প্রসঙ্গ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ; সতর্ক হওয়ার তাগিদ

রিশাদ হাসান

প্রসঙ্গ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ; সতর্ক হওয়ার তাগিদ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মুখোমুখি হতে চলেছে বাংলাদেশ। আর সেই ঢেউয়ের মুখে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে পুরো দেশ। 

এমন মন্তব্য আইইডিসিআর যেমন করছে তেমনি বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও। ফলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সরকারকে আরো কঠোর এবং সাধারণ মানুষকে পূর্ণ সচেতন হওয়ার পরামর্শ তাদের। 

রাজধানীর শাহবাগ এলাকার প্রতিদিনের চিত্র বলে দেয় স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষের কতটা অনীহা। মাস্ক নেই, নেই নিরপাদ দুরত্ব মানার বালাই। জানুয়ারিতে দেশে করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকে এই হলো স্বাস্থ্যবিধি মানার বাস্তবতা।

১০ মার্চ থেকে টানা ১১ দিন সংক্রমনের গ্রাফ উপরের দিকে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও এমআইএস পরিচালকও।

আইইডিসিআর বলছে, ইউকে ভ্যারিয়েন্টের যে ভাইরাসটি বাংলাদেশে শনাক্ত হয়েছে তা অন্তত ৪০-৭০ শতাংশ বেশী সংক্রমণের ক্ষমতা রাখে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানাই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।


বগুড়ার শেরপুরে দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

সুন্দরবনে মারা যাওয়া বাঘটির মৃত্যুরহস্য জানা গেলো

হাসপাতালে ভর্তি বাবা, সব ফেলে দেশে ফিরলেন নায়ক মারুফ

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইলে বিষদাঁত ভেঙে দেয়া হবে: কাদের


তারা বলছেন, এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে হবে বাংলাদেশকে।

সারাদেশে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে, সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে আমের বাজারে ধ্বস, আসছেন না পাইকাররা

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

রাজশাহীর আমের খ্যাতি আছে দেশজুড়ে। এখন আমের ভরা মৌসুম। এ অঞ্চলে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারী ব্যবসায়ীরা আসছেন না। রাজশাহীতে চলছে বিশেষ লকডাউন। যার প্রভাব পড়েছে আমের দামেও।

রাজশাহীর বানেশ্বরে বসে উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমের হাট। সারাদেশের আম ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারী আম কেনাবেচার মোকাম হিসাবে পরিচিত। প্রতি বছর এ সময় পাইকারদের ভিড়ে জমজমাট থাকে হাট। তবে এবার চিত্র ভিন্ন। করোনার কারণে আগের মতো ব্যবসায়ীরা হাটে না আসায় স্থানীয় ক্রেতারায় ভরসা।

আরও পড়ুন:


নাসিরের বাসায় উঠতি বয়সী তরুণীদের দিয়ে চলত অনৈতিক কার্যকলাপ

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


আমের দাম না পেয়ে হতাশ রাজশাহীর বাগান মালিকরা। তাদের দাবি, টানা খরার কারণে এ বছর আমের কাঙ্খিত ফলন তারা পাননি। এরপর করোনার কারণে বাইরের ব্যবসায়ীরা না আসায় ঠিকমতো বিক্রিই করতে পারছেন না বাগানের আম। রাজশাহীতে চলতে থাকা বিশেষ লকডাউন প্রভাব ফেলেছে আমের দামে।

 আমের দাম গতবারের তুলনায় কিছুটা বেশি পাচ্ছেন বাগান মালিকরা, দাবি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালকের। আর করোনা ভীতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আম প্যাকেট ও সরবরাহের পরামর্শ ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার।

এ বছর রাজশাহী জেলায় ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমিতে আম উৎপাদন হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। যা অর্জন হবে দাবি, কৃষি বিভাগের।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

লিচুর পর আম নিয়েও সফলতার স্বপ্ন দেখছে দিনাজপুরের চাষিরা

ফখরুল হাসান পলাশ

লিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুরের চাষিরা আম নিয়েও সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে নবাবগঞ্জ উপজেলার আম এখন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অনেক জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। স্বাদ এবং আকারে ভিন্নতা থাকায় দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে সেখানে উৎপাদিত ফল। এরই মধ্যে সংগঠন করে তার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

ক্ষিরসাপাত, ল্যাংড়া আম্রপালির পাশাপাশি রংপুর অঞ্চলের জনপ্রিয় হাড়িভাঙ্গা আমও উৎপাদন হচ্ছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। মাটির গুণাগুণের কারণে মানের দিক থেকে অন্য অনেক জেলা থেকে এ অঞ্চলের আম ভালো। তাই বাজারও সম্প্রসারণ হচ্ছে দ্রুত।

চলতি মৌসুমের আম এরইমধ্যে পাকা শুরু হয়েছে। আনাগোনা বেড়েছে বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের। এছাড়া অনেক বাগানি অনলাইনে বিক্রি করছেন পণ্য। এতে সফলতাও পেয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন:


মাদারীপুরে সেপটিক ট্যাংক পরিস্কার করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

জামালপুর পৌর এলাকা লকডাউন

‘খালেদা জিয়ার করোনার জন্য আ.লীগ দায়ী’, বলতে পারেন ফখরুল: তথ্যমন্ত্রী

বগুড়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু


আমের বাজারজাত নিয়ে সমস্যায় আছেন চাষিরা। উপজেলা পর্যায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা এর অন্যতম কারণ।

এ বছর উৎপাদন কিছুটা কম হলেও মান ভালো হওয়ায়, কৃষক খরচ পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে দাবি কৃষি কর্মকর্তাদের।

চলতি বছর নবাবগঞ্জে ৮২৫ হেক্টর জমিতে আমের বাগান করা হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম আদালতে মামলার পাহাড়

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম আদালতে মামলার পাহাড়। করোনায় বিচার কার্যক্রম স্থবির। কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতার চারগুণ। 

এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্টে তেমন গতি না থাকায় বিচার প্রার্থীরা আদালতে আদালতে ঘুরেও মিলছেনা মামলার নিষ্পত্তি। আইনজীবীরা বলছেন ভার্চুয়াল কোর্টে কিছু মামলার জামিন শুনানি আর জামিন হলেও বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলার জট বাড়ছে। 

ভার্চুয়াল কোর্টের পাশাপাশি নিয়মিত আদালত চালুর দাবি চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির। 
পরীর পাহাড়ের এই ভবনটিই চট্টগ্রামের বিচারপ্রার্থীদের আশ্রয়স্থল।মহামারিকালে  আদালত ভবনে নেই কর্মচাঞ্চল্য। বিচারপ্রার্থী ও আসামী সবারই আনাগোনা নেই আগের মতো।বেশিরভাগ আইনজীবীর চেম্বার বন্ধ।

চট্টগ্রামের জেলা, মহানগর, নারী শিশু এবং কয়েকটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালসহ ৯০টি আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় এখন প্রায় দুই লাখ মামলা। এ সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। স্বল্পসংখ্যক ভার্চুয়াল আদালতেও জামিনের সুযোগ নিতে পারছেন না অনেকে। ফখরুদ্দিন চৌধুরী,পিপি, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

মাসের পর মাস বিচার কার্যক্রম স্থবির থাকায় আইনজীবী এবং আইনজীবী সহকারীরাও সঙ্কটে পড়েছেন। হত্যা, ধর্ষণ, অস্ত্রবাজি, মাদক ও চোরাচালানের অনেক মামলা বিচারাধীন। দ্রুত বিচার ট্র্ইাব্যুনাল, জননিরাপত্তা আদালতের চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারও বন্ধ। 

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী , সাবেক সভাপতি,জেলা আইনজীবী সমিতি,চট্টগ্রাম।দুদকের আইনজীবীরা বলছেন,দুর্নীতি মামলারও গতি ফিরছেনা ভার্চুয়ালে।

চট্টগ্রাম কারাগারে এখন বন্দি আছে ধারণক্ষমতার চেয়েও চারগুণ। বিচারকাজ থেমে থাকায় নির্বিচারে কারাভোগ করছেন অনেকেই। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আদালত চালুর বিকল্প নেই বলছেন আইনজ্ঞরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

১০ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে ধীরগতি

প্লাবন রহমান

১০ বছরে চার বার সময় পিছিয়েও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী-আগামী দু,বছরে শেষ করতে হবে বাকী ৭৪ ভাগ কাজ। তারপরও-সব জটিলতা কাটিয়ে এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষের ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক। তবে-তাতে সংশয় দেখছেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক।

করোনার মধ্যেও এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে রাজধানীর অন্যতম মেগা প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে ধীরে হলেও এগুচ্ছে প্রকল্প।

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত প্রকল্প এলাকায় এখন এমন কর্মতৎপরতা।

যে-কারণে রাজধানীর বনানী থেকে কমলাপুরের দিকে রেললাইনের দুপাশ ধরে এগুচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মানযজ্ঞ। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি কাজ।

বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত প্রথম অংশ শেষ হয়েছে ৬৩ ভাগ। বনানী থেকে মগবাজার পর্যন্ত দ্বিতীয় ভাগের অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ আর তৃতীয় অংশ মগবাজার থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এগিয়েছে মাত্র ৯ ভাগ। সবমিলিয়ে-প্রকল্পের অগ্রগতি ২৬ ভাগ।

২০১১ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, প্রকল্প শেষের টার্গেট ছিল ২০১৭ সাল। কিন্তু বাস্তবে কাজই শুরু হয় ২০১৬ সালে। শেষশেষ চারবার সময় বেড়ে এখন প্রকল্প শেষের নতুন লক্ষ্য ২০২৩ সালের জুন।

প্রায় ১৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়কে বিভিন্ন জায়গায় ওঠানামার জন্য থাকছে ৩১টি র‌্যাম্প। সবমিলিয়ে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটারের এই এক্সপ্রেসওয়ে শেষ হলে প্রতিদিন ৮০ হাজার যানবাহন চলবে বলে আশা। যাতে রাজধানীতে স্বস্তি ফেরার আশায় কর্তৃপক্ষ। 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

দশ বছরে ৪ বার পিছিয়েছে সময়সীমা, অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ (ভিডিও)

প্লাবন রহমান

দশ বছরে ৪ বার সময় পিছিয়েও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী আগামী দু’বছরে শেষ করতে হবে বাকী ৭৪ ভাগ কাজ। তারপরও-সব জটিলতা কাটিয়ে এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষের ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক। তবে-তাতে সংশয় দেখছেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক।

করোনার মধ্যেও এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে রাজধানীর অন্যতম মেগা প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে ধীরে হলেও এগুচ্ছে প্রকল্প।

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত প্রকল্প এলাকায় এখন এমন কর্মতৎপরতা। রাজধানীর বনানী থেকে কমলাপুরের দিকে রেললাইনের দু’পাশ ধরে এগুচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণযজ্ঞ। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি কাজ।

বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত প্রথম অংশ শেষ হয়েছে ৬৩ ভাগ। বনানী থেকে মগবাজার পর্যন্ত দ্বিতীয় ভাগের অগ্রগতি মাত্র ১৭ শতাংশ আর তৃতীয় অংশ মগবাজার থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এগিয়েছে মাত্র ৯ ভাগ। সব মিলিয়ে-প্রকল্পের অগ্রগতি ২৬ ভাগ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক এম এইচ এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, করোনার মধ্যেও থেমে নেই এই প্রকল্পের কাজ। পুরোদমে প্রকল্প সম্পন্ন করতে কাজ চলছে। তিন ধাপে প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।

২০১১ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, প্রকল্প শেষের টার্গেট ছিল ২০১৭ সাল। কিন্তু বাস্তবে কাজই শুরু হয় ২০১৬ সালে। শেষমেষ চারবার সময় বেড়ে এখন প্রকল্প শেষের নতুন লক্ষ্য ২০২৩ সালের জুন।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, ২০২৩ সালের জুনেই প্রকল্প শেষের টার্গেট রয়েছে। সেই অনুযায়ীই কাজ এগিয়ে চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সব ধরণের চেষ্টায় চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান হলেন শতরূপা বড়ুয়া

বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিলো বহুদলীয় তামাশা: ওবায়দুল কাদের

টগর হত্যা মামলা: ২৭ বছর পর মূল আসামিসহ ১৮ জনকে খালাস

বিয়ের আসরে প্রেমিকাকে দেখে দৌড়ে পালালেন বর


আর গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলছেন, ধীর গতিতে কাজ চলার কারণে ফ্রেমওয়ার্কগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তবে তারা যে টার্গেটে কাজ করছে আর তাদের যে আয়োজন তা মনে হচ্ছে তা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারবে।

প্রায় ১৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সড়কে বিভিন্ন জায়গায় ওঠানামার জন্য থাকছে ৩১টি র‌্যাম্প। সব মিলিয়ে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটারের এই এক্সপ্রেসওয়ে শেষ হলে প্রতিদিন ৮০ হাজার যানবাহন চলবে বলে আশা। যাতে রাজধানীতে স্বস্তি ফেরার আশায় কর্তৃপক্ষ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর