স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে যশোরে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে যশোরে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন, স্বল্পোন্নতদেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ এই শ্লোগানে যশোরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হয়েছে। 

এ উপলক্ষে সকালে র‌্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজিত র‌্যালিটি কালেক্টরেট চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে টাউন হল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। 


দুই দেরিতে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি : গবেষণা

‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


সেখানে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজি নাবিল আহম্মেদ, সিভিল সার্জন ডা: শেখ আবু শাহীনসহ অন্যান্যরা।

news24bd.tv আয়শা 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্রীজ আছে : নেই সংযোগ সড়ক

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ:

ব্রীজ আছে : নেই সংযোগ সড়ক

নওগাঁর আত্রাইয়ের রতন ডারা খালের উপর দাঁড়িয়ে আছে সংযোগ সড়কবিহীন একটি ব্রীজ। ব্রীজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের চাটার সাঁকোর উপর দিয়ে পারাপার হতে হয় এলাকাবাসীকে। ব্রীজটি পারাপার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় হাজারো মানুষের। বছরের পর বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলেও যেন দেখার কেউ নেই।

জানা যায়, উপজেলার সাহাগোলা ইউনিয়নের তারাটিয়া ছোটডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন রতন ডারা খালের উপর চার বছর পূর্বে নির্মাণ করা হয় একটি ব্রীজ। নির্মাণের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রীজটির উভয় পার্শ্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। 

স্থানীয়রা খালের উপর ব্রীজটিতে সংযোগ সড়ক হিসেবে বাঁশের চাটার সাঁকো বানিয়ে এর উপর দিয়ে পারাপার হয়। সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি পারাপারে উচলী কাশিমপুর, পার-কৃষ্টপুর, ঝনঝনিয়া, কালিগ্রাম, সুবর্ণকুন্ড, তারটিয়া, মির্জাপুর, মাগুড়াপাড়া, হাতিয়াপাড়া, চাপড়া, তারাটিয়া, ছোটডাঙ্গা, বড়ডাঙ্গা, কয়সাসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় পারাপার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে সাইকেল, মোটরসাইকেল ও মাল বোঝাই ভ্যান গাড়ী ঠেলা দিয়ে পার করতে হয়। সংযোগ সড়কবিহীন সরু এই ব্রীজটি পারাপারে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। 

ভবানীপুর জিএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ব্রীজটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি দিয়ে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের চলাচল করা খুবই কষ্টসাধ্য। দ্রুত ব্রীজটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা প্রয়োজন। 

সাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করবেন এমটিই প্রত্যাশা করেন তিনি। 

জেলা জেলা নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুল আলম বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটির উভয় পাশে সংযোগ রাস্তার জন্য আবেদন উপর মহলে পাঠিয়েছি। সেটি অনুমোদন দিয়ে অর্থ বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু করা হবে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে খদ্দর প্রবেশ নিষেধ

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে খদ্দর প্রবেশ নিষেধ

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে দেশের সর্ববৃহৎ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে সর্বসাধারণের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

দেশের বড় এই যৌনপল্লিতে সরকার ঘোষিত ৭ দিনের এই লকডাউনে খদ্দররা যাতায়াত করতে পারবে না বলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


সৌদি-সিঙ্গাপুর-কাতার-ওমান-আরব আমিরাতের জন্য বিশেষ ফ্লাইট

শরিফউল্লাহ রিমান্ডে

করোনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার লকডাউনের নামে চালাচ্ছে শাটডাউন: ফখরুল

আব্দুল মতিন খসরু লাইফ সাপোর্টে

কিন্তু লকডাউনের ঘোষণা আসলেও যৌনকর্মীদের ত্রাণ সহযোগিতার কোনো ঘোষণা শোনা যায়নি।

গত বছর লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যৌনকর্মীদের জন্য এসেছিল সহযোগিতা। এ পল্লিতে সরকারি হিসেবে ১৬০০ ও বেসরকারি হিসেবে পাঁচ হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন। তাদের ছেলেমেয়ে এবং পল্লিতে ঘরের মালিক ও দালালসহ আরো চার শ জন বসবাস করে থাকেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, সরকার থেকে আমাদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে আমরা তা বাস্তবায়ন করব এবং পল্লির ভেতরে এর ব্যতিক্রম হবে না।

তিনি জানান, যৌনপল্লির বাসিন্দারা জরুরি প্রয়োজনে প্রধান ফটক দিয়ে বাইরে যেতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন মিটিয়ে তাকে ফিরতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কঠোর লকডাউনে নিরব শহর

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

কঠোর লকডাউনে নিরব শহর

অতি পরিচিত শহর আজ অনেক অপরিচিত। শহরে এক চাপাঁ নিরবতা বিরাজ করছে। নতুন করে সরকারঘোষিত আটদিনের বিধি-নিষেধের প্রথমদিনে ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বত্র কঠোরভাবেই ‘লকডাউন’ পালিত হচ্ছে। এই বিধি-নিষেধ সর্বাত্মকভাবে পালনে বাধ্য করতে শহরের প্রধান সড়ক ও মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আজ বুধবারের (১৪ এপ্রিল) লকডাউনের প্রথম দিনে রাস্তায় মানুষ নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলেই পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে।

রাস্তায় পুলিশের টহল গাড়ি, পণ্যবাহী ট্রাক, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত সীমিত সংখ্যক যানবাহন ছাড়া তেমন যানবাহন চোখে পড়েনি। প্রায় প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে থামিয়ে কী প্রয়োজনে কোথায় যাচ্ছেন তা জানতে চাইছেন পুলিশ সদস্যরা। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হয়েছেন নিশ্চিত হলে মামলা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে।

সরেজমিনে শহরের চৌরাস্থা, বাজস্ট্যান্ড, সত্যপীরব্রীজ, আটগ্যালারী মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অধিকাংশ রাস্তাঘাট ফাকাঁ দেখা গিয়েছে। শুধু মাত্র কয়েকটি পুলিশের টহল ভ্যান ও সাইরেন বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে দেখা গেছে।

শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যারিকেড দিয়ে টহল বসিয়ে যানবাহন ও যাত্রীদের জেরা করতে দেখা গেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট কে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে। তাছাড়া রমজানের প্রথম দিন হওয়ার কারণে এমনিতেই মানুষ ঘরের বাইরে বের হননি।

শহরে কর্তব্যরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ করোনার সংক্রমণরোধে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় থাকতে দেয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিশেষ পাস ছাড়া চলাচলে বাধা দিতে বলা হয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খুলনায় লকডাউনে যানবাহন চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুলনায় লকডাউনে যানবাহন চলাচল বন্ধ

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে খুলনায় শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন। বুধবার লকডাউনের প্রথম দিনে নগরীর রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশ টহল দিচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। নগরীর সকল দোকানপাট বন্ধের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। 

সকালে ব্যস্ততম ডাকবাংলা, পিকচার প্যালেস, পুরাতন যশোর রোড এলাকায় যানবাহন শূন্য দেখা যায়। স্বাভাবিক সময়গুলোতে এখানে যানজট ও যানবাহন চলাচলের শব্দে অতিষ্ঠ হতে হয়। তবে  সোনাডাঙ্গা, বয়রা মোড়সহ শহরের বিভিন্ন স্থানে স্বল্প সংখ্যক মোটরসাইকেল রিকসা চলাচল করতে দেখা গেছে। অবশ্য বেশিরভাগ মোটরসাইকেল লকডাউনের আওতামুক্ত জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার কর্মীদের। 

আরও পড়ুন


সাতক্ষীরায় বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহত

উত্তরায় ৬ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু

দেশবাসীকে নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের

রমজানে নতুন রান্না নিয়ে হাজির কেকা ফেরদৌসি


এছাড়া অনলাইনে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নিয়েও কেউ কেউ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছেন। এদিকে গল্লামারী ও নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লোকজনের উপস্থিতি দেখা গেছে। লকডাউনের মধ্যে কয়েকটি স্পটে টিসিবির মালামালও বিক্রি হয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও ফার্মেসি ছাড়া বাকি দোকানপাট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও ফার্মেসিতেও ক্রেতাদের ভিড় নেই।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাটোরেও চলছে প্রথম দিনের কঠোর লকডাউন

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরেও চলছে প্রথম দিনের কঠোর লকডাউন

সারা দেশের মতো নাটোরেও চলছে প্রথম দিনের কঠোর লকডাউন। প্রয়োজন ছাড়াবাড়ির বাহিরে বের হচ্ছে না সাধারণ মানুষ। বেশির ভাগ রাস্তা ঘাট ফাঁকাজনমানব শূণ্যে। সকাল থেকেই জেলা পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহার নেতৃত্বেনাটোর শহরের বড়হরিশপুর, স্টেশনবাজার সহ গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থাননিয়েছে জেলা পুলিশ। 

এছাড়া সার্বক্ষনিক মোটরসাইকেলে টহল দিচ্ছে পুলিশসদস্যরা। প্রয়োজন ছাড়াকেউ বাহিরে বের হলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া দুরপাল্লার সকল যানবাহন বন্ধ রয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী সাতদিনের কঠোর লগডাউন বাস্তবায়ণ করতে পুলিশ মাঠে কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর