উকুন থেকে মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক

উকুন থেকে মুক্তির উপায়

চুলে উকুনের সমস্যা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি চুলকানির কারণে একটি বিরক্তিকর বিষয়ও বটে। উকুন এক মাথা থেকে অন্য মাথাতে বেশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এর বৃদ্ধিও হয় খুব তাড়াতাড়ি। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে সহজেই এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। উপায়গুলো জেনে নেই:

১. উকুন দূর করতে নিম একটি প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। মাথার তালুর চুলকানি কমানোর সঙ্গে সঙ্গে এটি মাথার ত্বক ময়েশ্চরাইজ করে থাকে। নিমের পেস্ট তৈরি করে এটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন। 

২. উকুন দূর করতে নিমের তেল মাথায় ব্যবহার করতে পারেন। এক ঘন্টা রেখে চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে তিন বার করুন।

৩. ভিনেগার দিয়ে চুল ধোয়া। সমান পরিমাণ পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এবার এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে উকুন মরে যাবে। আপনি চাইলে ভিনেগারের সঙ্গে অলিভ অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন।


হাটহাজারীতে পুলিশ-হেফাজত সংঘর্ষে নিহত ৪

ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাইক্রোবাসে আগুন, ঝরে গেল ১৭ প্রাণ

'শিশু বক্তা' দীর্ঘদিন ধরেই গ্রেপ্তার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন

সাকিবকে ধন্যবাদ আলোচনাটা শুরু করার জন্য


 

৪. ভেজা চুল আঁচড়ানো। প্রথমে চুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে কন্ডিশনার লাগান। এবার চিকন চিরুনি দিয়ে মাথার ত্বক থেকে চুলের আগা পর্যন্ত আঁচড়ান। কয়েকবার এভাবে ভেজা চুল আঁচড়ান। দেখবেন, মাথার উকুন অনেকটা দূর হবে।

৫. পেঁয়াজের রসে সালফার রয়েছে, যা উকুন দূর করতে সাহায্য করবে। চার থেকে পাঁচটি পেঁয়াজের রস করে নিন। এরপর তা মাথায় ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। দুই ঘন্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুল শুকানোর পর চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, দেখবেন উকুন সব চিরুনিতে চলে এসেছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেদ কমাতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

মেদ কমাতে করণীয়

মেদ কমাতে করণীয়

ওজন কমানোর জন্য বেশি সমস্যায় পড়তে হয় পেটের মেদ কমানোর সময়। শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও পেটের মেদ সহজে কমে না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই পেটের মেদ কমানো যাবে।


আরও পড়ুন:

মোংলা হাসপাতালে ১৫টি বেডসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল ভারতীয় কোম্পানি

লোকালয়ে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা ৮ ফুট অজগর

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


রুটিন মেনে খাওয়া দাওয়া

বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত, খাওয়ার সময় যদি ধীরে ধীরে, অনেকক্ষণ ধরে চিবিয়ে খাবার খাওয়া হয়, তাহলে সেটা হজম হবে অনেক তাড়াতাড়ি। তাড়াহুড়ো করে খেলে মস্তিষ্ক ঠিক মতো শরীরকে বার্তা পাঠাতে পারে না।

উদ্বেগ কম

মন শান্ত না থাকলে শরীরের মেটাবলিজম হার কমে যায়। ঘুম ঠিক করে হয় না। এমনকি খাবারও হজম হতে দেরি হয়। তাই পারুন মন শান্ত রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে খাওয়ার সময় এবং ঘুমের আগে।

সোজা হয়ে বসুন

আমরা বেশির ভাগ সময় সোজা হয়ে বসি না। বসার সময় খেয়াল রাখতে হবে শিরদাঁড়া যেন সোজা থাকে।

পেটের ব্যায়াম করুন

পেটের মেদ কমাতে শুধু কার্ডিয়ো করলে হবে না, পেটের ব্যায়াম করতে হবে। তবে পেটের মাংসপেশিগুলো ট্রেন করে টানটান করার জন্য পেটের ব্যায়ামের বিকল্প নেই।

যোগব্যায়াম

যোগব্যায়ামেও পেটের মেদ কমানো সম্ভব। ধনুরাসন, ভুজাঙ্গাসন, উস্ত্রাসনের মতো বেশ কিছু আসন আপনাকে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।

 news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

হেডফোন ভালো রাখার ৫টি টিপস

হেডফোন খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তবে প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি ব্যবহারের একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক হেডফোনকে ভালো রাখার কিছু সহজ টিপস-

১. ট্রাভেলের সময় অবশ্যই একটি খাপে ভরে রাখুন হেডফোন।

২. অফিস বা বাড়িতেও হেডফোন রাখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৩. যদি অনেক দিন হেডফোন অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে এবং সেই হেডফোন যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে অবশ্যই ব্যাটারি খুলে রাখুন।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


৪.ফোনের জ্যাকে ঢোকানো অবস্থায় কখনোই হেডফোন প্যাক করা উচিত নয়। এতে ছিঁড়ে যেতে পারে হেডফোনের তার বা জ্যাকের সংযোগস্থল।

৫. ফোন বা আইপ্যাডের সঙ্গে শক্ত করে হেডফোন জড়াবেন না। এতে হেডফোনের তার কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ফলে খুব সাবধানে গুছিয়ে রাখতে হবে হেডফোন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর ৫টি সহজ উপায়

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে ভয়ের কিছু নেই। বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা মাছের কাঁটা দূর করবে সহজেই। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে মাছের কাঁটা নামানো যায় চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. অনেক সময় ঠাণ্ডা পানি, ভাতের দলা মুখে দিলে কাঁটা নেমে যায়।

২. লবণ কাঁটা নরম করতে সাহায্য করে। তবে শুধু লবণ না খেয়ে পানিতে মিশিয়ে তারপর খান। এই পানির ফলে সহজেই কাঁটা নেমে যাবে।

৩.পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ভিনেগার গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটাকে সহজেই নরম করতে পারে। তাই পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে খেলে কাঁটা সহজেই নেমে যায়।

আরও পড়ুন:


পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: প্রধান আসামী নাসিরসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে না: কাদের

পরীমণিকে নির্যাতনের ঘটনায় সংসদে বিচার চাইলেন এমপি হারুন

মামলার এজাহারে যা বলেছেন পরীমণি


 

৪.গলায় কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে অলিভ অলিভ অয়েল খেয়ে নিন। অলিভ অয়েল অন্য তেলের তুলনায় বেশি পিচ্ছিল। তাই গলা থেকে কাঁটা পিছলে নেমে যাবে সহজেই।

৫. গলায় কাঁটা আটকালে হালকা গরম পানিতে একটু লেবু চিপে নিয়ে খান। লেবুর অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দিতে পারবে। ফলে গরম পানিতে একটু লেবু দিয়ে খেলে কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে সহজেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

অনলাইন ডেস্ক

খুশকির সমস্যা সমাধানে ৫টি ঘরোয়া টিপস

খুশকি নিয়ে সব বয়সী মানুষকেই দেখা যায় উশখুশ করতে। চুলের খুশকি নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অনেকের কাছেই যেন অসাধ্য! কিন্তু ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুশকির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

চলুন সেগুলো একটু জেনে নেওয়া যাক:-

১.দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করে তার সাথে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। স্ক্যাল্পে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে দিন। পরবর্তীতে শ্যাম্পু করে নিন।

২.শ্যাম্পুর পরিবর্তে বেকিং সোডা ব্যবহার করেও চুল ধুয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডা চুলকে ফাঙ্গাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। যার প্রভাবে খুশকির আশঙ্কা কমে যায়। প্রথম-প্রথম চুল অতিরিক্ত শুকনো লাগতে পারে। তবে পরে স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক তেলেই চুল নরম হয়ে উঠবে।

৩.মেথি স্বাস্থ্যের পক্ষে যতটা ভালো, চুলের পক্ষেও ততটাই। আধ কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন ব্লেণ্ডারে দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। আধঘণ্টা এই পেস্টটা মাথায় লাগিয়ে রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে খুশকির সমস্যা কমবে।

৪.মুলতানি মাটির প্যাক লাগালে খুশকি শুধু দূরই হবে না, চুলও ঝলমলে হবে। এই প্যাক বানিয়ে নিন মুলতানি মাটির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস আর পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে। ২০ মিনিট মাথায় লাগিয়ে রেখে তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫.খুশকির প্রকোপ কমাতে দারুণ কাজ করে নিমপাতা। একমুঠো নিমপাতার পেস্ট তৈরি করে গোছলের এক ঘণ্টা আগে মাথায় লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন। তারপর ভেষজ কোনো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। আগের দিন রাতে এই পেস্টটা লাগিয়ে পরদিন শ্যাম্পু করতে পারলেও খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, নিমের নিয়মিত ব্যবহার আপনার মাথার তালুর চুলকানি কমাবে, যে ফাঙ্গাসের কারণে খুশকি হয় সেগুলোকে ক্রমশ অকেজো করে দেয় নিমের নির্যাস।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বানিয়ে ফেলুন ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার

অনলাইন ডেস্ক

বানিয়ে ফেলুন ঘরোয়া ময়শ্চারাইজার

গরমকাল মানেই রোদ, ঘাম আর চিটচিটে ত্বক।  ত্বক বেশি তৈলাক্ত হলে স্বাভাবিক ভাবেই গরমকালে ময়শ্চারাইজ়ার লাগানো এড়িয়ে যান অনেকে। কিন্তু ময়শ্চারাইজ়ার শুধু শীতে নয়, গরমেও লাগানো দরকার। ত্বকের ধরন বুঝে সব ঋতুতেই উপযুক্ত ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করতে পারলে ত্বক থাকবে কোমল। তাই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার বেছে নিলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে, কিন্তু ত্বক তৈলাক্তও হবে না।


আরও পড়ুন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না


প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার

কাঠবাদাম ও মধুর প্যাকের কার্যকারিতা অনেক। কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে, পরদিন বেটে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু এবং সামান্য গরম জল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে ত্বকে ব্যবহার করুন।

একটি পাত্রে গরম জল নিন। তার উপরে একটা বাটিতে আধ কাপ নারকেল তেল ঢেলে, ওই অবস্থায় তিনটে ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ১২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মেশান। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে কাচের পাত্রে রেখে ব্যবহার করুন।

এক চামচ আমন্ড অয়েল আর বিওয়াক্স মিশিয়ে গরম করুন। ঠান্ডা হলে এক চামচ গ্রিন টি এসেন্স, এসেনশিয়াল অয়েল, অ্যালো ভেরা জুস, গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রাখলেই তৈরি ময়শ্চারাইজ়ার। দূষণ থেকে বাঁচতে, ত্বকের দাগছোপ দূর করতে এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি খুবই ভাল।

দু’টি আপেলের বীজ বার করে সিদ্ধ করে মিক্সিতে মিহি পেস্ট বানান। মিশ্রণে এক চা চামচ অলিভ অয়েল দিন। ঠান্ডা হলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই ভাল ময়শ্চারাইজ়ার।

এক চা চামচ কোকো বাটার আর আমন্ড অয়েল মেশান। একটা পাত্রে গরম জল নিয়ে তার উপরে অন্য একটি বাটি বসিয়ে কোকো বাটারের মিশ্রণটি ঢালুন। একটু ঠান্ডা করে এক চামচ মধু আর অল্প গোলাপ জল মেশান। ঠান্ডা হলে কাচের শিশিতে রাখুন। সংবেদনশীল ত্বকের এটি জন্য ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবে দারুণ।

পরিষ্কার পাত্রে চার চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই চামচ নারকেল তেল মেশান। ভাল করে মিশলে এক চামচ ভিটামিন ই ও আমন্ড অয়েল দিন। এটি রোজ স্নানের পরে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বক, দাগছোপ ইত্যাদি সমস্যায় বেশ ভাল কাজে দেয় এই ময়শ্চারাইজ়ার।

চটজলদি সমাধান...

তৈলাক্ত ত্বকে টম্যাটোর রস খুব ভাল ময়শ্চারাইজ়ারের কাজ করে।

ভিটামিন এ ভরপুর পাকা পেঁপের মধ্যে থাকা ফ্রুট এনজ়াইম ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। এক টুকরো মুখে মেখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ময়শ্চাইজ়ারের সঙ্গে দু’-তিন কোয়া কমলালেবুর রস লাগালে ত্বকের কমনীয়তাও ফেরে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু এবং ডিমের কুসুম খুব ভাল প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার। সমপরিমাণে মধু এবং ডিমের কুসুম মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে জলে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

অর্ধেক কলা এবং চার টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে মিনিট ২০ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ময়শ্চারাইজ় করার সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বলতাও বাড়ে।

দুই টেবিল চামচ মধু এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ময়শ্চারাইজ়ারের সঙ্গে টোনার হিসেবেও কাজ করে।

শোয়ার আগে সমপরিমাণ গ্লিসারিন, গোলাপজল মিশিয়ে হাত, পা, ঠোঁট ও ত্বকে লাগান। এটি ন্যাচারাল ময়শ্চারাইজ়ার।

মুখ ধোয়ার পরে, স্নানের পরে এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়মিত হালকা ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করলে আপনার ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও কোমল।

সূত্র: আনন্দবাজার

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর