রমজানের আগেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার

বাবু কামরুজ্জামান

রমজানের আগেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার

শবে বরাত ও রমজানের আগেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার। যার সুবিধা নিচ্ছেন কিছু মুনাফাখোর ব্যবসায়ী। সরকারের বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসাব বলছে, টানা এক মাস ধরে উর্ধ্বমুখী অন্তত এক ডজন জরুরী পণ্যের দাম। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা ঝুঁকছেন টিসিবির পণ্যের দিকে। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। ক্যাব বলছে, নজরদারি বাড়াতে হবে অতি মুনাফা প্রবণ ব্যবসায়ীদের ওপর।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসাবে গেল এক মাসে মসুর ডালের দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮.৩৩ শতাংশ। এছাড়া ব্রয়লার ও লাল লেয়ার মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণহীন। এছাড়াও গেল এক মাস ধরেই উর্ধ্বমুখি সয়াবিন, চিনি, আটাসহ জরুরী অনেক নিত্যপণ্যের দাম।


মহাসড়কে একটি বাস, চারটি ট্রাক ও চারটি পিক-আপে আগুন

শবে বরাতে আতশবাজি-পটকা ফাটানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা

দুই দিন পর চট্টগ্রামের-হাটহাজারী সড়ক সচল


রমজান ঘিরে প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ বাড়লেও এখনও দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্য পণ্যের পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জে বেড়েই চলছে দাম। সরবরাহ বেশি থাকলেও চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও ব্যবসায়ীরা দোহাই দিচ্ছেন আন্তর্জাতিক বাজারের।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন, এবারে পণ্য আমদানি কয়েক বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এজন্য রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই।

খুচরা বাজারে বাড়তি দামের কারণে টিসিবির পণ্যে সংগ্রহে নেমেছেন ক্রেতারা। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের তেল চিনি মসূর ডাল এবং পেঁয়াজ কিনতে ক্রেতাদের এমন দীর্ঘ সারি।

টিসিবি বলছে, শিগগিরি আরো নতুন পণ্য যোগ হবে। টিসিবিতে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা লিটার। চিনি ৫০ টাকা, মসূর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।
news24bd.tv আয়শা 

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম আদালতে মামলার পাহাড়

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম আদালতে মামলার পাহাড়। করোনায় বিচার কার্যক্রম স্থবির। কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতার চারগুণ। 

এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্টে তেমন গতি না থাকায় বিচার প্রার্থীরা আদালতে আদালতে ঘুরেও মিলছেনা মামলার নিষ্পত্তি। আইনজীবীরা বলছেন ভার্চুয়াল কোর্টে কিছু মামলার জামিন শুনানি আর জামিন হলেও বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলার জট বাড়ছে। 

ভার্চুয়াল কোর্টের পাশাপাশি নিয়মিত আদালত চালুর দাবি চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির। 
পরীর পাহাড়ের এই ভবনটিই চট্টগ্রামের বিচারপ্রার্থীদের আশ্রয়স্থল।মহামারিকালে  আদালত ভবনে নেই কর্মচাঞ্চল্য। বিচারপ্রার্থী ও আসামী সবারই আনাগোনা নেই আগের মতো।বেশিরভাগ আইনজীবীর চেম্বার বন্ধ।

চট্টগ্রামের জেলা, মহানগর, নারী শিশু এবং কয়েকটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালসহ ৯০টি আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় এখন প্রায় দুই লাখ মামলা। এ সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। স্বল্পসংখ্যক ভার্চুয়াল আদালতেও জামিনের সুযোগ নিতে পারছেন না অনেকে। ফখরুদ্দিন চৌধুরী,পিপি, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

মাসের পর মাস বিচার কার্যক্রম স্থবির থাকায় আইনজীবী এবং আইনজীবী সহকারীরাও সঙ্কটে পড়েছেন। হত্যা, ধর্ষণ, অস্ত্রবাজি, মাদক ও চোরাচালানের অনেক মামলা বিচারাধীন। দ্রুত বিচার ট্র্ইাব্যুনাল, জননিরাপত্তা আদালতের চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারও বন্ধ। 

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী , সাবেক সভাপতি,জেলা আইনজীবী সমিতি,চট্টগ্রাম।দুদকের আইনজীবীরা বলছেন,দুর্নীতি মামলারও গতি ফিরছেনা ভার্চুয়ালে।

চট্টগ্রাম কারাগারে এখন বন্দি আছে ধারণক্ষমতার চেয়েও চারগুণ। বিচারকাজ থেমে থাকায় নির্বিচারে কারাভোগ করছেন অনেকেই। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আদালত চালুর বিকল্প নেই বলছেন আইনজ্ঞরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

১০ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে ধীরগতি

প্লাবন রহমান

১০ বছরে চার বার সময় পিছিয়েও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী-আগামী দু,বছরে শেষ করতে হবে বাকী ৭৪ ভাগ কাজ। তারপরও-সব জটিলতা কাটিয়ে এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষের ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক। তবে-তাতে সংশয় দেখছেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক।

করোনার মধ্যেও এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে রাজধানীর অন্যতম মেগা প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে ধীরে হলেও এগুচ্ছে প্রকল্প।

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত প্রকল্প এলাকায় এখন এমন কর্মতৎপরতা।

যে-কারণে রাজধানীর বনানী থেকে কমলাপুরের দিকে রেললাইনের দুপাশ ধরে এগুচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মানযজ্ঞ। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি কাজ।

বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত প্রথম অংশ শেষ হয়েছে ৬৩ ভাগ। বনানী থেকে মগবাজার পর্যন্ত দ্বিতীয় ভাগের অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ আর তৃতীয় অংশ মগবাজার থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এগিয়েছে মাত্র ৯ ভাগ। সবমিলিয়ে-প্রকল্পের অগ্রগতি ২৬ ভাগ।

২০১১ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, প্রকল্প শেষের টার্গেট ছিল ২০১৭ সাল। কিন্তু বাস্তবে কাজই শুরু হয় ২০১৬ সালে। শেষশেষ চারবার সময় বেড়ে এখন প্রকল্প শেষের নতুন লক্ষ্য ২০২৩ সালের জুন।

প্রায় ১৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়কে বিভিন্ন জায়গায় ওঠানামার জন্য থাকছে ৩১টি র‌্যাম্প। সবমিলিয়ে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটারের এই এক্সপ্রেসওয়ে শেষ হলে প্রতিদিন ৮০ হাজার যানবাহন চলবে বলে আশা। যাতে রাজধানীতে স্বস্তি ফেরার আশায় কর্তৃপক্ষ। 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

দশ বছরে ৪ বার পিছিয়েছে সময়সীমা, অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ (ভিডিও)

প্লাবন রহমান

দশ বছরে ৪ বার সময় পিছিয়েও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ২৬ ভাগ। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী আগামী দু’বছরে শেষ করতে হবে বাকী ৭৪ ভাগ কাজ। তারপরও-সব জটিলতা কাটিয়ে এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষের ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক। তবে-তাতে সংশয় দেখছেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক।

করোনার মধ্যেও এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে রাজধানীর অন্যতম মেগা প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার সঙ্গে অনেকটা খাপ খাইয়ে ধীরে হলেও এগুচ্ছে প্রকল্প।

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত প্রকল্প এলাকায় এখন এমন কর্মতৎপরতা। রাজধানীর বনানী থেকে কমলাপুরের দিকে রেললাইনের দু’পাশ ধরে এগুচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণযজ্ঞ। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি কাজ।

বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত প্রথম অংশ শেষ হয়েছে ৬৩ ভাগ। বনানী থেকে মগবাজার পর্যন্ত দ্বিতীয় ভাগের অগ্রগতি মাত্র ১৭ শতাংশ আর তৃতীয় অংশ মগবাজার থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এগিয়েছে মাত্র ৯ ভাগ। সব মিলিয়ে-প্রকল্পের অগ্রগতি ২৬ ভাগ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক এম এইচ এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, করোনার মধ্যেও থেমে নেই এই প্রকল্পের কাজ। পুরোদমে প্রকল্প সম্পন্ন করতে কাজ চলছে। তিন ধাপে প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।

২০১১ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, প্রকল্প শেষের টার্গেট ছিল ২০১৭ সাল। কিন্তু বাস্তবে কাজই শুরু হয় ২০১৬ সালে। শেষমেষ চারবার সময় বেড়ে এখন প্রকল্প শেষের নতুন লক্ষ্য ২০২৩ সালের জুন।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, ২০২৩ সালের জুনেই প্রকল্প শেষের টার্গেট রয়েছে। সেই অনুযায়ীই কাজ এগিয়ে চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সব ধরণের চেষ্টায় চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান হলেন শতরূপা বড়ুয়া

বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিলো বহুদলীয় তামাশা: ওবায়দুল কাদের

টগর হত্যা মামলা: ২৭ বছর পর মূল আসামিসহ ১৮ জনকে খালাস

বিয়ের আসরে প্রেমিকাকে দেখে দৌড়ে পালালেন বর


আর গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলছেন, ধীর গতিতে কাজ চলার কারণে ফ্রেমওয়ার্কগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তবে তারা যে টার্গেটে কাজ করছে আর তাদের যে আয়োজন তা মনে হচ্ছে তা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারবে।

প্রায় ১৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সড়কে বিভিন্ন জায়গায় ওঠানামার জন্য থাকছে ৩১টি র‌্যাম্প। সব মিলিয়ে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটারের এই এক্সপ্রেসওয়ে শেষ হলে প্রতিদিন ৮০ হাজার যানবাহন চলবে বলে আশা। যাতে রাজধানীতে স্বস্তি ফেরার আশায় কর্তৃপক্ষ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

হোটেল ও পতিতালয়ে পাঠানোর রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ভারতে নির্যাতনের শিকার তরুণী (ভিডিও)

মাসুদা লাবনী

হোটেল ও পতিতালয়ে না গেলে নেমে আসতো নির্মম নির্যাতন। থাকতে হতো বন্দি অবস্থায়। ভারতে এমন বন্দিদশায় বাংলাদেশের বহু তরুণী। টিকটক হৃদয়রা সম্পর্ক গড়ে তাদেরকে পাচার করেছে। সে বন্দিদশা থেকে সম্প্রতি দেশে পালিয়ে আসা তরুণীর বর্ণনায় উঠে এসেছে এ তথ্য। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে তিনি জানান, হৃদয়ের সহযোগী হিসেবে ভারতে কাজ করে অন্তত ২০ বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী।

পুলিশ বলছে, হৃদয়ের মূলহোতা কে বা কারা এখনো জানা যায়নি। দুই তরুণীর করা হাতিরঝিল থানার দুই মামলায় সোমবারও সাতক্ষীরা গ্রেপ্তার করা হয়েছে মানবপাচারে জড়িত আরো দুজনকে।

টিকটক হৃদয়ের এমন পাঁচশত’র মতো টিকটক গ্রুপ, আইডি, হোয়াটসআপ ও ফেসবুক আইডি পেয়েছে ‍পুলিশ। সে কয়েক’শ তরুণ-তরুণীকে নিয়ে, বিভিন্ন জায়গায়ে পুল পার্টি ও হ্যাংক পার্টির করে বেড়াতো। হৃদয় অনেক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তাদের ভারতে পাচার করতো। সম্প্রতি ভারতে এক তরুণীকে নির্যাতন ও ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় আলোচনায় আসে, টিকটক হৃদয়।

ভুক্তভোগী নারীর বর্ণনায় উঠে আসে রোমহর্ষক কাহিনী। তিনি জানান, যে ভিডিওটি করে সে সবুজ, যে মারতেছিলো সে তানিয়া। নির্যাতনের দিন ৫ থেকে ৬ জন মিলে নির্যাতন করে। 

ফাঁদে ফেলে গেল ফেব্রুয়ারিতে হ্যাংআউট পার্টিতে যোগ দেয়া এ তরুণীকেও ভারতে পাচার করে হৃদয়। তরুণী জানান, হৃদয় কোথা থেকে মেয়ে নিয়ে আসত তা জানা নেই। তবে সে ভারতের তরুণীদের নিতো বলে জানান তিনি। তার কাছে মেয়ের কোন অভাব নেই।

৭৭ দিন ব্যাঙ্গালুরুতে এ তরুণী ছাড়াও আরও ৭ জন বন্দি ছিলেন। হৃদয়ের অনেক পুরুষ ও নারী সহযোগীকে দেখেছেন, যারা বাংলাদেশি।

আরও পড়ুন


পাকিস্তানে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১

কানাডায় গাড়ি চাপা দিয়ে এক মুসলিম পরিবারের ৪ জনকে হত্যা

কিমের দেশে বিদেশি ভিডিও দেখলে ১৫ বছরের জেল, বড় চালানে মৃত্যুদণ্ড

গোপন ছবি ও ভিডিও ফাঁসের দায়ে ৪২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিলো অ্যাপল


পালিয়ে আসা ওই তরুণী জানান, ব্ল্যাকমেইল করে তাদের কাজে বাধ্য করা হতো। রাজি না হলেই মারধর এবং ভিডিও ভাইরালের ভয় দেখানো হতো।

নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে জানান, কিভাবে পালিয়ে আসেন দেশে। কলকাতা হয়ে দালালদের মাধ্যমে বর্ডার পার হন এই তরুণী।

এখন পর্যন্ত ভারতে গ্রেফতার ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই বাংলাদেশী। আর দেশে দুই মামলায় গ্রেফতার এখন পর্যন্ত ১১।পুলিশ এখনো জানে না হৃদয়ের মূল হোতা কারা, অর্থদাতারা ভারতের নারী পাচারকারী না বাংলাদেশি।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

কোনভাবেই থামানো যাচ্ছেনা ঝুঁকিতে বসবাস

চট্টগ্রামে পাহাড়খেকোদের কারণেই ধস আর মৃত্যুর মিছিল

নয়ন বড়ুয়া জয়

চট্টগ্রামে প্রভাব যার পাহাড় তার। পাহাড়খেকোদের কারণেই ধস আর মৃত্যুর মিছিল। কোনভাবেই থামানো যাচ্ছেনা পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাস। পাহাড়ধসের প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে শক্তিশালী পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির  সুপারিশ এখনও কাগজে কলমে। জেলা প্রশাসক বলছে ,সরকারের চেয়ে ক্ষমতাধর পাহাড়খেকোরা। আইনী জটিলতার কারণেই উচ্ছেদেও মিলছেনা সুফল। 

চট্টগ্রাম, পাহাড় নদী সমুদ্রের সৌন্দর্যের শহর হলেও নগরায়নের চাপ ও মানুষের লোভের বলি হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে অনেক পাহাড়। অবশিষ্ট যা আছে এরমধ্যে ১৭ টিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হাজােরো বাড়িঘর। ভাড়া কম তাই জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এখানে বাস করেন নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলো।

পাহাড় ধ্বংস করে চিন্হিত প্রভাবশালীরা কোটি টাকার বাণিজ্য করেও থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। বছরের অন্যসময় তদারকি না থাকলেও বর্ষায় পাহাড় ধসের শঙ্কায় মাইক হাতে ছুটোছুটি শুরু হয় প্রশাসনের।

নগর বিশ্লেষকরা বলছেন,পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারিশ এখনও বাস্তবায়ন না হওয়ায় ঠেকানো যাচ্ছেনা পাহাড়ে বসবাস।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের জন্য পুনর্বাসন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে বলে জানালেন মেয়র ।

গত কয়েকবছরে চট্টগ্রাম ও তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধ্বসে প্রাণ গেছে ৪শ জনের বেশি মানুষের । পাহাড় রক্ষায় এখনি উদ্যোগ না নিলে দীর্ঘ হতে পারে মৃতূর এই মিছিল বলছেন বিশ্লেষকরা। 

আরও পড়ুন


ইসরাইলের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ

হেফাজতের ৩৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা, যারা আছেন কমিটিতে

ইসরাইলি বন্দীদের অডিও ও ফুটেজ প্রচার করলো হামাস

কোন খবরকে ঘিরে আমরা যে মতামত দিই তা কি সাংবাদিকতা নয়?


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর