গরমে বেলের শরবতের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

গরমে বেলের শরবতের উপকারিতা

বেলের শরবত খুবই স্বাস্থ্যসম্মত ও শরীর ভালো রাখে। বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং তা বলবর্ধক। গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে পান করতে পারেন এক গ্লাস বেলের শরবত। বেলের শরবত শুধু শরীর ঠাণ্ডাই করে না।

বেলের শরবতের উপকারিতা : নিয়মিত বেলের শরবত খাওয়ার ফলে শরীরে বিটা ক্যারোটিন, প্রোটিন, রাইবোফ্লাভিন, ভিটামিন-সি, বি এবং বি২, থায়ামিন, নিয়াসিন, ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ফাইবার জাতীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত এই শরবত খাওয়ার ফলে শরীরের বদহজম দূর হয়। 

এছাড়াও আলগা গতি নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে শরীরে রক্ত বৃদ্ধি করে। পেটের ব্যথা দূর করা ছাড়াও যাদের আমাশয় রয়েছে তাদের এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের সমস্যা হ্রাস পায় এবং খুব সহজে হজম হয়। বেল এমন একটি ফল যাতে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।


আইসিইউ থেকে কাজী হায়াতের ভিডিও বার্তা (ভিডিও)

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, শুরুতেই শূন্য রানে লিটনের বিদায়

সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বিমানবন্দর ছাড়লেন সাকিব

পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে দোয়া করা জায়েজ কি?


বেল শরবত তৈরির প্রণালী-প্রক্রিয়া : বেল ১টা, দুধ বা দই ১/২ কাপ, পানি ৪ কাপ, চিনি স্বাদ মতো। শরবত বানানোর আগে অন্তত ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন বেল। পানি থেকে তুলে নিয়ে বেলের আঠা ও বীজ ফেলে দিয়ে চটকে ভালো করে ছেঁকে নিন। দইয়ের সঙ্গে চিনি ও পানি মিশিয়ে ভালো করে মেশানো শুরু করেন। এখন দই, পানি ও চিনির মিশ্রণ বেলের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে বরফ কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

সতর্কতা : ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বেলের পানি বেশি খাওয়া একদমই উচিত হবে না। উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বেলের শরবত খাওয়া উচিত। এছাড়া কার্ডিয়াক রোগীদের বেলের শরবত খাওয়া একদমই উচিত নয়।

news24bd.tv আয়শা 

পরবর্তী খবর

কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তির ৬টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তির ৬টি টিপস

ঘরে তেলাপোকার যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আমরা অনেকেই কীটনাশক ব্যবহার করে থাকি। কিন্ত ঘরে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকলে কীটনাশক ব্যবহার বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। 

তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ তাদের এক প্রতিবেদনে কীটনাশক ছাড়াই তেলাপোকার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি টিপস দিয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

১. দারচিনির গুঁড়া ছিটিয়ে দিন রান্নাঘরের কোণে। তেলাপোকা আসবে না।

২. বোরিক অ্যাসিড ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে ছিটিয়ে দিন তেলাপোকার বাসা বাধার স্থানে।

৩. গরম পানির সঙ্গে এক ভাগ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে সিঙ্কের ড্রেনে রাতে ঘুমানোর আগে ঢেলে দিন। পাইপে থাকা তেলাপোকা দূর হবে। দ্রবণটি সিঙ্ক ও চুলার আশেপাশেও স্প্রে করে দিন।

৪.একটি লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও এক লিটার গরম পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। দ্রবণটি স্প্রে করে দিন সেসব জায়গায় যেখানে তেলাপোকার আনাগোনা বেশি।

৫.এসেনশিয়াল অয়েলের সাহায্যে দূর করতে পারেন তেলাপোকা। তেল ছিটিয়ে দিন তেলাপোকা যেখানে বেশি দেখা যায় সেখানে। সারারাত রেখে পরদিন পরিষ্কার করে ফেলুন।

৬.নিমপাতা ছড়িয়ে দিন ঘর ও রান্নাঘরের আনাচেকানাচে। তিন দিন পর সরিয়ে ফেলুন। নিম অয়েলের সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে স্প্রে করলেও উপকার পাবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেদ কমাতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

মেদ কমাতে করণীয়

মেদ কমাতে করণীয়

ওজন কমানোর জন্য বেশি সমস্যায় পড়তে হয় পেটের মেদ কমানোর সময়। শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও পেটের মেদ সহজে কমে না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই পেটের মেদ কমানো যাবে।


আরও পড়ুন:

মোংলা হাসপাতালে ১৫টি বেডসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল ভারতীয় কোম্পানি

লোকালয়ে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা ৮ ফুট অজগর

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


রুটিন মেনে খাওয়া দাওয়া

বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত, খাওয়ার সময় যদি ধীরে ধীরে, অনেকক্ষণ ধরে চিবিয়ে খাবার খাওয়া হয়, তাহলে সেটা হজম হবে অনেক তাড়াতাড়ি। তাড়াহুড়ো করে খেলে মস্তিষ্ক ঠিক মতো শরীরকে বার্তা পাঠাতে পারে না।

উদ্বেগ কম

মন শান্ত না থাকলে শরীরের মেটাবলিজম হার কমে যায়। ঘুম ঠিক করে হয় না। এমনকি খাবারও হজম হতে দেরি হয়। তাই পারুন মন শান্ত রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে খাওয়ার সময় এবং ঘুমের আগে।

সোজা হয়ে বসুন

আমরা বেশির ভাগ সময় সোজা হয়ে বসি না। বসার সময় খেয়াল রাখতে হবে শিরদাঁড়া যেন সোজা থাকে।

পেটের ব্যায়াম করুন

পেটের মেদ কমাতে শুধু কার্ডিয়ো করলে হবে না, পেটের ব্যায়াম করতে হবে। তবে পেটের মাংসপেশিগুলো ট্রেন করে টানটান করার জন্য পেটের ব্যায়ামের বিকল্প নেই।

যোগব্যায়াম

যোগব্যায়ামেও পেটের মেদ কমানো সম্ভব। ধনুরাসন, ভুজাঙ্গাসন, উস্ত্রাসনের মতো বেশ কিছু আসন আপনাকে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।

 news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

হেডফোন খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তবে প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি ব্যবহারের একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক হেডফোনকে ভালো রাখার কিছু সহজ টিপস-

১. ট্রাভেলের সময় অবশ্যই একটি খাপে ভরে রাখুন হেডফোন।

২. অফিস বা বাড়িতেও হেডফোন রাখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৩. যদি অনেক দিন হেডফোন অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে এবং সেই হেডফোন যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে অবশ্যই ব্যাটারি খুলে রাখুন।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


৪.ফোনের জ্যাকে ঢোকানো অবস্থায় কখনোই হেডফোন প্যাক করা উচিত নয়। এতে ছিঁড়ে যেতে পারে হেডফোনের তার বা জ্যাকের সংযোগস্থল।

৫. ফোন বা আইপ্যাডের সঙ্গে শক্ত করে হেডফোন জড়াবেন না। এতে হেডফোনের তার কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ফলে খুব সাবধানে গুছিয়ে রাখতে হবে হেডফোন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে ভয়ের কিছু নেই। বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা মাছের কাঁটা দূর করবে সহজেই। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে মাছের কাঁটা নামানো যায় চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. অনেক সময় ঠাণ্ডা পানি, ভাতের দলা মুখে দিলে কাঁটা নেমে যায়।

২. লবণ কাঁটা নরম করতে সাহায্য করে। তবে শুধু লবণ না খেয়ে পানিতে মিশিয়ে তারপর খান। এই পানির ফলে সহজেই কাঁটা নেমে যাবে।

৩.পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ভিনেগার গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটাকে সহজেই নরম করতে পারে। তাই পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে খেলে কাঁটা সহজেই নেমে যায়।

আরও পড়ুন:


পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: প্রধান আসামী নাসিরসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে না: কাদের

পরীমণিকে নির্যাতনের ঘটনায় সংসদে বিচার চাইলেন এমপি হারুন

মামলার এজাহারে যা বলেছেন পরীমণি


 

৪.গলায় কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে অলিভ অলিভ অয়েল খেয়ে নিন। অলিভ অয়েল অন্য তেলের তুলনায় বেশি পিচ্ছিল। তাই গলা থেকে কাঁটা পিছলে নেমে যাবে সহজেই।

৫. গলায় কাঁটা আটকালে হালকা গরম পানিতে একটু লেবু চিপে নিয়ে খান। লেবুর অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দিতে পারবে। ফলে গরম পানিতে একটু লেবু দিয়ে খেলে কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে সহজেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

অনলাইন ডেস্ক

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

খুশকি নিয়ে সব বয়সী মানুষকেই দেখা যায় উশখুশ করতে। চুলের খুশকি নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অনেকের কাছেই যেন অসাধ্য! কিন্তু ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুশকির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

চলুন সেগুলো একটু জেনে নেওয়া যাক:-

১.দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করে তার সাথে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। স্ক্যাল্পে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে দিন। পরবর্তীতে শ্যাম্পু করে নিন।

২.শ্যাম্পুর পরিবর্তে বেকিং সোডা ব্যবহার করেও চুল ধুয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডা চুলকে ফাঙ্গাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। যার প্রভাবে খুশকির আশঙ্কা কমে যায়। প্রথম-প্রথম চুল অতিরিক্ত শুকনো লাগতে পারে। তবে পরে স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক তেলেই চুল নরম হয়ে উঠবে।

৩.মেথি স্বাস্থ্যের পক্ষে যতটা ভালো, চুলের পক্ষেও ততটাই। আধ কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন ব্লেণ্ডারে দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। আধঘণ্টা এই পেস্টটা মাথায় লাগিয়ে রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে খুশকির সমস্যা কমবে।

৪.মুলতানি মাটির প্যাক লাগালে খুশকি শুধু দূরই হবে না, চুলও ঝলমলে হবে। এই প্যাক বানিয়ে নিন মুলতানি মাটির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস আর পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে। ২০ মিনিট মাথায় লাগিয়ে রেখে তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫.খুশকির প্রকোপ কমাতে দারুণ কাজ করে নিমপাতা। একমুঠো নিমপাতার পেস্ট তৈরি করে গোছলের এক ঘণ্টা আগে মাথায় লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন। তারপর ভেষজ কোনো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। আগের দিন রাতে এই পেস্টটা লাগিয়ে পরদিন শ্যাম্পু করতে পারলেও খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, নিমের নিয়মিত ব্যবহার আপনার মাথার তালুর চুলকানি কমাবে, যে ফাঙ্গাসের কারণে খুশকি হয় সেগুলোকে ক্রমশ অকেজো করে দেয় নিমের নির্যাস।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর