পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে প্রতিরোধ দিবস

পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে প্রতিরোধ দিবস

Other

একাত্তরের ২৩ শে মার্চ পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে পালিত হয় প্রতিরোধ দিবস। দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনস্রোত যায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে। সেদিনের সেই ঘটনাপ্রবাহের কথা নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকী।

২৩ শে মার্চ ১৯৭১। ঢাকার পল্টন ময়দানে এক কুচকাওয়াজের আয়োজন করে তখনকার ছাত্রলীগ। পল্টন ময়দানে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি বাজানো হয়। সঙ্গে উত্তোলন করা হয় সবুজ লালের মাঝে হলুদ মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা। এরপর ব্রিগেডের একেকটি দল এসে মঞ্চে উপবিষ্টদের অভিবাদন জানাতে থাকে। সেদিন মঞ্চে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় চার খলিফা নামে খ্যাতদের অন্যতম ছাত্রলীগের তখনকার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী।


আরও পড়ুনঃ


নেত্রকোনায় বেগুনের বাম্পার ফলন

সাকিবকে ধন্যবাদ আলোচনাটা শুরু করার জন্য

‘নেত্রী দ্য লিডার’ এর জন্য গোফ ফেলেও ভাইরাল অনন্ত জলিল

পত্রিকার সাংবাদিকগুলো বিসিএস ক্যাডার চাকরিটাকে বিশাল কিছু বানিয়ে ফেলেছেন


নূরে আলম সিদ্দিকী দলবলসহ পতাকা নিয়ে যান বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাসার সামনে। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে অভিবাদন জানাতে উপস্থিত হয় অগনিত মানুষ। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারা আসেন। ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে নূরে আলম সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুর হাতে পতাকা তুলে দেন।

পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে সেদিন প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়। সেদিন বিমানবন্দর ভবন, প্রেসিডেন্ট ভবন ও লাটভবন ছাড়া আর কোথাও ছিল না পাকিস্তানের পতাকা। রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি ভবনসমূহে, বাড়িতে, গাড়িতে কালো পতাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

news24bd.tv / নকিব