বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।


শাপলাচত্বর থেকে প্রিজনভ্যানে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

উত্তাপের মধ্যে শাহরুখের পাশাপাশি সাকিব!

এবার পুলিশভ্যানে বসেই লাইভে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল (ভিডিও)


এ সময় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ত্রিশ লাখ শহীদ, দুই লাখ সম্ভ্রম হারানো মা-বোন, জাতীয় চার নেতা ও ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে স্পিকার কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

news24bd.tv/আলী

 

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন মোদী

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন মোদী

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  
শুক্রবার (২৬ মার্চ) সকালে নরেন্দ্র মোদী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তিনি।


শাপলাচত্বর থেকে প্রিজনভ্যানে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

উত্তাপের মধ্যে শাহরুখের পাশাপাশি সাকিব!

এবার পুলিশভ্যানে বসেই লাইভে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল (ভিডিও)


এর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানী নয় বাঙালী সৈন্যরা দখল করে চট্টগ্রাম শহর

অন্তরা বিশ্বাস


২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানী নয় বাঙালী সৈন্যরা দখল করে চট্টগ্রাম শহর

২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানী নয় বাঙালী সৈন্যরা দখল করে চট্টগ্রাম শহর। চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার আনে নিজেদের দখলে। ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম সেই মিশনের নেতৃত্ব দেন। এক নম্বর সেক্টরের এই কমান্ডার আরও অগনিত যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন মুক্তিযুদ্ধের সময়। 

২৪শে মার্চ, ১৯৭১। রাত্রিবেলা। চট্টগ্রামে বিদ্রোহ করেন বাঙালী সেনারা। তাদের নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম। তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে পাকিস্তানীরা আক্রমণ করবে। তাই তিনিই আগে পাকিস্তানীদের ওপর আক্রমণ করতে চাইলেন। কিস্তু সেনাবাহিনীর কিছু বাঙালী অফিসার তখনই আক্রমণে রাজি হলেন না। ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম তখন তার সৈন্যদের অপেক্ষা করতে বললেন। তখন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস এ অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।


‘স্ফুলিঙ্গ’ ভালো লাগলে অন্যদের দেখতে বলুন: তৌকীর আহমেদ

নারী পুলিশকে কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

দৃষ্টিনন্দন ১৬ পরীর পালং খাট, দাম হেঁকেছেন কোটি টাকা

প্রেমিকা ছেড়ে যাওয়ায় ফেসবুকে স্টাট্যাস দিয়ে জাবি ছাত্রের আত্মহত্যা


পরের দিন ২৫শে মার্চ। রাত আটটার পরে খবর পেলেন যে পাকিস্তানীরা ঢাকায় আক্রমণের প্রস্ততি নিচ্ছে। সাথে সাথে তিনি চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার দখল করেন।

২৬শে মার্চ ভোর বেলা। তাদের ওপর হেলিকপ্টার দিয়ে আক্রমণ করে পাকিস্তানী সৈন্যরা। বিকেলে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে আসতে থাকে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানী সৈন্য। খবর পেয়ে ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম দলবল নিয়ে পথেই অ্যামবুশ করেন। পিছু হটে পাকিস্তানী সৈন্যরা। ২রা এপ্রিলের পর পাকিস্তানীরা আবার চট্টগ্রাম দখল করে নেয়।

তখন রফিকুল ইসলাম ভারতের ত্রিপুরায় যান। সেখানে ভারতের কাছ থেকে আরও অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবস্থা করে ফিরে আসেন চট্টগ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে অগনিত যুদ্ধ পরিচালনা করেন ক্যাপ্টেন তিনি। 

news24bd.tv আয়শা 

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে প্রতিরোধ দিবস

অন্তরা বিশ্বাস

একাত্তরের ২৩ শে মার্চ পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে পালিত হয় প্রতিরোধ দিবস। দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনস্রোত যায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে। সেদিনের সেই ঘটনাপ্রবাহের কথা নিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকী।

২৩ শে মার্চ ১৯৭১। ঢাকার পল্টন ময়দানে এক কুচকাওয়াজের আয়োজন করে তখনকার ছাত্রলীগ। পল্টন ময়দানে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি বাজানো হয়। সঙ্গে উত্তোলন করা হয় সবুজ লালের মাঝে হলুদ মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা। এরপর ব্রিগেডের একেকটি দল এসে মঞ্চে উপবিষ্টদের অভিবাদন জানাতে থাকে। সেদিন মঞ্চে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় চার খলিফা নামে খ্যাতদের অন্যতম ছাত্রলীগের তখনকার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী।


আরও পড়ুনঃ


নেত্রকোনায় বেগুনের বাম্পার ফলন

সাকিবকে ধন্যবাদ আলোচনাটা শুরু করার জন্য

‘নেত্রী দ্য লিডার’ এর জন্য গোফ ফেলেও ভাইরাল অনন্ত জলিল

পত্রিকার সাংবাদিকগুলো বিসিএস ক্যাডার চাকরিটাকে বিশাল কিছু বানিয়ে ফেলেছেন


নূরে আলম সিদ্দিকী দলবলসহ পতাকা নিয়ে যান বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাসার সামনে। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে অভিবাদন জানাতে উপস্থিত হয় অগনিত মানুষ। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারা আসেন। ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে নূরে আলম সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুর হাতে পতাকা তুলে দেন।

পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে সেদিন প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়। সেদিন বিমানবন্দর ভবন, প্রেসিডেন্ট ভবন ও লাটভবন ছাড়া আর কোথাও ছিল না পাকিস্তানের পতাকা। রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি ভবনসমূহে, বাড়িতে, গাড়িতে কালো পতাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

বৈষম্যহীন সমাজ এখনও হয়নি বাংলাদেশে: কামাল হোসেন

তৌহিদ শান্ত

বৈষম্যহীন সমাজ এখনও হয়নি বাংলাদেশে: কামাল হোসেন

“আজ এবং ঠিক এই মুহুর্ত থেকেই আমরা স্বাধীন, আমরা বাঙালি এখন ঐক্যবদ্ধ, তারা যুদ্ধ করবে- জয় সুনিশ্চিত”। একাত্তরের ২৫শে মার্চ রাত ৯টায় কামাল হোসেনকে বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐ দিন শেষবারের মতো ৩২ নম্বরের বাড়িতে যান তিনি। 

ইয়াহিয়া আর ভুট্টো ঢাকা ছাড়লেন সেনা পাহাড়ায়- কামাল হোসেন তখনই বুঝেছিলেন ভয়ঙ্কর কোন ‘ষড়যন্ত্র’ প্রস্তুত হচ্ছে বাঙালীর জন্য।

এখন অনেক বয়স মুক্তিকামী এই বাঙালীর। অনেক কিছুই স্মৃতিতে ঝাপসা। ইতিহাসের স্বাক্ষী নিজেই, ভুল যেনো না হয় টেনে নিলেন নিজের বই। বললেন, ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম আর ব্যবসায়ী মূসাকে নিয়ে ২৫শে মার্চ রাত সাড়ে আটটার দিকে রওনা হন তাজউদ্দিন আহমেদকে তুলে নিতে।পথেই ৩২ নম্বর, বাঙালীর মুক্তির স্বপ্ন যে বাড়ি। শেষবারে মতো গেলেন বঙ্গবন্ধুর কাছে।


 

কঠোর নিয়ন্ত্রণ কৌশলে সরকার, হবে না ছুটি বা লকডাউন

ইতিহাস গড়ার ম্যাচে আলো ছড়ালেন মেসি

১২ দেশ থেকে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল পাকিস্তান

‘বিয়ের আশ্বাস পেয়ে’ স্বামীকে তালাক, চার বছর ধরে চলে ধর্ষণ


কামাল হোসেনের আর বুড়িগঙ্গা পাড়ি দেয়া হয়নি। দুই দিন পরেই ধরা পড়েন সেনাবাহিনীর কাছে। ধরে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানে।

ষড়যন্ত্রকারী ভুট্টো শেষ মুহুর্তে বঙ্গবন্ধুর কাছে নতজানু হয়েছিল, প্রস্তাব দিয়েছিল কোনভাবে, কোন দিক দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যায় কি না?

পাকিস্তান টেকে নি কারণ শোষণ নির্যাতন নিষ্পেষণ আর বৈষম্যের কারণে। কিন্তু কামাল হোসেন মনে করেন হয়তো সেই নির্যাতন-শোষণ এখন নেই। তবে বৈষম্যহীন সমাজ এখনও হয়নি বাংলাদেশে।

news24bd.tv আয়শা 

 

পরবর্তী খবর

তৌফিক-ই-ইলাহীর নেতৃত্বে অসংখ্য যুদ্ধ সংগঠিত হয়

অন্তরা বিশ্বাস

তৌফিক-ই-ইলাহীর নেতৃত্বে অসংখ্য যুদ্ধ সংগঠিত হয়

যশোর, বেনাপোল, শিকারপুর এলাকায় অগনিত যুদ্ধ সংগঠিত হয় তৌফিক-ই-ইলাহীর নেতৃত্বে। তিনি ছিলেন ৮ নম্বর সেক্টরের সাব-কমান্ডার। যুদ্ধের শুরুতে তিনি ভারতকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি দিয়েছিলেন। শুরু করেছিলেন যুদ্ধের প্রস্তুতিও। মুজিবনগর সরকার গঠনের আয়োজনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত এই মুক্তিযোদ্ধা। 

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই জীবনের মোড় এবং বিশ্বাসকে পরিবর্তন করে দেয় তাঁর। এরপর বাঙালিদের জয় বাংলা শ্লোগানের সাথে একত্মতা স্বীকার করেন তিনি। কথাগুলো বলছিলেন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা তৌফিক-ই-ইলাহী। 


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


২৫শে মার্চ ১৯৭১। পাকিস্তানী হানাদাররা ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর। সেই খবর মেহেরপুর থেকে পান তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। তখন তিনি মেহেরপুরের জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে। সেদিনই জনগণের সাথে দেশ স্বাধীনের নেশায় প্রস্তুতি নেন যুদ্ধের। ২৬শে মার্চ দুটি চিঠি পাঠান ভারতে। যেখানে ছিলো তাঁর সাক্ষর ও সরকারি সিলমোহর।

২৭ মার্চ, অমৃত বাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর ২য় চিঠিটি। এরপর ভারত থেকে ডাক আসে তাঁর। বাংলাদেশের দূত মর্যাদা নিয়ে ভারতে যান তিনি। পান গার্ড অব অনার। ১৭ ই এপ্রিল, ১৯৭১, মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। সেখানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। 

৮ নম্বর সেক্টরের শিকারপুর সাব-সেক্টরের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। পরে বেনাপোল সাব-সেক্টরের অধিনায়ক হন তিনি। ১২ ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। তাঁর নেতৃত্বে ভারতের কাঁঠালবাগান ক্যাম্প থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধারা। পটুয়াখালীতে, পাকিস্তানী সেনাদের সাথে হয় তুমুল যুদ্ধ।

news24bd.tv আয়শা

পরবর্তী খবর