এক গ্লাস লেবু পানির যত উপকার

অনলাইন ডেস্ক

এক গ্লাস লেবু পানির যত উপকার

লেবু পানির কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু  এক গ্লাস পানি এবং একটা অর্ধেক লেবুর রস শরীরের  কি উপকার করে তা কি জানেন? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় কোনও রোগই শরীরের  কাছে ঘেঁষতে পারে না।শুধু কি তাই লেনু পানির রয়েছে আরও উপকারিতা। চুলন জেনে নেওয়া যাক লেবু পানির আরও কিছু উপকারিতার কথা..

কিডনির উপকারিতা
লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর জমা প্রতিরোধ করে। এই সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের পাশাপাশি জমে থাকা পাথর বের করতেও সাহায্য করে।

লিভারের রোগে
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লেবু পানি খেলে লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ফলে লিভারের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

পুষ্টির ঘাটতিতে
লেবু পানির ভেতরে যে কেবল ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত থাকে, তা নয়, সেই সঙ্গে উপস্থিত থাকে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও কত কী, যা দেহের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে শরীরকে শক্তপোক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

টিবি রোগের চিকিৎসায়
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে, টিবি রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধের সঙ্গে লেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যদি খাওয়া যায়, তাহলে ওষুধের কর্মক্ষমতা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। ফলে রোগের প্রকোপ কমতে সময়ই লাগে না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে দেহের বেতরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে
হাজারো বিউটি প্রডাক্ট যা করে উঠতে পারেনি, তা লেবু পানি নিমেষে করে ফেলতে পারে। আসলে এই পানীয়তে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে। সেইসঙ্গে ত্বকের বয়স কমানোর পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, গরমকালে ত্বককে ঠাণ্ডা এবং ঘামমুক্ত রাখতে লেবুর পানি দিয়ে বারে বারে মুখটা ধুতে পারেন, দেখবেন উপকার পাবেন।

ওজন হ্রাস পায়
নিয়মিত লেবু পানি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ লেবুর বেতরে উপস্থিত পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে, কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্যালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।


ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে সরকারি স্থাপনায় আগুন,প্রেসক্লাবে হামলা

পল্টন মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে হেফাজত নেতাকর্মীদের অবস্থান

হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সাইনবোর্ডে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৩


 

শ্বাস কষ্টের মতো সমস্যা কমে
যারা অ্যাস্থেমা বা কোনও ধরনের রেসপিরেটরি প্রবলেমে ভুগছেন তারা যত শীঘ্র সম্ভব রোজের ডায়েটে লেবুর পানিকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন কেমন ফল পান! আসলে এই পানীয়টি শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত একাধির জটিলতাকে কমিয়ে ফেলতে দারুন কাজে আসে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে
লেবু পানিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এমন রোগে যারা বহু দিন ধরে ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকাল-বিকাল লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন। তবে এমনটা করার আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন।

পেটের স্বাস্থ্যের প্রকোপ কমে
যারা বদ হজম, কনস্টিপেশন, বারংবার পেট খারাপসহ নানাবিধ পেটের রোগে ভুগে থাকেন তারা প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করবে। ফলে রোগের প্রকোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনও বেরিয়ে যাবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দারুচিনি ও মেথি চা এর উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

দারুচিনি ও মেথি চা এর উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভেষজ উপাদানগুলো অধিক কার্যকরী। এই পানীয় নিয়মিত পান করলে শরীরের পরিবর্তন নিজেই লক্ষ্য করবেন।

দারুচিনি চা

মেটাবলিজম বাড়াতে দারুণ কার্যকরি এই দারুচিনি। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। দারুচিনি চা ডিটক্স হিসেবেও দারুণ কাজ করে। এ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে দিন। ঘুমানোর অন্তত আধাঘণ্টা আগে পান করুন এই চা।

মেথি চা
মেথি পাতাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পাওয়া যায়। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও হাড়কে শক্তিশালী করার জন্য এ চা বেশ উপকারী। নিয়মিত মেথি চা পান করলে কিডনিতে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহে সহায়তা করে।
অ্যাসিডিটি বা হজমের যাবতীয় সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে মেথি চা।


আরও পড়ুন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না


প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চা খেতে পারলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সেই সঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

মেথি চা তৈরী করতে প্রথমে ১ চামচ মেথি গুঁড়ো নিন। দেড় কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে ওই গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এর সঙ্গে ১ চামচ মধু মেশাতে পারেন। চাইলে এর সঙ্গে চা পাতা বা তুলসি পাতাও মেশাতে পারেন। সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার ছেঁকে পান করুন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ক্যানসার ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে আম

অনলাইন ডেস্ক

ক্যানসার ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে আম

পুষ্টিগুণে ভরপুর আমকে ফলের রাজাও বলা হয়। কেবল স্বাদে ও গন্ধে নয়, কাঁচা বা পাকা দুই ধরনের আমই শরীরের জন্য উপকারী। আম পরিমিত গ্রহণ করলে শরীরে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে না। পাকা আমের হাজারও উপকার। এটি হাড় মজবুত করে।  কর্মশক্তি বাড়ায়।  

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানান, পাকা আমে ক্যারোটিনের মাত্রা বেশি।  প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ২৭৪০ মাইক্রো গ্রাম ক্যারোটিন থাকে। আম শ্বেতসারের ভালো উৎস।  প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ২০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়।  রয়েছে ১০৭ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আঁশ, ২৪ গ্রাম শর্করা।  এছাড়া এতে রয়েছে ২৫৭ মি.গ্রা. পটাসিয়াম, ০.২ মি.গ্রা ভিটামিন বি-৬।

এতে ১.৩ গ্রাম আয়রণ, ১৪ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম, ১৬ মি.গ্রা. ফসফরাস, ১৬ মি.গ্রা. ভিটামিন সি, ০.৯ মি.গ্রা. রিভোফ্লেভিন এবং ০.০৮ মি.গ্রা. থায়ামিন থাকে।

এছাড়াও পাকা আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।

প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ০.১ মি.গ্রা. ভিটামিন বি-১ ও ০.০৭ মি.গ্রা. বি-২ রয়েছে।

আসুন জেনেই নিই আমের উপকারিতা সম্পর্কে- 

আমের ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।

কার্বোহাইড্রেইট কর্মশক্তি যোগায়।

আমের আয়রন রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করে।

আমে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে।

আমে আছে দৈনিক চাহিদার ৭৬ শতাংশ ভিটামিন ‘সি। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি।

এর পটাশিয়াম রক্ত স্বল্পতা দূর করে ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে।

এই ফলের আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে।

আমে থাকা উন্নত ফ্যাটি অ্যাসিড হজম ক্রিয়া উন্নত করে।

আমে থাকা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে।  গবেষণায় দেখা গেছে, আমের পলিফেনল স্তন ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়।  এছাড়া কোলন ক্যান্সার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ভারতের প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ পুজা মাখিজা বলেন, আমে রেয়েছে ভিটামিন এ, সি, কপার এবং ফোলাট।  আর চর্বির পরিমাণ মাত্র এক শতাংশ।

আর এই ফল হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখার পাশাপাশি এর ভোজ্য আঁশ হৃদরোগ ও টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা আমে ৬৩ মিলিগ্রাম ও পাকা আমে ৪১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও হৃদ্‌যন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে

চোখের নানা রোগ, চুল পড়া, খসখসে চামড়া, হজমের সমস্যা ইত্যাদি দূর করতে পারে আম। রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে পাকা আম এমনকি কাঁচা আম মহৌষধ। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

খালি পেটে লিচু হয়ে উঠতে পারে মৃত্যুর কারণ

অনলাইন ডেস্ক

খালি পেটে লিচু হয়ে উঠতে পারে মৃত্যুর কারণ

লিচুতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে, যা আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়। এছাড়া এটি অত্যন্ত ফাইবারসমৃদ্ধ ফল হওয়ায় এটি হজমে সাহায্য করে।

লিচুর পাতারও কিছু ভেষজ গুণ রয়েছে। পোকামাকড়ে কামড়ালে লিচুর পাতার রস ব্যবহারে ভালো হয়। কাশি, পেটব্যথা, টিউমার দমনে লিচু কার্যকর। লিচুতে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের দেহের হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখ ভালো রাখে। এর নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন নামক ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স শরীরের জ্বালাপোড়া, দুর্বলতা দূর করে। 

তবে খালি পেটে লিচু খাওয়া যাবে না। লিচুতে ‘হাইপোগ্লাইসিন’ নামে একটি উপাদান আছে যা মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠতে পারে। ‘হাইপোগ্লাইসিন’ নামের এই উপাদানটি শরীরে শর্করার পরিমাণ অত্যন্ত কমিয়ে দেয়। এই ফল একবারে বেশি পরিমাণে না খেয়ে পরিমিত খেতে হবে। লিচু খাওয়ার আগে এক থেকে তিন ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে খেলে বাজারের ফরমালিন কেটে যায়।


আরও পড়ুনঃ


আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই

করোনাকালে সারাদেশে ১৫১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


লিচু শরীরের পুষ্টিচাহিদা পূরণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিচুর মূল উপাদান জলীয় অংশ অনেক বেশি থাকে। এর বাইরে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট খুব অল্প পরিমাণে থাকে। কম ক্যালরি সম্পন্ন এই ফল সবাই খেতে পারে। তবে যাদের মিষ্টি খাওয়া কিছুটা ঝুঁকির অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগী, তাদের জন্য এই ফল কিছুটা কম খাওয়াই ভালো।

এছাড়াও লিচুতে ভিটামিস-সি, ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। অন্যান্য খনিজ উপাদানগুলো হচ্ছে- আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। ফলে আমাদের পুষ্টিচাহিদা মেটাতে লিচু দারুণভাবে সাহায্য করে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

হাতে বা পায়ে ঝি ঝি কেন ধরে?

অনলাইন ডেস্ক

হাতে বা পায়ে  ঝি ঝি কেন ধরে?

হাতে বা পায়ে 'ঝি ঝি ধরা' বিষয়টি নিয়ে আমরা সবাই পরিচিত। এই উপসর্গটির কেতাবি নাম 'টেম্পোরারি প্যারেসথেসিয়া', ইংরেজিতে এটিকে 'পিনস অ্যান্ড নিডলস'ও বলা হয়ে থাকে।  সাধারণত পা বা হাতের ওপর লম্বা সময় চাপ পড়লে সাময়িক যে অসাড় অনুভূতি তৈরি হয় সেটিকেই আমরা ঝি ঝি ধরা বলে থাকি। 

শরীরের যে অংশে ঝি ঝি ধরে, সেখানে সাময়িক অসাড়তার পাশাপাশি এমন একটি অনুভূতির তৈরি হয় যেন অসংখ্য সুঁই দিয়ে একসাথে ঐ অংশে খোঁচা দেয়া হচ্ছে। তবে সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই অসাড়তা এবং খোঁচা লাগার মত অস্বস্তিকর অনূভুতি চলে গিয়ে স্বাভাবিক অনুভূতি ফিরে আসে।

কিন্তু কেন হয় এমন
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন পিনপিন কাঁটা কাঁটা হওয়াকে বলে Paraesthesia। ঝি ঝি ধরার অনুভূতিটা আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা রহস্যজনক মনে হলেও এর পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা কিন্তু খুবই সহজ। আমাদের দেহের সবখানেই অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে যেগুলো মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে থাকে। শরীরে রক্ত সরবরাহের জন্য সারা দেহে জালের মতো আছে রক্তনালি। এ রক্তনালি দুই ধরনের। ধমনি এবং শিরা।

 শরীরের কোথাও কিছুক্ষণ একনাগাড়ে চেপে বসলে সেখানকার নার্ভ এবং রক্তনালিতে বাধা পড়ে। একদিকে রক্তনালিগুলো ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না, অন্যদিকে রক্তনালিতে থাকা নার্ভ কিংবা ওই অংশে থাকা নার্ভগুলো তাদের সংবেদনগুলো পাঠাতে বাধা পায়। কিছুক্ষণ পর সেই চাপ সরে গেলে হঠাৎ সেই অংশের রক্তনালিতে অক্সিজেনের সরবরাহ বেড়ে যায়, নার্ভ তার সংবেদন বাধা থেকে বেরিয়ে ব্রেইনকে সংকেত পাঠায়। ব্রেইন হঠাৎ করে এমন থেমে গিয়ে আবার হঠাৎ ফিরে আসা সংবেদনকে ভুল করে পিনপিনের মতো ফিলিংস দেয়। আর তাতেই আমরা যা অনুভব করি-সেটাই pins and needles।

এটি কিছুক্ষণের জন্য থাকে, আবার নিজে নিজেই চলে যায়। তাই অনেকে একে temporary paraesthesia বলে। এটি বার বার এবং বেশি ঘটতে থাকলে তা শরীরের মধ্যে কোনো সমস্যার লক্ষণ। অনেক সমস্যার কারণে এমন পিনস অ্যান্ড নিডলস হতে পারে। তিনটি প্রধান কারণ আলোচনা করব, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত।

Pins and needles সচরাচর হাতে পায়ে বেশি হয়। ঘাড়, মুখ, পিঠ, পশ্চাৎদেশ, এসব জায়গাতেও দেখা দেয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞএস এম সিয়াম হাসান বলেন, "বসা বা শোয়ার সময় সেসব স্নায়ুর কোনো একটিতে চাপ পড়লে দেহের ঐ অংশে রক্ত চলাচলকারী শিরার ওপরও চাপ পড়ে। ফলে শরীরের ঐ অংশে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে ঝি ঝি ধরতে পারে।"

ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে সুগার বেড়ে গেলে পায়ে এমন pins and needles অনুভব আসে। ট্রিটমেন্ট না করে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে পায়ের বিভিন্ন জায়গায় সংবেদন ক্ষমতা কমে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। ধীরে ধীরে পায়ের সেনসেশন কার্যক্ষমতা কমে যায়, পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, পায়ের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। সমস্যাটিকে বলে ডায়াবেটিস ফুট।

Carpal tunnel syndrome হাতের কব্জির মধ্যে এক ধরনের ঝিনঝিন, পিনপিন কিংবা অবশ ভাব চলে আসে অনেকের। এটি মূলত বেশি হয় যারা অনেকক্ষণ কম্পিউটারের কিবোর্ডে কাজ করেন। এমনকি যারা অনেকক্ষণ ফোন হাতে নিয়ে টেপাটিপি করেন, তাদেরও এমন কব্জিতে ব্যথা করতে পারে। কব্জির মধ্যে মিডিয়ান নার্ভ নামের একটি নার্ভ আছে, এটিতে চাপ পড়ার কারণে এমন হয়। বেশিক্ষণ এমন কাজ না করে এবং এমন পিনপিন অনুভব এলে হাতকে কয়েকবার ঝাড়া দিলে অস্বস্তিটি চলে যাবে।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

Tight jeans syndrome বিশেষ করে মেয়েরা টাইট জিনস পরে বেশি। দীর্ঘক্ষণ এমন পরে থাকলে উরু, কোমর এবং পশ্চাৎদেশে অবশ অবশ অস্বস্তি ভাব লাগে। আবার এমন টাইট প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন অনেকক্ষণ রাখলে সেটাও অনেক চাপ দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন সমস্যাকে বলে mergalgia paresthetica।

দীর্ঘসময় ঝি ঝি ধরার মত উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। ঝি ঝি ধরার মত উপসর্গ যদি দীর্ঘসময় ধরে হতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কোনো অঙ্গে নিয়মিত ঝি ঝি ধরার ঘটনা ঘটলে বা বারবার ঝি ঝি ধরার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এবার নয়া আতঙ্ক ‘মাঙ্কিপক্স’, চিকিৎসায় নেই বিশেষ ওষুধ

অনলাইন ডেস্ক

এবার নয়া আতঙ্ক ‘মাঙ্কিপক্স’, চিকিৎসায় নেই বিশেষ ওষুধ

করোনার (কোভিড-১৯) সংক্রমণে বিপর্যস্ত সমগ্র বিশ্ব। এরই মধ্যে ব্রিটেনে নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে ‘মাঙ্কিপক্স’। দেশটির উত্তর ওয়েলসে ইতিমধ্যেই ২ জনের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক।

আর কেউ সংক্রমিত হয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে জানিয়েছেন সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শদাতা রিচার্ড ফার্থ।

মাঙ্কিপক্স কী 
২০১৭ সালে নাইজেরিয়াতে প্রথম মাঙ্কিপক্স-এর সংক্রমণ ধরা পড়ে। প্রাণী থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। গুটিবসন্ত যে গোত্রের ভাইরাস, মাঙ্কিপক্সও সেই একই গোত্রের। তবে গুটিবসন্তের থেকে সংক্রমণের মাত্রা কম।

উপসর্গ কেমন
আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন(সিডিসি) জানিয়েছে, এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ১২ দিন পর মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা এবং ক্লান্তি ভাব দেখা দেবে। সংক্রমিত হওয়ার ৩ দিন পর থেকে দেহে র‌্যাশ বেরোবে। সঙ্গে হালকা জ্বর। সেই র‌্যাশ ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। সঙ্গে চুলকানিও হবে। তবে শারীরিক ক্লান্তি থাকবে ২-৪ সপ্তাহ।

বাহক
এই ভাইরাসের বাহক হল কাঠবিড়ালি, দুই প্রজাতির ইঁদুর। 

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি

চিকিৎসা 
এই রোগের বিশেষ কোনও ওষুধ নেই বলে জানিয়েছে আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন। তবে এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে গুটিবসন্তের টিকা সিডোফোভির, এসটি-২৪৬ এবং ভ্যাকসিনিয়া ইমিউন গ্লোবিউলিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর