ইফতার ও সেহেরির সময়সূচি নিয়ে যা বলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক

ইফতার ও সেহেরির সময়সূচি নিয়ে যা বলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে আগামী ১৪ বা ১৫ এপ্রিল। রমজান শুরুর সম্ভাব্য সময় ১৪ এপ্রিল ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করেছে।

গত ১৩ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪২ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের এই সময়সূচি চূড়ান্ত করে। এই সময়সূচি রোববার (২১ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে ফাউন্ডেশন।


সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা মাদক ব্যবসার চেয়ে খারাপ

মসজিদে হাত দিলে আমরাও ক্ষমতা দেখাব : শামিম ওসমান

চমৎকার সব ফিচার নিয়ে আসছে নুবিয়ার নতুন ফোন

অস্ত্র হাতে কাউন্সিলরের নাচানাচির ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)


সময়সূচি অনুযায়ী, ১৪ এপ্রিল প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোররাত ৪টা ১৫ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২৩ মিনিট।

তবে দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে ও ১০ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সেহরি ও ইফতার করবেন বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শবে কদরের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

শবে কদরের ফজিলত

হাজার মাসের চেয়ে উত্তম কদরের রাত। প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে কোনো এক বিজোড় রাত হলো ভাগ্য নির্ধারণ বা লাইলাতুল কদরের রাত। ‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। 

শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা পর্যন্ত। (আল কোরআন, সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর (মাক্কি), রুকু: ১/২২, আয়াত: ১-৫, মঞ্জিল: ৭, পারা: ৩০ আম্ম-সি পারা, পৃষ্ঠা ৬০৫/১৯)। 

রমজান মাস পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস। শবে কদর কোরআন নাজিলের রাত। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে।’ (আল কোরআন, সুরা-২ আল বাকারা (মাদানি), রুকু: ২৩/৭, আয়াত: ১৮৫, মঞ্জিল: ১, পারা: ২ সাইয়াকুল, পৃষ্ঠা ২৯/৭)।

কদর রাতের ফজিলত:

মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলতময় হয়েছে। আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাজিলের রাত লাইলাতুল কদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান কদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)। 


চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ তুর্কমেনিস্তানে পড়তে পারে: রিপোর্ট

পবিত্র শবে কদর আজ

বাংলাদেশিদের মালদ্বীপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৬০ কি.মি বেগে ঝড় আসছে


এ আয়াতের ব্যাখায় মুফাসসিরকুল শিরোমণি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তানবিরুল মিকবাস মিন তাফসিরে ইবনে আব্বাস : ৬৫৪ পৃষ্ঠা)। তাবেয়ি মুজাহিদ (রা.) বলেন, এর ভাবার্থ হলো, ‘এ রাতের ইবাদত, তেলাওয়াত, কিয়াম ও অন্যান্য আমল লাইলাতুল কদর ছাড়া হাজার মাস ইবাদতের চেয়েও উত্তম।’ মুফাসসিররা এমনই ব্যাখ্যা করেছেন। আর এটিই সঠিক ব্যাখ্যা। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

সূরা কদরের শানে নুযুল সম্পর্কে ইবনে কাসির (রা.) বলেন, আলী ইবনে উরওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বনি ইসরাইলের চারজন আবেদ সম্পর্কে বলছিলেন, তারা আশি বছর ধরে অনবরত আল্লাহর ইবাদত করছিল। এর মধ্যে মুহূর্ত সময়ের জন্যও ইবাদত থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হননি।

বিখ্যাত এ চারজন আবেদ হলো আল্লাহর নবী জাকারিয়া (আ.), আইউব (আ.), হাজকিল ইবনে আ’জূজ (আ.) এবং ইউশা ইবনে নূহ (আ.)। এমনটি শুনে সাহাবিরা (রা.) রীতিমতো অবাক হলেন। এ সময় জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ (সা.)! আপনার উম্মতরা এ কথা শুনে অবাক হচ্ছে? তাদের জন্য আল্লাহতায়ালা এর চেয়ে উত্তম কিছু রেখেছেন। এরপর সূরা কদর পাঠ করা হয়। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পবিত্র শবে কদর আজ

অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র শবে কদর আজ

পবিত্র শবে কদর (লাইলাতুল কদর) আজ রোববার। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হবে শবে কদরের রজনী। মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দেশব্যাপী পবিত্র শবে কদর পালন করবেন। প্রতিবছর মাহে রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে শবে কদর পালন করা হয়।

ইসলাম ধর্ম অনুসারে, এ রাতে ইসলামের মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানব জাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।
পবিত্র কোরআনে আছে, ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাত কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। শবে কদরের এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সূরাও নাজিল করা হয়।

ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময়ে এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, শবে কদরের রাতের ইবাদতে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং অধিক সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন। 


বাংলাদেশিদের মালদ্বীপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৬০ কি.মি বেগে ঝড় আসছে

ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন

আরও ১৪ দিন বন্ধ থাকবে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত


শবে কদর উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আজ ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শবে কদরের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

শবে কদরের ফজিলত

হাজার মাসের চেয়ে উত্তম কদরের রাত। প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে কোনো এক বিজোড় রাত হলো ভাগ্য নির্ধারণ বা লাইলাতুল কদরের রাত। ‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। 

শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা পর্যন্ত। (আল কোরআন, সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর (মাক্কি), রুকু: ১/২২, আয়াত: ১-৫, মঞ্জিল: ৭, পারা: ৩০ আম্ম-সি পারা, পৃষ্ঠা ৬০৫/১৯)। 

রমজান মাস পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস। শবে কদর কোরআন নাজিলের রাত। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে।’ (আল কোরআন, সুরা-২ আল বাকারা (মাদানি), রুকু: ২৩/৭, আয়াত: ১৮৫, মঞ্জিল: ১, পারা: ২ সাইয়াকুল, পৃষ্ঠা ২৯/৭)।

কদর রাতের ফজিলত:

মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলতময় হয়েছে। আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাজিলের রাত লাইলাতুল কদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান কদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)। 


কে বলেছে আমি হাসপাতালে ভর্তি? : তোফায়েল আহমেদ

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়াঘাট ছাড়লো ফেরি

মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদের অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন

নারায়ণগ‌ঞ্জের মে‌রিনা লন্ড‌নের অ্যাসেম্বলি মেম্বার নির্বাচিত


এ আয়াতের ব্যাখায় মুফাসসিরকুল শিরোমণি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তানবিরুল মিকবাস মিন তাফসিরে ইবনে আব্বাস : ৬৫৪ পৃষ্ঠা)। তাবেয়ি মুজাহিদ (রা.) বলেন, এর ভাবার্থ হলো, ‘এ রাতের ইবাদত, তেলাওয়াত, কিয়াম ও অন্যান্য আমল লাইলাতুল কদর ছাড়া হাজার মাস ইবাদতের চেয়েও উত্তম।’ মুফাসসিররা এমনই ব্যাখ্যা করেছেন। আর এটিই সঠিক ব্যাখ্যা। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

সূরা কদরের শানে নুযুল সম্পর্কে ইবনে কাসির (রা.) বলেন, আলী ইবনে উরওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বনি ইসরাইলের চারজন আবেদ সম্পর্কে বলছিলেন, তারা আশি বছর ধরে অনবরত আল্লাহর ইবাদত করছিল। এর মধ্যে মুহূর্ত সময়ের জন্যও ইবাদত থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হননি।

বিখ্যাত এ চারজন আবেদ হলো আল্লাহর নবী জাকারিয়া (আ.), আইউব (আ.), হাজকিল ইবনে আ’জূজ (আ.) এবং ইউশা ইবনে নূহ (আ.)। এমনটি শুনে সাহাবিরা (রা.) রীতিমতো অবাক হলেন। এ সময় জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ (সা.)! আপনার উম্মতরা এ কথা শুনে অবাক হচ্ছে? তাদের জন্য আল্লাহতায়ালা এর চেয়ে উত্তম কিছু রেখেছেন। এরপর সূরা কদর পাঠ করা হয়। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সূরা আর-রাহমানের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আর-রাহমানের ফজিলত

সূরা আর রহমান, পবিত্র কোরআন মাজীদের ৫৫ তম সূরা। এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৭৮ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩। সূরা আর রহমান মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

হাদীসে এসেছে, নবী করীম ( সঃ ) এরশাদ করেন , প্রত্যেক জিনিসেরই একটা নিজস্ব সৌন্দর্য আছে । সূরা আর-রহমান কোরআন শরীফের সৌন্দর্য । ফজিলতের দিক দিয়ে এটি অর্ধেক কোরআনের সমান।


দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ

টিকা বিক্রি করে ফাইজারের মুনাফা ৪৯০ কোটি ডলার

প্রধানমন্ত্রী সময় মতো তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন, কোরআন পড়েন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে দেশে করোনার সংক্রমণ কমছে : তোফায়েল


নবী করীম ( সাঃ ) এরশাদ করেন , যারা শুধু আল্লাহকে খুশী করার জন্য এ সূরাটি প্রত্যহ আছরের নামায বাদ পাঠ করবে , তাদের চেহারা নূরানী হবে , স্ত্রী পুত্র তার তাবেদার হবে , তার রিজিক বৃদ্ধি পাবে এবং সে ব্যক্তি বেহেশতের হকদার হয়ে যাবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নাত

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নাত

ঈদুল ফিতর, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি। যারা এক মাস ধরে সিয়াম সাধনা করেছেন, তাদের জন্যই আনন্দ ও উৎসবের দিন হচ্ছে ঈদুল ফিতর। এ দিনটি আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার লাভেরও দিন।

ঈদের দিনে রয়েছে ১৩টি সুন্নাত । যা রাসূল (সা.) করতেন। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

২. মিসওয়াক করা। 

৩. গোসল করা। 

৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।

৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। 

৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। 

৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। 

৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।

৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা।


ছাদে মিলল মাদ্রসাছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ

রাশিয়ায় এক ডোজের স্পুটনিক টিকার অনুমোদন

জুমাতুল বিদাকে ‘আল-কুদস দিবস’ বলা হয় কেন?

মধ্যরাতে হেফাজতের নেতা শাহীনুর পাশা গ্রেপ্তার


১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। 

১১. যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। 

১২. পায়ে হেঁটে যাওয়া। 

১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে তাকবীর পড়তে থাকা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর