পুরুষ দলের চেয়ে এই নারীরা অনেক বেশি সম্মান এনে দেবে

শরিফুল হাসান

পুরুষ দলের চেয়ে এই নারীরা অনেক বেশি সম্মান এনে দেবে

দিনটা ছিল ৫ ফেব্রুয়ারি। সালটা ২০১৬। সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারি সাফ গেমসে স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার দেশে ফিরেছেন কিন্তু কেউ তাকে একটা ফুল দিয়েও স্বাগত জানাতে যায়নি। সেই মাবিয়া যে কী না সাফ গেমসে ভারউত্তোলনে বাংলাদেশে স্বর্ণ এনে দিয়েছিলেন। 

এরপর জাতীয় সঙ্গীতের সময় যার কান্না ছুয়েছিল পুরো বাংলাদেশকে। ইউটিউবে গিয়ে ভিডিওটা দেখতে পারেন। এখনো দেখলে আমার কান্না পায়। আর সেই মাবিয়াকে এমন অবহেলা! 

ভীষণ আফসোস ও কষ্ট লেগেছিল। যে মেয়েটি আমাদের দেশের জন্য এতো সম্মান এনে দিল, জাতীয় সঙ্গীতের সুরে যে মেয়েটি কেঁদে পুরো দেশকে কাঁদালো, আমরা তাকে এটুকু সম্মান জানাতে পারবো না? 

সেদিন জেদ চেপে গিয়েছিল। ঠিক করে রেখেছিলাম আর কেউ না হোক আমি একাই ওকে সম্মান জানাব। মেয়েটার নম্বর জোগাড় করে তাকে প্রথম আলো অফিসে নিয়ে এসেছিলাম। সম্পাদক মতি ভাই থেকে শুরু করে বার্তাকক্ষে সবাই সেদিন তাকে করতালি দিয়ে সম্মান জানিয়েছে। আমরা ফুল দিয়ে পুরস্কার দিয়ে নানাভাবে মেয়েটা পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। 

এর কয়েকদিন পর আমি মাবিয়াদের বাড়িতে যাই। ঢাকার আরেক প্রান্ত খিলগাঁয়ের সিপাহীবাগের ঝিলপাড়ের বস্তির কাছের একটি টিনের বাসায় থাকে মাবিয়ারা। একেবারে আক্ষেরিক অর্থেই বস্তি। 

মাবিয়ার বাবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। তাদের সংসার চলছিল কোনও মতে। সেখান থেকে মাবিয়া জীবনের লড়াই জিতে এতোদূর এসেছে। কারণ মাবিয়াদের মধ্যে আছে অদম্য শক্তি। 

আজকের দিনে কথাগুলো আবার বলিছ কারণ, বাংলাদেশের মেয়েরা টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে আইসিসি। বাংলাদেশের যে মেয়েরা জাতীয় ক্রিকেট বা ফুটবল দলে খেলে তাদের জীবনের গল্পগুলো মাবিয়ার মতোই। নানা সংগ্রাম প্রতিকূলতার মধ্যেই তারা এগিয়েছে। রুমানা, সালমা, আয়েশা, জাহানারা, খাদিজা প্রত্যেকের গল্পগুলো সাহসের। লড়াইয়ের। আমি মনে করি বাংলাদেশের পুরুষ দলের চেয়ে এই নারীরা অনেক বেশি সম্মান এনে দেবে। 

শুধু ক্রিকেট নয়, বাংলাদেশের কিশোরি মেয়েরা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে গেছে ফুটবলেও। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দলের মেয়েরা হংকংকে হারিয়ে আন্তর্জাতিক যুব ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল জিতেছে ৬-০ গোলে। অথচ এই মেয়েদের লড়াইয়ের গল্পগুলো ‍শুনলে বোঝা যায় কী অদম্য লড়াইটা তারা করেছে। 


হেফাজতের বিক্ষোভ, পুলিশের রাবার বুলেট-লাঠিচার্জ, আহত ১৫

নৌ পথে আগের মতোই গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন, অথচ ভাড়া বৃদ্ধি

ভ্যানে চাকায় ওড়না পেচিয়ে স্কুলছাত্রীর করুণ মৃত্যু

দেশে করোনা শনাক্তে ফের রেকর্ড


ময়মনসিংহের কলসন্দিুররে ফুটবলার সাবিনা তো জ্বরেই মারা গেল। কৃষ্ণা, সানজিদা, তহুরা, মারিয়া, অনুচিং, আনাই, শামসুন নাহারসহ সবার গল্পই কম বেশি এমন। 

আজ সকাল থেকে মন খারাপ এয়ারপোর্টের আট মাসের মেয়ে শিশুটার জন্য। কতোটা অসহায় হলে বাংলাদেশের একটা মেয়ে বিদেশে যায়, কতোটা অসহায় হলে আট মাসের সন্তানকে এয়ারপোর্টে ফেলে যায়। দেশে ফেরার পর এই মেয়েগুলোর টিকে থাকার লড়াই যে কী ভয়ঙ্কর!

শুধু বিদেশ ফেরত বলছি কেন, দেশেই তো নিয়মিতভাবে নারী নিপীড়ন বা ধর্ষনের ঘটনা নিয়মিত ঘটে। এই যে দারিদ্র, ধর্মীয়-সামাজিক অবস্থা এতো কিছুর মধ্যেও  আমাদের মেয়েরা যেভাবে লড়াই করে সেটা অসাধারণ! 

আমি সবসময় বলি আমাদের মেয়েদের সহযোগিতা করার দরকার নেই, শুধু যদি আমরা প্রতিবন্ধকতা না তৈরি করতাম, তাহলেই মেয়েরা বিশ্বজয় করতো। শুভ কামনা নারী ক্রিকেট দলের জন্য। শুভ কামনা সব মেয়েদের জন্য। সব মায়েদের জন্য। ভালো থাকুক প্রতিটা মেয়ে। প্রতিটা মানুষ। ভালো থাকুক বাংলাদেশ।

শরিফুল হাসান, উন্নয়ন কর্মী

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু

মাসুদা ভাট্টি

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু

ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু -- মিতা হক সেই যে মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তার অমরতা মেশানো গায়কিতে আর ভুলিনি কখনও।

এদেশে রবীন্দ্রসংগীতকে অন্য মাত্রা দেয়াই কেবল নয় দেশের সকল অনাসৃষ্টির বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষের তালিকায় মিতা হক ছিলেন সংশপ্তক হয়ে।

সেই মিতা হক চলে গেলেন এই ভোরে, আমাদের বেঁচে থাকাকে আরো ভারি করে দিয়ে। আমি হলপ করে বলতে পারি এদেশের অনেক মানুষই মিতা হককে ভাবতেন এইতো আমাদের মিতা, আমার মিতা, যখন-তখন ফোনটি তুলে বলা যায়-- মিতা আপা শোনো না, বলোতো কী করা যায়? এই ভয়ংকর ভোর আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে চলে গেলে মিতাপা?


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


এই কষ্টের দিন, এই অসম্ভব কষ্টের কালে মিতা আপা তুমি স্মরিত হবে গানে এবং প্রতিবাদে। আমি কান্নাটা চেপে রাখতে পারছি না নবনীতা চৌধুরীর কাছ থেকে খবরটা পাওয়ার পর থেকে। এই কান্না ভালোবাসার মিতাপা, তোমাকে ভালোবাসি খুব খুউব। তোমার যাত্রা শান্তিময় হোক প্রিয়তমা মিতাপা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মিতা হকও চলে গেলেন

সুপ্রীতি ধর লিপি

মিতা হকও চলে গেলেন

সেবার নিউইয়র্কে গিয়ে মিতা হক আর মৌসুমী ভৌমিকের প্রোগ্রামে যাবার সুযোগ হয়েছিল বন্ধু সুস্মির কল্যাণে। দেশে হরহামেশাই গান শোনা হলেও বিদেশে বসে শোনার মাঝে একটা পার্থক্য তো থাকেই।

শেষবার দেখা হয়েছিল ২০১৫-১৬ তে, সেন্ট্রাল হাসপাতালে। কেমো নিচ্ছিলেন সম্ভবত। তারও আগে খালেদ খান যেদিন চলে যান, সেই ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দেখা হয়। অনবরত কথা বলে যাচ্ছিলেন।

একবার এক মন্তব্য করে যখন বেশ সমালোচনার মুখে মিতাপা, তখন প্রতিদিন কথা হতো তাঁর সাথে। তাঁর সাথে কথা বলে একটা লেখাও তখন লিখেছিলাম। ওনাকে সেই লেখা প্রিন্ট করে দিতে হয়েছিল। কী এক সরল শিশুর মতো বলেছিলেন, 'আমি ভুল কী বলেছি, অন্যায়টা কোথায় হলো!' না ওনি ভুল বলেননি, ভুল তো আমাদের মগজে!

আরও পড়ুন


চলছে হেফাজতের সভা, সিদ্ধান্ত হতে পারে মাওলানা মামুনুলের বিষয়ে

করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়া

ফিরোজায় নিঃসঙ্গ খালেদা ফোনেই অসুস্থ নেতাদের খোঁজ নিচ্ছেন

ভেস্তে গেল পরিকল্পনা, এবারও এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে অনিশ্চয়তা


নিউইয়র্কে আমার জন্য বোনাস ছিল সুস্মির বাসার ওই সন্ধ্যাটা। সারাদিন শহর চষে ঘুরে এসে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত আমি যেন এক পশলা শান্তির দেখা পেয়েছিলাম। মিতাপাও ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে নিচ্ছিল একটুখানি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোভিড পজিটিভ হলেই লম্বা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই

শওগাত আলী সাগর

কোভিড পজিটিভ হলেই লম্বা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই

ফ্লোরিডায় বসবাসরত ডা. রুমী আহমেদ জানতে চেয়েছেন- “আমাদের মুরুব্বি চিকিৎসক কেউ কি নাই যে একটু জোর গলায় বলতে পারেন কোভিড পজিটিভ হলেই সবাইকে লম্বা একটা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই? কেউ কি একথাগুলো মাইক নিয়ে একটু বলবেন কভিডে মোনাস, ফেক্সো, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি, সি, এজিথ্রোমাইসিবি/ ডক্সিসাইক্লিন, স্ক্যাবো, আভিগান, ক্ল্যাকসেন, রিভোকসিরিবান ইত্যাদি ঔষধগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই? এর মধ্যে কিছু কিছু ঔষধ বেশ ক্ষতিকর ও হতে পারে? হাসপাতালে ভর্তি রুগী ছাড়া ক্ল্যাকসেন অপ্রয়োজনীয় ও রিস্কি? ”

আমাদের চিকিৎসকরা ডা. রুমীর এই প্রশ্নের কোনো উত্তর দেবেন কিনা জানিনা। তবে ঢাকার মিডিয়া এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এইা প্রশ্নগুলো নিয়ে মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচনা হওয়া দরকার।

ডা. রুমীর পুরো স্ট্যাটাসটা এখানে তুলে দিলাম।

“বাংলাদেশে কি এখন বেশ কয়েকটা ফিল্ড হাসপাতাল খোলার সময় হয় নি? যেভাবে খোলা হয়েছিল বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে গত বছর! এই হাসপাতাল গুলোতে দরকার খালি চারটা জিনিস - মাথার উপর ছাদ, জনপ্রতি একটা বিছানা, পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপ্লাই আর প্রেডনিসোলোন ট্যাবলেট!

বাংলাদেশ সরকারের একটা কোভিড টাস্ক ফোর্স আছে - ওঁরা কি এখন ও বিদ্যমান আছেন? ওখান থেকে একটা নির্দেশনা কি আসতে পারেনা যে কোভিড টেস্ট পজিটিভ হলেই মুড়িমুড়কির মতো সিটি স্ক্যান চেষ্ট, সিআরপি, ফেরিটিন, ডিডাইমার ইত্যাদি ব্লাড টেস্ট করার কোনো দরকার নাই?

কে বলবেন কোভিড নেগেটিভ হলো কিনা দেখার জন্য টেস্ট করে টেস্ট কিট নষ্ট করার দরকার নাই!

আমাদের মুরুব্বি চিকিৎসক কেউ কি নাই যে একটু জোর গলায় বলতে পারেন কোভিড পজিটিভ হলেই সবাইকে লম্বা একটা ঔষুধের ফর্দ লিখে দেবার দরকার নাই? কেউ কি একথাগুলো মাইক নিয়ে একটু বলবেন কভিডে মোনাস, ফেক্সো, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি, সি, এজিথ্রোমাইসিবি/ ডক্সিসাইক্লিন, স্ক্যাবো, আভিগান, ক্ল্যাকসেন, রিভোকসিরিবান ইত্যাদি ঔষধগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই? এর মধ্যে কিছু কিছু ঔষধ বেশ ক্ষতিকর ও হতে পারে? হাসপাতালে ভর্তি রুগী ছাড়া ক্ল্যাকসেন অপ্রয়োজনীয় ও রিস্কি?

আমাদের কি এই পাবলিক হেলথ সার্ভিসটা দেয়ার একজন ও লোক নেই যে বলতে পারবেন যে কোভিড এ একটি ঔষধ ই প্রয়োজন হয় এবং তা কাজ করে রুগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৪ % এর নিচে নেমে গেলে! এর আগে না এবং এই ঔষধটি হচ্ছে প্রেডনিসোলোন বা ডেক্সামেথাসোন। এর বাইরে আর কোন কার্যকরী ঔষধ নেই! বাকি লম্বা ঔষধের ফর্দ লিখে আপনার শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতি করা হচ্ছে!

প্রশ্ন করার কি কেউ নেই - কোন বিবেকে যুক্তিতে টেস্ট ইত্যাদি না করে রুগিকে এলটিপ্লেজ নামের ভয়ঙ্কর রিস্কি ওষুধ দেয়া হয়? মেরোপেনেম টাইপের এন্টিবায়োটিক আমাদের লাষ্ট রিসোর্ট - লাস্ট এন্টিবায়োটিক! আর সব এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হয়ে গেলে খুব সিলেকটিভ কেইসে এটা ইউজ করার কথা| এটার রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ হয়ে গেলে রেজিস্ট্যান্স ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমাদের হাতে আর কোন অস্ত্র থাকবে না! রুগী হাসপাতালে ভর্তি হতে না হতেই কেন গণহারে মেরোপেনেম শুরু করে দিতে হবে? টোসিলিজুম্যাব দামি ঔষধ - খুব সিলেক্ট কেইসে এক ডোজ বা খুব বেশি হলে দুডোজ দেয়া যায় অল্প কিছু রুগীকে, কিন্তু ডেইলি টোসিলিজুম্যাব- এই বিজ্ঞান টার আবিষ্কার কোথায় কবে হলো?


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


Esbriet আর ofev - এই দুটো নুতন ঔষধ - একটা বিশেষ টাইপের লাঙ ফাইব্রোসিস এর পেশেন্ট এর জন্য! আমরা ছমাস ধরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং এটা নিশ্চিত করে যে এটা অন্য কিছু না বা অন্য ধরণের ফাইব্রোসিস না - আমরা এ ঔষুধ টা শুরু করি! শুরু করার পর প্রতি দু সপ্তাহ পর পর রক্ত পরীক্ষা করি অন্তত দুবছর - কারণ এই ঔষধ এ লিভার ড্যামেজ হতে পারে! আমি এখন দেখছি অনেক রুগীকে ক্যাজুয়ালি এই ঔষধ টা প্রেস্ক্রাইব করা হচ্ছে কোভিড ডায়াগনোসিস হলেই!

একথা বলার কি কেউ নেই কভিডের ৯০% এর বেশি রুগীর কোন সিমটম হবে না ও কোন ঔষধ লাগবে না?

কে বলবেন কোভিড প্রতিরোধে শুধু লাগবে ডাবল মাস্ক পড়া নাক মুখ ঢেকে আর ইনডোর গ্যাদারিং পরিহার করা?

প্রতিদিনই একজন দুজন করে পরিচিত মানুষ মারা যাচ্ছেন!”

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

মিতা হক, আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, আজ সকালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

মিতা হক একবার বাংলা সংস্কৃতি বাদ দিয়ে মেয়েদের আরবীয় বোরখা সংস্কৃতি গ্রহণ করার সমালোচনা করেছিলেন, সে কারণে তাকে কম নিগ্রহ হতে হয়নি! 

লোকে তাঁকে ''তসলিমা নাসরিন'' বলে গালি দিত। বাংলাদেশের জিহাদি এবং প্রো-জিহাদি সমাজে তসলিমা নাসরিন একটি গালির নাম।

এসবকে মূল্য দেননি মিতা হক। তিনি ফেসবুকে আমার বন্ধু হয়েছিলেন। আমার লেখা পড়তেন, পছন্দ করতেন, এবং আমার শুভকামনা করতেন।


আরও পড়ুনঃ


সন্তানদের লড়াই করা শেখান

নিউইয়র্ককে টপকে এখন বিলিয়নিয়ারদের শহর বেইজিং

শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা


কতবার ভেবেছি তাঁকে ইনবক্সে জানাবো, কতটা শ্রদ্ধা করি তাঁকে, কতটা ভালোবাসি তাঁকে। জানানো হয়নি। আমাদের অনেক জরুরি কাজে বড্ড দেরি হয়ে যায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রমাণ হয়ে গেছে, বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম

রাখী নাহিদ

প্রমাণ হয়ে গেছে,  বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম

রাখী নাহিদ

একটা ইজি ক্যাল্কুলেশন বোঝাই।

একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ স্যার ছাড়া এ জীবনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন লেখক, লেখালেখি করে বড়লোক হতে পারেননি। স্যারও সেই অর্থে ধনাঢ্য বড়লোক হননি। মোটামুটি বড়লোক হয়েছিলেন।

আমার প্রথম বই বিক্রি হয়েছিলো (আমার জানা মতে) দুই এডিশন। আমি রয়্যালটি কত পেয়েছিলাম জানেন? ২৬ হাজার টাকা মাত্র। 

দেশে আমার ড্রাইভার-এর মাসিক বেতন ২০ হাজার টাকা। আর বইমেলা যাওয়া আসা, শাড়ি গয়না, মোড়ক উন্মোচন ভুংভাং সব মিলিয়ে আমার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। 

অথচ আমি নিউ ইয়র্কে এসে মাত্র তিন দিন পিজা বানিয়ে পারিশ্রমিক পাই ২৬ হাজার এর বেশি। এইসব ক্যাল্কুলেশন এর মধ্যে দিয়ে আমাদের দেশের সব লেখককে যেতে হয়। তাই মানুষ লেখালেখি বাদ দিয়ে অন্য কাজ করে। 

যেমন আমার এবার লেখকদের স্বপ্নের প্রকাশনী অন্য প্রকাশে উপন্যাস দেবার কথা ছিল। আমি হিসাব করে বের করেছি তার থেকে পিজা বিক্রি করা সহজ ও লাভজনক তাই প্রায় সমাপ্ত উপন্যাসটাও আর শেষ করিনি।

জলি আপার ঠ্যালা খেয়ে কবিতার বই একটা পাণ্ডুলিপি দিলাম।অতীতের অভিজ্ঞতার কারনেই আমার নিজের কোন ব্যাবসায়ী একপেক্টেশন এই বই থেকে নাই। শুধু জলি আপার লস না হলেই আমি খুশী। 

জানি দেশে লক ডাউন। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ এর মনে আরো বেশি লকডাউন।


মিলল মাওলানা মামুনুলের আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য, হতভম্ব গোয়েন্দারা

প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


এইবার তো অল্পকিছুদিনের জন্য এসেছিলাম। এরপরে একেবারে লোটাকম্বল নিয়ে দেশত্যাগ করব। 

কারণ শিল্প সাহিত্য চর্চা করে জীবিকা নির্বাহের দেশ বাংলাদেশ না।

উদাহরণ সহ প্রমাণ হয়ে গেছে যে, দেশে সাহিত্যচর্চা হইতে বৈদেশে পিজা বানানো উত্তম...!!

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর