দোয়া মাছুরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

অনলাইন ডেস্ক

দোয়া মাছুরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

নামাজ মানুষের জন্য ফরজ ইবাদাত। ফরজ নামাজ ছাড়াও রয়েছে ওয়াজিব, সুন্নাত, নফল নামাজসহ অনেক নামাজ। সব নামাজেই দোয়াই মাছুরা পড়া ফরজ। আসুন দোয়াটির উচ্চারণ ও অর্থটা জেনে নেই। 

দোয়া মাছুরা বাংলা উচ্চারণ: 

আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী যুল্মান কাসীরাওঁ ওয়ালা ইয়াগ ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা; ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গফুরুর রাহীম।


ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে সরকারি স্থাপনায় আগুন,প্রেসক্লাবে হামলা

পল্টন মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে হেফাজত নেতাকর্মীদের অবস্থান

হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সাইনবোর্ডে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৩


 

দোয়া মাছুরা বাংলা অর্থ:

হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজ আত্মার উপর বড়ই অত্যাচার করেছি, গুনাহ মাফকারী একমাত্র তুমিই; অতএব তুমি আপনা হইতে আমাকে সম্পূর্ণ ক্ষমা কর এবং আমার প্রতি দয়া কর। তুমি নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল দয়ালু।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে করণীয় কি?

অনলাইন ডেস্ক

কোরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে করণীয় কি?

অসতর্কতাবশত হাত থেকে অথবা কোনো স্থান থেকে পবিত্র কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। তওবা ইস্তিগফার করতে হবে। 

পবিত্র কোরআন ওজন করে সমপরিমাণ চাল বা কিছু দান করতে হবে- এমন কথা মোটেই সঠিক নয়। এমন কোনো বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই। (আগলাতুল আওয়াম, ইসলামী নেসাব-৪৮৫-৮৬)।

উক্ত অবস্থায় অনুতপ্ত হয়ে ‘ইন্নালিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন’ পড়া যায় (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৬)। সেই সঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে যেন এমনটি পুনরায় আর না ঘটে।

উল্লেখ্য যে, পড়ে গেলে তুলে চুমো দেয়া বা চাল বিতরণ করা ভিত্তিহীন প্রথা মাত্র। ইসলামী শরিয়তে এমন কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই তা বর্জনীয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত

সুবহানাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা পুতঃপবিত্র। যা কুরআনের আয়াত দ্বারা সাব্যস্ত। 

সুরা বাক্বারা ৩২ নং আয়াতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ফেরেশতাদের বক্তব্যে তা উঠে এসেছে। সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত এখানে তুলে ধরা হলো-

তাৎপর্য

ক. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‌এ বাক্যটির অর্থ হলো- আল্লাহ পবিত্র অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা যাবতীয় মন্দ ও  সকল প্রকার দোষ-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র।

খ. একবার হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র অর্থ জানি। কিন্তু সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য কি? তখন হজরত আলী  রাদিয়াল্লাহু আনহু জবাব দিয়েছিলেন, ‘আল্লাহ তাআলা এ বাক্যটি নিজের জন্য পছন্দ করেছেন। তিনি এ বাক্য দ্বারা সন্তুষ্ট হন। এ বাক্যটির জিকির আল্লাহ তাআলার  মহান দরবারে অত্যন্ত পছন্দনীয়।

গ. হজরত মাইমুন ইবনে মেহরান রহমাতুল্লাহি আলাইহি সুবহানাল্লাহর প্রসঙ্গে বলেছেন, এতে আল্লাহ তাআলার তাযিম রয়েছে এবং তাঁর পবিত্রতার 

বর্ণনা রয়েছে।

ফজিলত
হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা রাসুল সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট  ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কোনো ব্যক্তি প্রত্যেক দিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে সক্ষম কি? তন্মধ্যে একজন বললেন, আমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি কিভাবে ১০০০ হাজার নেকি অর্জন করবে? তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ১০০ বার سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ) বললে, তার জন্য ১০০০ হাজার নেকি লেখা হবে। অথবা তার ১০০০ পাপ মোচন করা হবে। (মুসলিম, মিশকাত)

পরিশেষে...
আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা বর্ণনা করেছেন ফেরেশতারা। যার বাস্তব শিক্ষা কুরআনে কারিমে তুলে ধরা হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস দ্বারা ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং অনেক ছোট বাক্য ‘সুবহানাল্লাহ’র জিকির অত্যন্ত জরুরি। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সকাল-সন্ধ্যায় এ জিকির করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

অমুসলিমদের দেওয়া খাবার খাওয়া কী জায়েজ?

অনলাইন ডেস্ক

অমুসলিমদের দেওয়া খাবার খাওয়া কী জায়েজ?

অমুসলিমদের রান্না করা খাবার যেমন- মাছ, তরকারি ইত্যাদি খাওয়া জায়েজ। তবে তাতে হারাম কোনো কিছুর সংমিশ্রণ যেন না থাকে (তাদের কোনো উপাস্যের জন্ম উৎস্বর্গকৃত না হতে হবে)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) অমুসলিমদের দাওয়াত গ্রহণ করেছেন। তাদের রান্নাকৃত খাবার খেয়েছেন। তাদের দেওয়া উপহারও গ্রহণ করেছেন। (বুখারি, হাদিস: ২৬১৫)

আবু হুমাইদ আল-সাঈদি (রা.) বলেন, ‘আমি নবী (সা.)-এর সঙ্গে তাবুক যুদ্ধ করেছি। আয়লা-র বাদশাহ নবী (সা.)-কে সাদা রঙের একটি খচ্চর এবং একটি চাদর উপহার দিয়েছেন। ’ (বুখারি, হাদিস: ২৯৯০)

আল-আব্বাস বিন আবদুল মোত্তালিব হুনাইনের দিন সম্পর্কে বলেন, ‘রাসুল (সা.) সাদা রঙের একটি খচ্চরের উপর ছিলেন; যে খচ্চরটি ফারওয়া বিন নুফাছা আল-জুযামি তাকে উপহার দিয়েছিলেন। ’ (মুসলিম, হাদিস: ১৭৭৫)

আলী ইবনে আবু তালেব (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী (সা.)-কে দুমাত-এর (একটি স্থান) উকাইদির (রাজা) একটি রেশমী কাপড় উপহার দিয়েছেন। তখন তিনি সেটা আলী (রা.)-কে দিয়ে বললেন: ‘এটাকে কেটে খিমার (নারীর অবগুণ্ঠন) বানিয়ে ফাতেমাদের দাও। ’ (বুখারি, হাদিস: ২৪৭২; মুসলিম, হাদিস: ২০৭১)

ইমাম শারফ আন-নববী বলেন, ‘এ হাদিসে কাফেরের হাদিয়া গ্রহণ বৈধ হওয়ার পক্ষে দলিল রয়েছে। ’ (শারহু মুসলিম: ১৪/৫০)

আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক ইহুদি নারী (সা.)-এর কাছে একটি বিষযুক্ত ভেড়া নিয়ে আসে। তিনি সে ভেড়া থেকে খেয়েছেন। (বুখারি, হাদিস: ২৪৭৪; মুসলিম, হাদিস: ২১৯০)

সৌদি আরবের স্থায়ী কমিটির ফতোয়াসমগ্রে এসেছে, ‘অমুসলিমেরা সাধারণ উপলক্ষগুলোতে যেমন- নতুন শিশুর জন্ম ও অন্যান্য উপলক্ষে মুসলিমদের যেসব মিষ্টান্ন দেয়, সেগুলো খাওয়া জায়েজ; তবে ধর্মীয় উপলক্ষকেন্দ্রিক কোনো খাবার খাওয়া জায়েজ নয়।

নবী (সা.) থেকে সাব্যস্ত হয়েছে যে, ‘তিনি মুশরিকদের দেওয়া উপহার গ্রহণ করেছেন। ’ শাইখ আবদুল আজিজ ইবনে বাজ, শাইখ আবদুল আজিজ আলে শাইখ, শাইখ বকর আবু যায়েদ। (ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়িমা, আল-মাজমুআ আস-সানিয়া: ১০/৪৭০)

শাইখ বিন উছাইমিন (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, আমার একজন অমুসলিম প্রতিবেশী আছে। কখনও কখনও বিভিন্ন উপলক্ষে সে আমাকে খাবার ও মিষ্টান্ন পাঠায়। এ খাবার আমি খাওয়া ও আমাদের বাচ্চাদের খাওয়ানো কি জায়েজ হবে?

জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। যদি আপনি নিরাপদ মনে করেন, তাহলে কাফেরের দেওয়া হাদিয়া খাওয়া আপনার জন্য জায়েজ। কেননা নবী (সা.)-কে যে ইহুদি নারী ভেড়া হাদিয়া দিয়েছে এবং তিনি সেটা গ্রহণ করেছেন। যে ইহুদি তাকে তার ঘরে দাওয়াত করেছে, তিনি তার দাওয়াত গ্রহণ করেছেন এবং তার খাবার খেয়েছেন।

আরও পড়ুন:


এবারও হচ্ছে না প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা

আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

ওসমানীনগরে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যার পর গৃহকর্মীর আত্মহত্যা

এবার মাহিয়া মাহির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন


তাই কাফেরদের উপহার ও তাদের বাসায় খেতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু শর্ত হচ্ছে- নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। যদি কোনো আশংকা থাকে, তাহলে তাদের দাওয়াত গ্রহণ করা যাবে না। অনুরূপভাবে আরেকটি শর্ত হচ্ছে, খাবার ও উপহারগুলো তাদের ধর্মীয় উপলক্ষ কেন্দ্রিক না হওয়া (যেমন- পূজা ও বড়দিন পালন ইত্যাদি ধরনের কোনো উপলক্ষ)। এই ধরনের অবস্থায় উপলক্ষকেন্দ্রিক তাদের উপহার গ্রহণ জায়েজ নেই। (ফাতাওয়া নুরুন আলাদ দারব: ২৪/২)

অমুসলিমদের তাদের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করলে ঈমান-আমলের ক্ষতি হবার আশঙ্কা থাকলে অংশগ্রহণ করা জায়েজ হবে না। (আহকামুজ জিম্মাহ: ১/৭২৩) অনুরুপভাবে তাদের জবাইকৃত পশুর গোশত খাওয়া যাবে না। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৭৩)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোরআনের কবুল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

কোরআনের কবুল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দোয়া

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দোয়া প্রথমটি রোগমুক্তির দোয়া, দ্বিতীয়টি বিপদমুক্তির জন্য আর তৃতীয়টি সন্তান লাভের জন্য।

আল্লাহর নবী হজরত আইয়ুব (আ.) দোয়া করেছিলেন-

আরবি উচ্চারণ : আন্নী মাচ্ছানিয়াদ্দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।

অর্থ : (হে আমার প্রতিপালক!) আমাকে দুঃখ-ক্লেশ (ব্যাধি) স্পর্শ করেছে, আর তুমি তো শ্রেষ্ঠ দয়ালু। -সূরা আম্বিয়া : ৮৩

এই দোয়া প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘অতঃপর আমি তার (সেই) আহ্বানে সাড়া দিলাম এবং তার দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিলাম এবং তার পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সঙ্গে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা ইবাদতকারীদের জন্য উপদেশস্বরূপ।’ -সূরা আম্বিয়া : ৮৪

২. হজরত ইউনুস (আ.) দোয়া করেছিলেন-

আরবি উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জোয়ালিমীন।

অর্থ : তুমি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গোনাহগার। -সূরা আম্বিয়া : ৮৭

এই দোয়া বর্ণনার পর আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘অতঃপর আমি তার (সেই) আহ্বানে সাড়া দিলাম এবং তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনিভাবে বিশ্বাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।’ -সূরা আম্বিয়া : ৮৮

হজরত জাকারিয়া (আ.) দোয়া করেছিলেন-

আরবি উচ্চারণ : রাব্বী লা তাযারনী ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা রেখ না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস। -সূরা আম্বিয়া : ৮৯

এই দোয়া কবুল হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘অতঃপর আমি তার দোয়া কবুল করেছিলাম, তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া এবং তার জন্য তার স্ত্রীকে প্রসবযোগ্য করেছিলাম।’ -সূরা আম্বিয়া : ৯০

ওপরে এ তিনটি দোয়া পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য, সুতরাং রোগমু্ক্তি, বিপদমুক্তি কিংবা সন্তান লাভের জন্য এসব দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া মুমিনের দায়িত্ব।

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

সূরা ফাতিহার ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা ফাতিহার ফজিলত

সূরা আল ফাতেহা পবিত্র আল কোরআনের প্রথম সূরা। আয়াত সাতটি। মক্কায় অবতীর্ণ। প্রথম তিনটি আয়াত মহান আল্লাহতায়ালার প্রশংসা এবং শেষ তিন আয়াত মানুষের পক্ষ হতে আল্লাহপাকের কাছে প্রার্থনা ও দরখাস্তের বিষয়বস্তুর সংমিশ্রণ। মধ্যের একটি আয়াত প্রশংসা ও দোয়া মিশ্রিত। এ সূরা দ্বারা চিরতরে আল্লাহপাক ছাড়া অন্য কারও ইবাদত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

‘ফাতিহা’ শব্দের অর্থ শুরু, আরম্ভ, উদ্বোধন, উদঘাটন প্রভৃতি। কুরআনুল কারিমের ১১৪টি সূরার মধ্যে প্রথম সূরাটি হলো সূরাতুল ফাতিহা। আর এ জন্য সূরা ফাতিহাকে ‘ফাতিহাতুল কুরআন’ বা কুরআনের শুরু বলে অভিহিত করা হয়। সূরা ফাতিহাকে সূরাতুল হামদ, উম্মুল কুরআন, আসসাবউল মাছানি, ওয়াকিয়াহ, সূরাতুল কাফিয়্যাহ, সূরাতুল কানয, সূরাতুশ শিফা ও সূরাতুল আসাস নামেও অভিহিত করা হয়।

সূরা ফাতিহার ফজিলতের কথা বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। ‘খাজিনাতুল আসরার’ কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ফজরের সুন্নত নামাজ আদায় করে ফরজ নামাজ আদায়ের আগে কেউ যদি বিসমিল্লাহসহ সূরা ফাতিহা ৪০ বার পাঠ করে তাহলে ওই ব্যক্তি নিঃসন্তান থাকলে সন্তান হবে, বেকার থাকলে চাকরি হবে, ঋণ থাকলে ঋণ পরিশোধের উপায় হয়ে যাবে, সম্পদহীন থাকলে সম্পদ লাভ হবে, অসুস্থ থাকলে সুস্থ হয়ে যাবে ও বিপদাপন্ন হলে উদ্ধার পেয়ে যাবে’। 

হজরত আলী রা: বলেছেন, কোনো বিপদে পতিত ব্যক্তি এক হাজার বার সূরা ফাতিহা পাঠ করলে ওই ব্যক্তির আর বিপদ থাকতে পারে না। হজরত ইমাম জাফর সাদেক রা: বলেছেন, ‘৪১ বার সূরা ফাতিহা পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিয়ে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে খাওয়ালে অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যাবে’। (তাওয়ারিখে মদিনা)। 

হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, একবার এক সফরে আমাদের এক সাথি জনৈক গোত্রপতিকে শুধু সূরা আল ফাতেহা পড়ে ফুঁ দিয়ে সাপের বিষ ঝাড়েন এবং তিনি সুস্থ হয়ে যান (বুখারী শরীফ :৫৪০৫)। এ দেখে রাসূল (সা.) তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, এটা যে রকিয়্যাহ (অর্থাৎ পড়ে ফুঁ দেয়ার সূরা) তা তুমি কেমন করে জানলে? (তাফসীরে ইবনে কাসীর)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) ফরমিয়েছেন, তোমরা সূরা ফাতেহা পড়। কোনো বান্দা যখন বলে আলহামদুলিল্লাহি রাবি্বল আলামিন, তখন আল্লাহপাক বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছেন। যখন আমার বান্দা বলে, আররাহমানির রাহিম, তখন আল্লাহপাক বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। 

আরও পড়ুন:


বেতন বাড়ছে ক্রিকেটারদের, কত পান সাকিব-তামিম-মুশফিকরা

রিজার্ভের সব রেকর্ড ভেঙে ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

বাব-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন


বান্দা যখন বলে, মালিকি ইয়াওমিদ্দীন, তখন আল্লাহপাক বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করেছে। বান্দা যখন বলে, ইয়্যাকানাবুদু ওয় ইয়্যা কানাস্তাইন, তখন আল্লাহপাক বলেন, এ হচ্ছে আমার ও আমার বান্দার মাঝে কথা। আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে যা সে চায়। বান্দা যখন বলে, ইহদিনাস সিরাতল মুস্তাকিম...শেষ পর্যন্ত। আল্লাহপাক বলেন, এসব হচ্ছে আমার বান্দার জন্য, তাই রয়েছে, যা সে চায় (মুসলিম শরীফ :৩৯৫)। 

এ ছাড়া কুরআনের একটি হরফ বুঝে পাঠ করলে ১০টি নেকি লাভ হয়। সূরা ফাতিহায় ১২৫টি হরফ রয়েছে। ১২৫টি হরফ যিনি পাঠ করবেন তার আমল নামায় ১২৫০টি নেকি দান করা হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর