মৃত ৫ তরুণের নেতারা মুরগীর রোস্ট ও খাসীর রেজালা খাবে

আমিনুল ইসলাম

মৃত ৫ তরুণের নেতারা মুরগীর রোস্ট ও খাসীর রেজালা খাবে

আহারে তরুণ ৫ টা তাজা প্রাণ আজ শেষ হয়ে গেল। চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যেই ছেলে গুলো আজ মারা গিয়েছে এরা কোনো দিনও জানতে পারবে না, এদের নেতারা একটা সময় পর বিপক্ষ দলের আমন্ত্রণে মুরগীর রোস্ট খাবে; খাসীর রেজালা দিয়ে পোলাও খাবে। এরপর নানান রকম মিষ্টি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলবে। সেই সঙ্গে জমি-জমাও পাবে। মাঝখান থেকে তাজা প্রাণগুলো ঝড়ে গেল।

আমিনুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, অস্ট্রিয়া। (ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এখন ভালবাসার সময়, আসুন ভালবাসায় বাঁচি

জসিম মল্লিক

এখন ভালবাসার সময়, আসুন ভালবাসায় বাঁচি

মানুষের ব্যাপারে আমার সবসময় একটা ভীতি কাজ করত। কোনো কারণ ছাড়াই এই ভীতি ছিল। মানুষকে আমি এড়িয়ে চলতাম। সহজে কারো সাথে মন খুলে মিশতে পারতাম না। জড়তা কাজ করত। মানুষের সামান্য একটা কটু বাক্য বা আচরণ আমার বুকে তীব্র হয়ে বাজত। এই সব কারণে অনেকের সাথেই আমার সখ্যতা হয়নি সহজে। 

আবার সখ্যতা হলেও স্থায়ী হয়নি। মরিচা পড়ে গেছে অনেক সম্পর্কে। কখনো আমার দিক থেকে, কখনো অপর পক্ষ থেকে। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের সম্পর্কেও ফাটল ধরার ঘটনা আছে। এক সময় মনে হয়েছে আমাদের কোথাও কোনো সমস্যা আছে, কোনো ভুল আছে। আমরা পরস্পরকে চিনতে ভুল করেছি। আমরা একে অপরের যোগ্য হয়ে উঠিনি। 

আসলে সমস্যা আমারই বেশি। আমারই যোগ্যতার অভাব। আমার অনেক সীমাবদ্ধতা, অনেক ত্রুটি আছে। আমার কারণেই বেশিরভাগ সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে। সামান্য কারণে পরস্পর থেকে দূরে সরে গেছি। এটা ঠিক যে কিছু মানুষ আমাকে বুঝে হোক না বুঝে হোক কষ্ট দিয়েছে, অবজ্ঞা দেখিয়েছে, আমাকে মূল্যায়ন করেনি। আবার অনেকে আমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে। আমি নিজেও সুযোগ করে দিয়েছি। আমি তাদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছি। আমি সবক্ষেত্রে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারিনি। আমি অনেক ভুল করি। একই ভুল বার বার করি।

তবে আমি মানুষের কাছ থেকে ভালবাসাই বেশি পেয়েছি। এতোখানি পাওয়ার যোগ্য আমি না। যতখানি পেয়েছি দেইনি তার কিছুই। নিয়েছি শুধু। অনেক ভালবাসাকে আমি সঠিক মূল্যায়ন করিনি। ভুল বুঝেছি, কষ্ট দিয়েছি। এখন সেসব ভাবলে অনুশোচনা হয়। ভুলের কারনে অনেক সম্পর্ক ঝড়ে গেছে যা আর ফিরে পাব না, অনেক সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে যা আর জোড়া লাগবে না। অনেক সম্পর্ক সময়ের অতলে হারিয়ে গেছে। 

এখন মানুষ নিয়ে আমার কোনো ভীতি নাই আর। ভীতি দূর হয়েছে। কেউ নেগেটিভ কথা বললে বা আচরণ করলে বা ভুল বুঝলে বুকে তীব্র হয়ে বাজে না। কষ্ট পাই বটে কিন্তু ভুলে থাকার চেষ্টা করি। কষ্ট না ভুললে মানুষ বাঁচতে পারত না। জীবনে কি অপমানিত হইনি! 


পালাকেল্লেতে ঝড় তুললেন তামিম

করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম


অনেকই হয়েছি, এখনও কী হইনা! হই। ঘরে হই, বাইরে হই। তাই বলে ভুল বুঝে বসে থাকলে তো হবে না! এখন সবকিছু সহজভাবে নিতে চেষ্টা করি। আগে পারতাম না। 

সামান্য কারণে ভুল বুঝতাম, নিজেকে গুটিয়ে ফেলতাম। আমার অনেক আত্মাভিমান, অনেক জেদ। মনে হতো লেখকের কষ্ট কেউ বোঝে না। সন্তান বোঝে না, স্বামী বোঝে না, স্ত্রী বোঝে না, মা বাবা বোঝে না, বন্ধু বোঝে না, প্রেমিক বোঝে না। লেখককে সবাই কষ্ট দেয়। তবে আনন্দের ব্যপার হচ্ছে মানুষ যতনা কষ্ট দেয় তারচেয়ে ভালবাসে বেশি। ভালবাসাই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। উজ্জীবিত রাখে। এখন ভালবাসার সময়। আসুন ভালাবাসায় বাঁচি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কষ্টটা ডায়রির পাতায় শব্দে শব্দে বুনে রেখেছিলাম

রউফুল আলম

কষ্টটা ডায়রির পাতায় শব্দে শব্দে বুনে রেখেছিলাম

হন্নে হয়ে টিউশনি খুঁজছি। কিছুতেই পাচ্ছি না। চট্টগ্রাম শহরে নতুন এসেছি। নেই আত্মীয়। নেই বন্ধু-বান্ধব! শেষমেষ মিডিয়ার দ্বারস্থ হলাম। আগাম নয়শ টাকা দিলাম। কিছুদিন পর খবর এলো। একটা স্টুডেন্ট পড়াতে হবে। উচ্চমাধ‍্যমিক রসায়ন। চট্টগ্রামে আমার প্রথম টিউশনি। ধুক-ধুক করছে বুক!

টিউশনির বাসায় ঢুকতেই একটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করে উঠতো। আমি ভয় পেতাম। খুব বিরক্ত হতাম। প্রথম তিনদিন, স্টুডেন্টের মা দাঁড়িয়ে ছিলেন পাশে। গার্ডিয়ানের সামনে স্টুডেন্ট পড়ানোর মতো একটা বিভৎস ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, পৃথিবীতে কিছু নেই! টিউশনি ধরে রাখার জন‍্য তিনদিনের পরিবর্তে চারদিন পড়াচ্ছি। গোল্ডলিফ ছেড়ে সেনরগোল্ড ধরেছিলাম অর্থাভাবে। টিউশনি চলে যাওয়া মানে চোখে-মুখে অন্ধকার নেমে আসা। অর্থকষ্টের অন্ধকারের সাথে মহাবিশ্বের কোন অন্ধকারই তুল‍্য নয়। ব্ল‍্যাকহোলও তুচ্ছ!

দেখতে দেখতে মাস চলে গেছে। টাকা দেয়ার নাম গন্ধ নাই! এদিকে সুলতানের দোকানে বকেয়া পড়ে গেছে অনেক। লজ্জায় টিউশনিতে টাকা চাইতে পারছি না। খুব খচখচানি নিয়ে প্রতিদিন পড়াতে যাই। কিছু মানুষকে খোদা অসম্ভব আত্মসম্মানবোধ দিয়ে সৃষ্টি করেন। তারা বিপদে নিজের রক্ত বিক্রি করবে, কিন্তু প্রাপ‍্যটুকু চাইতে পারবে না। আমি মুখ খুলে টাকার কথা বলতে পারছি না। কী যন্ত্রণাময় সময়! এভাবে দুই মাস কেটে গেলো। অসহনীয় হয়ে উঠছে সব। প্রতিদিন বাসা থেকে প্র্যাকটিস করে যাই। শেষপর্যন্ত বলতে পারি না। জীবনের ফাপড় ভয়ঙ্কর! যে খায় সে বুঝে। শেষপর্যন্ত বললাম। কত ঘুরিয়ে, ইনিয়ে-বিনিয়ে। মিথ্যে সাজিয়ে। স্টুডেন্টকে বললাম, তোমার আম্মুকে বলবে, আমি বাড়ি যাব।

আরও পড়ুন


বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র বাবু মারা গেছেন

প্রয়োজন ছাড়া বের না হলে লকডাউনের প্রশ্নই উঠবে না: মোদি

করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল


পরদিন গৃহকর্ত্রী এলেন। একটি খাম ধরিয়ে দিলেন। সারা পথ ভাবলাম, দুই মাসের বেতেন একসাথে - তিন হাজার টাকা! আহা, কী আনন্দ, আকাশে বাতাসে। পথ যেন ফুরায় না। বাসায় আসতে আসতে কত কিছু কেনার পরিকল্পনা! বাসায় ঢোকার ধৈর্য্য সইলো না। সিঁড়িতেই খাম খুললাম। পাতলা পাতলা মনে হলো। ভিতরটা নাড়া দিয়ে উঠলো। গুনে দেখি পনেরশ টাকা। এক মাসের বেতন মাত্র! দুই মাসকে ওরা ভাবলো মাত্র এক মাস? পনেরটি একশ টাকার নোট। কয়েকটি নোট ছিল ছেঁড়া-ফাঁটা, অচল! অভাগা যেদিকে যায়, সেদিকে সাগরও শুকায়। কষ্টটা ডায়রির পাতায় শব্দে শব্দে বুনে রেখেছিলাম। তাই করতাম সবসময়। আর দুমড়ে-মুচড়ে গেলে, বিড়বিড় করতাম - এখনি অন্ধ, বন্ধ করো না পাখা।

অফিসে বসে যখন কফি খাই, মাঝে মাঝে তখন সেসব সময়গুলোর কথা মনে পড়ে। কষ্টগুলোর কথা ভেবে অদ্ভুত অনুভূতি হয়। অফিসে বসে কফি খাওয়ার সময়টুকুর জন‍্য এখন যে বেতন পাই, সেটা সে সময়ের সারা মাসের বেতনের কয়েকগুণ। সৃষ্টিকর্তাই বলেছেন - ধ‍ৈর্য‍্যশীল হও! আমি স্বপ্ন বুকে চেপে ধৈর্যশীল হয়েছিলাম!

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আপনাদের কী মত? এরকম মিসম্যাচ কী আরও আছে?

খালেদ মুহিউদ্দীন

আপনাদের কী মত? এরকম মিসম্যাচ কী আরও আছে?

খালেদ মুহিউদ্দীন

অসুর কথন ১

ইদানীং সুর আর সঙ্গীত খুব ভাল লাগে আমার। তবে সে ভাল লাগা প্রায় সর্বত্র অশিক্ষিত, ক্ষেত্রবিশেষে অমার্জিতও বটে। 

নত মাথায় এই কথা স্বীকার করেও বলতে চাই অন্তত দুটি কালজয়ী গানে ভুল সুর আরোপিত হয়েছে। আপনাদের মত জানতে এই কথনের প্রথম আয়োজন।

১. আনন্দধারা বহিছে ভূবনে..গানটি শুনলে আমার মনে হয় জগতে কোনো আনন্দ নাই, কখনো ছিল না আর আসার তো প্রশ্নই ওঠে না।


জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

ফজিলতপূর্ণ ইবাদত তাহাজ্জুদের নামাজ


২. লোকে বলে বলে রে ঘরবাড়ি ভালা না আমার..এই গানটি শুনলে মনে কেমন ফুর্তি ফুর্তি লাগে। 

আপনাদের কী মত? এরকম মিসম্যাচ কী আরও আছে? নাকি এই দুইটাও ঠিক ঠিকই সুর। মানে কথা ও সুর ঠিকঠাক?

ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীন

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুভমেন্ট পাসের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই: গোলাম মোর্তজা

গোলাম মোর্তজা

মুভমেন্ট পাসের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই: গোলাম মোর্তজা

গোলাম মোর্তজা

চিকিৎসকের পর সাংবাদিক নাজেহাল হয়েছে উল্লেখ করে সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা লিখেছেন, মুভমেন্ট পাসের কোনো আইনগত ভিত্তি নাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই অভিযোগ করেন। News24bd.tv এর পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে দেওয়া হলো।

তিনি লিখেছেন: 

ডাক্তারের পর সাংবাদিক নাজেহাল। সংবাদিককের মোটরসাইকেল আটক। কারণ ‘মুভমেন্ট পাস’ না থাকা।

প্রথমত: সাংবাদিক, ডাক্তারদের মুভমেন্ট পাস লাগবে না-পরিষ্কার করে তা বলা হয়েছিল।

দ্বিতীয়ত: মুভমেন্ট পাসের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তার মানে মুভমেন্ট পাসকে বেআইনি বলার সুযোগ আছে।

তৃতীয়ত: সরকার লকডাউন নামে ‘নিষেধাজ্ঞা’ ‘বিধি-নিষেধ’ ১৮ দফা ও ১৩ দফার যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তার কোথাও ‘মুভমেন্ট পাস’র কথা উল্লেখ নেই।


জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

ফজিলতপূর্ণ ইবাদত তাহাজ্জুদের নামাজ


চতুর্থত: আইনগতভিত্তি ছাড়া এমন পাস ইস্যু করারই সুযোগ নেই পুলিশের।

পঞ্চমত: এই পাস কারও কাছে চাওয়া ও না থাকলে হয়রানি করার প্রক্রিয়াট সম্পূর্ণ বেআইনি।

গোলাম মোর্তজা, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

শওগাত আলী সাগর

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

শওগাত আলী সাগর

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, বিরোধী দলীয় নেতা এরিন ও টুল, এনডিপি নেতা জাগমিত সিং- তিনজনেই এখন কোভিড ভ্যাকসিন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেন। 

অন্টারিও  প্রভিন্স  অ্যাস্ট্রেজেনেকার  ভ্যাকসিনের  জন্য বয়স সীমা কমিয়ে ৪০ এ নির্ধারণ করার পর তিন নেতাই ভ্যাকসিন নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এতোদিন এঁদের কারোই ভ্যাকসিন পাওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, তার অফিস তার জন্য ভ্যাকসিনের অ্যাপয়েন্ট পাওয়ার চেষ্টা করছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া মাত্রই তিনি এবং তার স্ত্রী ভ্যাকসিন নেবেন। 

অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডও  কোনো একটি ফার্মেসীতে গিয়ে ভ্যাকসিন নেবেন। তবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার চেষ্টায় আছেন। প্রধানমন্ত্র্রী থেকে শুরু করে প্রত্যেককেই অনলাইন ব্যবস্থায় অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য বুকিং দিতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেলেই কেবল তারা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন- সেটি তারা নিশ্চিত করেছেন।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর