যে চারটি কাজ না করলে ওজু হবে না

অনলাইন ডেস্ক

যে চারটি কাজ না করলে ওজু হবে না

ইসলামের বিধান অনুসারে ওজু হল দেহের অঙ্গ-পতঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। পবিত্র কোরআনে আছে -‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তওবাকারীকে ভালবাসেন এবং যাহারা পবিত্র থাকে তহাদিগকেও ভালবাসেন।’-(সূরা বাকারা,আয়াত:২২২)। 

নামাজের আগে অবশ্যই ওজু করতে হয়। কোরআন শরীফ পড়তে ও স্পর্শ করতেও ওজু করা উচিৎ। পবিত্র কোরআনে আছে -‘যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করো না।’-(সূরা ওয়াক্কিয়াহ্‌, আয়াত:৭৯)।


আনুশকাকে ধর্ষণ ও হত্যা: দিহানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছালো

সেই ষাটোর্ধ্ব প্রকৌশলীর সঙ্গেই বিয়ের গুঞ্জন পপির

ইসলাম নিয়ে এ কেমন মন্তব্য প্রিয়াঙ্কার, বিতর্ক চরমে

বিএনপি নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদ না ফেরার দেশে


ওজুতে চারটি কাজ খুবই গুরত্বপূর্ণ অর্থ্যাৎ ফরজ বা অবশ্য করণীয় কাজ রয়েছে। যা না করলে ওজু হবে না। আসুন ওজুর ফরজগুলো জেনে নেই।

১। সমস্ত মুখ ভালভাবে ধৌত করা।

২। দুই হাতের কনুইসহ ভালভাবে ধৌত করা।

৩। মাথা চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ্ করা।

৪। দুই পায়ের টাকনুসহ ধৌত করা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যেভাবে সালাতুত তাসবিহ পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে সালাতুত তাসবিহ পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

যে নামাজে বার বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি পড়া হয়, ওই নামাজকে সালাতুত তাসবিহ বা তাসবিহ-এর নামাজ। এ নামাজের ফজিলত বর্ণনা করেছেন বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্ম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যা তিনি তাঁর চাচা হজরত আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বর্ণনা করে শোনান। হাদিসটি তুলে ধরা হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সাথে দশটি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ দশটি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না)

যখন আপনি তা (আমল) করবেন তখন আল্লাহ তাআলা আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সব প্রকার গোনাহ, ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত গোনাহ, সগিরা গোনাহ, কবিরা গোনাহ, গুপ্ত ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।

আপনি চার রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সূরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সূরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)

আরও পড়ুন

  যে সূরাগুলো পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম

  ইসরায়েলি বাহিনী যা করছে, তা যুদ্ধাপরাধ : ইসরায়েলের সাবেক পাইলট

  ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনায় ‘হতবাক’ জাতিসংঘ মহাসচিব

  ইসরায়েলের স্বয়ংক্রিয় লাইকের সেই পেইজ রিমুভ করল ফেসবুক

 

নামাজের যে সব স্থানে এ তাসবিহ পাঠ করতে হবে। তাহলো-

- প্রথম রাকাআতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে সূরা মিলানোর পর রুকুর আগে দাঁড়ানো অবস্থায়
سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ
(সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) ১৫ বার।

- অতঃপর রুকুর তাসবিহ-এর পর রুকু অবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার।
- তারপর রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় (এ সাতবিহ) ১০ বার।
- অতঃপর সেজদার তাসবিহ-এর পর মাথা নত করবেন এবং সেজদাবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার।
- তারপর দুই সেজদার মাঝে বসে (এ তাসবিহ) ১০ বার।
- অতঃপর পুনরায় দ্বিতীয় সেজদায় ১০ বার এবং
- পুনরায় সেজদা থেকে মাথা ওঠিয়ে ১০ বার। মোট প্রত্যেক রাকাআতে ৭৫ বার করে ৪ রাকাআতে মোট ৩০০ বার এ তাসবিহ পাঠ করা।

(হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে।

তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

এ হলো ফজিলতপূর্ণ সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ ‘সালাতুত তাসবিহ’। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাসবিহ নামাজসহ যে কোনো নামাজ এবং ইবাদত-বন্দেগি যথাযথ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

যে সূরাগুলো পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম

অনলাইন ডেস্ক

যে সূরাগুলো পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম

পবিত্র কুরআনুল কারিমের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। এই মহাগ্রন্থের যে কোন আয়াতই ফজিলতপূর্ণ। আমরা অনেকেই কুরআনের সূরাগুলোর আমল সম্পর্কে জানি না। তাই এসব সূরার ফজিলত ও আমল সম্পর্কে জানলে জান্নাতের পথ আরও সুগম হবে।

মহাগ্রন্থ আল কুরআনের প্রতিটি সূরার রয়েছে আলাদা আলাদা ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য। যেগুলোর আমল করা মানুষের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সূরাগুলোর আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

সূরা যুখরূফ-এর আমলের ফজিলত

তাফসিরে দুরারুন নজমে এসেছে, এ সূরাটি লিখে বৃষ্টির পানি দ্বারা ধৌত করে পান করলে কফ-কাশি দূর হয়।

যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখবে যে, সূরা যুখরূফ তেলাওয়াত করছে, তার অর্থ দাঁড়াবে ঐ ব্যক্তি দুনিয়ার জীবনে সফল হবে আর পরকালে সে উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে।

সূরা দুখান-এর আমলের ফজিলত

ইবনে মারদুবিয়া হজরত আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে অথবা জুমআর দিনে সূরা দুখান তেলাওয়াত করে, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য জান্নাতে একটি মহল তৈরি করেন।

বাইহাকি বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে এ সূরা এবং সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে। সে সকালে এমন অবস্থায় জাগ্রত হবে যে, তার সকল গোনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে।

ইমাম তিরমিজি ও বাইহাকি হজরত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সূরা দুখান তেলাওয়াত করবে, সত্তর হাজার ফেরেশতা সকাল পর্যন্ত তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকবে।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যা বেলায় সূরা দুখান, সূরা গাফের ও আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করবে, সকাল পর্যন্ত তাঁর হেফাজত করা হবে এবং সে কোনো প্রকার মন্দ কিছু দেখবে না।

আরও পড়ুন

  ইসরায়েলি বাহিনী যা করছে, তা যুদ্ধাপরাধ : ইসরায়েলের সাবেক পাইলট

  ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনায় ‘হতবাক’ জাতিসংঘ মহাসচিব

  ইসরায়েলের স্বয়ংক্রিয় লাইকের সেই পেইজ রিমুভ করল ফেসবুক

  আল-জাজিরা ভবনে ‘ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের’ গোয়েন্দা অফিস ছিল : নেতানিয়াহু

 

সূরা ঝাছিয়া-এর আমলের ফজিলত

যে ব্যক্তি স্বপ্নে এ সূরাকে পাঠ করতে দেখে, তার মধ্যে দুনিয়া ত্যাগের ভাব তৈরি হবে এবং সে পরহেজগার তথা আল্লাহভীরু হবে।

সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর কেউ যদি এ সূরা লিবিপদ্ধ করে তার দেহে বেঁধে রাখে, তবে সব ধরনের কষ্টদায়ক বস্তু থেকে নবজাতক শিশু হেফাজত থাকবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে এ সূরাগুলোর নিয়মিত আমল করার তাওফিক দান করুন। আামিন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

যে কাজগুলো করলে আরও বেশি অভাব ও ব্যস্ততা বাড়িয়ে দেন আল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

যে কাজগুলো করলে আরও বেশি অভাব ও ব্যস্ততা বাড়িয়ে দেন আল্লাহ

অলসতা-অবহেলা কিংবা বেখেয়াল সব কাজের জন্যই ক্ষতিকর। কোনো কাজের জন্যই এগুলো কল্যাণকর নয়। ভূলবশতঃ কোনো কাজে দেরি হওয়া অলসতা নয়। তবে ইচ্ছাকৃত অলসতা করা বা কোনো কাজে গুরুত্ব না দেয়ায় রয়েছে মানুষে অনেক ক্ষতি। এমনকি এ কাজে আল্লাহ তাআলা মানুষের উপর অভাব-দুর্ভোগ ও ব্যস্ততা চাপিয়ে দেন।

কুরআনুল কারিমে অলসতা ও বেখেয়াল হওয়াকে ধ্বংসাত্মক দুর্ভোগের কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তা হোক ইবাদত-বন্দেগি কিংবা দুনিয়ার জীবনের প্রয়োজনীয় যে কোনো কাজ।

এ কারণেই কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী অলসতা, বেখেয়াল, ইচ্ছাকৃত দেরি, কাজের সময় হয়নি ভেবে বসে থাকা কিংবা পরে করলেও কোনো ক্ষতি হবে বলে রেখে দেয়া কোনোটিই সঠিক কাজ নয়।

কুরআনের সতর্কতামূলক নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এ সব বিষয়ে তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছেন। আল্লাহ তাআলার ইবাদত-বন্দেগি ও তার বিধি-বিধান পালনের বিষয়ে যারা আগ্রহী তাদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন আর যারা অলসতা বা অবহেলাকারী তাদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছেন। তিরমিজি ও ইবনে মাজাহর বর্ণনায় হাদিসে কুদসিতে এসেছে-
'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন- ‘হে আদম সন্তান! আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজের অবসর সময় তৈরি কর ও ইবাদতে মন দাও; তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র্য ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর; তবে- তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর হবে না।’ (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক)

হাদিসের এ ঘোষণা অনুযায়ী ইবাদত-বন্দেগিসহ ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান পালনে নিজেকে যেমন তৈরি করা আবশ্যক, আবার এসব কাজ করার জন্য সময় বের করাও ঈমানের একান্ত দাবি। আবার দুনিয়ার জীবনে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে অলসতা না করে সময়ের কাজ সময়ে করাও জরুরি।

কুরআনুল কারিমের বেখেয়াল লোকদের উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির জন্য, যারা তাদের নামাজ সম্বন্ধে বে-খবর।' (সূরা মাউন: আয়াত ৪-৫)

মনে রাখা জরুরি

ইবাদত-বন্দেগি ও নামাজের অজুহাত দিয়ে নামাজের পর যেমন মসজিদে বসে অলস সময় কাটানো যাবে না। তেমনি সাংসারিক কাজ-কর্মের অজুহাত দিয়ে নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রেও ব্যস্ততা দেখানো যাবে না।

কেননা মহান রাব্বুল আলামিন বান্দাকে উদ্দেশ্যে করেই বলেছেন যেন আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে নামাজের উদ্দেশ্যে রেব হয়। আবার নামাজ শেষ হলেই জীবিকার সন্ধানে জমিনে ছড়িয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
'মুমিনগণ, জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দ্রুত বেরিয়ে পড় এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। অতপর নামাজ শেষ হলে তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।' (সুরা জুমআ : আয়াত ৯-১০)

‘যে ব্যক্তি ইবাদত-বন্দেগির জন্য সময় বের করতে পারবে না আল্লাহ তাআলা তার পুরো সময়কে এমন ব্যস্ততায় ভরে দেবে যে, তার অভাব ও ব্যস্ততা কখনই শেষ হবে না।'

অথচ আল্লাহর স্মরণই মানুষকে সব কাজে সুন্দর ও সঠিক পথ দেখায়, কল্পনাতীত জায়গা থেকে উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করে দেয়। আর তাতে সুন্দর ও উত্তম জীবন লাভ করে মুমিন।

আরও পড়ুন


যে খাবার নিজেও খেতেন না অপরকেও না খাওয়ার পরামর্শ দিতেন বিশ্বনবী

সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেয়া নিয়ে বাইডেনকে যা বললেন নেতানিয়াহু

আগ্রাসনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য বাইডেনকে নেতানিয়াহুর ধন্যবাদ!

প্রথমবারের মতো মাহমুদ আব্বাসকে বাইডেনের ফোন


তাই মুমিন মুসলমানের উচিত, দুনিয়ার এ সংক্ষিপ্ত জীবনে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগির জন্য নির্ধারিত সময় বের করে তাঁর স্মরণে নিজেকে নিয়োজিত করা। আর এ কাজে মহান আল্লাহ মুমিন মুসলমানকে দান করবেন প্রাচুর্য আর তাকে অভাব-দুর্যোগ ও ব্যস্ততা থেকে মুক্তি দেবেন।

সুতরাং ইবাদত-বন্দেগিতে ব্যস্ততা বা তাড়াহুড়ো বা অলসেমি নয় বরং সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে ইবাদত পালন করে দুনিয়ার স্বচ্ছলতা ও স্বচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবন লাভের পাশাপাশি পরকালের সফলতা লাভ করা জরুরি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের উপর আমল করে দুনিয়ার জীবনে ইবাদত-বন্দেগি ও বিধি-বিধান পালনের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বচ্ছলতা লাভ করার তাওফিক দান করুন। অবহেলা, অলসতা ও বেখেয়াল হওয়া থেকে মুক্তি দিন। দুনিয়ার ব্যস্ততা, অভাব ও দুর্যোগ থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

যে খাবার নিজেও খেতেন না অপরকেও না খাওয়ার পরামর্শ দিতেন বিশ্বনবী

অনলাইন ডেস্ক

যে খাবার নিজেও খেতেন না অপরকেও না খাওয়ার পরামর্শ দিতেন বিশ্বনবী

বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্বের সকল মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত। তার চলাফেরা থেকে শুরু করে সবকিছুই তার আদর্শ। খাবারের ক্ষেত্রেও বিশ্বনবী নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। সব সময় সাধারণ খাবার খেতেই ভালোবাসতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মানুষকে সব সময় কম খাবার গ্রহণের ব্যাপারে উৎসাহ দিতেন। তিনি বলতেন, 'একজনের খাবার দুজনের জন্য যথেষ্ট।'

তবে এমন খাদ্য খেতে বলতেন যে, যা সাধারণভাবে খুব দ্রুত হজম হয়ে যায়। শরীরের জন্য ক্ষতিকর, হজমের জন্য ক্ষতিকর, পরিপাকতন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর কোনো খাবারই তিনি গ্রহণ করতেন না। যেমন- পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে এমন খাবার তিনি খেতেন না। কাউকে খেতেও বলতেন না। আবার ফুসফুসের কার্যকারীতা হ্রাস পাবে এমন খাবার ও পাণীয় তিনি গ্রহণ করতেন না। অতিরিক্ত স্বাদ ও রুচির জন্য বেশি মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া বিরত থাকার উপদেশ দিয়েছেন তিনি।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পছন্দ করতেন। আর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো খাবার তিনি খেতেন না। আর তাহলো-

- চালাবিহীন আটার রুটি পছন্দ করতেন। কিন্তু মিহি ময়দার পাতলা চাপালা পছন্দ করতেন না।
- স্বাদ ও রুচির জন্য অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকা।
- যেসব খাবার দ্রুত হজম হয় না তা খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
- অতিরিক্ত স্বাদ ও রুচিকর খাবার বেশি না খাওয়া।
- অতিরিক্ত গরম খাদ্য খাওয়া থেকে বিরত থাকা। যে খাদ্য থেকে ধোঁয়া বের হয়, এরূপ খাবার খেতেন না প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতিরিক্ত গরম খাবার ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করতেন।

অতিরিক্ত গরম খাবার সম্পর্কে তিনি কখনও বলতেন, 'আল্লাহ তাআলা আমাদের আগুন খাওয়ায়নি।' আবার কখনও বলতেন, 'গরম খাদ্যে বরকত নেই।'

আরও পড়ুন


সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেয়া নিয়ে বাইডেনকে যা বললেন নেতানিয়াহু

আগ্রাসনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য বাইডেনকে নেতানিয়াহুর ধন্যবাদ!

প্রথমবারের মতো মাহমুদ আব্বাসকে বাইডেনের ফোন

হামাসের রকেটের মুখে উপকূলীয় অঞ্চল বন্ধে বাধ্য হলো ইসরায়েল


শুধু তা-ই নয়, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও অতিরিক্ত খাবার খেতেন না। এক নাগাড়ে খাবার খাওয়ার উপর থাকতেও নিষেধ করেছেন। অতিরক্তি খাবার খাওয়া সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন-

'মুমিন এক অন্ত্রণালীতে খাবার খায়। আর কাফের অবিশ্বাসীরা সাত অন্ত্রণালীতে খাবার খায়।' (তিরমিজি)

তবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো খাবারকে খারাপ বলেননি। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও কোনো খাবারকে খারাপ বলেননি। তিনি কোনো খাবার পছন্দ হলে খেয়েছেন আর অপছন্দ হলে তা ত্যাগ করেছেন।’ (বুখারি)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অপছন্দনীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা। যেসব খাবার সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারি তা খাওয়া। খাবার গ্রহণেও মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা। তবেই সুস্থ শরীর, দেহ ও মনের অধিকারী হবে মুমিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিক নিয়মে যথাযথ খাবার গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। অতিরক্তি গরম ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। খাবারের সময় নিজেদের সংযত রাখার তাওফিক দান করুন। খাবার নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

নামাজে মনোযোগ ঠিক রাখতে যে কাজগুলো জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে মনোযোগ ঠিক রাখতে যে কাজগুলো জরুরি

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন।’ কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট না হলেও নামাজে দাঁড়ালেই নামাজি ব্যক্তির মনোযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। এটি শয়তানের কাজ। নামাজের সময় হলে যেমন অন্য কাজের স্পৃহা বেড়ে যায়, তেমনি নামাজে বার বার মনোযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। এ থেকে বাঁচতে কিছু আমল করা যেতে পারে। তাহলো-

১. স্থির মনোভাব ও নিয়ত

নামাজের জন্য ওজু করতে যাওয়ার সময়ই এ মনোভাব পোষণ করা যে, মহাবিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার দরবারর হাজিরা দেয়ার জন্য ওজুর করছেন। আর মনকে এ চিন্তা-চেতনায় তৈরি করা যে, নামাজ শুধু আল্লাহর জন্য। সুতরাং নামাজের জন্য শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

২. যথাযথ নিয়ম পরিপূর্ণভাবে ওজু করা

নামাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সুন্দরভাবে ওজু করা জরুরি। ওজু হলো নামাজের সুন্দর প্রস্তুতির প্রথম উৎস। আর নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য ওজু অন্যতম আমল। এ কারণেই প্রচণ্ড শীত ও গ্রীষ্মের সময় ঠাণ্ডা ও গরমকে উপক্ষো করে ঈমানদার মুমিন নামাজের জন্য ওজু করে থাকে। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি অজু ব্যতিত নামাজ পড়বে, তার নামাজ কবুল হবেনা।'

বিশেষ করে ওজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি ওজুতে আল্লাহর নাম স্মরণ করা না হয় সে ওজু অপরিপূর্ণ! তাই ওজু শুরু করার আগে অবশ্যই ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে ওজু শুরু করা।

৩. ওজুতে প্রত্যেক অঙ্গ ভালভাবে ধুয়ে নেয়া

ওজু যেন দ্রুত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। ওজুতে যেন শরীরের কোনো অঙ্গ বাদ না পড়ে বা শুকনো না থাকে সেদিকে দৃষ্টি রাখা। হাদিসে এসেছে-
হজরত ওমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'একবার এক ব্যক্তি নামাজের জন্য ওজু করে এল। কিন্তু নখের সমপরিমাণ ওজুর যায়গা তাতে বাদ পড়ে যায়। আল্লাহর রাসুল সেটি দেখলেন এবং লোকটিকে বললেন, 'আবার ভাল করে অজু করো'। তখন লোকটি আবারও ওজু করে এসে নামাজ আদায় করে।'

বিশেষ করে পা এবং বাহু ধোয়ার সময় ভালোভাবে পানি ব্যবহার করা জরুরি। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ওজু করার সময় মুখমণ্ডল খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতেন। তারপর আগে ডান ও পরে বাম বাহু ধুয়েছেন। উভয় হাত বাহুর দিকে একটু বাড়িয়ে ধুয়েছেন। মাথা মাসেহ করেছেন। আগে ডান পা ও পরে বাম পা ধুয়েছেন। পায়ের নলিসহ উভয় পা ধুয়েছেন। আর শেষে তিনি বলেছেন, 'আমি এভাবেই আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওজু করতে দেখেছি।'

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'তোমাদের পরিপূর্ণ ওজুর কারণে কেয়ামতের দিন তোমাদের হাত-পা এবং চেহারাকে দীপ্তিমান দেখাবে। তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ্যবান, সে যেন তার হাত-পা এবং চেহারার উজ্জল্য বাড়িয়ে নেয়।'

৪. প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের জন্য নতুনভাবে ওজু করা

এক ওজুতে একাধিক ওয়াক্ত নামাজ না পড়ে প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের জন্য নতুনভাবে ওজু করে নামাজের প্রতি মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করা। যদিও ‘অজু ভাঙ্গার কোনো কারণ সংঘটিত না হলে’ এক অজুতেই একাধিক নামাজ আদায় করা যায়। তবে প্রতি ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য সুন্নাত হলো নতুনভাবে ওজু করা। হাদিসে এসেছে-
হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ওজু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের জন্য আলাদা অজু করতেন আর আমরা একই অজু দিয়ে অনেক নামাজ আদায় করতাম।।'

৫. ওজুতে মেসওয়াক ব্যবহার করা

ওজুর সময় মেসওয়াক ব্যবহারে যত্নবান হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'যদি না আমার উম্মতের জন্য এটি কষ্টকর মনে করতাম, তবে প্রতি নামাজের সময় তাদেরকে মেসওয়াক করার জন্য নির্দেশ দিতাম।'

৬. ওজুর পর দোয়া পড়া

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'কেউ যদি পরিপূর্ণভাবে ওজু করার পর নিচের দোয়াটি পড়ে-
اَشْهَدُ ان لاَ اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَ اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدً عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ
উচ্চারণ : 'আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুল্লাহ'
অর্থ : 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ব্যতিত আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল। তাঁর জন্য (এ দোয়াটি যে পাঠ করবে তাঁর জন্য) জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে এবং তাঁর ইচ্ছেমত যে কোনো দরজা দিয়েই সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।'

আরও পড়ুন


যে ৫ আমল করলে জান্নাতের যাওয়ার পথ সহজ হবে

তুরস্ক চুপ করে থাকবে না, ইসরায়েলকে এরদোগান

হামলার জবাবে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে: ফরাসি প্রেসিডেন্ট

ইসরায়েলি হামলা বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের


মূল বিষয়টি হলো-

নামাজে মনোযোগী হওয়ার জন্য ভালো ওজু করার বিকল্প নেই। যে ব্যক্তি যথাযথভাবে আল্লাহর স্মরণে সুন্দরভাবে ওজু সম্পন্ন করবে তার জন্য নামাজ হবে সুন্দর ও উত্তম।

উল্লেখ্য, উত্তমভাবে ওজু করার ফলে মানুষ অনেক গোনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যায়। কারণ হক আদায় করে ওজু করলে হাত ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাত দ্বারা করা গোনাহ পানির সঙ্গে চলে যায়। এমনিভাবে প্রতিটি অঙ্গ ধোয়ার সঙ্গে সে অঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোনাহও ধুয়ে মুছে ওজুকারী ব্যক্তি পাক-সাফ হয়ে যায়। আর তাতে পূর্ণ মনোযোগের সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে মুমিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মনোযোগের সঙ্গে নামাজ আদায়ে সুন্দর ও উত্তমভাবে ধীরস্থিরতার সঙ্গে ওজু করার তাওফিক দান করুন। নামাজে মনোযোগী হয়ে শুধু মহান আল্লাহর জন্য নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। দুনিয়ার সব চিন্তা-চেতনা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর