করোনা নিয়ন্ত্রণে সব ধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক

করোনা নিয়ন্ত্রণে সব ধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ

বিশ্বব্যাপী করোনার তাণ্ডব কোনোভাবেই থামছে না। চলছে দ্বিতীয় ঢেউ। এরই মধ্যে বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৭ লাখ ৯৬ হাজার এবং আক্রান্ত ১২ কোটি ৭৭ লাখ। আর বাংলাদেশে গতকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯০৪ জনে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৪ জনে। এদিকে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে সারা দেশে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ ২২ দফা চূড়ান্ত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যার মধ্যে ১৮ দফা চুড়ান্ত করে নির্দেশনা জারি করেছে  সরকার। একইসাথে বেশি সংক্রমিত এলাকায় জনসমাগম নিষিদ্ধসহ রাত ১০টার পর প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতেও বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

সোমবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন নির্দেশনা জারি করা হয়। 

নির্দেশনাগুলো হল:-

১. সকল ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে/জন্মদিনসহ যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

২. মসজিদসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পর্যটন/বিনোদনকেন্দ্র সিনেমা হল/থিয়েটার হলে জনসমাগম সীমিত করতে হবে এবং সব ধরনের মেলা আয়োজন নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৪. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।

৫. সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে,প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে।

৬. বিদেশ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে সরকারি স্থাপনায় আগুন,প্রেসক্লাবে হামলা

পল্টন মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে হেফাজত নেতাকর্মীদের অবস্থান

হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সাইনবোর্ডে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৩


 

৭. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা/উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. শপিংমলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

১১. অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

১২.  প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাক্ক পরিধানসহ সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক পরিধান না করলে কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৩. করোনায় আক্রান্ত/করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যদেরও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

১৪. জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস! প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানাসমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। অন্তঃসত্ত্বা/অসুস্থ/বয়স পঞ্চান্নোর্ধ্ব কর্মকর্তা/কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৫. সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে।

১৬. সশরীরে উপস্থিত হতে হয় এমন যে কোন ধরনের গণপরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

১৭. হোটেল-রেস্তোরাঁসমূহে ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বারিত করতে হবে;

১৮. কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার করোনার বিস্তার রোধে ২২ দফা প্রস্তাবনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঠায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। যার মধ্যে আজ ১৮ দফা অনুমোদন দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন নির্দেশনা জারি করা হয়।

এদিকে আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদমালেক  জানিয়েছেন, বেশি সংক্রমিত এলাকাকে সম্পুর্ণ বা আংশিক লক ডাউনের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (২৯ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬ জন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‍মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‍মৃত্যু

রংপুর মেট্রোপলিটনের কোতয়ালী থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এক পুলিশ কনস্টেবলের ‍মৃত্যু হয়েছে।পুলিশ কনস্টেবলের নাম আশরাফুল।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা বিষয়ে যা জানালো শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা বিষয়ে যা জানালো শিক্ষামন্ত্রী

করোনার এই সময়ে ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা । আমরা এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি । পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা খুব শিগগিরই সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেবো। আর বেশি দিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হবে না।

আজ মঙ্গলবার ৪৩ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি প্রদান সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, গেল বছরে এসএসসি পরীক্ষা হয়েছিল, সেটার ফলাফল আমরা প্রকাশ করেছি। এইচএসসি বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করেছি। এবার কী হবে শিগগিরই সেটাও জানিয়ে দেব।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ মোট ১ হাজার ৭৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৮ হাজার ১০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে উপবৃত্তি বাবদ ২৯ হাজার ৩০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৮ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৮৮২ কোটি ৯৩ লাখ৫০ হাজার ৬০০ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বাবদ দেওয়া হয় ১৯৫ কোটি ৯৯ লাখ ২২ হাজার ৪১০ টাকা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আমরা এত নিচু মানসিকতার নই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আমরা এত নিচু মানসিকতার নই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘দিল্লি টিকা দিচ্ছে না বলে বাংলাদেশ ইলিশ পাঠাচ্ছে না’- ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এমন শিরোনাম করে খবরের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‌আমরা এত নিচু মানসিকতার নই।  

আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে এর বেশি কিছু বলেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

বাসের পর ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

বাসের পর ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল বন্ধ

করোনা সংক্রমণ রোধে একে একে বন্ধ হচ্ছে বাস-লঞ্চ ও ট্রেন। মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রথমে দুরপাল্লার বাস ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ হয় আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে। এবার রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা।

মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা থেকে সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা মঙ্গলবার রাতে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) ২২ জুন সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাথে অন্যান্য জেলা শহরের জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ২৩ জুন থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। 

গতকাল (সোমবার) ঢাকার আশপাশের ৪ জেলাসহ ৭ জেলায় লকডাউন ঘোষণার পর প্রথমে বলা হয়েছিল শুধু লকডাউনঘোষিত জেলাগুলোতে ট্রেন থামবে না, অন্য গন্তব্যে যথারীতি ট্রেন চলবে। আজ মঙ্গলবার সকালেও বলা হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা থেকে ট্রেন চলবে। তবে এখন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল সরকার। 

ট্রেন বন্ধের বিষয়ে সন্ধ্যায় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেন, আজ (২২ জুন) রাত ১২টা থেকে ঢাকার সাথে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হবে। রেলের পশ্চিমাঞ্চল অর্থাৎ দেশের উত্তরাঞ্চলে কোনো ট্রেনই চলবে না। তবে সিলেট ও চট্টগ্রামের মধ্যে ট্রেন চলাচল থাকবে।  পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

এদিকে গাবতলীসহ ঢাকার সব টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাসের পর এখন রেল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এখন ট্রেনও বন্ধ হচ্ছে। 

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, যে ৭ জেলায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে সেখানে ৩০ জুন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন চলাচল করবে না। বাজার-শপিংমল বন্ধ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি অফিসও বন্ধ থাকবে (জরুরি সরকারি অফিস ছাড়া)। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হোটেল-মোটেল খুললেও যাওয়া যাবে না সমুদ্রে

অনলাইন ডেস্ক

হোটেল-মোটেল খুললেও যাওয়া যাবে না সমুদ্রে

প্রায় তিন মাস পর আগামী ২৪ জুন স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তসাপেক্ষে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে ভ্রমণের জন্য আসা কোনো পর্যটককে হোটেল-মোটেলে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। এমনকি সমুদ্রসৈকতেও না।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি হোটেল মালিক, ব্যবসায়ী সংগঠন ও কর্মজীবী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে গতকাল সোমবার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।  গত বছর ১ এপ্রিল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকসহ জনসমাগম নিষিদ্ধ করে জেলা প্রশাসন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান জানান, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীদের জীবন-জীবিকা নির্বাহসহ বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসগুলো ২৪ জুন থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সব ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এগুলো খোলা রাখা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম হোটেল-মোটেল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে। নির্দেশনা না মানলে করলে হোটেল-মোটেল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর