গরমে যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে যা খাবেন

গরমে চাই তেতো। গ্রীষ্মের অন্যান্য সবজির সঙ্গে তোতো সবজি খান। সেটা করলা বা উচ্ছে হতে পারে। খেতে পারেন হেলঞ্চা শাক ও সজিনা। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন 'সি' এবং ভিটমিন 'এ'। গরমে পাকস্থলীতে পানির চাহিদাও বাড়ে। এ সময় পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পায়। তাই তোতো সবজির প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পাকস্থলীর ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। 

করলার তোতো খাদ্য পরিপাক ক্রিয়াকে সহজ করে দেয়, যা বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া খনিজ লবণ এবং মিনারেলের ভালো উৎস করলা। এতে আছে ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স, আয়রন, জিংক, পটাশিয়াম, ম্যাংগানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম। ঘামের কারণে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া খনিজের অভাব এতে কিছুটা পূরণ হতে পারে।


করোনা মোকাবিলায় বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে আজ থেকে মাঠে পুলিশ

সেন্টমার্টিনে সিয়াম ও পূজা চেরি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোন খারাপ সম্পর্কের জন্য প্রস্তুত আছি: রাশিয়া

মোদি ও শাল্লা ইস্যুতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে হেফাজত


সবজি আর ফল

সকালের কিংবা বিকেলের নাশতায় দই, চিঁড়া, দুধ-মুড়ি, স্যুপ, সেমাই, ফালুদা খেতে পারেন। রাতেও দুপুরের মতো মেন্যু থাকবে, তবে পরিমাণে কিছু কম খান। বাঁধাকপি, ঢেঁড়শ, কুমড়া, লাউয়ের মতো সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাই এসব সবজি রাখুন।

তিন বেলার খাবারেই সবজি রাখুন। কয়েকটি মৌসুমি সবজি দিয়ে মিক্সড সবজি রান্না করুন। মুরগির মাংসের ঝোল সহজপাচ্য। গরমের দিনে ছোট মাছের একটি পদ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। সব ধরনের রান্নায় তেল ও মসলা খুব কম ব্যবহার করুন।

গরমে সালাদ একটি উপাদেয় খাবার। অন্তত দুই বেলা দুই বাটি সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করুন। দই, শসা, টমেটো, গাজর, কাঁচা পেঁপে, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা মিশিয়ে সালাদ তৈরি করুন। চাইলে বিভিন্ন মৌসুমি ফল দিয়ে ফ্রুট সালাদও খেতে পারেন। তবে ফ্রুট সালাদ মূল খাবারের সঙ্গে না খেয়ে দুটি ভারী খাবারের মধ্যে নাশতা হিসেবে খান। ফলের সালাদে পেপটিন নামক পদার্থ থাকে, যা হজমে সহায়তা করে।

বাচ্চাকে বাইরের কেনা খাবার, চকোলেট, চিপস বা কোল্ড ড্রিংকস থেকে বিরত রাখুন। চকোলেট আর্টিফিশিয়াল সুগার ও চিপসে টেস্টিং সল্ট থাকায় ক্ষুধামন্দা ভাব তৈরি হয়। আবার ফাস্ট ফুড, বিশেষ করে ফ্রাইড চিকেনে অতি মাত্রায় টেস্টিং সল্ট ও আটা ব্যবহার করা হয়। আর এই আটাতে আছে গ্লুটিন নামক পদার্থ, যা বাচ্চাদের স্নায়ু চঞ্চল করে ও ক্ষুধামন্দা ভাব তৈরি করে।

বিদেশি ফলের চেয়ে দেশি ফল, বিশেষ করে টকজাতীয় ফল খেতে দিন। ফলের জুস না ছেঁকে খেতে দিন। পারলে আস্ত ফল খেতে দিন।

বাচ্চাদের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের জোগান হিসেবে যে শুধু মাছ-মাংস খাওয়াতে হবে, এটা ঠিক নয়। মাছ-মাংসের বিকল্প হিসেবে আমন্ড বাদাম ও কাজু বাদাম দিতে পারেন। তবে চিনা বাদাম না দেওয়াই ভালো। এটা গরমের সময় আরো ক্ষুধামন্দা ভাব তৈরি করে।

 news24bd.tv আয়শা 

পরবর্তী খবর

মাথাব্যাথা দূর করার ঘরোয়া টিপস

অনলাইন ডেস্ক

মাথাব্যাথা দূর করার ঘরোয়া টিপস

জীবনে মাথাব্যাথা হয়নি এমন লোক হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না। নানা কারণে মাথ্যা ব্যাথা হতে পারে। মাথাব্যাথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

লবঙ্গ

কিছু লবঙ্গ তাওয়ার মধ্যে গরম করে নিন। গরম লবঙ্গ একটি রুমালের মধ্যে নিন। এক মিনিট এর ঘ্রাণ নিন এবং দেখুন মাথা ব্যথা চলে গেছে।

আপেল

ব্যথা যদি বেশি হয় তবে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এক টুকরা আপেল চিবুতে পারেন তবে এতে একটু লবণ ছিটিয়ে নেবেন। এটা দ্রুত ব্যথা মুক্ত করতে সাহায্য করবে।

আদা

এক পিস টাটকা আদা চিবুতে পারেন এতে ৬০ সেকেন্ডে মাথা ব্যথা দূর হবে। আদা একটু বাজে গন্ধের হলেও পদ্ধতিটি কাজের। হাসি খুশি মন অনেকেই হয় তো বিশ্বাস করবেন না, তবে মনকে যদি ইতিবাচক এবং ভালো বিষয়ের দিকে নিয়ে যান তবে মাথা ব্যথা ৬০ সেকেন্ডেই দূর হবে। চেষ্টা করেই দেখুন না!

আকুপ্রেশার

বহুবছর ধরে মাথা ব্যথা দূর করতে অনেকেই আকুপ্রেশার পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছেন। এই ছোট ঘরোয়া পদ্ধতিটি আপনাকে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মাথা ব্যথা সারাতে সাহায্য করবে। বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং তর্জনীর মাঝখানের অংশে অন্য হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনি দিয়ে চাপ দিন এবং ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। একই ভাবে ডান হাতেও করুন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আশা করা যায় এতে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার মাথা ব্যথা সারবে।

পানি পান করুন

একচুমুক পানি পানও আপনাকে এক মিনিটের মধ্যে মাথা ব্যথা সারাতে কাজে দেবে। যখন আমাদের শরীর আর্দ্র হতে থাকে তখন ব্যথা ধীরে ধীরে কমে।

পুদিনা পাতার রস

পুদিনা পাতায় রয়েছে ম্যানথল ও ম্যানথন। এই উপাদানগুলো মাথা ব্যথা দূর করার জন্য খুব উপকারী।

এক মুঠো পুদিনা পাতা নিন। পাতা থেকে রস বের করুন। এই রস কপালে মাখুন।

এ ছাড়া পুদিনার চাও খেতে পারেন।


স্বাস্থ্য বিভাগের পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


বরফের প্যাক

বরফ প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি এটি ব্যথা উপশম করবে।

বরফের প্যাক ঘাড়ে দিন। এতে মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকটা উপশম হবে।

এ ছাড়া একটি ধোয়া তোয়ালে বা কাপড়ের টুকরো বরফঠান্ডা পানিতে ভেজান। এটি মাথায় পাঁচ মিনিট রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি করতে পারেন। তবে যাদের ঠান্ডার সমস্যার রয়েছে তারা এটি না করলেই ভালো।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাস্ক পরে সাইকেল চালানো কতোটা নিরাপদ?

অনলাইন ডেস্ক

মাস্ক পরে সাইকেল চালানো কতোটা নিরাপদ?

লকডাউনের দূরে তো বটেই কাছাকাছির মধ্যে অতি প্রয়োজনে যেতেও হাতের কাছে পাওয়া যায় না কোনও গাড়ি। তাই পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে গত বছরের লকডাউনের সময় থেকেই চাহিদা বেড়েছে সাইকেলের।

গত বছর লকডাউন চলাকালীন খবর আসে, যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তি মাস্ক পরে সাইকেল চালাতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তখন থেকেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি মাস্ক পরে সাইকেল চালালে বিপদের আশঙ্কা আছে? পরে যদিও জানা যায়, ওই হৃদরোগের খবরটি ভুয়া। তবু এ বিষয়ে আশঙ্কা থেকেই যায়।

চলুন জেনে নেয়া যাক লকডাউনের সময় সাইকেল চালানোর সময় মাস্ক পরা নিয়ে চিকিৎসকেরা কী বলছেন।

 

চিকিৎসকেরা বলছেন, অবশ্যই পরতে হবে মাস্ক। এবং একটা নয়, পরতে হবে দুটো মাস্ক। কারণ যেখানে বেশ কয়েক জনের জমায়েত হচ্ছে, সেখানেই দরকার মাস্ক। কিন্তু একা সাইকেল চালানোর সময় আপনি মাস্ক পরে থাকবেন কি না, তার পুরোটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতির উপর।

সাইকেল চালানো খুব ভাল শরীরচর্চা। এতে হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুসের ভাল ব্যায়াম হয়। ফলে জোরে সাইকেল চালানোর সময় শরীর বেশি পরিমাণে অক্সিজেন চায়। তাই শ্বাসের গতি বেড়ে যায়। এই সময় মাস্ক পরে থাকলে নিঃশ্বাস নিতে কিছুটা বাধা আসতে পারে।

তার চেয়েও বড় কথা, এই সময় মুখ থেকে প্রচুর পরিমাণে বাষ্প বেরোতে থাকে। তাতে মাস্কের ছিদ্রগুলি বন্ধ হয়ে আরও সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই খুব জোরে সাইকেল চালানোর সময় মাস্ক পরে থাকাটা অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

এছাড়া বর্তমানে করোনাভাইরাস তার চরিত্র অনেকখানি বদলেছে। বর্তমান গবেষণা বলছে, এই ভাইরাস বায়ুবাহিতও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সাইকেল চালাতে গিয়ে মাস্ক পুরোপুরি খুলে ফেলাও যাবে না।

বরং দু’টির জায়গায় একটি মাস্ক পরে থাকতে পারেন। তার সঙ্গে প্লাস্টিকের ফেসশিল্ডও ব্যবহার করা যেতে পারে।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

ইসরাইলের বর্বর আক্রমণ কেবলই ক্ষমতার জন্য: বেলা হাদিদ

হামলায় ইসরাইলের একক আধিপত্যের যুগ শেষ: হামাস

ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তাওকত’, রেড অ্যালার্ট


আপনাকে কেমন দেখতে লাগছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না এই সময়। কারণ, ফ্যাশনের চেয়ে নিরাপত্তার মূল্য অনেক বেশি।

ধীরে সাইকেল চালানোর সময় বা বাজারে সাইকেল নিয়ে গেলে যত বেশি সম্ভব নিরাপত্তার পর্দা চাপিয়ে নিন। ফাঁকা রাস্তায় তা অল্প কমাতে পারেন। কিন্তু পুরোপুরি ত্যাগ করা যাবে না কোনভাবেই।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

একটু স্মার্ট ক্রেতা হলেই অনলাইন কেনাকাটায় টাকা বাঁচাতে বা বাজেটের মধ্যেই কিনতে পারবেন আপনার পছন্দের জিনিসগুলো। এর জন্য মনে রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে-

১. প্রথমে ঠিক করুন আপনি কোন কোন জিনিস কিনবেন। সেই জিনিসগুলোর দাম বিভিন্ন শপিং সাইট থেকে যাচাই করুন। কোন সাইটে কত দামে পাচ্ছেন তা যাচাই করুন। এভাবে একটি ধারণা নিতে পারেন।

২. ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রডাক্টের অনলাইন পেইজে এখন মূল্যছাড় দেয়। সারাক্ষণই কোনো না কোনো ডিসকাউন্ট কিংবা স্পেশাল অফার চলতেই থাকে। ডিসকাউন্টের সময় আপনার পছন্দের প্রডাক্টটি কিনে নিন।

৩. বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপের কারণে বিশেষ ছাড় পাওয়া যায়। সেগুলোও কাজে লাগাতে পারেন। ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের অফার থাকে। সেই অফারেও কিনে নিতে পারেন।


রোজা রেখে ২৮০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি পৌঁছাল মৌসুমি

পরিচয় পাওয়া গেছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই মাইক্রোবাস চালক ও মালিকের

ইসরায়েলের লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


৪. ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশনের দিকে নজর রাখুন। প্রডাক্ট অর্ডারের পর নিশ্চিত হয়ে পেমেন্ট করুন। না হলে এমনও হতে পারে, আপনি পছন্দের জিনিস বেছে অর্ডার দিচ্ছেন, সঙ্গে কার্ড দিয়ে পেমেন্টও করেছেন। কিন্তু ডেলিভারিই হলো না।

৫. অবশ্যই কোনো কিছু কেনার আগে সেই পেইজের রিভিউ দেখে নিন। প্রোডাক্টটি আগে যারা কিনেছিলেন, তাদের রিভিউ জেনে নিন। এতে ভালো পণ্যটি কিনতে সফল হবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতির শেষ নেই। ঈদ অপূর্ণ থেকে যায় যদি হাত মেহেদির রঙে রাঙা না হয়। বিশেষ করে চাঁদরাত হাতে মেহেদী লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ের নারী ও শিশুরা। তবে হাতের কাছে কম মূল্যে যে-সে মেহেদি পেলেই কিনবেন না। এতে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। বিপদ এড়াতে মেহেদি কেনার আগে আমাদের যা জানা জরুরি-

১. খাঁটি মেহেদির রঙ কখনো কালো হয় না। সব ধরনের কালো মেহেদিতেই ভেজাল বা কেমিকেল মেশানো থাকে।

২. আসল মেহেদি কখনোই  পাঁচ মিনিট বা তার কম সময়ে গাড় রঙ দেয় না। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর আসল মেহেদির রঙ গাঢ় হতে থাকে।

৩. মেহেদির রঙ গাঢ় খয়েরি না হলে অনেকেরই মন খারাপ হয়ে যায়। তবে জানেন কি? আসল মেহেদির রঙ কখনোই এতোটা গাঢ় হয় না।

৪. মেহেদি কেনার সময় মেয়াদ দেখে কিনুন। বেশি পুরোনো হলে আবার রঙ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫. পার্লারে মেহেদি লাগাতে গেলে দেখে নিন নতুন মেহেদি দিচ্ছে কি-না। প্রয়োজনে নিজেই মেহেদি কিনে নিয়ে যান।

৬. ফ্রিজে রাখা মেহেদি ব্যবহারের আগে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। তারপর হাতে লাগান।

৭. শিশুদের হাতে দেয়ার জন্য পাতা মেহেদি বেটে হাতে লাগাতে হবে। এতে শিশুর কোমল হাত সুরক্ষিত থাকবে।

৮. পাঁচ মিনিটেই গাঢ় লাল রঙ পেতে এখন অনেকেই বিভিন্ন মেহেদি ব্যবহার করে থাকেন। এগুলো ত্বক এমনকি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এগুলোতে প্রচুর কেমিকেল থাকে।


রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ ও ‘বি’ হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি: গবেষণা

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বিশ্বে করোনায় একদিনে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু

বাংলাদেশি নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


৯. যেকোনো মেহেদি ব্যবহারের আগে অল্প পরিমাণে হাতে অথবা কানের পেছনে ব্যবহার করুন। এতে অ্যালার্জি হলে জ্বালা-পোড়া করবে বা চুলকাবে। এমন হলে ওই মেহেদি ব্যবহার করবেন না।

১০. মেহেদিতে সাধারণত কার্বোলিক এসিড ব্যবহার করা হয়। যা ত্বকের কোষগুলোকে মেরে ফেলে এবং এর প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ধ্বংস করে। ফলে মেহেদির রঙ দ্রুত গাঢ় হয়।

১১. মেহেদি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার কারণ হলো এতে মেশানো পিপিডি কালি। এই কেমিকেল ত্বকের মারাত্মক অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল মেশানো হয় মেহেদিতে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

প্রচন্ড গরমে অনেকেই ঘামাচির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এই ঘামাচি শরীরের মুখ, হাত, পা, ঘাড়, বুক, পিঠ এমনকি যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এর ফলে শরীরে অনেক চুলকানি হয় এবং লালচে ভাব তৈরি হয়।

ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। তবে জানেন কি, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সহজেই এই বিরক্তিকর ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

>> কাঁচা আলু ঘামাচির সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর। কাঁচা আলুর পেস্ট তৈরি করে শরীরে লাগাতে পারেন। এতে ঘামচি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

>> তরমুজ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। তাই তরমুজের পাল্প ঘামাচিতে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> ঘামচিতে ফিটকিরি মিশ্রিত পানি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গোসল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> বেসনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে প্রলেপ দিয়ে কিছু সময় পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।

>> লাউ এমনিতেই ঠাণ্ডা একটি সবজি। ঘামাচির জন্য লাউ আগুনে ঝলসে নিয়ে তা থেকে রস বের করে কিছুদিন খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

>> লেবুর রসে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ঘামাচি দূর করতে বেশ কার্যকরী। ঘামাচিতে উপকার পেতে দিনে ৩ থেকে ৪ গ্লাস লেবুর রস মিশ্রিত পানি পান করুন।

>> কয়েক দিন শরীরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ঘামাচি ভালো হয়ে যায়। সেজন্য অ্যালোভেরা পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে তা শরীরে প্রলেপ মেখে নিতে হবে। জেল আপনা-আপনি শুকিয়ে গেলে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে

>> ঘামাচিতে উপকার পেতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেসব স্থানে ঘামাচি আছে, সেখানে বরফ ঘষা। তাছাড়া ঠাণ্ডা পানিও ভালো আরাম দেয় ঘামাচিতে।

>> মুলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচিতে বেশ উপকারী। এই পেস্ট তৈরি করতে লাগবে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি,  গোলাপ জল ২ টেবিল চামচ ও পানি পরিমাণমতো। ঘামাচির জায়গায় এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে ঘামচি ভালো হয়ে যাবে।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


>> এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডার পানিতে ভিজিয়ে তা ভালো করে নিংড়ে ঘামাচির স্থানে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> নিমপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিমপাতার পেস্ট শরীরে লাগিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে শুকাতে হবে। এভাবে ৪ থেকে ৫ বার দিনে ব্যবহার করলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এক মুঠো নিমপাতা ২ কাপ পানিতে ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘামাচির জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে লাগাতে হবে। এভাবে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করতে পারলে ভালো।

>> চন্দন বাটা বা চন্দন গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির স্থানে কয়েকবার লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঘামাচি ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া চন্দন ও ধনেপাতা বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ ধনেপাতায় আছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আর চন্দন ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি দুই-ই কমায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর