হয়তো এই বছরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

হয়তো এই বছরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে এত বাধা নিষেধ কেনো আরোপ করা হচ্ছে!!!! 

গত ১ বছরে তো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশ ভালোভাবেই পরীক্ষা নিয়ে আসছে অনলাইনে।

করোনা কালে ছাত্রদের যতটুকু বই মুখি, শিক্ষামুখি করে রাখা গিয়েছিলো তার বড় কৃতিত্ব অনলাইন পরীক্ষা আর ক্লাসের। পরীক্ষা না থাকলে কি কেউ ক্লাসে মনোযোগ দিবে? পরীক্ষা ছাড়া ক্লাসের ইফেক্টিভনেসও কমতে থাকে । ছাত্রছাত্রীদের মনোযোগ ধরে রাখা কি পরিমাণ কষ্টের সেটা শিক্ষক মাত্রই জানেন।

আমরা অনলাইন পরীক্ষায় বিধিনিষেধ আরোপ করছি আর পৃথিবীর সবখানে অনলাইনে ক্লাস পরীক্ষার উপরে জোড় দেওয়া হচ্ছে। ইয়েল, জরজিয়া টেক সহ আইভি লিগের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইনে তাদের মাসটার্স ডিগ্রী সহ অনন্য ডিগ্রীর কার্যক্রম বাড়িয়েছে।


সময়মতো করোনা টেস্টের ফলাফল না পাওয়ায় এয়ারপোর্টে ভোগান্তি

পশু কোরবানির ৫৯০ ছুরি দুই মাদ্রাসা থেকে জব্দ

মিরপুর চিড়িয়াখানাও বন্ধ ঘোষণা

রংপুরে সব ধরনের মেলা ও সিনেমা হল বন্ধ


এর মাঝে তো জরজিয়া টেক মাত্র $১০০০০ এ মাস্টার্স ডিগ্রীতে ভর্তীর ব্যাবস্থা রেখেছে। পুরোটাই অনলাইনে। 
আর আমরা বলছি, অনলাইনে ক্লাস হবে, পরীক্ষা - এসাইনমেন্ট হবে না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের সেশন জটের মাঝে ফেলারতো তেমন কোনো দরকার নেই। কিছু ব্যাবহারিক বিষয় বাদদিলে, বাকি বিষয়গুলোতে অনলাইনে শিক্ষক চাইলেই সঠিক মূল্যায়ন করতে পারেন। করেনও।

করোনার ভবিষ্যত কি আমরা জানি না। অবস্থা খারাপ হলে হয়তো এই বছরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না। তাই বলে জীবন থেমে থাকবে না। আমাদের চলতে হবে, শিখতে হবে, শেখা জিনিস প্রয়োগ করতে হবে। অফলাইনে না হলে অনলাইনে।

অনেকেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের অনলাইনে ক্লাস পরীক্ষা দেওয়ার সক্ষমতা এবং সামর্থ্য নেই বলে ব্যাপারটাকে হলকা করতে চান। গত এক বছরের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি ৫-১০% এর কিছু সমস্যা হয়েছে। সেইসব ক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক এবং ছাত্রদের বন্ধুবান্ধবরা মিলে সমাধান করে ফেলেছে সমস্যার। এখন ব্যাপারটা একটা সেপ এর মাঝে চলে এসেছে। এখন এটার গতিকে রুদ্ধ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

করোনা শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন এনেছে। আমাদের চেনা শিক্ষাব্যবস্থা আর থাকবে না। সেটা আমরা মানতে চাই, তা না চাই। জোর করে পুরোনো ব্যবস্থায় থাকতে চাইলে, থাকতে আমরা পারব কিন্তু এতে কারো লাভ হবে না। আর দিন শেষে নতুন ব্যবস্থাতে আমাদের যেতেই হবে।

এমন জোর করে পুরোনোকে আকড়ে ধরে থাকার উদাহরণ আমাদের আছেও। ইংরেজ শাসনআমলে অনেকেই ইংরেজি শিক্ষাকে গ্রহণ করতে চায়নি। আগের মতো টোল, মক্তবের শিক্ষাকেই যথেষ্ঠ ভেবেছিলো। তার ফলাফলও আমরা জানি। 
একই ফলাফল আমরা আবার দেখতে চাই না। কখনোই না।

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী: সহকারি অধ্যাপক, বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি, ঢাকা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু

মাসুদা ভাট্টি

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু -- মিতা হক সেই যে মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তার অমরতা মেশানো গায়কিতে আর ভুলিনি কখনও।

এদেশে রবীন্দ্রসংগীতকে অন্য মাত্রা দেয়াই কেবল নয় দেশের সকল অনাসৃষ্টির বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষের তালিকায় মিতা হক ছিলেন সংশপ্তক হয়ে।

সেই মিতা হক চলে গেলেন এই ভোরে, আমাদের বেঁচে থাকাকে আরো ভারি করে দিয়ে। আমি হলপ করে বলতে পারি এদেশের অনেক মানুষই মিতা হককে ভাবতেন এইতো আমাদের মিতা, আমার মিতা, যখন-তখন ফোনটি তুলে বলা যায়-- মিতা আপা শোনো না, বলোতো কী করা যায়? এই ভয়ংকর ভোর আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে চলে গেলে মিতাপা?


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


এই কষ্টের দিন, এই অসম্ভব কষ্টের কালে মিতা আপা তুমি স্মরিত হবে গানে এবং প্রতিবাদে। আমি কান্নাটা চেপে রাখতে পারছি না নবনীতা চৌধুরীর কাছ থেকে খবরটা পাওয়ার পর থেকে। এই কান্না ভালোবাসার মিতাপা, তোমাকে ভালোবাসি খুব খুউব। তোমার যাত্রা শান্তিময় হোক প্রিয়তমা মিতাপা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মিতা হকও চলে গেলেন

সুপ্রীতি ধর লিপি

মিতা হকও চলে গেলেন

সেবার নিউইয়র্কে গিয়ে মিতা হক আর মৌসুমী ভৌমিকের প্রোগ্রামে যাবার সুযোগ হয়েছিল বন্ধু সুস্মির কল্যাণে। দেশে হরহামেশাই গান শোনা হলেও বিদেশে বসে শোনার মাঝে একটা পার্থক্য তো থাকেই।

শেষবার দেখা হয়েছিল ২০১৫-১৬ তে, সেন্ট্রাল হাসপাতালে। কেমো নিচ্ছিলেন সম্ভবত। তারও আগে খালেদ খান যেদিন চলে যান, সেই ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দেখা হয়। অনবরত কথা বলে যাচ্ছিলেন।

একবার এক মন্তব্য করে যখন বেশ সমালোচনার মুখে মিতাপা, তখন প্রতিদিন কথা হতো তাঁর সাথে। তাঁর সাথে কথা বলে একটা লেখাও তখন লিখেছিলাম। ওনাকে সেই লেখা প্রিন্ট করে দিতে হয়েছিল। কী এক সরল শিশুর মতো বলেছিলেন, 'আমি ভুল কী বলেছি, অন্যায়টা কোথায় হলো!' না ওনি ভুল বলেননি, ভুল তো আমাদের মগজে!

আরও পড়ুন


চলছে হেফাজতের সভা, সিদ্ধান্ত হতে পারে মাওলানা মামুনুলের বিষয়ে

করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়া

ফিরোজায় নিঃসঙ্গ খালেদা ফোনেই অসুস্থ নেতাদের খোঁজ নিচ্ছেন

ভেস্তে গেল পরিকল্পনা, এবারও এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে অনিশ্চয়তা


নিউইয়র্কে আমার জন্য বোনাস ছিল সুস্মির বাসার ওই সন্ধ্যাটা। সারাদিন শহর চষে ঘুরে এসে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত আমি যেন এক পশলা শান্তির দেখা পেয়েছিলাম। মিতাপাও ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে নিচ্ছিল একটুখানি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোভিড পজিটিভ হলেই লম্বা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই

শওগাত আলী সাগর

কোভিড পজিটিভ হলেই লম্বা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই

ফ্লোরিডায় বসবাসরত ডা. রুমী আহমেদ জানতে চেয়েছেন- “আমাদের মুরুব্বি চিকিৎসক কেউ কি নাই যে একটু জোর গলায় বলতে পারেন কোভিড পজিটিভ হলেই সবাইকে লম্বা একটা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই? কেউ কি একথাগুলো মাইক নিয়ে একটু বলবেন কভিডে মোনাস, ফেক্সো, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি, সি, এজিথ্রোমাইসিবি/ ডক্সিসাইক্লিন, স্ক্যাবো, আভিগান, ক্ল্যাকসেন, রিভোকসিরিবান ইত্যাদি ঔষধগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই? এর মধ্যে কিছু কিছু ঔষধ বেশ ক্ষতিকর ও হতে পারে? হাসপাতালে ভর্তি রুগী ছাড়া ক্ল্যাকসেন অপ্রয়োজনীয় ও রিস্কি? ”

আমাদের চিকিৎসকরা ডা. রুমীর এই প্রশ্নের কোনো উত্তর দেবেন কিনা জানিনা। তবে ঢাকার মিডিয়া এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এইা প্রশ্নগুলো নিয়ে মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচনা হওয়া দরকার।

ডা. রুমীর পুরো স্ট্যাটাসটা এখানে তুলে দিলাম।

“বাংলাদেশে কি এখন বেশ কয়েকটা ফিল্ড হাসপাতাল খোলার সময় হয় নি? যেভাবে খোলা হয়েছিল বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে গত বছর! এই হাসপাতাল গুলোতে দরকার খালি চারটা জিনিস - মাথার উপর ছাদ, জনপ্রতি একটা বিছানা, পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপ্লাই আর প্রেডনিসোলোন ট্যাবলেট!

বাংলাদেশ সরকারের একটা কোভিড টাস্ক ফোর্স আছে - ওঁরা কি এখন ও বিদ্যমান আছেন? ওখান থেকে একটা নির্দেশনা কি আসতে পারেনা যে কোভিড টেস্ট পজিটিভ হলেই মুড়িমুড়কির মতো সিটি স্ক্যান চেষ্ট, সিআরপি, ফেরিটিন, ডিডাইমার ইত্যাদি ব্লাড টেস্ট করার কোনো দরকার নাই?

কে বলবেন কোভিড নেগেটিভ হলো কিনা দেখার জন্য টেস্ট করে টেস্ট কিট নষ্ট করার দরকার নাই!

আমাদের মুরুব্বি চিকিৎসক কেউ কি নাই যে একটু জোর গলায় বলতে পারেন কোভিড পজিটিভ হলেই সবাইকে লম্বা একটা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই? কেউ কি একথাগুলো মাইক নিয়ে একটু বলবেন কভিডে মোনাস, ফেক্সো, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি, সি, এজিথ্রোমাইসিবি/ ডক্সিসাইক্লিন, স্ক্যাবো, আভিগান, ক্ল্যাকসেন, রিভোকসিরিবান ইত্যাদি ঔষধগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই? এর মধ্যে কিছু কিছু ঔষধ বেশ ক্ষতিকর ও হতে পারে? হাসপাতালে ভর্তি রুগী ছাড়া ক্ল্যাকসেন অপ্রয়োজনীয় ও রিস্কি?

আমাদের কি এই পাবলিক হেলথ সার্ভিসটা দেয়ার একজন ও লোক নেই যে বলতে পারবেন যে কোভিড এ একটি ঔষধ ই প্রয়োজন হয় এবং তা কাজ করে রুগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৪ % এর নিচে নেমে গেলে! এর আগে না এবং এই ঔষধটি হচ্ছে প্রেডনিসোলোন বা ডেক্সামেথাসোন। এর বাইরে আর কোন কার্যকরী ঔষধ নেই! বাকি লম্বা ঔষধের ফর্দ লিখে আপনার শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতি করা হচ্ছে!

প্রশ্ন করার কি কেউ নেই - কোন বিবেকে যুক্তিতে টেস্ট ইত্যাদি না করে রুগিকে এলটিপ্লেজ নামের ভয়ঙ্কর রিস্কি ওষুধ দেয়া হয়? মেরোপেনেম টাইপের এন্টিবায়োটিক আমাদের লাষ্ট রিসোর্ট - লাস্ট এন্টিবায়োটিক! আর সব এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হয়ে গেলে খুব সিলেকটিভ কেইসে এটা ইউজ করার কথা| এটার রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ হয়ে গেলে রেজিস্ট্যান্স ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমাদের হাতে আর কোন অস্ত্র থাকবে না! রুগী হাসপাতালে ভর্তি হতে না হতেই কেন গণহারে মেরোপেনেম শুরু করে দিতে হবে? টোসিলিজুম্যাব দামি ঔষধ - খুব সিলেক্ট কেইসে এক ডোজ বা খুব বেশি হলে দুডোজ দেয়া যায় অল্প কিছু রুগীকে, কিন্তু ডেইলি টোসিলিজুম্যাব- এই বিজ্ঞান টার আবিষ্কার কোথায় কবে হলো?


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


Esbriet আর ofev - এই দুটো নুতন ঔষধ - একটা বিশেষ টাইপের লাঙ ফাইব্রোসিস এর পেশেন্ট এর জন্য! আমরা ছমাস ধরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং এটা নিশ্চিত করে যে এটা অন্য কিছু না বা অন্য ধরণের ফাইব্রোসিস না - আমরা এ ঔষুধ টা শুরু করি! শুরু করার পর প্রতি দু সপ্তাহ পর পর রক্ত পরীক্ষা করি অন্তত দুবছর - কারণ এই ঔষধ এ লিভার ড্যামেজ হতে পারে! আমি এখন দেখছি অনেক রুগীকে ক্যাজুয়ালি এই ঔষধ টা প্রেস্ক্রাইব করা হচ্ছে কোভিড ডায়াগনোসিস হলেই!

একথা বলার কি কেউ নেই কভিডের ৯০% এর বেশি রুগীর কোন সিমটম হবে না ও কোন ঔষধ লাগবে না?

কে বলবেন কোভিড প্রতিরোধে শুধু লাগবে ডাবল মাস্ক পড়া নাক মুখ ঢেকে আর ইনডোর গ্যাদারিং পরিহার করা?

প্রতিদিনই একজন দুজন করে পরিচিত মানুষ মারা যাচ্ছেন!”

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

মিতা হক, আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, আজ সকালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

মিতা হক একবার বাংলা সংস্কৃতি বাদ দিয়ে মেয়েদের আরবীয় বোরখা সংস্কৃতি গ্রহণ করার সমালোচনা করেছিলেন, সে কারণে তাকে কম নিগ্রহ হতে হয়নি! 

লোকে তাঁকে ''তসলিমা নাসরিন'' বলে গালি দিত। বাংলাদেশের জিহাদি এবং প্রো-জিহাদি সমাজে তসলিমা নাসরিন একটি গালির নাম।

এসবকে মূল্য দেননি মিতা হক। তিনি ফেসবুকে আমার বন্ধু হয়েছিলেন। আমার লেখা পড়তেন, পছন্দ করতেন, এবং আমার শুভকামনা করতেন।


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

নিউইয়র্ককে টপকে এখন বিলিয়নিয়ারদের শহর বেইজিং

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


কতবার ভেবেছি তাঁকে ইনবক্সে জানাবো, কতটা শ্রদ্ধা করি তাঁকে, কতটা ভালোবাসি তাঁকে। জানানো হয়নি। আমাদের অনেক জরুরি কাজে বড্ড দেরি হয়ে যায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রমাণ হয়ে গেছে, বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম

রাখী নাহিদ

প্রমাণ হয়ে গেছে,  বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম

রাখী নাহিদ

একটা ইজি ক্যাল্কুলেশন বোঝাই।

একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ স্যার ছাড়া এ জীবনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন লেখক, লেখালেখি করে বড়লোক হতে পারেননি। স্যারও সেই অর্থে ধনাঢ্য বড়লোক হননি। মোটামুটি বড়লোক হয়েছিলেন।

আমার প্রথম বই বিক্রি হয়েছিলো (আমার জানা মতে) দুই এডিশন। আমি রয়্যালটি কত পেয়েছিলাম জানেন? ২৬ হাজার টাকা মাত্র। 

দেশে আমার ড্রাইভার-এর মাসিক বেতন ২০ হাজার টাকা। আর বইমেলা যাওয়া আসা, শাড়ি গয়না, মোড়ক উন্মোচন ভুংভাং সব মিলিয়ে আমার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। 

অথচ আমি নিউ ইয়র্কে এসে মাত্র তিন দিন পিজা বানিয়ে পারিশ্রমিক পাই ২৬ হাজার এর বেশি। এইসব ক্যাল্কুলেশন এর মধ্যে দিয়ে আমাদের দেশের সব লেখককে যেতে হয়। তাই মানুষ লেখালেখি বাদ দিয়ে অন্য কাজ করে। 

যেমন আমার এবার লেখকদের স্বপ্নের প্রকাশনী অন্য প্রকাশে উপন্যাস দেবার কথা ছিল। আমি হিসাব করে বের করেছি তার থেকে পিজা বিক্রি করা সহজ ও লাভজনক তাই প্রায় সমাপ্ত উপন্যাসটাও আর শেষ করিনি।

জলি আপার ঠ্যালা খেয়ে কবিতার বই একটা পাণ্ডুলিপি দিলাম।অতীতের অভিজ্ঞতার কারনেই আমার নিজের কোন ব্যাবসায়ী একপেক্টেশন এই বই থেকে নাই। শুধু জলি আপার লস না হলেই আমি খুশী। 

জানি দেশে লক ডাউন। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ এর মনে আরো বেশি লকডাউন।


মিলল মাওলানা মামুনুলের আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য, হতভম্ব গোয়েন্দারা

প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


এইবার তো অল্পকিছুদিনের জন্য এসেছিলাম। এরপরে একেবারে লোটাকম্বল নিয়ে দেশত্যাগ করব। 

কারণ শিল্প সাহিত্য চর্চা করে জীবিকা নির্বাহের দেশ বাংলাদেশ না।

উদাহরণ সহ প্রমাণ হয়ে গেছে যে, দেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম...!!

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর