তুচ্ছ কারণে ব্লেড দিয়ে মাকে গলাকেটে হত্যা করলো মেয়ে

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

তুচ্ছ কারণে ব্লেড দিয়ে মাকে গলাকেটে হত্যা করলো মেয়ে

প্রবাসী স্বামীকে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বেল্ড দিয়ে মাকে গলাকেটে হত্যা করে ববি খাতুন। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে।

দুপুরে নাটোর জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সামনে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা।

তিনি জানান, প্রবাসী স্বামী সোহেল রানাকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ায় ববি খাতুন তার মা সেলিনা খাতুনের কাছে দাবী জানান। কিন্তু তার মা মোটরসাইকেল কিনে দিতে অস্বীকৃতি জানালে ববি খাতুনের সাথে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

এরপর গতকাল বিকেলে গুরুদাসপুর উপজেলার নাড়ীবাড়ী নিজ শয়ন কক্ষে ব্লেড দিয়ে মা সেলিনা খাতুনকে গলাকেটে হত্যা করে ববি খাতুন। পরে খবর পাওয়ার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এসময় হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে ববি খাতুন।


 ভারতের সাথে আমাদের শুধু আত্মার নয়, রক্তেরও সম্পর্ক : হানিফ

যদি কিছু ঘটাতে আসেন, বলে দিচ্ছি আত্মহত্যা করবো: ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা

শাল্লার ঘটনায় অনন্তকালের তদন্ত চাই না : জাফরুল্লাহ চৌধুরী

অভাবে গরুর বদলে লাঙ্গল টানছেন দুই বৃদ্ধ


পরে পুলিশের সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ববিকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মাকে হত্যার কথা স্বীকার করে সে। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ব্লেড, ৯ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ। 

এদিকে, এই ঘটনায় ববি খাতুনকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে তার মামা সুলতান আহমেদ খান।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি

প্রায়শই মাঝ রাতে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবে যেতেন বর্তমানের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। কিন্তু মানতেন না কোনো নিয়ম কানুন। নিজের খেয়াল খুশিমত গভীর রাতে বিভিন্ন যুবক-যুবতী নিয়ে মদ্যপান করতেন।  

পুলিশ ও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পরীমনি তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমিসহ কয়েকজন যুবক-যুবতী নিয়ে প্রায়রাতেই অভিজাত ক্লাব ও তারকা হোটেলে ঘুরে বেড়াতেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে মদ পান করতেন মধ্যরাত পর্যন্ত। এক্ষেত্রে প্রায় রাতেই তার কারণে ক্লাবের আইন ভাঙা হতো। বিশেষ করে হাফপ্যান্ট পড়ে তার সঙ্গী হওয়া জিমি ড্রেসকোডের তোয়াক্কা করতেন না কখনোই। এক ক্লাবে সময় কাটিয়ে তিনি যেতেন আরেক ক্লাবে।

ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনার আগের রাতে রাজধানীর হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে অল কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি কে এম আলমগীর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ৮ জুন রাতে পরী মনির ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরেন।

ক্লাবের সভাপতি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী রাত ১১টায় ক্লাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাত প্রায় ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পরী মনি এক সদস্যের মাধ্যমে ক্লাবের বারে প্রবেশ করে মদ অর্ডার করেন। মদের একটি বোতল তার টেবিলেও দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়েটাররা পরিবেশন করতে রাজি না হওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠেন পরীমনি। এক পর্যায়ে ১৫টি গ্লাস, ৯টি স্ট্রে ও বেশ কিছু গ্লাস ভাঙচুর করে বেরিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।

বুধবার (১৬ জুন) অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, পরীমণি ওই ক্লাবের সদস্য নন। ৮ জুন (মঙ্গলবার) রাতে তিনি ক্লাবে অনুপ্রবেশ করেন। তারপর ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা ও তর্কবিতর্ক হয়। ঘটনাস্থল থেকে একজন জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দেয়। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, ৯৯৯ থেকে গুলশান থানায় ফোন করলে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখতে পায়। এরপর পুলিশ থানায় ফিরে এসে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আকারে গোটা বিষয়টি থানায় অবগত করে।

গুলশান থানা জানায়, সাধারণত ৯৯৯ থেকে কোনো ডাক পেলে সেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কী পেল না পেল ইত্যাদি অবগত করতে হয়। তার অংশ হিসেবেই সেদিনের ক্লাবের ঘটনাটি পুলিশ জিডি আকারে লিখে রাখে।

জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, এটা ফালতু একটা অভিযোগ। এত দিন পরে কেন এই অভিযোগ?

গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯–এর একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কাটাকাটির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন পরীমনি। পরে আর এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।

৮ জুন পরীমনি ঢাকা বোট ক্লাবে গেলে সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ করেন। এই ঘটনায় গত সোমবার ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত এই নায়িকা। মামলার পর পুলিশ প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ, গাজীপুর:

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ভণ্ড কবিরাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই কবিরাজ দুই সন্তানের জননী এক নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে দীর্ঘ দিন ধরে বহুবার ধর্ষণ করেছে।  

নির্যাতিতা ওই নারী এমন অভিযোগ তুলে কবিরাজ আল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পূবাইল থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। কবিরাজ আল আমিন (৩২) পূবাইল থানাধীন ৩৯নং ওয়ার্ডের হায়দরাবাদ গ্রামের জাবেদের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিত সেই নারীর প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। পরবর্তীতে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। ওই সংসারে কোনো সন্তান না হওয়ায় সেই নারীর দ্বিতীয় স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান। স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে ভণ্ডপীর ও ভুয়া কবিরাজ আল আমিনের দ্বারস্থ হন ওই নারী।

সেই কবিরাজ আল আমিন স্বামীকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। সে সময় ধর্ষণের ভিডিও করে রাখেন কবিরাজ আল আমিন। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে মাসের পর মাস ধর্ষণ করতে থাকেন সেই দুই সন্তানের জননীকে।  

ধর্ষিত সেই নারী জানান, ধর্ষণের পাশাপাশি আল আমিন বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় প্রায় দেড় লাখ টাকা।

পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শাহ আলম জানান, ধর্ষণের শিকার নারী বাদী হয়ে থানায় একটি নারী ও শিশু আইন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করে। পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


পুলিশের শূন্য পদে শিগগিরই জনবল নিয়োগ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে ১২ কোটি মানুষেরই জন্মতারিখ ঠিক নেই: ডা. জাফরুল্লাহ

অপহরণকাণ্ডে কারাগারে হুইপ সামশু’র অনুসারী মীর কাসেম

অবৈধ সুদের কারবারকে বৈধতা দিতে ব্যস্ত কর্মকর্তারা, দায়সারা তদন্ত প্রতিবেদন


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

অপহরণ করে টানা তিনদিন গণধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

অপহরণ করে টানা তিনদিন গণধর্ষণ

অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে তিনদিন এক জায়গায় রেখে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ করেছে। বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে অপহৃত ওই শিশুকে  উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- রাউৎগাঁও গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে জাকারিয়া, রাউৎগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে রায়হান ও আবু তালেবের ছেলে মেহেদী হাসান।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল ৬টা থেকে বুধবার (১৬ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি জানান, অভিযানে গ্রেপ্তার আসামিদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৪১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১১৭ গ্রাম হেরোইন, ৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ৪ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।


স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

এখনও খোঁজ মেলেনি আবু ত্ব-হা আদনানের, যা বলছে পুলিশ

রোনালদোকাণ্ডের পর এবার টেবিল থেকে বিয়ারের বোতল সরালেন পগবা


তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পরকীয়া : স্বামীকে হত্যা করে বিয়ে করেন ছাত্রদল নেতাকে শিপা

অনলাইন ডেস্ক

পরকীয়া : স্বামীকে হত্যা করে বিয়ে করেন ছাত্রদল নেতাকে  শিপা

তিন মাস আগে সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহজাহান চৌধুরী মাহির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন আইনজীবী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী শিপা বেগম। দুই সন্তানের মায়ায় স্বামীকে ছেড়েও যেতে পারছিলেন না। তাই প্রেমিককে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন শিপা বেগম।

তাদের পরকীয়া প্রেমের বাধা তার স্বামী আইনজীবী স্বামী আনোয়ার হোসেনকে সেহরির সময় নিজেই হত্যা করেন শিপা। আর হত্যার ১০ দিনের মাথায় সাবেক ছাত্রদল নেতা শাহজাহান চৌধুরী মাহিকে বিয়ে করেন তিনি। আর এতে স্বামীকে হত্যার কথা ফাঁস হয়ে যায়।

সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (এমএম-২) দ্বিতীয় আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানান শিপা বেগম। 

রোববার বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত টানা সাড়ে ৩ ঘণ্টা শিপার স্বামী হত্যার পরিকল্পনার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এমএম-২ এর বিচারক মো. সুমন ভূইয়া। আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


শিপা বেগম গত ২৮ এপ্রিল ঘুমের ওষুধ কিনে আনেন । ২৯ এপ্রিল রাতে আইনজীবী আনোয়ার হোসেনকে সেহরির সময় ১০টি ‘কয়েট-১০০ এমজি’ ঘুমের ট্যাবলেট পানিতে মিশিয়ে খাওয়ানোর পর ডায়াবেটিস থাকায় আর ঘুম থেকে উঠতে পারেননি। এরপর ৩০ এপ্রিল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার আনোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। 

শিপা আদালতে আরও জানান, ওইদিন রাতে প্রেমিক শাহজাহান চৌধুরী মাহিও ছিল শিপার বাসায়। দুজনে মিলে আনোয়ার হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করেন। এরপর মাহিকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না শিপা। এজন্য স্বামী হত্যার ১০ দিনের মাথায় ১০ লাখ টাকা কাবিনে মাহিকে বিয়ে করেন।

আইনজীবী আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ৬ জুন স্ত্রী শিপা বেগমের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে রোববার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের দ্বিতীয় আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তবে শিপার বর্তমান স্বামী প্রেমিক মাহি এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে খুঁজছে পুলিশ।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আবু ফরহাদ  জানান, পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আইনজীবীর লাশ উত্তোলনের আবেদন করেছিলাম। আদালত ৬ জুন লাশ উত্তোলনের অনুমতি দেন। আমরা বুধবার লাশ উত্তোলন করব।

১ মে শিপার মাধ্যমে আনোয়ারের মৃত্যু সংবাদ পান স্বজনরা। শিপা তাদের জানিয়েছিলেন ৩০ এপ্রিল সেহরি খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়েন আনোয়ার। পরদিন দুপুরে বিছানায় মৃত অবস্থায় স্বামীকে দেখতে পান তিনি। সেসময় স্বজনরা স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে ওই রাতেই তার দাফন করেন। কিন্তু কয়েক দিন পরই শিপা দ্বিতীয় বিয়ে করলে তাদের সন্দেহ হয়। এর জের ধরে আনোয়ারের ভাই মনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২ জুন সিলেটের আদালতে মামলা করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর