চট্টগ্রাম-গাজীপুর-খুলনা-ময়মনসিংহে বিএনপির মিছিলে ‌‌‌‌‌‌‌‘হামলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম-গাজীপুর-খুলনা-ময়মনসিংহে বিএনপির মিছিলে ‌‌‌‌‌‌‌‘হামলা’

দেশব্যাপী মহানগরী সমূহে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে আজ চট্টগ্রাম, গাজীপুর, খুলনা ও ময়মনসিংহে বিএনপির মিছিলে পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

রাতে দলের  মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতি জানান, চট্টগ্রামে পুলিশ হামলা চালানোর পর মহানগর আহ্বায়ক ডা. শাহাদাৎ হোসেন ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সহসভাপতি মো. আলী, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, যুগ্ম সম্পাদক আঁখি সুলতানা, প্রচার সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদা লিটা, রিনা খানসহ ২০ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান-এফ আই ফারুক, অ্যাডভোকেট ওয়াসিম, ছাত্রদল নেতা ইমন চৌধুরী, গোবিন্দ রায়, যুবদল নেতা-আলী ও স্বপন।

তিনি জানান, পুলিশের হামলায় চট্টগ্রামে মারাত্মকভাবে নগর যুবদল নেতা তৈয়ব আলী, আনিসুজ্জামান, আব্দুর রহিম, মো. হেলাল, সাহাবুদ্দিন সাবু, শাহেদ তৈমুর, মঞ্জুর আলম, মো. ইলিয়াসসহ ৪০ জন, খুলনা ৯ জন, গাজীপুর তিনজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়।


কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন তুরস্কের, ভারতের ক্ষোভ

আবারও ইকো ট্রেন চলবে ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিজিবির অভিযান, বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?


গতকাল কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সভা-সমাবেশ করা মানুষের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার হলেও ভোটবিহীন সরকার তাদের অনৈতিক ও ফ্যাসিবাদী শাসনকে দীর্ঘায়িত করতে সভা-সমাবেশে হামলা, মামলা, গ্রেফতারসহ দমন, নিপীড়ন চালিয়ে রাজনীতির পথকেই সংকুচিত করে ফেলেছে।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের অব্যাহত হত্যাযজ্ঞ ন্যাক্কারজনক হামলা, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে আজ দেশব্যাপী মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর মহানগরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়। 

চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজীর দেউড়িতে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ হামলা চালায়, মহানগর আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, তার পিএস মারুফুল হক চৌধুরী, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সহসভাপতি মো. আলী, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, যুগ্ম সম্পাদক আঁখি সুলতানা, প্রচার সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদা লিটা, রিনা খানসহ ২০জন নেতাকর্মীকে আটক এবং পুলিশ গুলিবর্ষণ ও বেধড়ক লাঠিচার্জের মাধ্যমে ৪০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে আহত করে। 

মারাত্মক আহত নেতাকর্মীরা হলেন- নগর যুবদল নেতা তৈয়ব আলী, আনিসুজ্জামান, আব্দুর রহিম, মো. হেলাল, সাহাবুদ্দিন সাবু, শাহেদ তৈমুর, মঞ্জুর আলম, মো. ইলিয়াস প্রমূখ।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘খুলনা মহানগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশের শেষ মুহূর্তে পুলিশ চতুর্দিক থেকে বিনা উস্কানীতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক লাঠিচার্জের মাধ্যমে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ ও হামলায় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ নেতৃবৃন্দদের গ্রেপ্তার করার পাঁয়তারা চালায়। দীর্ঘক্ষণ নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ। খুলনা মহানগরীর ৯জন নেতাকর্মী পুলিশের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ময়মনসিংহ মহানগরীতে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে নেতাকর্মীদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। প্রতিবন্ধকতার মুখে নতুন বাজারে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি পালন করে নেতাকর্মীরা ফিরে যাওয়ার মূহূর্তে পুলিশ হামলা চালিয়ে ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান-এফ আই ফারুক, ৩২ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা- অ্যাডভোকেট ওয়াসিম, ছাত্রদল ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট শাখার আহবায়ক-ইমন চৌধুরী, ময়মনসিংহ দক্ষিণ থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব-গোবিন্দ রায়, যুবদল নেতা-আলী ও স্বপনকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এখানে পুলিশ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক-আবু ওয়াহাব আকন্দসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদেরকেও আটক করার পাঁয়তারা চালায় এবং হেনস্তা করে।

মির্জা বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে মেট্রো থানা বিএনপির মিছিলে পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায় ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে, এতে তিনজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়।

গতকাল সন্ধ্যায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিনা উস্কানিতে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

পুলিশের উপস্থিতিতে এই সন্ত্রাসী ঘটনা প্রমাণ করে সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের ছায়াতলে দলীয় কর্মীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নামিয়ে দিয়ে দেশে নৈরাজ্য ও উস্কানীমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মেয়রকে দাওয়াত না দেয়ায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২

হৃদয় খান, নরসিংদী

মেয়রকে দাওয়াত না দেয়ায় আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২

নরসিংদীর মাধবদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের এক পক্ষের হামলায় অপর পক্ষের দুজন গুলিবিদ্ধসহ আটজন আহত হয়েছেন। 

বুধবার রাত ৮টায় মাধবদী পৌরসভার মোড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাধবদী পৌরসভার সাবেক কমিশনার ও সদর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জাকারিয়া (৩৯) ও নূরালাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব আবুল কালামকে (৩০) নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আহতদের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, আগামী ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে বুধবার বিকালে মাধবদী থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। শহরের রমনী কমিউনিটি সেন্টারের ওই সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মিটিং চলাকালে মাধবদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোশারফ হোসেন মানিক ও তার সহযোগীরা সেখানে যায়। এসময় ব্যানারে তার নাম না থাকায় মিটিং না করতে নিষেধ ও গালিগালাজ করে চলে যান। ওই মিটিং শেষে মাধবদী পৌরসভার সাবেক কমিশনার জাকারিয়াসহ ১০/১৫ জন নেতাকর্মী পৌরসভার মোড় হয়ে ফিরছিলেন। এসময় পৌর মেয়র মানিকের নেতৃত্বে তাদের ওপর গুলি করাসহ অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে দুজন গুলিবিদ্ধসহ আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসিম আল ইসলাম বলেন, আহত দুজনের মধ্যে একজনের ডান পায়ে ও অন্যজনের বাম পায়ে ফোঁটা দেখা গেছে। গুলিবিদ্ধ কি না পরীক্ষার পর বলা যাবে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

মাধবদী থানার ওসি সৈয়দুজ্জামান বলেন, মিটিংয়ে দাওয়াত না দেয়াকে কেন্দ্র করে পৌরসভার মেয়রের সঙ্গে আনোয়ার কমিশনারসহ স্থানীয় নেত্রীবৃন্দের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সংসদে চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানালেন এমপি মোশারফ

অনলাইন ডেস্ক

সংসদে চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানালেন এমপি মোশারফ

সরকারি চাকরির বয়স বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন। জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্ব তিনি এ দাবি করেন। 

তিনি বলেন, বেকার যুবকরা শিক্ষা থেকে অনেক পিছিয়ে গেছেন। তার বয়স বাড়ানো দরকার। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। সংসদে  

মোশারফ হোসেন আরও বলেন, করোনাকালীন সময়ে আজকে শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের দিকে। আজকে যেভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে শেষ করতে দশ বছর লেগে যাবে। তাহলে স্কুল কবে খুলবে? 

বেশিরভাগ জায়গায় দেখা যাচ্ছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আর মসজিদে সব করোনার ঢেড় লেগেছে। অতিদ্রুত চাইল্ড এবং অ্যাডাল্টদের ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরানোর দাবি জানান তিনি।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান এমপি মোশারফ হোসেন। সেইসঙ্গে করোনার সময় সব হাট/বাজার মার্কেট ইত্যাদি সব কিছুই খোলা থাকে তাহলে শুধুমাত্র করোনার সময়ে স্কুল এবং মসজিদ কেন বন্ধ থাকবে বলেও প্রশ্ন রাখেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্য কমিয়ে আনারও দাবি জানান।

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী-৫ আসন, মওদুদের উত্তরসূরী হতে চান স্ত্রীসহ ৭ জন

কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসন। এই আসন ভিআইপি আসন হিসেবেও পরিচিত। জীবদ্দশায় বিএনপির নেতৃত্বে নিজের আসনসহ নোয়াখালীতে সর্বেসর্বা ছিলেন প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর এ আসনে বিএনপির নেতৃত্ব কে দেবেন তাই নিয়ে আলোচনা চলছে। 

এই আসনে মওদুদের উত্তরসূরী হিসেবে বিএনপির হাল ধরতে চান তার সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদসহ ৭জন। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে দলের ত্যাগী-পরিক্ষিত নেতা যেমন আছেন, তেমনি আছেন নতুন বিএনপি নেতাও। এ পরিস্থিতিতে যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন প্রয়াত ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি সাবেক সংসদ সদস্য হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফোরকান ই আলম, ২০ দলীয় জোট সমর্থিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি।
   
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মওদুদ আহমদের সহধর্মীনি হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ এগিয়ে রয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপি ছিল মওদুদ আহমদের মতো পাহাড়সম যোগ্যতার অধিকারী রাজনীতিবিদের নেতৃত্বে। আগামী দিনের রাজনীতিতে মওদুদ আহমদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধের ওপর নির্ভর করবে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা। এইটা ভুলে গেলে চলবে না।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মেহেদী হাসান টিপু বলেন, শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন। দলকে সু-সংগঠিত করতে তাকে দলের নেতৃত্বে সুযোগ দেওয়া উচিত।

হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ বলেন, প্রিয়জন হারিয়ে আমি এখনো শোকের মধ্যে আছি। তবে আমাদের দল থেকে যখন যে সিদ্ধান্ত আসবে, সে হিসেবে আমি করণীয় ঠিক করব এবং সেটাই পালন করব। তবে এলাকার মানুষ চাইলে আমি বিয়টি প্রাধান্য দেব।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি বলেন, এখানে বলতে গেলে বিএনপির অস্তিই ছিল না। সদর-কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থাটা আমি তৈরি করেছি।

বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, মওদুদ সাহেবই এলাকার রাজনীতিতে আমাকে উৎসাহিত করেন। আমি চাচ্ছি না, মওদুদ সাহেবের মৃত্যুর পরপরই এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে। বরং আমি চাচ্ছি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই এলাকার রাজনীতির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দেখভালের জন্য দায়িত্ব দিবেন। দলকে ভালোবেসে দলের দায়িত্ব নিতে আমার আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে দলের হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নিবে তা মেনেই আমরা রাজনীতি করব।

ফোরকান ই আলম বলেন, দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় আমি দায়িত্ব পালনে আগ্রহী।

ফখরুল ইসলাম বলেন, এখন অনেককে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।  দল কাকে দিবে এটা দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। 

অ্যাডভোকেট পারভীন কাউছার মুন্নি বলেন, আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। বিভিন্নভাবে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দলের কাছে আমার বক্তব্য তুলে ধরব। দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমরা তা মেনে দলের জন্য কাজ করব।

এ বিষয়ে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, যারা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলের কাজ করবে তারাই নতুন নেতৃত্বে উঠে আসবেন।

স্থানীয়দের ধারণা, এ আসনটিতে যে প্রার্থী জয় পান, তার দল সরকার গঠন করে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের সময় থেকেই এ আসনে লড়ে আসছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও মওদুদ আহমদ। যেবার মওদুদ জিতেছেন, সেবার বিএনপি সরকার গঠন করেছে, যেবার ওবায়দুল কাদের জিতেছেন, সেবার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যু হয়। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ১৯৪০ সালের ২৪ মে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতিতে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং হাওয়া ভবনের প্রতিষ্ঠাতা বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম।

তিনি আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শূন্য সহিষ্ণুতা নীতিতে অটল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী, আমলা যারাই দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর।

দুদক স্বাধীন ভাবে তদন্তের মাধ্যমে কাজ করছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলীয় অনেক এমপিরও সাজা হয়েছে, কেউই রেহাই পাচ্ছে না এবং দলীয় পরিচয়ের অনেকেই দুর্নীতির অভিযোগে জেলে আছেন।

দুর্নীতি ও অপকর্মের সাথে জড়িত কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশী আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে কোনভাবেই মনোনয়ন পাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


দুদকের মতে তথ্য প্রমাণের অভাবে অনেক মামলা এগুচ্ছে না, কাজেই ঢালাও ভাবে অভিযোগ না করে এবং অন্ধকারে ঢিল না ছুড়ে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ দিতে বিএনপির প্রতি আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন দুর্নীতি করে যারা দেশ-বিদেশে অর্থ পাচার করেছে বা সম্পদ গড়েছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকার গণমাধ্যম বান্ধব সরকার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাংবাদিক সমাজের সুখ দুঃখের সাথে তিনি জড়িয়ে আছেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গণমাধ্যমের ব্যাপক সম্প্রসারণ সরকারের উদারনীতির সাক্ষ্য বহন করে।

করোনাকালে মিডিয়া কর্মীদের বন্ধু ও স্বজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পাশে দাঁড়িয়েছেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পেশাগত মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষায় নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তায় আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

বিএনপির উদ্দেশ্যমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্যের বিপরীতে ওবায়দুল কাদের বলেন দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের স্বার্থের বিপক্ষে কোনো কাজ শেখ হাসিনা সরকার করেনি, করবেও না।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির শাসনামলে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের রেকর্ড গড়েছিলো তারা এবং তাদের শাসনামলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার অভিযোগও এনেছিলো বিএনপি। 

গণমাধ্যমের সেই শত্রু ও নির্যাতনকারী বিএনপি আজ সাংবাদিকদের বন্ধু সেজেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, তাদের মুখোশ সবার জানা, বিভিন্ন পেশায় কর্মরতদের উস্কানি দিয়ে বিদ্যমান স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি। 

ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো ভাবেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হবে না বলেও জানান।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। বাতিল করেন বাকশালী আমলের সব কালাকানুন। বিএনপি বহুমত, পথ ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে বারবার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। বহুমাত্রিকতা বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ। বারবার অবৈধ স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর কবল থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে বিএনপি।

১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিন তৎকালীন চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল সরকার তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র সরকারিভাবে প্রকাশ করে এবং বাকিগুলো বন্ধ করে দিয়ে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দেয়। বিএনপির ভাষায় বুধবার (১৬ জুন) সংবাদপত্রের কালো দিবস। এ উপলক্ষে এক বাণী দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


ফখরুল বলেন, এদিন স্বাধীনতার আকাঙ্খা তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েন। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র। গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়। মানুষের স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর