গান্ধী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত বঙ্গবন্ধু

অনলাইন ডেস্ক

গান্ধী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত বঙ্গবন্ধু

গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০-এ ভূষিত হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অহিংস ও গান্ধীবাদী আদর্শে আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিবর্তন সাধনের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। সোমবার ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। 

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে গান্ধী শান্তি পুরস্কারের বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভারতের প্রধান বিচারপতি, লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা, লোকসভা স্পিকার ওম বিরালা এবং সুলভ ইন্টারন্যাশনাল বিন্দেশ্বর পাঠক এর প্রতিষ্ঠাতা উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই বার্ষিক পুরস্কারের প্রদানের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়।

২০২০ সালের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার কাণ্ডারি ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভারতীয়দের কাছেও তিনি নায়ক। বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার ও অনুপ্রেরণা দুই দেশের ঐতিহ্যকেও ঋদ্ধ করেছে। তার দেখানো পথেই দুই দেশের বন্ধুত্ব, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে।


দশ বছর আগে যা ঘটেছে তার জন্য আমি দায়ী নই : প্রভা

‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন মুজিববর্ষ উদযাপন করছে, ঠিক তখন বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানাতে পেরে তারা গর্বিত।

পুরস্কারের নগদ অর্থমূল্য এক কোটি রুপি। সঙ্গে একটি স্মারক ও মানপত্রও প্রদান করা হয়। জাতীয়তা, জাতি, ধর্মমত ও লিঙ্গ নির্বিশেষে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর গান্ধী শান্তি পুরস্কার দিয়ে আসছে ভারত সরকার।  ২০১৫ সালের জন্য গান্ধী শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বিবেকানন্দ কেন্দ্র কন্যাকুমারী, ২০১৬ সালের পুরস্কার বিজেতা অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন, ২০১৭ সালের জন্য পেয়েছে একল অভিযান ট্রাস্ট এবং ২০১৮ সালের জন্য পুরস্কারপ্রাপক ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘মানবিক বিবেচনায় আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে এই সংকটটির সমাধান নিহিত রয়েছে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের ওপর, যা গত চার বছরে সম্ভব হয়নি। আমরা চাই প্রত্যাবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘ স্পষ্ট একটি রোডম্যাপ তৈরি করুক।’

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার-বিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন।

আবদুল মোমেন আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থানের নেতিবাচক দিক বিশেষ করে ওই এলাকায় বসবাসরত মূল জনগোষ্ঠীর ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যদি শিগগিরই প্রত্যাবাসন শুরু না হয়, তাহলে এটি কেবল এই এলাকারই সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে না, বরং তা ওই অঞ্চল এবং এর বাইরেও অস্থিরতা তৈরি করবে।

আরও পড়ুন


সুপার লিগে সাকিবের খেলা নিয়ে শঙ্কা!

বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তেমন গদগদ হওয়ার মতো স্মৃতি আমার নাই

এবার আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চাইলেন আসিফ আকবর

সিলেটে মা ও ভাই-বোনকে হত্যা: নানাবাড়িতে থাকায় বেঁচে যায় আফসান


জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ভাসানচর প্রকল্পের কথা অবহিত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ যাতে ভাসানচরে মানবিক সহায়তা প্রদান করে সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে ভাসানচর পরিদর্শনে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান ড. মোমেন।

এ ছাড়া জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সংশ্লিষ্ট উচ্চ পদগুলোতে আরও বেশি বাংলাদেশি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য জেনারেল ল্যাক্রুয়াকে অনুরোধ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সারাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ১৬ কোটির বেশি

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ১৬ কোটির বেশি

দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৬ কোটির বেশি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বুধবার (১৬ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটিরও বেশি। গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের জন্য প্রতিবছর বিদেশ থেকে প্রায় দেড় কোটি হ্যান্ডসেট আমদানির পাশাপাশি কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবেও হ্যান্ডসেট আমদানির অভিযোগ রয়েছে।

মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিটিআরসি পহেলা জুলাই থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু করবে।

এর আগে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি মুঠোফোন বৈধ না অবৈধ, তা যাচাই করতে এনইআইআর নামে এ ব্যবস্থা চালু ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রযুক্তিগত সমাধান পেতে সংস্থাটি সিনেসিস নামে একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গত নভেম্বরে চুক্তি করে।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে বৈধভাবে আমদানি ও উৎপাদিত মুঠোফোনের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু হওয়া ফোনের আইএমইআই (মুঠোফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মিলিয়ে দেখা হবে। অবৈধ, চুরি যাওয়া ও নকল মুঠোফোন দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না।

এদিকে দেশে আগামী ১ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের প্রযুক্তি কার্যক্রম শুরু হবে। এ ফোনগুলো আর চালু করা যাবে না। তবে যাদের কাছে ইতোমধ্যে অবৈধ ফোন চালু আছে তাদের সময় দেবে বিটিআরসি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চাকুরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

চাকুরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণধর্ষণ

এক কিশোরীকে পোশাক কারখানায় চাকুরী দেয়ার গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চার জনকে গ্রেফথার করেছে র‌্যাব। জড়িতরা হলেন জসিম উদ্দিন (২৭), নুরুল আজিম (২৮), জাবের আহাম্মদ (৪৮) এবং মোহাম্মদ নবী (২২)। মঙ্গলবার রাতে বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৭ অধিনায়ক মশিউর রহমান জুয়েল জানান, চাকুরী দেয়ার কথা বলে ৭ জুন ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসার পর থেকে তার কোন খোঁজ না পেয়ে কিশোরীর বাবা র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারের পর মেয়েটি জানায়, একটি বাসায় বন্দি করে তাকে টানা ধর্ষণ করা হয়েছে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

লাঞ্ছনার সাজা তিন থাপ্পড়!

অনলাইন ডেস্ক

লাঞ্ছনার সাজা তিন থাপ্পড়!

থানায় অভিযোগ করলে গ্রামে থাকতে না পারার ভয়ে মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে গ্রামের মাতবরের কাছে যান নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের কৃষক। সেই সালিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি হিসেবে তিনটি থাপ্পড় ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

ভিক্টিমের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর স্বজনেরা গ্রামের প্রভাবশালী। তাই এই বিচার মেনে নিতে হয়েছে তাদের।


আরও পড়ুন:

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম খোদাবক্স (৪৪)। সালিস বৈঠকে বিচারের কাজ করেন তাঁর চাচাতো ভাই সেকেন্দারসহ গ্রামের মাতবর রাজ্জাক মণ্ডল। 
ভিক্টিমের স্বজনরা বলেন, শ্লীলতাহানির সত্যতা পাওয়ার পরও বৈঠকে দোষী ব্যক্তিকে উপযুক্ত সাজা দেওয়া হয়নি। বিচারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে জোর করে সাদা স্টাম্পে ছাত্রী ও বাবার স্বাক্ষর করে নেওয়া হয়েছে।

নবম শ্রেণির ছাত্রী ওই ভুক্তভোগীর  স্বজনেরা জানান, ১০ জুন বিকেলে কিশোরী বাড়িতে নিজের কক্ষে একাই ছিল। প্রতিবেশী খোদাবক্স ঘরে ঢুকে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে খোদাবক্স পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা গ্রামের মাতবরের কাছে বিচার দাবি করেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়েটির বাবাকে  বলা হয়, অভিযুক্তকে তিনটি থাপ্পড় মারতে পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ভাঙচুরের অভিযোগে পরিমণির বিরুদ্ধে জিডি

অনলাইন ডেস্ক

ভাঙচুরের অভিযোগে পরিমণির বিরুদ্ধে জিডি

গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাব নায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছে । গত ৮ জুন ক্লাবে ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। আজ বুধবার  রাজধানীর গুলশান থানায় জিডিটি করা হয়েছে। 

বিস্তারিত আসছে…

 news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর