‘বিয়ের আশ্বাস পেয়ে’ স্বামীকে তালাক, চার বছর ধরে চলে ধর্ষণ
‘বিয়ের আশ্বাস পেয়ে’ স্বামীকে তালাক, চার বছর ধরে চলে ধর্ষণ

‘বিয়ের আশ্বাস পেয়ে’ স্বামীকে তালাক, চার বছর ধরে চলে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে (২৯) চার বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা বাদী হয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনায় পাবনা জেলার সদর উপজেলার বরইতলা পলিটেকনিকেল রোডের আব্দুল আলিম বাদশার ছেলে আসিফ আহম্মেদ রাজকে (২৯) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে গত সোমবার (১৫ মার্চ) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৩ সালে পারিবারিকভাবে ওই নারীর সঙ্গে সোহরাব হোসেন নাম এক ব্যক্তির বিয়ে হয়।

দাম্পত্য জীবনে ভালোই ছিল তারা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালে আসিফ আহম্মেদ রাজের সাথে ফেইসবুকে পরিচয় হয় তার। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আসিফ তাকে তার মিরপুরের বাসায় দেখা করতে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এতে প্রতিবাদ করলে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেয় আসিফ। তার কথা বিশ্বাস করে ওই নারী ২০১৮ সালে তার স্বামীকে তালাক দেয়।


কিশোরীকে গণধর্ষণের পর ৬০ টাকা ধরিয়ে দিল অভিযুক্তরা

অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে ভয়াবহ বন্যা সতর্কতা

বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠিত করেছে: চীফ হুইপ

ভোটে হেরে স্ত্রীকে তালাক


এরপর রাজধানীর ভাটারা থানার ছোলমাইদ এলাকায় আব্দুর রউফ বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। উক্ত বাসায় নিয়মিতভাবে আসা যাওয়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শারীরিক সম্পর্ক শুরু করে আসিফ। মাঝে মাঝে আসিফের মিরপুরের বাসায়ও যেতেন ওই নারী। বিয়ের কথা বলে বিভিন্ন সময় দিন-তারিখ ঠিক করে কালক্ষেপণ করতে থাকে।

ওই নারী বলেন, গত ২০ ফেব্রুয়ারি আমি আসিফের মিরপুরের বাসায় গিয়ে বিয়ের কথা বললে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে আমি তাকে বাধা দেই। এরপর আসিফ  ধর্ষণ করে। পরে আমি তার বাসা থেকে আমার বাসায় আসার পর থেকে তিনি আমার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বিভিন্ন ভাবে এড়িয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমার সাথে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সাল থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সাল পর্যন্ত (চার বছর) বিভিন্ন সময়ে আমার বর্তমান ঠিকানা ভাটারা থানার আব্দুর রউফের ভাড়া বাসায় এবং আসিফের বর্তমান ঠিকানা লেভলে ২০ ব্লক-সি মিরপুর ১০ এর বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে অনেকবার ধর্ষণ করে।

এ ব্যাপারে ভাটারা থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান বলেন, আসামি পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে অভিযার চালাচ্ছি।

news24bd.tv তৌহিদ/ কামরুল