চট্টগ্রামে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫১৮

আজ শুক্রবার চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত ৫১৮ জনের। এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৪০ হাজার ৮০১ জন। সংক্রমণ হুহু করে বাড়ায় রোগিতে ঠাসা হাসপাতালগুলোও। প্রশাসনের সবশেষ সিদ্ধান্ত সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে ফার্মেসী ও কাচাবাজার ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকবে।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মানুষের জটলা ভেঙ্গে দেয় পুলিশ। বন্ধ করে দেয়া হয় দোকানপাট।

এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা চান এর কার্যবকর বাস্তবায়ন।

এর আগে চট্টগ্রামে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মসূচি স্থগিত করা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি সীমিত এবং ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল জেলা প্রশাসন।


হেফাজতের বিক্ষোভ, পুলিশের রাবার বুলেট-লাঠিচার্জ, আহত ১৫

নৌ পথে আগের মতোই গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন, অথচ ভাড়া বৃদ্ধি

ভ্যানে চাকায় ওড়না পেচিয়ে স্কুলছাত্রীর করুণ মৃত্যু

দেশে করোনা শনাক্তে ফের রেকর্ড


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শত্রুতা করে রাতে কেটে দেয়া হলো ১৮০ আমগাছের চারা

অনলাইন ডেস্ক

শত্রুতা করে রাতে কেটে দেয়া হলো ১৮০ আমগাছের চারা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শত্রুতা করে রাতের অন্ধকারে ১৮০টি আমগাছের চারা কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বাগান মালিক ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, অনেক কষ্ট করে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে গেল সোমবার আম্রপালি ও আশ্বিনাসহ বিভিন্ন জাতের ২০০ আমগাছের চারা রোপণ করেছিলাম। মঙ্গলবার সকালে বাগানে গিয়ে দেখি চারাগুলো জমিতে পড়ে রয়েছে। কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে। অনেক কষ্ট করে গাছগুলো লাগিয়েছিলাম।

আরও পড়ুন


সেমিতে ম্যানচেস্টার সিটি, প্রতিপক্ষ নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে রিয়াল, লিভারপুলের বিদায়

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পরে করোনা আক্রান্ত সাংসদ বাদশা

বাঘের হামলায় মৃত্যুর গুজবের পর বাড়ি ফিরলেন সিরাজুল


ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, পার্বতীপুর ইউনিয়নের রাহোগ্ৰামের শামসুদ্দিনের ছেলে কামরুজ্জামান চারাগুলো কেটে দিয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

আমের চারা কেটে ফেলার বিষয়ে জানতে চাইলে পার্বতীপুর ইউনিয়ন বিট পুলিশিং অফিসার সাখাওয়াত হোসেন জানান, এখনও কোন অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাঘের হামলায় মৃত্যুর গুজবের পর বাড়ি ফিরলেন সিরাজুল

অনলাইন ডেস্ক

বাঘের হামলায় মৃত্যুর গুজবের পর বাড়ি ফিরলেন সিরাজুল

বাঘের হামলায় মৃত্যু হয়েছে এমন গুজবের পর জীবিত বাড়ি ফিরেছেন খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের মৌয়াল সিরাজুল ইসলাম সরদার। গত মঙ্গলবার সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুর খবর দ্রুতই বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

কিন্তু বুধবার (১৪ এপ্রিল) সিরাজুল বনবিভাগে উপস্থিত হলে সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যুর খবর পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে এমন খবর শুনে তাড়াতাড়ি গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন সিরাজুল।

মৌয়াল সিরাজুল সরদার ফিরে এসেছে শুনে তার কাছের ও দূরের আত্মীয় স্বজনরাও ভিড় জমিয়েছেন বাড়িতে। গ্রামের মানুষ ছাড়াও আশপাশের মানুষও কৌতুহল মেটাতে দল বেঁধে উপস্থিত হচ্ছেন তার বাড়িতে।

সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সেলিনা খাতুন বলেন, রোববার তারা খবর পান তাদের বাবার নৌকায় বাঘের হামলা হয়েছে। খালেক নামে গ্রামের এক ব্যক্তি এ খবর ছড়ায়। খালেকের বাবাও মধু সংগ্রহে সুন্দরবনে গেছে। যে কারণে খবরটির গুরুত্ব দেয় স্থানীয় মানুষ। এ খবর বনবিভাগকে জানালে তারা সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠায়।

আরও পড়ুন


র‌্যাঙ্কিংয়ে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে এক নম্বরে বাবর আজম

ইরাকের মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা, শক্তিশালী বিস্ফোরণ

সতীর্থকে দিয়ে চুল কাটাচ্ছেন সাকিব, ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

তারাবির নামাজ ৮ রাকাত না ২০ রাকাত?


স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল গফফার ঢালী বলেন, মানুষ গুজব ছড়িয়ে একটি পরিবারকে কোথায় নিতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ সিরাজ সরদারের পরিবারটি। গত কয়েকদিন ধরে তার স্ত্রী ছেলে মেয়েদের কান্নাকাটিতে এলাকার আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠেছিল। বাবার মৃত্যুর খবর শুনে তার লাশ উদ্ধারের জন্য মানুষের কাছে ধর্না দিয়েছিল তারা। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

সুন্দরবনের কোবাদক ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, বাঘের হামলায় মৌয়াল সিরাজ সরদারের মৃত্যুর খবরে সংবাদপত্রে আমার উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। যা আদৌ সঠিক নয়। তবে এ কয়েকদিনের গুজবে অনেককেই হয়রানি হতে হয়েছে। এ ধরনের গুজব রটানাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্রীজ আছে : নেই সংযোগ সড়ক

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ:

ব্রীজ আছে : নেই সংযোগ সড়ক

নওগাঁর আত্রাইয়ের রতন ডারা খালের উপর দাঁড়িয়ে আছে সংযোগ সড়কবিহীন একটি ব্রীজ। ব্রীজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের চাটার সাঁকোর উপর দিয়ে পারাপার হতে হয় এলাকাবাসীকে। ব্রীজটি পারাপার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় হাজারো মানুষের। বছরের পর বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলেও যেন দেখার কেউ নেই।

জানা যায়, উপজেলার সাহাগোলা ইউনিয়নের তারাটিয়া ছোটডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন রতন ডারা খালের উপর চার বছর পূর্বে নির্মাণ করা হয় একটি ব্রীজ। নির্মাণের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রীজটির উভয় পার্শ্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। 

স্থানীয়রা খালের উপর ব্রীজটিতে সংযোগ সড়ক হিসেবে বাঁশের চাটার সাঁকো বানিয়ে এর উপর দিয়ে পারাপার হয়। সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি পারাপারে উচলী কাশিমপুর, পার-কৃষ্টপুর, ঝনঝনিয়া, কালিগ্রাম, সুবর্ণকুন্ড, তারটিয়া, মির্জাপুর, মাগুড়াপাড়া, হাতিয়াপাড়া, চাপড়া, তারাটিয়া, ছোটডাঙ্গা, বড়ডাঙ্গা, কয়সাসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় পারাপার হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে সাইকেল, মোটরসাইকেল ও মাল বোঝাই ভ্যান গাড়ী ঠেলা দিয়ে পার করতে হয়। সংযোগ সড়কবিহীন সরু এই ব্রীজটি পারাপারে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। 

ভবানীপুর জিএস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ব্রীজটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি দিয়ে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের চলাচল করা খুবই কষ্টসাধ্য। দ্রুত ব্রীজটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা প্রয়োজন। 

সাহাগোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করবেন এমটিই প্রত্যাশা করেন তিনি। 

জেলা জেলা নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুল আলম বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটির উভয় পাশে সংযোগ রাস্তার জন্য আবেদন উপর মহলে পাঠিয়েছি। সেটি অনুমোদন দিয়ে অর্থ বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু করা হবে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে খদ্দর প্রবেশ নিষেধ

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে খদ্দর প্রবেশ নিষেধ

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে দেশের সর্ববৃহৎ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে সর্বসাধারণের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

দেশের বড় এই যৌনপল্লিতে সরকার ঘোষিত ৭ দিনের এই লকডাউনে খদ্দররা যাতায়াত করতে পারবে না বলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


সৌদি-সিঙ্গাপুর-কাতার-ওমান-আরব আমিরাতের জন্য বিশেষ ফ্লাইট

শরিফউল্লাহ রিমান্ডে

করোনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার লকডাউনের নামে চালাচ্ছে শাটডাউন: ফখরুল

আব্দুল মতিন খসরু লাইফ সাপোর্টে

কিন্তু লকডাউনের ঘোষণা আসলেও যৌনকর্মীদের ত্রাণ সহযোগিতার কোনো ঘোষণা শোনা যায়নি।

গত বছর লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যৌনকর্মীদের জন্য এসেছিল সহযোগিতা। এ পল্লিতে সরকারি হিসেবে ১৬০০ ও বেসরকারি হিসেবে পাঁচ হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন। তাদের ছেলেমেয়ে এবং পল্লিতে ঘরের মালিক ও দালালসহ আরো চার শ জন বসবাস করে থাকেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, সরকার থেকে আমাদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে আমরা তা বাস্তবায়ন করব এবং পল্লির ভেতরে এর ব্যতিক্রম হবে না।

তিনি জানান, যৌনপল্লির বাসিন্দারা জরুরি প্রয়োজনে প্রধান ফটক দিয়ে বাইরে যেতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন মিটিয়ে তাকে ফিরতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কঠোর লকডাউনে নিরব শহর

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

কঠোর লকডাউনে নিরব শহর

অতি পরিচিত শহর আজ অনেক অপরিচিত। শহরে এক চাপাঁ নিরবতা বিরাজ করছে। নতুন করে সরকারঘোষিত আটদিনের বিধি-নিষেধের প্রথমদিনে ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বত্র কঠোরভাবেই ‘লকডাউন’ পালিত হচ্ছে। এই বিধি-নিষেধ সর্বাত্মকভাবে পালনে বাধ্য করতে শহরের প্রধান সড়ক ও মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আজ বুধবারের (১৪ এপ্রিল) লকডাউনের প্রথম দিনে রাস্তায় মানুষ নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলেই পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে।

রাস্তায় পুলিশের টহল গাড়ি, পণ্যবাহী ট্রাক, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত সীমিত সংখ্যক যানবাহন ছাড়া তেমন যানবাহন চোখে পড়েনি। প্রায় প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে থামিয়ে কী প্রয়োজনে কোথায় যাচ্ছেন তা জানতে চাইছেন পুলিশ সদস্যরা। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হয়েছেন নিশ্চিত হলে মামলা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে।

সরেজমিনে শহরের চৌরাস্থা, বাজস্ট্যান্ড, সত্যপীরব্রীজ, আটগ্যালারী মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অধিকাংশ রাস্তাঘাট ফাকাঁ দেখা গিয়েছে। শুধু মাত্র কয়েকটি পুলিশের টহল ভ্যান ও সাইরেন বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে দেখা গেছে।

শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যারিকেড দিয়ে টহল বসিয়ে যানবাহন ও যাত্রীদের জেরা করতে দেখা গেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট কে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে। তাছাড়া রমজানের প্রথম দিন হওয়ার কারণে এমনিতেই মানুষ ঘরের বাইরে বের হননি।

শহরে কর্তব্যরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ করোনার সংক্রমণরোধে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় থাকতে দেয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিশেষ পাস ছাড়া চলাচলে বাধা দিতে বলা হয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর