অভাব দূর হবে প্রতিদিন যে দুয়া পাঠে

অনলাইন ডেস্ক

অভাব দূর হবে প্রতিদিন যে দুয়া পাঠে

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সূরা ওয়াক্বিয়াহ  পাঠ করবে, সে কখনো ক্ষুধায় কষ্ট ভোগ করবে না।’ সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা।

সূরা আল- ওয়াক্বিয়াহ পবিত্র কোরআন শরীফের ৫৬তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৯৬, রুকু আছে ৩টি। সূরা আল-ওয়াকিয়াহ মক্কায় অবতীর্ণ হয়, পারার ক্রম হচ্ছে ৩০। 

হযরত মুহাম্মদ সা. তার উম্মতকে বলে দিয়েছেন অভাব থেকে মুক্তির উপায়। দেখিয়েছেন জীবনে চলার পথ। যে রাসূল সা. এর দেখানো পথে চলবে কোন দিন তার অভাব আসবে না।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরও এ সুরার শিক্ষা দাও।

সূরা আল-ওয়াকিয়াহর আরবি থেকে বাংলা অনুবাদ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ     
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।     
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ    
যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,     
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ    
যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই।      
خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ    
এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে।      
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا    
যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।     
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا    
এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।     
فَكَانَتْ هَبَاء مُّنبَثًّا    
অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।     
وَكُنتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً    
এবং তোমরা তিনভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে।     
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ    
যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।     
وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ    
এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা।     
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ    
অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।     
أُوْلَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ    
তারাই নৈকট্যশীল,     
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ    
অবদানের উদ্যানসমূহে,     
ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ    
তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।     
وَقَلِيلٌ مِّنَ الْآخِرِينَ    
এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্যে থেকে।      
عَلَى سُرُرٍ مَّوْضُونَةٍ    
স্বর্ণ খচিত সিংহাসন।     
مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ    
তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।     
يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُونَ    
তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।     
بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍ    
পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,     
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ    
যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না।     
وَفَاكِهَةٍ مِّمَّا يَتَخَيَّرُونَ    
আর তাদের পছন্দমত ফল-মুল নিয়ে,     
وَلَحْمِ طَيْرٍ مِّمَّا يَشْتَهُونَ    
এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে।     
وَحُورٌ عِينٌ    
তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ,     
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ    
আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়,     
جَزَاء بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ    
তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ।    
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا    
তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।     
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا    
কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।     
وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ    
যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।     
فِي سِدْرٍ مَّخْضُودٍ    
তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে।     
وَطَلْحٍ مَّنضُودٍ    
এবং কাঁদি কাঁদি কলায়,     
وَظِلٍّ مَّمْدُودٍ    
এবং দীর্ঘ ছায়ায়।     
وَمَاء مَّسْكُوبٍ    
এবং প্রবাহিত পানিতে,     
وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ    
ও প্রচুর ফল-মূলে,     
لَّا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ    
যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়,     
وَفُرُشٍ مَّرْفُوعَةٍ    
আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়।     
إِنَّا أَنشَأْنَاهُنَّ إِنشَاء    
আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।     
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا    
অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।     
عُرُبًا أَتْرَابًا    
কামিনী, সমবয়স্কা।     
لِّأَصْحَابِ الْيَمِينِ    
ডান দিকের লোকদের জন্যে।     
ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ    
তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।     
وَثُلَّةٌ مِّنَ الْآخِرِينَ    
এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে।     
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ    
বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা।     
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ    
তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে,     
وَظِلٍّ مِّن يَحْمُومٍ    
এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়।      
لَّا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ    
যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়।      
إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ    
তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।     


দশ বছর আগে যা ঘটেছে তার জন্য আমি দায়ী নই : প্রভা

‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنثِ الْعَظِيمِ    

তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত।      
وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ    
তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?      
أَوَ آبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ    
এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!      
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ    
বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ,      
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ    
সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।      
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ    
অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ।      
لَآكِلُونَ مِن شَجَرٍ مِّن زَقُّومٍ    
তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,     
فَمَالِؤُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ    
অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে,     
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ    
অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি।     
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ    
পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়।      
هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ    
কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।      
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ    
আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।      
أَفَرَأَيْتُم مَّا تُمْنُونَ    
তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে।      
أَأَنتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ    
তোমরা তাকে সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?     
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ    
আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।     
عَلَى أَن نُّبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ    
এ ব্যাপারে যে, তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মত লোককে নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন করে দেই, যা তোমরা জান না।     
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذكَّرُونَ    
তোমরা অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?     
أَفَرَأَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ    
তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?     
أَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ    
তোমরা তাকে উৎপন্ন কর, না আমি উৎপন্নকারী ?     
لَوْ نَشَاء لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ    
আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।     
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ    
বলবেঃ আমরা তো ঋণের চাপে পড়ে গেলাম;     
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ    
বরং আমরা হূত সর্বস্ব হয়ে পড়লাম।     
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاء الَّذِي تَشْرَبُونَ
তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?     
أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ    
তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি?     
لَوْ نَشَاء جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ    
আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?     
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ    
তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?     
أَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنشِؤُونَ    
তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ?     
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ    
আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী।     
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ    
অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।     
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ    
অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,     
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ    
নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ-যদি তোমরা জানতে।     
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ    
নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন,     
فِي كِتَابٍ مَّكْنُونٍ    
যা আছে এক গোপন কিতাবে,     
لَّا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ    
যারা পাক-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না।     
تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ    
এটা বিশ্ব-পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।     
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ    
তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে?     
وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ    
এবং একে মিথ্যা বলাকেই তোমরা তোমাদের ভূমিকায় পরিণত করবে?     
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ    
অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়।     
وَأَنتُمْ حِينَئِذٍ تَنظُرُونَ
এবং তোমরা তাকিয়ে থাক,     
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنكُمْ وَلَكِن لَّا تُبْصِرُونَ    
তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।     
فَلَوْلَا إِن كُنتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ    
যদি তোমাদের হিসাব-কিতাব না হওয়াই ঠিক হয়,     
تَرْجِعُونَهَا إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ    
তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?     
فَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ    
যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;     
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ    
তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।     
وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ أَصْحَابِ الْيَمِينِ    
আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,     
فَسَلَامٌ لَّكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ    
তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।     
وَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ    
আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,     
فَنُزُلٌ مِّنْ حَمِيمٍ    
তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।     
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ    
এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।     
إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ    
এটা ধ্রুব সত্য।     
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ    
অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদের এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা রা. কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল। তাছাড়া এ সুরা শারিরিক সুস্থতা রক্ষা ও অসুস্থতা দূরীকরণেও উপকারী।

এমনকি বর্ণিত আছে, হজরত ইবনে মাসউদ রা. কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সেহরি খাওয়ার ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সেহরি খাওয়ার ফজিলত

‘সেহরি’ আরবি শব্দটি সাহ্রুন মূল ধাতু থেকে নির্গত। সাহ্রুন-এর বাংলা অর্থ রাত্রি জাগরণ করা। বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম সমাজে সেহরি শব্দটি একটি ধর্মীয় পরিভাষা হিসেবে বহল প্রচলিত। শাব্দিক দিক দিয়ে রাত্রিকালীন খাবারকে সেহরি বলা হয়। আর ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় রোজাদার ব্যক্তি রোজা রাখার উদ্দেশ্যে রাতের শেষভাগে সুবহে সাদিকের আগে যে খাবার গ্রহণ করে, তাকে সেহরি বলা হয়।

আল্লাহ বলেন, ‘পানাহার কর যে পর্যন্ত প্রত্যুষে কালো রেখা হতে সাদা রেখা প্রকাশ হয়।’ (সুরা বাকারা- ১৮৭ আয়াত। অর্থাৎ সুবেহ সাদেক উদয় হওয়া পর্যন্ত সেহেরি খাওয়ার শেষ সময়। 

আরেক হাদিসে আছে, হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, তিনটি জিনিসে বরকত রয়েছে। জামাআতে, সারিদ এবং সেহেরিতে। (তাবারানী)

বুখারী ও মুসলিম শরীফে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে একজন সাহাবী এলেন যখন তিনি সেহরি খাচ্ছিলেন। রাসূল (সা.) তাকে দেখে বললেন, এ খাবার বরকতের। আল্লাহ পাক বিশেষভাবে তোমাদের তা দান করেছেন। কাজেই তোমরা সেহরি খাওয়া ছেড়ে দিও না। (নাসাঈ)

মুসলিম শরীফে হযরত আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমাদের এ সিয়াম ও আহলে কিতাবদের (ইহুদী ও খৃষ্টান) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া।


৮ দিনের লকডাউন শুরু, রাজধানীর সড়কে সুনসান নীরবতা

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

করোনাবিধ্বস্ত জনপদে উৎসবহীন পহেলা বৈশাখ আজ

ফের বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পুতুল


সেহরি খাওয়া সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহতায়ালা সেহরি খাওয়া বান্দার ওপর রহমত নাজিল করেন।

হযরত ইয়ালা বিন মুররাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহতায়ালার কাছে তিনটি বস্তু অধিক পছন্দনীয়। (এক) সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাড়াতাড়ি ইফতার করা। (দুই) সেহরি দেরিতে খাওয়া। (তিন) নামাজে হাত বেঁধে আল্লাহর ধ্যান-খেয়ালে আদবের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইফতারের গুরুত্ব

অনলাইন ডেস্ক

ইফতারের গুরুত্ব

রোজা পালনে ইফতারের গুরুত্বও অপরিসীম। আবার সময়মতো ইফতার করার মধ্যেও রয়েছে অশেষ সওয়াব ও কল্যাণ।

রাসূলে কারিম হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এরশাদ করেন, তোমরা ইফতারের সময় হওয়ামাত্র ইফতার করে নাও। এতটুকু বিলম্ব করো না।

এ সম্পর্কে তিরমিজি শরীফে উল্লেখ আছে যে, আমি ওই ব্যক্তিকে সর্বাধিক ভালোবাসি যে ইফতারের সময় হওয়া মাত্র ইফতার করে নেয়।


৮ দিনের লকডাউন শুরু, রাজধানীর সড়কে সুনসান নীরবতা

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

করোনাবিধ্বস্ত জনপদে উৎসবহীন পহেলা বৈশাখ আজ

ফের বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পুতুল


আবু দাউদ শরীফে আছে, হযরত রাসূলে পাক (সা.) যখন ইফতার করতেন, তখন বলতেন, আমার তৃষ্ণা নিবৃত্ত, আমার শিরা উপশিরা সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহপাক পরওয়ারদেগারের পুরস্কার নির্ধারিত হয়ে গেছে।

হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, মানুষ ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন তারা ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করে নেবে। (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা ফাতিহা ও বাকারার বাংলা অনুবাদ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা ফাতিহা ও বাকারার বাংলা অনুবাদ

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান। এ মাসেই নাজিল হয় বিস্ময় গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। যা মানব জাতীর জন্য পথ প্রদর্শক। কুরআন পড়া মুসলমান ভাই-বোনদের জন্য অপরিহার্য, আমরা কুরআন শুধু তিলাওয়াতই করব না বরং তা বুঝব এবং সেইসাথে নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করব।

রাসূল -সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ হবার একটি সহজ পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন-

তোমাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ হলো যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়। (আল-বুখারী)

রমজান মাসে পাঠকদের জন্য কোরআনের বাংলা অনুবাদ জানার সুযোগ করে দিচ্ছে নিউজ টোয়েন্টিফোর অনলাইন। আজ আমরা তুলে ধরব সুরা ফাতিহা ও সুরা বাকারার বাংলা অনুবাদ।

সুরা ফাতিহার বাংলা অনুবাদ

সুরা বাকারার বাংলা অনুবাদ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

অনলাইন ডেস্ক

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

সূরা আল ফাতেহা পবিত্র আল কোরআনের প্রথম সূরা। আয়াত সাতটি। মক্কায় অবতীর্ণ। ‘ফাতিহা’ শব্দের অর্থ শুরু, আরম্ভ, উদ্বোধন, উদঘাটন প্রভৃতি। কুরআনুল কারিমের ১১৪টি সূরার মধ্যে প্রথম সূরাটি হলো সূরাতুল ফাতিহা। আর এ জন্য সূরা ফাতিহাকে ‘ফাতিহাতুল কুরআন’ বা কুরআনের শুরু বলে অভিহিত করা হয়।

আল্লামা ইবনে জরীর (রাঃ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, হযরত রাসূলে কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, সূরা ফাতিহা অর্থাৎ আলহামদু শরীফ হচ্ছে, উম্মুল কোরান, ফাতিহাতুল কিতাব, সাবউমাছানি। 

এ সূরার আরেকটি নাম হচ্ছে “সূরায়ে কাঞ্জ” (ভান্ডার)। হযরত আলী (রাঃ) হতে ইসহাক ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, এ সূরাটি আরশের নিম্নস্থিত ভান্ডার থেকে অবতীর্ণ হয়েছে।


এই দেশে আমি ও আমার মতো অনেকেই মূল্যহীণ ও অপ্রয়োজনীয়

লকডাউনের সংজ্ঞাই পরিবর্তন করে দিল বাংলাদেশ

এভাবেও ম্যাচ হারে কলকাতা!

আহমদ শফীর মৃত্যু : পিবিআই’র রিপোর্ট পুনরায় তদন্তের দাবি বাবুনগরীর


আসুন জেনে নিই এই সূরার 

বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ-


بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।

অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।

অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।

অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।

অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন

অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ

উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম

অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।

صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ

উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।

অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রমজানে রোজার নিয়ত কখন করবেন

অনলাইন ডেস্ক

রমজানে রোজার নিয়ত কখন করবেন

রমজান মাসের রোজা মুসলমানদের জন্য ফরজ। আমরা যেন আল্লাহ ভীতি অর্জন করতে পারি সে জন্য রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে। আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপরও রোজা ফরজ ছিল।

ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল ভিত্তির তৃতীয়টি হলো রোজা। সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং সেই সঙ্গে যাবতীয় ভোগ-বিলাস থেকেও বিরত থাকার নাম রোজা। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি সবল মুসলমানের জন্য রমজান মাসের প্রতিদিন রোজা রাখা ফরজ বা অবশ্য পালনীয়।

রোজা পালন উপলেক্ষ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া (আত্মশুদ্ধি) অর্জনে করতে পার। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

হজরত আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। (অর্থাৎ মুসলিমরা সাহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সাহরি খায় না)।’ (মুসলিম, নাসাঈ)

রোজা পালনে সাহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব। সাহরি খাওয়ার পর রোজা নিয়ত করা জরুরি।

রোজার নিয়ত কখন করবেন
যদি কেউ রাতে নিয়ত না করে তাহলে মধ্য আকাশ থেকে সূর্য পশ্চিমে ঢলার দেড় ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত নিয়ত করা যাবে। তবে শর্ত হলো, সুবহে সাদিকের পর থেকে নিয়তের পূর্ব পর্যন্ত রোযার পরিপন্থী কোনো কাজ না করতে হবে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/১৯৫, রদ্দুল মুহতার : ৩/৩৪১।

রোযা রাখার উদ্দেশ্যে সাহরী খেলে নিয়ত হয়ে যাবে
রোযার উদ্দেশ্যে সাহরী খেলে সেটাই নিয়তের জন্য যথেষ্ট হবে। উল্লেখ্য, রাতে রোযার নিয়ত করার পর সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ইত্যাদি করা জায়েয আছে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/১৯৫, রদ্দুল মুহতার : ৩/৩৪১।

পুরো রমযানের জন্য একত্রে নিয়ত করা যথেষ্ট নয়
পুরো রমযানের জন্য একত্রে নিয়ত করা যথেষ্ট নয়। বরং প্রত্যেক রোযার জন্য পৃৃথকভাবে নিয়ত করতে হবে। কেননা প্রতিটি রোযা ভিন্ন ভিন্ন আমল।
–বাদায়িউস সানায়ে : ২/২২৮, রদ্দুল মুহতার : ৩/৩৪৪।

রোজার নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে পরকালের সফলতা ও জান্নাত লাভে রমজানের রোজার যথাযথ হক আদায় করে তা পালন করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর