলেন্ট রিঅ্যাকশন দেখান না। যখন এগুলো ঘটে তখন তার মানসিক অবস্থার দিকে মনোযোগ দেয়া জরুরী হয়ে পরে। সাকিব কী কোনো স্ট্রেসের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন? তার মানসিক সুস্থতায় কোথাও কী কোনো ধরনের আচড় লেগেছে? কোভিডকালে অনেক মানুষই কোনো না কোনো ভাবে মানসিক অবসাদে ভোগছেন, মানসিক চাপের মধ্যে পরেছেন। সাকিবেরও সে ধরনের কোনো পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। আমি মনে করি, সাকিবের সবার আগে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের শ্মরণাপন্ন হওয়া দরকার। সাকিবের যারা শুভাকাংখী তারা নিশ্চয়ই তাকে এই পরামর্শটা দেবেন। 

বাই দ্যা ওয়ে,মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞর শ্মরণাপন্ন হওয়ার কথা শুনে  নাক সিটকাবেন না যেনো। উন্নত দেশগুলোতে যে কোনো মানুষের মানসিক স্বাস্থকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। অনেক বড় বড় সেলিব্রেটিকেও এমন কি গবেষক, শিক্ষাবিদদেরও  অনেক সময় ’অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট’ এর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ‘ওয়েলনেস প্রসিডিউর’।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর