যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীর পায়ের রগ কেটে দিল পাষন্ড স্বামী

অনলাইন ডেস্ক

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীর পায়ের রগ কেটে দিল পাষন্ড স্বামী

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী, দেবর ও শ্বাশুড়ির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায়। পুলিশ আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। গত ২৭ মার্চ রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউপির পশ্চিম বেজ গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত গৃহবধূ দিলরুবা আক্তার টুম্পা একই উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামের মৃত মোফাজ উদ্দিনের মেয়ে। স্বামী অছিউর রহমান প্রাণ (২৭) পশ্চিম বেজ গ্রামের মোখলেছার রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, ৫ বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেন অছিউর রহমান ও টুম্পা। তবে বিয়েতে কিছু না পাওয়ায় গৃহবধূ টুম্পাকে বাবার বাড়িতে থেকে টাকা আনতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন শাশুড়ি মালতি। টাকা আনতে না পারায় টুম্পার ওপর নির্যাতন শুরু করেন স্বামী-শাশুড়ি। এ নিয়ে কয়েকবার সালিশ করা হলেও বন্ধ হয়নি নির্যাতন।


ইন্দোনেশিয়ায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শোধনাগারে বিস্ফোরণ (ভিডিও)

মহাসড়কে একটি বাস, চারটি ট্রাক ও চারটি পিক-আপে আগুন

শবে বরাতে আতশবাজি-পটকা ফাটানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা

দুই দিন পর চট্টগ্রামের-হাটহাজারী সড়ক সচল


ওই গৃহবধূর অভিযোগ, গত ২৭ মার্চ রাতে ২ লাখ টাকার জন্য তাকে তার স্বামী অছিউর রহমান প্রাণ মারধর করেন। এতে যোগ দেয় দেবর মুরাদ হোসেন  ও শাশুড়ি মালতি লতা। এ সময় শাশুড়ি ও দেবরের সহযোগিতায় স্বামী প্রাণ ধারালো ছুড়ি দিয়ে টুম্পার পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে টুম্পার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে থানা পুলিশের সহযোগিতায় টুম্পাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বামী অছিউর রহমান প্রাণ। তিনি বলেছেন স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে ভাঙ্গা কাচের টুকরো পরে টুম্পার পায়ের রগ কেটে য়ায়। 

হাতিবান্ধা থার উপপরিদর্শক ইব্রাহিম বলেছেন, খবর পেয়ে দ্রুতই ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করাই। থানার ওসি বলেছেন, পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে। অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

news24bd.tv আয়শা 

পরবর্তী খবর

নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা

বান্দরবান প্রতিনিধি

নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা

বান্দরবানে নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শেরপুুরে কৃষকলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

শেরপুুরে কৃষকলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক ও মরিচপুরান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার শফিক আহাম্মেদ শফিক (৩৫) এর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। শফিক উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার খন্দকার মো. আবুল মনসুরের ছেলে।

আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা খন্দকার শফিক আহাম্মেদ গত ২০ মার্চ বিয়ে করার উদ্দেশ্যে তার নালিতাবাড়ী শহরের ছিটপাড়াস্থ বাসায় এনে একজনকে কাজী ও অপর দুজনকে সাক্ষী বানিয়ে বিয়ে করেন। তারপর থেকে তারা দুজন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। কিন্তু  গত ২০ মে সকালে ইউপি চেয়ারম্যান শফিক ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। সেইসাথে তরুণীকে জানিয়ে দেন, তাদের কোন বিয়ে হয়নি। এ ঘটনায় ওইদিনই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত ওই মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শফিক আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি বাড়িতে নিরাপদে থাকলেও আমার অধ্যয়নরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় নিরাপদ নই।

এ ব্যাপারে জামালপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) এমএম সালাহউদ্দীন ১৮ জুন শুক্রবার রাতে জানান, আদালতের নির্দেশনা হাতে পাওয়ার সাথে সাথে তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা খন্দকার শফিক আহাম্মেদ বলেন, অভিযোগকারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি রাজনৈতিক কারণে নালিতাবাড়ী পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিককে এজন্য দোষারোপ করেন। আর এ অভিযোগের বিষয়ে পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি কারোর পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলিনি। তবে কেউ দোষ করে থাকলে তার শাস্তি হওয়া উচিৎ।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রতীকী ছবি।

বিয়ের প্রলোভনে এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে পাবনার চাটমোহরে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীর প্রেমিক, এক নারী সহযোগীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে, ওই স্কুলছাত্রীর মা এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন 

আটককৃতরা হলেন - চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে ও স্কুলছাত্রীর কথিত প্রেমিক সাজেদুল ইসলাম (৩৬) ও তার সহযোগী ফরিদপুর উপজেলার রামনগর উত্তরপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী সাহেদা খাতুন (৪২)। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে প্রেম হয় সাজেদুল ইসলামের। গত বুধবার (১৬ জুন) সকালে সাজেদুল ওই স্কুলছাত্রীকে চাটমোহরে আসতে বলেন। স্কুলছাত্রী চাটমোহরে আসলে সাজেদুল তাকে পৌর শহরের নারিকেলপাড়া মহল্লায় নিজাম উদ্দিনের ভাড়াটিয়া ও তার আত্মীয় সাহেদা খাতুনের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন। ওই স্কুলছাত্রী বিয়ের কথা বললে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। 

এনিয়ে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি জানতে বাড়ির মালিক নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মা ও পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে।

চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান বাশীর জানান, মামলা হওয়ার পর দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

শেরপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

শেরপুরের শ্রীবরদীতে কিশোরীকে (১৪) গণধর্ষণের ঘটনায় সুন্দর আলী (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  আজ শুক্রবার (১৮ জুন) ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুন্দর আলী উপজেলার চুকচুকি গ্রামের লংগর আলীর ছেলে। শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত সুন্দর আলীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৬ জুন বুধবার বিকেলে শ্রীবরদী উপজেলার বালিঝুড়ি খ্রিস্টানপাড়া পাহাড়ি এলাকার জনৈক কৃষকের কিশোরী কন্যা ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে বাড়ির অদূরে পাহাড়ে থাকা তার খালুর করলা ক্ষেতে করলা তুলতে যায়। ওই সময় একই এলাকার সুন্দর আলীসহ সঙ্গীয় তিনজন মিলে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

ওই ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণে সম্পৃক্ত ৪ জনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে শুক্রবার পুলিশ সুন্দর আলীকে গ্রেপ্তার করে। অপর ৩ আসামি পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ওই ঘটনায় ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:


শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

যুবককে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন!

অনলাইন ডেস্ক

যুবককে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন!

চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তার পায়ে পেরেক ও সুঁচ ঢুকিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অফিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ার কাহালু উপজেলা অহর মালঞ্চা গ্রামে। ওই যুবককের নাম আতাইর রহমান শিরু (২৪)।

নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

ঘটনার শিকার শিরুর বাবা মজনু সোনার বাদী হয়ে কাহালু থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। আগের দিন বুধবার (১৬ জুন) গভীর রাতে কাহালু উপজেলার অহর মালঞ্চা গ্রামে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এ নির্যাতন চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শিরুর বাবা মজনু সোনার বলেন, গত বুধবার (১৬ জুন) গভীর রাতে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে যান একই গ্রামের সেলিনা, আছিয়াসহ তার পরিবারের পাঁচ-ছয়জন। পরে তাকে সেলিনার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিরুকে গ্যাস সিলিন্ডার চুরির অভিযোগে প্রথমে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। পরে তার আঙুলে সুঁচ ও বাম পায়ে হাতুড়ি দিয়ে লোহার পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কাহালু থানা পুলিশ শিরুকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

জানা গেছে, গত বুধবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হয় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে। এরপর তারা চোর সন্দেহে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের এই ঘটনা ঘটে। 

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তিন মিনিট ছয় সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, শার্ট পরা  লাঠি হাতে এক ব্যক্তি আতাউর রহমান শিরুর দুই পা বেঁধে নির্যাতন করছেন। আর চারপাশে স্থানীয়রা তা দেখছে। ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর এলাকার সর্বত্র ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমবার হোসেন বলেন, 'নির্যাতনের ঘটনায় শিরুর বাবা বাদী হয়ে থানায় পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন। নির্যাতনকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।'

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর