রমজান সামনে রেখে বাজারে বাড়ছে কারসাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক

রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কেউ যেনো কারসাজি করতে না পারে সেজন্য এখন থেকেই মনিটরিং বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন ক্রেতারা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় এরই মধ্যে কিছু পণ্যের দাম বাড়ানোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে এই সপ্তাহে কমেছে মুরগী, সবজিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম। অন্যদিকে কদর বেড়েছে টিসিবির খোলা বাজারের পণ্যের। 

করোনার ভয় উপেক্ষা করে এভাবে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে নিত্যপণ্য কিনছে সাধারন মানুষ। বাজারের চেয়ে কিছুটা কমে পেয়ে স্বস্থিতে ক্রেতারা। টিসিবির ট্রাকে মিলছে সয়াবিন তেল, পেয়াজ, চিনি, ছোলা, তবে তা প্যাকেজ আকারে।

রাজধানীর মুদি বাজারে অবশ্য নতুন করে অস্বস্তি নেই। কিছু পণ্যের বাড়তি দাম এখনো কমেনি। আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫/১৬ টাকা কেজিতে। এর বাইরে রমজানের প্রয়োজনীয় ছোলা, বুটের ডাল, চিনির দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। স্থিতিশীল রয়েছে চিকন চালের দাম, তবে কেজিতে ২/৩ টাকা বেড়েছে মোটা চাল।

মাংসের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা আর পাকিস্তানি কক কমেছে কেজিতে ৫০ টাকা।

সবজি কিংবা মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। ক্রেতারা বলছেন, রমজান আসার আগেই লাগাম টানতে হবে নিত্যপণ্যের দামে। প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্য বিক্রির তাগিদ দিচ্ছেন ক্রেতারা।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টায় ঝুঁকছেন যশোরের চাষিরা

রিপন হোসেন, যশোর

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় যশোরে ভুট্টার আশানুরুপ উৎপাদন হয়েছে। স্বল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় অনান্য ফসলের চেয়ে ভুট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকে। বর্তমানে বাজার দর ভাল থাকায় খুশি কৃষকরা। 

ভুট্টার আবাদ প্রসারের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে। যশোরের মাটি ও আবহাওয়া ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। ধান ও অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকছে এ অঞ্চলের  কৃষকরা। 

কৃষক জানান, গেল কয়েক বছর ধরে ধান, পাট ও গম চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে তাদের। লাভের আশায় এ বছর ভুট্টার আবাদ করেছেন তারা। 


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


ভুট্টার চাষ প্রসারেরর লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার, বীজসহ সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, যশোর অঞ্চলে ৯১ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দর ভাল না হওয়ায় বিপাকে চাষীরা

বেচাকেনায় জমে উঠেছে দিনাজপুরের গাবুড়া টমেটোর বাজার

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

করোনা মহামারীর এই সময়ে বেচাকেনায় জমে উঠেছে দিনাজপুরের গাবুড়া টমেটোর বাজার। স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদাসীন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই। তবে এবার বাজার দর ভাল না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ও লকডাউনের কারণে দুর-দুরান্ত থেকে পাইকার না আসায় টমেটোর দর নিম্নমুখী। টমেটো সংরক্ষেনের জন্য এই অঞ্চলে হিমাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষক নেতারা। 

দেশের সবচেয়ে বড় টমেটোর আড়ৎ দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী গাবুড়া টমেটোর বাজার। কৃষকরা বিভিন্ন এলাকা থেকে টমেটো নিয়ে আসে এই বাজারে। প্রতিদিন ভোর থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলে বেচা কিনি। তবে করোনা মহামারীর এই সময়ে স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করেই চলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এমনকি সামাজিক দুরত্বেরও নেই কোন বালাই।

কৃষকরা জানান, গেল বছর ভরা মৌসুমে এক মন টমেটোর দাম ছিল ৪শ থেকে ৫শ টাকা। এবার সেই টমেটো বিক্রি হচ্ছে আড়াইশ থেকে ৩শ টাকা মন দরে। এতে লাভ তো দুরের কথা, লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ও লকডাউনের কারণে দুর-দুরান্ত থেকে পাইকার না আসায় টমেটোর দর নিম্নমুখী ।

টমেটো সংরক্ষনের জন্য এই অঞ্চলে একটি হিমাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষক নেতারা। 

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, দিনাজপুর জেলায় প্রতিবছর প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়। আর উৎপাদন হয় ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শিগগির আসতে পারে শপিং মল খোলার সিদ্ধান্ত !

অনলাইন ডেস্ক

শিগগির আসতে পারে শপিং মল খোলার সিদ্ধান্ত !

ফাইল ছবি

দিন দিন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা রোধে সরকারের পক্ষ থেকে দুই দফা সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বাত্মক লকডাউন আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছে। 

লকডাউনের কারণে ঈদ কেন্দ্রিক ব্যবসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার দাবি করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে দোকান মালিকদের ধৈর্য ধরতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন মনে করছেন আগামী সোমবার (২৬ এপ্রিল) থেকে দেশের সব দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়া হতে পারে।

তিনি আজ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছি। আমরা সবসময় মনেকরি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই জন্য আমরা কখনো ওনার কাছে আবেদন করে খালি হাতে ফেরত আসিনি। 

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। আমাদের চোখে মুখে শুধু বালুচর। আমাদের সব ইনভেস্টমেন্ট এখন নষ্ট হওয়ার পথে। সেই ক্ষেত্রে আমরা আশা করতেছি আগামী রোববার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটা সুসংবাদ পাব, যাতে আমরা সোমবার দোকাপাট খুলতে পারি।

দোকান ও শপিং মল খুলে দেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করবে বলে মনে করছেন হেলাল উদ্দিন।

ঈদের আগে যদি দোকানপাট ও শপিং মল খোলার সিদ্ধান্ত না আসে তাহলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসে যাবেন। এসব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী আগামী সোমবার দোকান ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মনে করেন দোকান মালিক সমিতির নেতারা। 
news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঊর্ধ্বমুখী রাঙামাটির নিত্যপণ্যের বাজার

ফাতেমা জান্নাত মুমু, চট্টগ্রাম

ঊর্ধ্বমুখী রাঙামাটির নিত্যপণ্যের বাজার

একদিকে লকডাউন। অন্যদিকে রমজান। সব মিলে ঊর্ধ্বমুখী রাঙামাটির নিত্যপণ্যের বাজার। যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় একেবারেই নিয়ন্ত্রণহীন বাজার বলছেন ভূক্তভোগীরা। তবে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন বলছেন অভিযোগ পেলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।

রাঙামাটির বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করোনার এ মহামারীতেও জমজমাট রাঙামাটির হাট-বাজারগুলো। ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে আনাগোনা আছে সাধারণ মানুষের। আছে পর্যাপ্ত নিত্যপণ্য মজুদও। কিন্তু পণ্যের চাহিদা থাকায় সুযোগে দাম হাতিয়ে নিচ্ছে ক্রেতারা রয়েছে এমন অভিযোগও। পণ্যের গায়ে দাম নিধারণ থাকলেও, করোনার লকডাইনের দোহাই দিয়ে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে- চাল, ডাল, তেল, মরিচ, পিয়াজ, আদা রসুন, সবজি, মাছ, মাংস ও ডিমসহ সব ধরণের পণ্য।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে মিনিকেট চাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে-৬০ থেকে ৬৫, সিদ্ধ-৫০ থেকে ৫৫। ছোলা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে-৭০থেকে ৮০টাকা। খেসারী ডাল কেজি প্রতি-৮০ থেকে ১১০টাকা। তেল প্রতি লিটার ১৩৫ থেকে ১৪০। পেঁয়াজ-৩৫ থেকে ৪০টাকা। রসুন ১২০ থেকে ১৩০টাকা। আদা ১২০ থেকে ১৪০টাকা। শুধু নিত্য পণ্য নয়, একই অবস্থা মাছ, মাংশ ও সবজির বাজারে। প্রতিটি পণ্যের ২০ থেকে ৪০টাকা বেশি।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত


তবে এ কথা স্বীকার করতে নারাজ ব্যবসায়ীরা। দায় সাড়তে দিচ্ছেন নানা অজুহাত।

এব্যাপারে রাঙামাটি বনরূপা বাজারের ব্যবসায়ী কাজল দে বলছেন, প্রশাসনের নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে সব পণ্য। তাই দাম বাড়তি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে লকডাইনের কারণে পণ্য সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। একই অজুহাত দিলেন আর এক ব্যবসায়ী ননা বড়ূয়া।

তিনি বলেন, আমদানী ঠিক না থাকলে দাম তো বৃদ্ধি হবেই। বেশি দামে ক্রয় করার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কোনো দোষ নেই।

তবে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান জানান, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। যারা নির্ধারিত দামের বেশি দাম নিচ্ছে তাদেরকে অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য টিসিভির পণ্য সরবরাহ অব্যাহত
রয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফুলে ফুলে ভরে গেছে গাজীপুরের লিচু বাগান

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

গাজীপুরের লিচু বাগানগুলো ফুলে ফুলে ভরে গেছে। আর গাছের নিচে শোভা পাচ্ছে সারি সারি মৌ-বক্স। এক মৌসুমে লিচুর ফুল থেকে তিনবার মধু সংগ্রহ করেন মৌয়ালরা। 

তবে এ বছর লিচু ফুল কম আসায় মধু উৎপাদন কিছুটা কম। তবে বাজার দর ভাল পাওয়ায় খুশি চাষিরা। গাজীপুরের শ্রীপুরে সবচেয়ে বেশি লিচু চাষ হয়। 

আর গাছের নিচে মৌ-বক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করছে মৌয়ালরা।  প্রাকৃতিক মধু সংগ্রহের মাধ্যমে বাড়তি আয় করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছেন চাষিরা।

মৌ চাষিরা জানান, প্রাকৃতিক ও শিল্প কারখানার দুষণের কারণে এবার লিচু গাছে ফুল কম এসেছে। এ কারণে মধু উৎপাদন কম হবে এমন আশঙ্কা করছেন বাগান মালিকরা।


কী পরিণতি হলো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই যুবকের

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

বাংলা ভাষা থেকে তুই তুলে দেওয়ার প্রস্তাব

সোনারগাঁয়ের সেই ওসি রফিকুল এবার অবসরে


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুল ফোটার পর ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও বৃষ্টি হওয়ায় এ বছর লিচুর মধু সংগ্রহের পরিমাণ এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি একশ বক্সের বিপরীতে ৮ থেকে সাড়ে ৮০০ কেজি মধু সংগ্রহ করা যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গাজীপুর জেলায় ১ হাজার ৪৪৬ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ করা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর