কৃষিখাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়

বাবু কামরুজ্জামান

৫০ বছরের পথ চলায় কৃষিখাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। তলাবিহীন ঝুঁড়ি থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ-স্বনির্ভর বদলে যাওয়া এক দেশ।  গেল ৫ দশকে নীরব বিপ্লব ঘটেছে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি খাতে।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, যে কোন দুর্যোগে টিকে থাকার সবচেয়ে বড় নির্ভরতা কৃষি খাত। তাই কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই করতে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও কর্মসংস্থান নিশ্চত করার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

গত পাঁচ দশকের বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটেছে গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে। কৃষির হাত ধরে কেবল গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার নয়; একসময়ের তলাবিহীন ঝুঁড়ি এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

হিসাব বলছে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থা। কেবল ধান উৎপাদন নয়; শাকসবজি থেকে ফলমূল কিংবা মাছচাষ। কৃষির এমন প্রায় সবখাতেই বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। 

কৃষিশুমারি ২০১৯-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার এখনো কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই স্বাধীনতা পরবর্তী কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে শিল্পের আধিপত্য বাড়লেও এখনো মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে এ খাতের  অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।


কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ

রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রাষ্ট্রের অর্জন বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: কাদের

সুয়েজ খালে জাহাজ আটকে তীব্র যানজট


করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় যখন নতুন করে বিপর্যস্ত হচ্ছে  বিভিন্ন শিল্প ও সেবা খাত, তখন কৃষি হতে পারে আগামী দিনের বড় নির্ভরতা এমন মত অর্থনীতি বিশ্লেষকদের। 

এক্ষেত্রে কৃষি ভিত্তিক শিল্প এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। বিবিএসের করা শ্রমশক্তি জরিপ বলছে, দেশের মোট শ্রম শক্তির ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ এখনো কৃষিতেই নিয়োজিত।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ছোলা-খেজুরসহ বিভিন্ন পণ্যের রেকর্ড আমদানি

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

আমদানি বেশি হওয়ায় রমজানের আগে দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জের পণ্য সরবরাহ বেড়েছে কয়েকগুণ। কমতে শুরু করেছে ছোলা, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম। কমেছে ভোজ্যতেলের দামও। 

পেঁয়াজের দাম কমে ২৭- ২৮ টাকা কেজিতে আসলেও আইপি বন্ধ করে দেয়ায় আবারো পেয়াঁজ সংকটে দাম বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত ব্যবসায়ীদের। আর ক্রেতারা বলছেন,বাজারে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীদের চালবাজির সুযোগ হবেনা। 

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙ্গরে অবস্থান করা ১১টি জাহাজ থেকে খালাস হচ্ছে চিনি ছোলা ডালসহ অন্যান্য পণ্য। সমুদ্র বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, এ বছর সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে ছোলা, খেজুরসহ বিভিন্ন রকমের পণ্য। যা কয়েক বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে।


দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

মাওলানা মামুনুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণার বড় ছেলের থানায় জিডি

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

স্বাস্থ্যের তথ্য কর্মকর্তা বলছে পজিটিভ, বেগম জিয়ার চিকিৎসক বলছে বিভ্রান্তিকর


দেশের সবচেয়ে বড় নিত্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে পণ্য সরবরাহ দ্বিগুণ হওয়ায় ছোলা মসুরডালসহ সব ধরনের পণ্যের দাম কমেছে।

আর ভোক্তারা বলছেন, পণ্যের দাম কমে যাওয়ার ধারা অব্যাহত রাখতে প্রশাসনকে আরো কঠোর হতে হবে।

এখন পেঁয়াজের দাম কমলেও আইপি বন্ধ করে দেয়ায় রমজানে পেঁয়াজ সংকটের আশংকা আমদানিকারকদের। এই পর্যন্ত ছোলা আমদানি হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৩শ টন। মসূর ডাল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৭ টন। সয়াবিন তেল ৪০ হাজার টন। পরিশোধিত চিনি ১৫০ টন। আর খেজুর আমদানি হয়েছে ৭৬ হাজার ২২০ টনের বেশি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে শিল্প কারখানা চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক


লকডাউনে শিল্প কারখানা চলবে

৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে চলছে সাতদিনের লকডাউন। যা আজ রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো এক সপ্তাহের লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। আর এ লকডাউনেও শিল্পকারখানা খোলা রাখতে গত শুক্রবার থেকেই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন গার্মেন্টস মালিকরা।

তারা সরকারের সামনে দুটি বিষয় তুলে ধরেছেন। এক: কারখানা বন্ধ করলে ক্রয়াদেশ হারাবে বাংলাদেশ। দুই: শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে। 

আর এই দুইটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে আজ বিকেলে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। 

বৈঠক শেষে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’ 

তিনি বলেন, ‘লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’


মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়কে ব্যক্তিগত বললেন বাবুনগরী

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


অবশ্য সরকার এ বিষয়ে এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। আজ বা কাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ হাতেম।

বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এলপিজি শিল্প: ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক

এলপিজি শিল্প: ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস- লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি ও বিপণন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর প্রতিকারের জন্য সংশ্লিষ্টরা বারবার আবেদন-নিবেদন ও যুক্তি প্রদর্শন সত্ত্বেও ফলোদয় হয়নি। এলপিজি শিল্পসংশ্লিষ্ট মহল অবস্থাটাকে এই শিল্পে ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংস করে দেওয়ার চক্রান্ত বলে মনে করছে।

সূত্র জানায়, দেশে এলপিজি বিপণন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সূচনাকালে এ খাতের বিনিয়োগকারীরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তাতে উত্থান-পতনের ধাপ অতিক্রম করতে হলেও গত এক দশকে এলপিজি শিল্পের দারুণ প্রসার ঘটে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এলপিজি গ্যাস ব্যবহৃত হয় ৮০ হাজার মেট্রিক টন আর এখন বছরে এলপিজির চাহিদা ১২ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই চাহিদা ২০২৫ সালে ২৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। অর্থাৎ ৪-৫ বছরের মধ্যে এলপিজির চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে এলপিজি খাতের লক্ষণীয় বিকাশ ঘটছে। আর এই বিকাশে সরকার সব রকম সমর্থনও দিয়ে চলেছে। সরকার ইতিমধ্যে এলপিজি বোতলজাতকরণের জন্য ৫৬টি লাইসেন্স ইস্যু করেছে। বর্তমানে ২৮টি কোম্পানি এই পণ্য বিপণনে বাজারে সক্রিয় রয়েছে।
দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি এখন বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ঘটছে। এতে বাংলাদেশে মানুষের জীবনমান উন্নত হচ্ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখন কাঠ, কয়লা, কেরোসিন ইত্যাদি জ্বালানির বদলে এলপিজি ব্যবহারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। পাইপে আসা গ্যাসের বিকল্প হয়ে উঠেছে সিলিন্ডার ভর্তি গ্যাস। এই গ্যাসের বাজার শিগগিরই আরও বাড়বে। এলপিজি শিল্প সূত্র বলছে, এ খাতের বিকাশের ধারা টেকসই করার স্বার্থে সতর্কতার সঙ্গে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও ফলপ্রদ নীতিমালা তৈরি অত্যাবশ্যক। গেল পাঁচ বছরে এ খাতে ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ ঘটে গেছে এবং এখানে যে অবিরাম বিনিয়োগ প্রয়োজন তা-ও স্পষ্ট।

বিশ্বের উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও অপর্যাপ্ত সমস্যার মোকাবিলা করছে। জ্বালানির চাহিদা ও জ্বালানির সরবরাহের মধ্যকার যে পার্থক্য তার মূলে রয়েছে জ্বালানিসম্পদের অভাব এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎসের সীমাবদ্ধতা। গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সরকার মোট জনসংখ্যার ৫ থেকে ৭ শতাংশকে পাইপলাইনে সংযুক্ত করেছে। এরা দেশের মোট ব্যবহার্য প্রাকৃতিক গ্যাসের ১০ থেকে ১২ শতাংশ ব্যবহার করে।

ইদানীং জ্বালানির ঘাটতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকার নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ফলত প্রচলিত অন্যান্য জ্বালানির বদলে গার্হস্থ্য কাজে মানুষ এলপিজি ব্যবহারে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, বাণিজ্য ও শিল্প খাতও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজিনির্ভর হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ ক্রমে কমে আসছে বলে অব্যাহত সরবরাহের জন্য তারা এমন করছে। এলপিজি আগে ছিল ঐচ্ছিক পদার্থ এখন এটা অপরিহার্য।

এলপিজি পুরোপুরি আমদানিভিত্তিক (৯৮ শতাংশের বেশি)। এর অধিকাংশ টার্মিনাল মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক স্থাপনা। বাংলাদেশে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ এলপিজির ব্যবহার হচ্ছে গার্হস্থ্য ও শিল্প খাতে। চটজলদি সংগ্রহ করা যায়, কার্বন নিঃসরণ খুব কম, নানা কাজে প্রয়োগ সম্ভব, পরিবহনও সহজ- এসব কারণে দেশে এলপিজির ব্যবহার বেড়েই চলেছে।

সূত্র জানান, বাংলাদেশে এলপিজি শিল্পের সুস্থিতি নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অন্যতম হচ্ছে এর মূল্য স্থিরকরণ। সিলিন্ডারপ্রতি এলপিজির দর বাজারে সরবরাহ ও ব্যবহারকারী পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কোন কোম্পানির পণ্য কতটা বিক্রি হচ্ছে তার ভিত্তিতে নির্ণীত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোম্পানিগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এলপিজি বেশ সস্তা। বাংলাদেশে এলপিজি পুরোপুরি আমদানিনির্ভর এবং এতে কোনো ভর্তুকি নেই। ভারতের মতো বিশাল দেশে তিনটি মাত্র এলপিজি কোম্পানি এবং সে দেশ গৃহকাজে গ্যাস ব্যবহারকারীদের যথেষ্ট ভর্তুকি দেয়।

ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দর বেঁধে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য তারা চলতি বছর ১৪ জানুয়ারি গণশুনানির আয়োজন করে। তবে এখনো তারা রেগুলেট করেনি। আন্তর্জাতিক বাজারদর, পরিবহন ও বিতরণে ব্যয় ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলো এবং তাদের ডিলারদের মুনাফার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্য স্থিরকরণ করতে হয়। এলপিজির বাজার বেশ কিছু ফ্যাক্টর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। যেমন-

অধিক প্রতিযোগিতা: দেশের এলপি গ্যাসের বাজারে বেশি কোম্পানির কারণে অনেক কোম্পানিকেই টিকে থাকার লড়াই করতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা; বাজারে টিকে থাকতে এদের অনেকেই লাভ ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে ফেলায় এখন কেউ কেউ অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। ফলে অনেক ব্যবসায়ীই এ খাত থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

সিলিন্ডারে ভর্তুকি: সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়ার কারণেও দামের তারতম্য ঘটে। কোম্পানিগুলো সাধারণত সিলিন্ডারে ভর্তুকি সরবরাহ করে। এতে পরিবেশকরা কম মূল্যে বিক্রি করতে পারেন। বর্তমানে প্রতিটি সিলিন্ডারের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০০০-২২০০ টাকা। অথচ গ্রাহকের কাছে একটি নতুন সিলিন্ডার বিক্রি করা যায় সর্বোচ্চ ৭০০-৮০০ টাকায়। এতেও প্রতি সিলিন্ডারে ১৩০০-১৫০০ টাকা ভর্তুকি দিতে হয়।

ভ্যাট-ট্যাক্স জটিলতা: এলপিজির ব্যবহার বাড়াতে এর উৎপাদন খরচ কমানো জরুরি। আর উৎপাদন খরচ কমাতে হলে ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো জরুরি। সরকারের পরিকল্পনা দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের কাছে এলপিজি পৌঁছানো। এর জন্য প্রয়োজন বিপুলসংখ্যক নতুন সিলিন্ডার। এলপিজি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত সরকারের জ্বালানিবান্ধব নীতিমালা মেনে চলার চেষ্টা করছে। এ খাতের উদ্যোক্তারা বরাবরই সরকারের কাছে একটি দাবি করে আসছেন, তা হলো সিলিন্ডার তৈরির কাঁচামালের আমদানির ওপর শুল্ক সুবিধা দেওয়া। বর্তমানে নতুন সিলিন্ডারে ৫ আর পুরনো সিলিন্ডারে ৭ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর রয়েছে।

আরও পড়ুন


এবারও বড় বাজেটের ঘোষণায় কাজ করছেন অর্থমন্ত্রী

টিকার কার্যকারীতা নিয়ে যা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, রাজধানীর দুই এলাকায় সংক্রমণ হার বেশি

‘উই’ এর উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের দ্বার উন্মুক্ত: প্রতিমন্ত্রী পলক


উচ্চ পরিবহন ব্যয়: সিলিন্ডার পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়। এজন্য কারখানা থেকে ডিস্ট্রিবিউটর, খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত যেতে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। অথচ ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ঢাকায় বিক্রি করা হয় ১১০০ টাকায়। একই দামে দেশের অন্য কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সরবরাহ করতে হয়। অথচ এখানে ঢাকার বাইরে গেলে সিলিন্ডারপ্রতি পরিবহন ব্যয় প্রায় ৫০-১০০ টাকা বেড়ে যায়।

গভীর সমুদ্রবন্দর সংকট: এলপিজি কোম্পানিগুলো বলছে, দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর ও পর্যাপ্ত উত্তোলন অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। পরিবহনের বাড়তি ব্যয়ের অন্যতম কারণ গভীর সমুদ্রবন্দর ও উপযুক্ত অবকাঠামো সমস্যা। এর ফলে আমদানিকৃত গ্যাস জাহাজ থেকে খালাসে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়। এতে বন্দরে বেশি খরচ গুনতে হয় আমদানিকারকদের।

এ ছাড়া এলপিজির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ওঠানামা করার কারণেও দেশের বাজারে দামের উত্থান-পতন ঘটে। কিন্তু গ্রাহকের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারকে সমন্বিত করা যায় না। এতে কোম্পানিগুলোকে লোকসান গুনতে হয়। এসব জটিলতার ফলে দেশের এলপিজি খাতে ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আজ হুমকির মুখে। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ার উপক্রম এ খাতসংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক জনবলের।

এ খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ দেশে ব্যবসা করার ব্যয় অন্য যে কোনো উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ফলত এ খাতের ব্যবসায় টিকে থাকাটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখতে মালিকদের দৌড়ঝাঁপ, চাইছেন ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাও

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখতে মালিকদের দৌড়ঝাঁপ, চাইছেন ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাও

চলতি মাসের ৫ তারিখ ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে চলছে সাতদিনের লকডাউন। যা আগামীকাল রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো এক সপ্তাহের লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। আর এ লকডাউনেও শিল্পকারখানা খোলা রাখতে গত শুক্রবার থেকেই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন গার্মেন্টস মালিকরা। পাশাপাশি শ্রমিকের বেতন-বোনাস পরিশোধে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা চাইছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপানা পরিচালক ফারুক হাসান বলেন, করোনার পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আর তাই শিল্পকারখানা খোলা রাখার বিকল্প কোনো পথ নেই। করোনায় গোটা অর্থনৈতিক অবস্থা টালমাটাল। রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও খুবই খারাপ। এখন যদি কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, শিপমেন্ট করতে না পারি তাহলে তো আরও খারাপ অবস্থা হবে।


প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


তিনি বলেন, গত বছর প্রণোদনার অর্থে শ্রমিকের বেতন দিয়েছি। এবারও সামনে ঈদ আছে। সবকিছু বিবেচনা করে আমরা ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনার প্রস্তাবনা প্রস্তুত করছি। বিজিএমইএর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ এই প্রস্তাবনা দেবে। আমিও তাদের সঙ্গে থাকবো।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আবারও বিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হলেন শেখ কবির

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হলেন শেখ কবির

আবারও বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন শেখ কবির হোসেন।  আগামী ২০২১-২২ সালের জন্য তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এ নিয়ে টানা ছয়বার প্রেসিডেন্ট হলেন তিনি।

শেখ কবিরের পাশাপাশি নতুন কমিটির সহসভাপতিও পুননির্বাচিত হয়েছেন এ কে এম মনিরুল হক। এছাড়াও প্রথম সহসভাপতি পদে নতুন মুখ হিসাবে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ভাইস-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

গত শুক্রবার বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহিদ এমপির সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

বিআইএ’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস সহিদ এবং নির্বাচন বোর্ডের সদস্য হিসাবে নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং মোস্তফা গোলাম কুদ্দুছ উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন বোর্ডের সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন নিশীথ কুমার সরকার, সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেখ কবির হোসেন বর্তমানে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেম্বার অব গভর্নরস। 

এছাড়া তিনি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজম্যান্ট এর চেয়ারম্যান, সিডিবিএল এর চেয়ারম্যান, ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। নব-নির্বাচিত প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল) মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ভাইস-চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (২০২১-২০২২) মেয়াদের জন্য প্রথম সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এবং মেঘনা লাইফ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে পুনঃনির্বাচিত সহসভাপতি এ কে এম মনিরুল হক নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


নির্বাহী কমিটির অন্য ১৭ জন সদস্য হলেন- মোজাফফর হোসেন পল্টু, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স; আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, চেয়ারম্যান, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স; ফরিদুন্নাহার লাইলী, সাবেক এমপি, চেয়ারপাসন, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; মো. ইসহাক আলী খান পান্না, সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স; নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; এম কামাল উদ্দিন, চেয়ারম্যান, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স; বেলাল আহমেদ, চেয়ারম্যান, জনতা ইন্স্যুরেন্স; মজিবুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; সৈয়দ বদরুল আলম, পরিচালক, বেষ্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স; আলহাজ্ব মো. ইসমাইল নওয়াব, ভাইস চেয়ারম্যান, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ; বিএম ইউসুফ আলী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স; পি কে রায়, এফসিএ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপালী ইন্স্যুরেন্স; ফারজানাহ চৌধুরী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স; মো. জালালুল আজিম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স; মো. ইমাম শাহীন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স; মো. গোলাম কিবরিয়া, মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং কাজিম উদ্দিন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর