কন্ডিশনারের সঠিক ব্যবহার জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

কন্ডিশনারের সঠিক ব্যবহার জেনে নিন

কন্ডিশনার চুলকে নরম করে এবং সুরক্ষা দেয়। এটি কিউটিকলকে বন্ধ করে দেয়। এতে চুল তাপ থেকে সুরক্ষা পায়। তবে কন্ডিশনার ব্যবহারেরও কিছু নিয়ম রয়েছে। আসুন কন্ডিশনার ব্যবহারের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেই।

আমরা সবাই চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বেছে নিলেও কন্ডিশনারের ক্ষেত্রে এমনটি করি না। এটা ঠিক নয়। কন্ডিশনারও বেছে নিতে হবে চুলের ধরন অনুযায়ী। যেমন চুল পাতলা হলে বেশি ঘন বা ভারি কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন না।

চুলের গোড়ায় কন্ডিশনার লাগাবেন না। চুলের গোড়া থেকে এমনিতেই প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন হয়। কন্ডিশনার গোড়ায় লাগালে চুল অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যেতে পারে। চুলের মাঝামাঝি অংশ থেকে লাগানো শুরু করুন কন্ডিশনার।

কন্ডিশনার ব্যবহারের আগে চুলের পানি কিছুটা ঝড়িয়ে নিন।

কন্ডিশনার দেওয়ার সময় চুলের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বেশি করে লাগান।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত কন্ডিশনার ব্যবহার করলেও চুল হয়ে পড়তে পারে তেলতেলে। চুলের ধরন, দৈর্ঘ্য এবং ঘনত্ব বুঝে কন্ডিশনারের পরিমাণ নির্ধারণ করুন।

আমরা অনেক সময়ই কন্ডিশনার ব্যবহারের ইতিবাচক ফল দেখতে না পাওয়ার কারণ হল আমরা কন্ডিশনার প্রয়োগ করেই সাথে সাথে ধুয়ে ফেলি। এটা ঠিক না। চুলে কন্ডিশনার মাখিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।


কাল রাস্তা বের হলেই গণধোলাই দেয়া হবে: ছাত্রলীগ সভাপতি

সাফল্যের বিচিত্র ধারায় এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

আজও করোনায় দেশে ৩৯ জনের প্রাণহানি

পাহাড়ে তরমুজের বাম্পার ফলন


চুলে কতক্ষণ রাখছেন কন্ডিশনার সেটাও জরুরি। চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে ৪ থেকে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। ডিপ কন্ডিশনিং এর ক্ষেত্রে ১৫ মিনিট রাখুন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই শাওয়ার ক্যাপ পরে নেবেন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার টিপস

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে তাকে দূর করার প্রচেষ্টাও। আর সেক্ষেত্রে যত্নশীল হতে হবে উভয়পক্ষকেই। অনেকে প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হলে কী করবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস দিয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

একে অপরকে দোষারোপ নয়: সম্পর্কে একটু আধটু ঝগড়া হতেই পারে। তাই বলে একে অপরকে এই নিয়ে দোষাদোষী করলে দুজনের মনেই বিরূপ ধারণার জন্ম হবে। এতে করে ভুল বোঝাবুঝির পরিমাণও বেড়ে যাবে এবং সম্পর্কে ফাটল ধরার সম্ভাবনা থাকবে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাই কখনই একে অপরকে দোষারোপ করবেন না।

সঙ্গীর কথা গুরুত্ব দিয়ে না শোনা: সঙ্গী যখন কোনো কথা বলেন সেটা যতোই তুচ্ছ হোক না কেন তা মনোযোগ সহকারে শোনা উচিৎ। নতুবা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। আপনার সঙ্গী আপনাকে কোনো কথা বলতে চাচ্ছেন সেটা আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও হতে পারে তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঙ্গীর কথা একটু গুরুত্ব দিয়ে শুনুন।

সময় দেয়া: না, এই সময় দেয়া মানে কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিকে বাড়তে সময় দেয়া নয়, পরস্পরকে সময় দেয়া। যখন দূরে থেকে আর সমস্যার সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না তখন কাছাকাছি হওয়ার চেষ্টা করুন। একটি দিন বা অন্তত একটি বিকেল পরস্পরকে সময় দিন। প্রিয় মানুষের চোখের দিকে তাকালে আর কোনো মিথ্যাই পাত্তা পাবে না। ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়ে প্রতিষ্ঠা হবে ভালোবাসার

অনুমান যাচাই করা: অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো বিষয়ে জোর দিয়ে কথা না বলাই ভালো। এতে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। অনুমিত বিষয়টি অসত্যও হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার হওয়াই ভালো।

মতের অমিল হলে না আগানো: মানুষ দুজন, তাই মতামতও দুটোই আসবে। দুজনকেই বুঝতে হবে আপনার সঙ্গী স্বতন্ত্র মানুষ, তাই তার ধারণাটাও আলাদা। তার মানে এই নয় যে সঙ্গীর মতামত বা সিদ্ধান্তটা ভুল। আপনাকে বিষয়টি সঙ্গীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে হবে। মানুষ যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যায় তখন সেখানে আবেগ চলে আসে। এ কারণে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুজনের আবেগকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করতে হবে। পরবর্তীতে যেন আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয় সেজন্য সম্ভব হলে বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা করবেন না।


কী পরিণতি হলো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই যুবকের

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

বাংলা ভাষা থেকে তুই তুলে দেওয়ার প্রস্তাব

সোনারগাঁয়ের সেই ওসি রফিকুল এবার অবসরে


সঙ্গীর সক্ষমতা দিক নিয়ে ভাবা: একসঙ্গে পথচলার ফলে একে অন্যের ভালো-মন্দের ও সক্ষমতা-দুর্বলতার দিকগুলো জানা হয়ে যায়। সঙ্গীর ভালো গুণগুলো সব সময় মাথায় রাখতে হবে। সবসময় সঙ্গীর ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়ার ফলে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এ কারণে সঙ্গীর দুর্বল দিকগুলোর সমালোচনা না করে তার ভালো গুণগুলোর প্রশংসা করতে হবে।

আলোচনার জন্য এগিয়ে যাওয়া: ভুল বোঝাবুঝি হলে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করতে হবে। ভুলটা তার, সমাধানের জন্য আমি কেন আগ বাড়িয়ে যাবো- এ ধরনের অহমিকা ত্যাগ করুন। দুজনই চুপ থাকলে বিষয়টি আরো ঘোলাটে হবে। এ কারণে নিজেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য এগিয়ে গিয়ে সঙ্গীকে অবাক করে দিন। কোনো রকম দোষারোপ না করে ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করবেন

একটি সুন্দর কণ্ঠের অধিকারী হতে কণ্ঠস্বরের যত্ন নেওয়া জরুরি। নিজের শরীরের সার্বিক যে স্বাস্থ্যগত দিক, তার ওপরে কিন্তু  কণ্ঠস্বরও নির্ভর করে। যেমন:- একজন লোক যদি নিয়মিত আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করেন, যেটি আমাদের সবার করা উচিত, এটি করলে কণ্ঠস্বর ভালো থাকবে। এ ছাড়া কণ্ঠস্বরকে অ্যাবিউজ না করা ভালো।

বিরামহীন কথা বলা, জোড়ে চিৎকার দেয়া, গলার মধ্যে সমস্যা মনে হওয়া সত্ত্বেও সমাধান না করা। এমন নানা কারণে কণ্ঠ দিন দিন খারাপ হয়ে যায়। তাই কণ্ঠ ভালো রাখতে যা করতে হবে- 

>> প্রথমেই উচ্চ স্বরে কথা বলা বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই জানি কোনো স্পিকার বা মাইককে তার কার্যক্ষমতার সমান বা তার থেকে বেশি জোড়ে বেশিদিন বাজালে তা অচিরেই নষ্ট হয়ে যায়। আমাকে কণ্ঠও তার ব্যতিক্রম নয়।স্পিকার নষ্ট হলে পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে। তবে আপনার কন্ঠ একবার নষ্ট হলে পরিবর্তন করার কোনো উপায় নেই। তাই নিজ দায়িত্বেই জোরে কথা বলা বন্ধ করুন। 

>> সুন্দর করে কথা বলার অভ্যাস করুন৷ সবাই কথা বলতে পারে কিন্তু সুন্দর করে কথা না বললে আপনার কণ্ঠ সুন্দর হবে। তাই কথা বলার সময় তা গুছিয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। 

>> কম কথা বলার অভ্যাস করুন। বেশি কথা বললে কণ্ঠনালির উপর অতিরিক্ত চাপ পরে। কারণ অনবরত কথা বলার ফলে কণ্ঠনালিতে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফল স্বরূপ কণ্ঠ ভেঙ্গে যাওয়া, কণ্ঠ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া, জোরে কথা বলতে পারার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কম কথা বলার অভ্যাস গরে তুলুন। 

>> অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম কিছু দ্রুত খাওয়া বা পান করবেন না। এতে কণ্ঠনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই বেশি গরম বা বেশি ঠাণ্ডা কিছু স্বাভাবিক হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর সেটি খেতে বা পান করতে পারেন। 


সাতদিনের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল হক

এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


>> গলা বা কণ্ঠনালিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত তার চিকিৎসা করান। কারণ গলা বা কণ্ঠনালিতে বড় ধরনের কিছু হলে তা  সারানো অনেক ঝামেলার ব্যাপার। তাই যখনই কোনো সমস্যা দেখা দিবে, তখনই তার সমাধান করার চেষ্টা করুন। 

>> দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কারণ পানি আপনার শরীরের সমস্ত কিছু স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই পানি পান করতে ভুলবেন না। কোনো খাবার খাওযার পর অবশ্যই কিছুটা হলেও পানি পান করুন। কারণ খাবারের কিছু অংশ আপনার কণ্ঠনালির পাশে বেঁধে থাকতে পারে। আর এমন খাদ্য উপাদান দীর্ঘ সময় সেখানে বেঁধে থাকলে নানা সমস্যার সৃষ্টি হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

অনলাইন ডেস্ক

বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

বর্তমান সময়ে খুবই আলোচিত একটি ফল বাঙ্গি। শুধু আলোচিতই নয়, ক্ষেত্রবিশেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিনা দোষে রোষের শিকার হতে হয় নিরীহ এই ফলটিকে।

অন্যান্য ফলের মতো তীব্র স্বাদ না থাকায় অনেকেই একে অপছন্দ করলেও পুষ্টিতে এটি কারো চেয়ে কম যায় না। বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন ‘সি’, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফলটি খেলে কী কী উপকার হয়।

বয়স ধরে রাখে: বাঙ্গি ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে। এটি ত্বকের কোষ নষ্ট হয়ে গেলে তা ঠিক করতে সাহায্য করে। বাঙ্গির প্রোটিন কম্পাউন্ড ত্বককে করে সুন্দর। বাঙ্গি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
দূর করে ব্রণ, একজিমা: ব্রণ বা একজিমার সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিন এক গ্লাস বাঙ্গির শরবত খান। এ ছাড়াও বাঙ্গি ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে রসটুকু বের করে তা লোশনের মতো ব্যবহার করুন। এতে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা দূর হয়।
চুল পড়া কমায়: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’, যা আমাদের চুল নতুন করে গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে থাকে। তাই নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুলের অনেক উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্লেন্ড করা বাঙ্গি শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করাও ভালো।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

একজন মিডিওকার যুবকের ১৮+ জীবনের গল্প এবং অন্যান্য

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


এছাড়া এই ফলের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সক্ষম। বাঙ্গি মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়তা করে শরীরের অবসাদ ভাব দূর করে।
গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুব উপকারী বাঙ্গি। নিয়মিত বাঙ্গির শরবত খেলে খাবারে অরুচি, নিদ্রাহীনতা, আলসার ও অ্যাসিডিটি দূর হয়। তা ছাড়া এই ফলে নেই কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল। তাই বাঙ্গি খেলে মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় খুব বেশি না করলেও চলে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজায় মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

রোজায় মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

মুখের ভিতরে ছত্রাক ও ফাঙ্গাসের কারণে ঘা (ক্যানডিজিস), দাঁতের ফাঁকে মুখের ভিতরে জমে থাকা খাদ্যকণা বা তার থেকে সৃষ্টি হওয়া ব্যাক্টেরিয়া, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা, কিডনির সমস্যা বা এই রকম একাধিক কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। রোজায় দিনের বেলা ব্রাশ করা যায় না এবং সারাদিন পেট খালি থাকে বলে মুখে দুর্গন্ধ বাড়তে পারে। 

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন-

দারুচিনি

মুখের জীবাণুগুলোকে মেরে ফেলার জন্য দারুচিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য হালকা গরম পানিতে এক চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে নিন। তারপর গড়গড়া করলেই মুখের দুর্গন্ধ শেষ হয়ে যাবে। প্রতিদিন ইফতারের পর এমনটি করলে উপকার পাবেন।

লবঙ্গ

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপার্টিজ মুখের ভেতর থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের ভেতর একটি লবঙ্গ রাখতে বলেছেন। দীর্ঘক্ষণ মুখে লবঙ্গ রাখলে দ্রুত দুর্গন্ধ চলে যায়। ইফতারের পর কিছুক্ষণ মুখে লবঙ্গ রেখে দিতে পারেন।

এলাচ

একাধিক রোগের প্রতিষেধক এলাচ। দীর্ঘ সময় মুখে এলাচ রেখে দিলে দুর্গন্ধ একেবারেই কমে যায়। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এলাচের মাধ্যমে চিকিৎসাকে মোক্ষম দাওয়াই হিসেবে বিবেচনা করেন। রোজা রেখে এটি সম্ভব নয়। তাই সেহরির সময় এলাচদানা চিবিয়ে খেতে পারেন।

লেবুর রস

মুখের দুর্গন্ধ যখন বেড়ে যায়, তখন লেবুর রস পান করা উচিত। গবেষকদের মতে, লেবুর ভেতরে অ্যাসিডিক কনট্যান্ট রয়েছে। যা মুখের জীবাণুগুলোকে মেরে ফেলে। এতে কমে আসে দুর্গন্ধ। ইফতার এবং সেহরির সময়ে এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান অথবা গড়গড়া করতে পারেন। এতে সারাদিন মুখ দুর্গন্ধমুক্ত থাকবে।

নারকেল তেল

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে নারকেল তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান। যা মুখের ভেতর লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে এবং দুর্গন্ধ দূর করে। ইফতারের পর এক চামচ নারকেল তেল মুখে নিয়ে অন্তত ৫ মিনিট কুলি করুন। তারপর কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

বেকিং সোডা

শরীরের ভেতরে অ্যাসিডের স্তরগুলোকে ঠিক রাখার মধ্য দিয়ে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে বেকিং সোডা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিন একগ্লাস পানিতে অল্প বেকিং সোডা মিশিয়ে গড়গড়া করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ইফতারের পর কিংবা সাহরির সময় গড়গড়া করা যেতে পারে।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতাকে প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার বলা যায়। কারণ অল্প সময়ের মধ্যে এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। তাই মুখে দুর্গন্ধ হলে ইফতারের পর ২ থেকে ৩টি পুদিনা পাতা নিয়ে চিবোতে থাকুন। পাশাপাশি খেতে পারেন পুদিনা পাতার শরবত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য প্রায়ই পুদিনা পাতার কথা বলেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ত্বক শীতল রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

ত্বক শীতল রাখার টিপস

ত্বকের শীতলতা বজায় রাখা খুবই দরকার। কেননা ত্বক শীতল না রাখলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। আসুন ত্বক শীতল রাখার উপায়গুলো জেনে নেই।

মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন:

গরমে হাত-পা ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখেও বারবার ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। সঙ্গে ব্যবহার করুন শসা বা মিন্টের নির্যাস যুক্ত ফেসওয়াশ। ঘরে থাকার সময়ও নির্দিষ্ট সময় অন্তর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। তবে ফেসওয়াশ ব্যবহার করার দরকার নেই।

হাতের কাছে রাখুন ফেসিয়াল মিস্ট:

বারবার মুখে পানি দিতে ইচ্ছে না করলে ব্যবহার করতে পারেন ফেস মিস্ট। বারদুয়েক স্প্রে করে নিন মুখে, ত্বক থাকবে তরতাজা, সুগন্ধি।

ক্রিম, ময়শ্চারাইজার ফ্রিজে রাখুন:

ময়শ্চারাইজার, ক্রিম, বডি লোশনের মতো ত্বক পরিচর্যার সামগ্রী ফ্রিজে রাখার দুটো উপকারিতা আছে। এক, ফ্রিজে রাখলে এসব জিনিসের কার্যকারিতা অনেক বেড়ে যায়, চট করে নষ্ট হয় না, আর দুই, ত্বক ঠাণ্ডা থাকে।


ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী আজ 

১৭ এপ্রিল, ইতিহাসের এই দিনে

কবরীর মৃত্যুতে বুবলীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

‘কেজিএফ টু’র ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ


ত্বক শীতল রাখার মাস্ক:

ত্বক ঠাণ্ডা রাখতে চাইলে আস্থা রাখুন শসায়। গরমে ত্বক চিড়বিড় বা জ্বালা করলে শসার মাস্ক নিমেষে স্নিগ্ধতা জোগাবে। শসা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। তারপর থেঁতো করে রস বের করুন। তুলোয় করে এই রস নিয়ে মুখে মাখুন। পুরো শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বক শীতল তো থাকবেই, ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকবে।

আইস আইস বেবি:

ত্বক দ্রুত ঠাণ্ডা করতে হলে বরফের চেয়ে ভালো উপায় আর কী হতে পারে! পরিষ্কার রুমালে বরফ মুড়ে মুখে আলতো করে বুলিয়ে নিন। মুখের প্রদাহ কমবে, রক্ত সংবহন বেড়ে মুখ উজ্জ্বলও দেখাবে। সূত্র: ফেমিনা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর