কটন বাডস ছাড়া কান পরিষ্কারের সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক


কটন বাডস ছাড়া কান পরিষ্কারের সহজ উপায়

কটন বাডস ছাড়া কান পরিষ্কারের তিনটি উপায় জানিয়েছে ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই। 

১.কানের বাইরের অংশ পরিষ্কার রাখুন। কেবলমাত্র আপনার কানের বাইরের অংশের জন্য কটন বাড ব্যবহার করতে পারেন, তবে আরও ভালো যদি আপনি পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে কানের বাইরের দিকটি মুছতে পারেন।

২. কানের ভেতর পরিষ্কার করতে হলে প্রথমে কয়েক ফোঁটা বেবি অয়েল বা গ্লিসারিন বা কানের ড্রপ দিন। এটা কানে থাকা ময়লা নরম করে দেবে। কয়েকদিন পর কয়েক ফোঁটা গরম পানি কানে ঢালবেন। তারপর যেদিকের কানে পানি দিয়েছেন সেদিকে মাথা ঝুঁকিয়ে পানিটা বের করে দিন। পানি বেরিয়ে গেলে কানের বাইরের অংশটা টাওয়াল দিয়ে মুছে নিন। কোনোভাবেই কটন বাডস বা অন্য কিছু কানের ভেতরে ঢোকাবেন না।


নওগাঁয় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

হেফাজতের হরতালের সহিংসতায় ৬টি মামলা

গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

তারল্য সংকট মোকাবেলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জরুরি : প্রধানমন্ত্রী


৩. মাথা একদিকে কাত করে ওপর দিকে থাকা কানে কয়েক ফোঁটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ওইভাবে থাকুন। তারপর মাথাটা উল্টো করলে দেখবেন কানের ভেতরে থাকা সলিউশন বেরিয়ে আসবে। সঙ্গে কানও পরিষ্কার হয়ে যাবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাস্ক পরে সাইকেল চালানো কতোটা নিরাপদ?

অনলাইন ডেস্ক

মাস্ক পরে সাইকেল চালানো কতোটা নিরাপদ?

লকডাউনের দূরে তো বটেই কাছাকাছির মধ্যে অতি প্রয়োজনে যেতেও হাতের কাছে পাওয়া যায় না কোনও গাড়ি। তাই পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে গত বছরের লকডাউনের সময় থেকেই চাহিদা বেড়েছে সাইকেলের।

গত বছর লকডাউন চলাকালীন খবর আসে, যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তি মাস্ক পরে সাইকেল চালাতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তখন থেকেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি মাস্ক পরে সাইকেল চালালে বিপদের আশঙ্কা আছে? পরে যদিও জানা যায়, ওই হৃদরোগের খবরটি ভুয়া। তবু এ বিষয়ে আশঙ্কা থেকেই যায়।

চলুন জেনে নেয়া যাক লকডাউনের সময় সাইকেল চালানোর সময় মাস্ক পরা নিয়ে চিকিৎসকেরা কী বলছেন।

 

চিকিৎসকেরা বলছেন, অবশ্যই পরতে হবে মাস্ক। এবং একটা নয়, পরতে হবে দুটো মাস্ক। কারণ যেখানে বেশ কয়েক জনের জমায়েত হচ্ছে, সেখানেই দরকার মাস্ক। কিন্তু একা সাইকেল চালানোর সময় আপনি মাস্ক পরে থাকবেন কি না, তার পুরোটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতির উপর।

সাইকেল চালানো খুব ভাল শরীরচর্চা। এতে হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুসের ভাল ব্যায়াম হয়। ফলে জোরে সাইকেল চালানোর সময় শরীর বেশি পরিমাণে অক্সিজেন চায়। তাই শ্বাসের গতি বেড়ে যায়। এই সময় মাস্ক পরে থাকলে নিঃশ্বাস নিতে কিছুটা বাধা আসতে পারে।

তার চেয়েও বড় কথা, এই সময় মুখ থেকে প্রচুর পরিমাণে বাষ্প বেরোতে থাকে। তাতে মাস্কের ছিদ্রগুলি বন্ধ হয়ে আরও সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই খুব জোরে সাইকেল চালানোর সময় মাস্ক পরে থাকাটা অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

এছাড়া বর্তমানে করোনাভাইরাস তার চরিত্র অনেকখানি বদলেছে। বর্তমান গবেষণা বলছে, এই ভাইরাস বায়ুবাহিতও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সাইকেল চালাতে গিয়ে মাস্ক পুরোপুরি খুলে ফেলাও যাবে না।

বরং দু’টির জায়গায় একটি মাস্ক পরে থাকতে পারেন। তার সঙ্গে প্লাস্টিকের ফেসশিল্ডও ব্যবহার করা যেতে পারে।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

ইসরাইলের বর্বর আক্রমণ কেবলই ক্ষমতার জন্য: বেলা হাদিদ

হামলায় ইসরাইলের একক আধিপত্যের যুগ শেষ: হামাস

ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তাওকত’, রেড অ্যালার্ট


আপনাকে কেমন দেখতে লাগছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না এই সময়। কারণ, ফ্যাশনের চেয়ে নিরাপত্তার মূল্য অনেক বেশি।

ধীরে সাইকেল চালানোর সময় বা বাজারে সাইকেল নিয়ে গেলে যত বেশি সম্ভব নিরাপত্তার পর্দা চাপিয়ে নিন। ফাঁকা রাস্তায় তা অল্প কমাতে পারেন। কিন্তু পুরোপুরি ত্যাগ করা যাবে না কোনভাবেই।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

একটু স্মার্ট ক্রেতা হলেই অনলাইন কেনাকাটায় টাকা বাঁচাতে বা বাজেটের মধ্যেই কিনতে পারবেন আপনার পছন্দের জিনিসগুলো। এর জন্য মনে রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে-

১. প্রথমে ঠিক করুন আপনি কোন কোন জিনিস কিনবেন। সেই জিনিসগুলোর দাম বিভিন্ন শপিং সাইট থেকে যাচাই করুন। কোন সাইটে কত দামে পাচ্ছেন তা যাচাই করুন। এভাবে একটি ধারণা নিতে পারেন।

২. ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রডাক্টের অনলাইন পেইজে এখন মূল্যছাড় দেয়। সারাক্ষণই কোনো না কোনো ডিসকাউন্ট কিংবা স্পেশাল অফার চলতেই থাকে। ডিসকাউন্টের সময় আপনার পছন্দের প্রডাক্টটি কিনে নিন।

৩. বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপের কারণে বিশেষ ছাড় পাওয়া যায়। সেগুলোও কাজে লাগাতে পারেন। ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের অফার থাকে। সেই অফারেও কিনে নিতে পারেন।


রোজা রেখে ২৮০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি পৌঁছাল মৌসুমি

পরিচয় পাওয়া গেছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই মাইক্রোবাস চালক ও মালিকের

ইসরায়েলের লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


৪. ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশনের দিকে নজর রাখুন। প্রডাক্ট অর্ডারের পর নিশ্চিত হয়ে পেমেন্ট করুন। না হলে এমনও হতে পারে, আপনি পছন্দের জিনিস বেছে অর্ডার দিচ্ছেন, সঙ্গে কার্ড দিয়ে পেমেন্টও করেছেন। কিন্তু ডেলিভারিই হলো না।

৫. অবশ্যই কোনো কিছু কেনার আগে সেই পেইজের রিভিউ দেখে নিন। প্রোডাক্টটি আগে যারা কিনেছিলেন, তাদের রিভিউ জেনে নিন। এতে ভালো পণ্যটি কিনতে সফল হবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতির শেষ নেই। ঈদ অপূর্ণ থেকে যায় যদি হাত মেহেদির রঙে রাঙা না হয়। বিশেষ করে চাঁদরাত হাতে মেহেদী লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ের নারী ও শিশুরা। তবে হাতের কাছে কম মূল্যে যে-সে মেহেদি পেলেই কিনবেন না। এতে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। বিপদ এড়াতে মেহেদি কেনার আগে আমাদের যা জানা জরুরি-

১. খাঁটি মেহেদির রঙ কখনো কালো হয় না। সব ধরনের কালো মেহেদিতেই ভেজাল বা কেমিকেল মেশানো থাকে।

২. আসল মেহেদি কখনোই  পাঁচ মিনিট বা তার কম সময়ে গাড় রঙ দেয় না। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর আসল মেহেদির রঙ গাঢ় হতে থাকে।

৩. মেহেদির রঙ গাঢ় খয়েরি না হলে অনেকেরই মন খারাপ হয়ে যায়। তবে জানেন কি? আসল মেহেদির রঙ কখনোই এতোটা গাঢ় হয় না।

৪. মেহেদি কেনার সময় মেয়াদ দেখে কিনুন। বেশি পুরোনো হলে আবার রঙ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫. পার্লারে মেহেদি লাগাতে গেলে দেখে নিন নতুন মেহেদি দিচ্ছে কি-না। প্রয়োজনে নিজেই মেহেদি কিনে নিয়ে যান।

৬. ফ্রিজে রাখা মেহেদি ব্যবহারের আগে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। তারপর হাতে লাগান।

৭. শিশুদের হাতে দেয়ার জন্য পাতা মেহেদি বেটে হাতে লাগাতে হবে। এতে শিশুর কোমল হাত সুরক্ষিত থাকবে।

৮. পাঁচ মিনিটেই গাঢ় লাল রঙ পেতে এখন অনেকেই বিভিন্ন মেহেদি ব্যবহার করে থাকেন। এগুলো ত্বক এমনকি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এগুলোতে প্রচুর কেমিকেল থাকে।


রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ ও ‘বি’ হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি: গবেষণা

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বিশ্বে করোনায় একদিনে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু

বাংলাদেশি নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


৯. যেকোনো মেহেদি ব্যবহারের আগে অল্প পরিমাণে হাতে অথবা কানের পেছনে ব্যবহার করুন। এতে অ্যালার্জি হলে জ্বালা-পোড়া করবে বা চুলকাবে। এমন হলে ওই মেহেদি ব্যবহার করবেন না।

১০. মেহেদিতে সাধারণত কার্বোলিক এসিড ব্যবহার করা হয়। যা ত্বকের কোষগুলোকে মেরে ফেলে এবং এর প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ধ্বংস করে। ফলে মেহেদির রঙ দ্রুত গাঢ় হয়।

১১. মেহেদি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার কারণ হলো এতে মেশানো পিপিডি কালি। এই কেমিকেল ত্বকের মারাত্মক অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল মেশানো হয় মেহেদিতে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

প্রচন্ড গরমে অনেকেই ঘামাচির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এই ঘামাচি শরীরের মুখ, হাত, পা, ঘাড়, বুক, পিঠ এমনকি যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এর ফলে শরীরে অনেক চুলকানি হয় এবং লালচে ভাব তৈরি হয়।

ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। তবে জানেন কি, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সহজেই এই বিরক্তিকর ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

>> কাঁচা আলু ঘামাচির সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর। কাঁচা আলুর পেস্ট তৈরি করে শরীরে লাগাতে পারেন। এতে ঘামচি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

>> তরমুজ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। তাই তরমুজের পাল্প ঘামাচিতে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> ঘামচিতে ফিটকিরি মিশ্রিত পানি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গোসল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> বেসনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে প্রলেপ দিয়ে কিছু সময় পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।

>> লাউ এমনিতেই ঠাণ্ডা একটি সবজি। ঘামাচির জন্য লাউ আগুনে ঝলসে নিয়ে তা থেকে রস বের করে কিছুদিন খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

>> লেবুর রসে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ঘামাচি দূর করতে বেশ কার্যকরী। ঘামাচিতে উপকার পেতে দিনে ৩ থেকে ৪ গ্লাস লেবুর রস মিশ্রিত পানি পান করুন।

>> কয়েক দিন শরীরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ঘামাচি ভালো হয়ে যায়। সেজন্য অ্যালোভেরা পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে তা শরীরে প্রলেপ মেখে নিতে হবে। জেল আপনা-আপনি শুকিয়ে গেলে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে

>> ঘামাচিতে উপকার পেতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেসব স্থানে ঘামাচি আছে, সেখানে বরফ ঘষা। তাছাড়া ঠাণ্ডা পানিও ভালো আরাম দেয় ঘামাচিতে।

>> মুলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচিতে বেশ উপকারী। এই পেস্ট তৈরি করতে লাগবে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি,  গোলাপ জল ২ টেবিল চামচ ও পানি পরিমাণমতো। ঘামাচির জায়গায় এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে ঘামচি ভালো হয়ে যাবে।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


>> এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডার পানিতে ভিজিয়ে তা ভালো করে নিংড়ে ঘামাচির স্থানে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> নিমপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিমপাতার পেস্ট শরীরে লাগিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে শুকাতে হবে। এভাবে ৪ থেকে ৫ বার দিনে ব্যবহার করলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এক মুঠো নিমপাতা ২ কাপ পানিতে ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘামাচির জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে লাগাতে হবে। এভাবে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করতে পারলে ভালো।

>> চন্দন বাটা বা চন্দন গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির স্থানে কয়েকবার লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঘামাচি ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া চন্দন ও ধনেপাতা বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ ধনেপাতায় আছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আর চন্দন ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি দুই-ই কমায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

অনলাইন ডেস্ক


ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

নিজেকে সবার কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে কার না ভালো লাগে। বলছি ফ্রেশ লুকের কথা। সতেজ, সজীব একটি ত্বক পেতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। আজকে আমরা ৬টি বিউটি টিপসকে সম্পকে জানবো। যা আপনাকে প্যারফেট একটা ন্যাচারাল লুক দিবে।

১. সানস্ক্রিন আবশ্যক

আপনি যখন সঠিক বিউটি টিপসের একটা নিয়মে থাকবেন তখন অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে প্রাথমিক স্কিনকেয়ার নিয়বগুলো, কোনভাবে ভুলে গেলে চলবে না। আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যখনি বাইরে যাবেন বা বেরোবেন তার ১৫ মিনিট আগে সর্বদা সানস্ক্রিন প্রয়োগ করতে হবে। রোদে পোড়া থেকে আপনাকে সানস্ক্রিন রক্ষা করবে সবসময়।

২. ময়েশ্চারাইজার

আপনি যদি মনে করেন আপনার মুখটি খুব নিস্তেজ দেখাচ্ছে, তাহলে আপনি মাঝারি কভারেজের জন্য একটি ময়শ্চারাইজারের উপর নির্ভর করতে পারেন। এই উচ্চ কভারেজ ভিত্তিগুলি কেবলমাত্র বড় অনুষ্ঠানের জন্য রাখুন। আর সবসময় মাঝারি কভারেজেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে নিস্তেজভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।

৩. গরম লেবু পানি

সকালে তাজা লেবুর সাথে এক কাপ গরম পানি পান করুন। এই আপনার বিষাক্ত পদার্থগুলি বের করে দেবে এবং আপনার শরীরকে শুদ্ধ করবে এবং আপনাকে একটি চকচকে ত্বক দেবে।

৪. এক্সফোলিয়েট করতে ভুলবেন না

কখনও কখনও আমাদের ত্বকের জন্য কেবল অতিরিক্ত বাফ দরকার হয় এবং এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল স্ক্রাব ব্যবহার করে আপনার মুখটি ফুটিয়ে তুলতে হবে। এক্সফোলিয়েশন মৃত ত্বকের কোষ, জড়িত ছিদ্রগুলি থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। আপনার ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করে আপনি সপ্তাহে ২-৩ বার এক্সফোলিয়েট করতে পারেন।


নিয়ন্ত্রণ হারানো চীনের রকেট পড়লো ভারত মহাসাগরে

যাত্রীদের চাপ সামলাতে সব ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন

অবশেষে করোনামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া

কাবুলে স্কুলের পাশে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৫


৫. একটি টোনার ব্যবহার করুন

যখনই আমরা আমাদের মুখ পরিষ্কার করি, আমরা টোনার ধাপটি এড়িয়ে যাই, যা স্বাস্থ্যকর স্কিনকেয়ার আনুষ্ঠানিকতার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। টোনার পোস্ট ক্লিনজিং আপনার ত্বককে সতেজ করে রেখে ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৬. প্রচুর পানি পান করুন

স্বাস্থ্যকর এবং ঝলমলে ত্বকের জন্য, আপনি হাইড্রেটেড রয়েছেন তা নিশ্চিত করুন। দিনের বেলা প্রচুর পানি পান করুন। এছাড়াও, নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি ভবিষ্যতে আপনার ত্বকটিকে মসৃণ এবং চুলকানামুক্ত রাখতে প্রতিদিনই ময়শ্চারাইজ করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর