লকডাউনে ১০ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

লকডাউনে ১০ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা

আগামীকাল সোমবার থেকে লকডাউন। এ সময়ে সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবে গ্রাহকরা। ব্যাংকের শাখা ও ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় খোলা থাকবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


ধর্মের নাম নিয়ে অধর্ম কাজ জনগণ মেনে নেবে না: প্রধানমন্ত্রী

সমস্যা হলো কে কার বউ নিয়ে গেল তাই তো?

প্রথম বউয়ের অনুমতি ছাড়া গোপনে বিয়ে করা কি বেআইনি নয়!

মামুনুলের ঘটনা প্রমাণ করে হেফাজতের নেতৃত্ব কতটা নষ্ট ও ভন্ড: তথ্যমন্ত্রী


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বেড়েছে মুরগির দাম, নাগালের বাইরে ইলিশ

সুলতান আহমেদ

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে সব ধরনের মুরগির দাম। পাশাপাশি অনেকটাই সাধারণের নাগালের বাইরে রুপালি ইলিশসহ দেশি মাছ। 

খুচরা পর্যায়ে মসলার দাম বাড়লেও পাইকারি বাজারগুলোতে তা স্থিতিশীল। এদিকে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর, কমতে শুরু করেছে চালের দাম। 

ঈদের আগে শেষ শুক্রবার, স্বাভাবিক ভাবেই বাড়তি ভিড় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ঈদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মাংস প্রেমীদের আনাগোনা বেশি মুরগি কিংবা গরুর মাংসের দোকানে। 


কে বলেছে আমি হাসপাতালে ভর্তি? : তোফায়েল আহমেদ

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়াঘাট ছাড়লো ফেরি

মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদের অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন

নারায়ণগ‌ঞ্জের মে‌রিনা লন্ড‌নের অ্যাসেম্বলি মেম্বার নির্বাচিত


সেই সুযোগে কেজি প্র্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার, কক, দেশি মুরগির দাম। তবে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই ৫৮০ টাকা কেজিতে। মাংস রান্নার জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন রকম মসলা। ঈদ আসলে তাই দাম বাড়তে দেখা যায় সেই সব পণ্যের। 

তবে এবছর আমদানি ভালো হওয়ায় দাম বাড়েনি পাইকারি পর্যায়ে। যদিও খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে। কদিন আগেই শুরু হয়েছে নদীতে রুপালি ইলিশ ধরা। তবে সরবরাহ বাড়েনি বাজারগুলোতে। ফলে দাম এখনও হাতের নাগালে আসেনি। 

পাশাপাশি নানা অযুহাতে বাড়তি দাম চাওয়া হচ্ছে দেশি মাছের। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে চালের বাজারে। দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকা চালের দাম এবার কিছুটা কমেছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। ঈদের পর দাম আরোও নিয়ন্ত্রণে আসার পূর্বাভাসও দিচ্ছেন বিক্রেতারা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অব্যাহত রাখতে আসছে বাজেটে বাড়ছে প্রণোদনা

করোনার মধ্যেও বেড়েই চলছে রেমিটেন্স প্রবাহ

বাবু কামরুজ্জামান

করোনার মধ্যেও বেড়েই চলছে প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ এর পরিমাণ। প্রবাসী আয়ের এই ধারা অব্যাহত রাখতে আসছে বাজেটে রেমিট্যান্সের বিপরীতে প্রণোদনা দ্বিগুন করার দাবি জানিয়েছে প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণালয়। যা কিছুটা বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছেও। 

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের পাঠানো বিপুল এই অর্থ উৎপাদনশীল খাতে কাজে লাগাতে বিশেষ বিনিয়োগ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। 

মহামারী করোনায় যখন চরম বিপর্যস্ত অর্থনীতির প্রায় সব খাত তখনও বছরজুড়ে বেড়েছে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ। প্রবাসীদের শ্রম ও ঘামে অর্জিত অর্থের হাত ধরে দেশের রিজার্ভ পৌঁছেছে অন্য উচ্চতায়। যা ছুঁয়েছে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বা অবৈধ পথে লেনদেন ঠৈকাতে গেল বাজেটে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেয়া হয়। যার সুফলও মিলে রেমিট্যান্স আদায়ে। আসছে বাজেটে এই প্রণোদনা ৪ শতাংশে উন্নীত করতে এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

যা বাস্তবায়নে খরচ হবে অতিরিক্ত ৪ হাজার কোটি টাকা। হিসাব বলছে; চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৬৬ কোটি ডলার। যেখানে ঈদ সামনে রেখে শুধু এপ্রিলেই এসেছে ২০৬ কোটি ডলার। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, রেকর্ড প্রবাসী আয় নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগলেও করোনাকালে যেসব শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছেন তাদের কাজের সংস্থান করেনি সরকার। যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রেমিট্যান্সের অর্থ উৎপাদশীল কাজে বিনিয়োগ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছেন এই বিশেষজ্ঞরা।

বৈধ উপায়ে দেশে টাকা পাঠালে আসছে বাজেটে ৩ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া হতে পারে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পাইকার শূন্য হাট

করোনার প্রভাবে হুমকির মুখে সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প

সিরাজগঞ্জ থেকে আব্দুস সামাদ সায়েম:

করোনার প্রভাবে হুমকির মুখে পড়েছে সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প। একদিকে তাঁতের উপকরণের দাম বৃদ্ধি অন্যদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় হাটে পাইকার না  আসায় ঈদে কাপড় বিক্রি করতে পারছেন না তাঁতীরা। 

বিক্রি বন্ধ থাকায় শ্রমিকদেরও বেতন দিতে পারছে না। এ অবস্থায় ঈদ নিয়ে শঙ্কায় হয়ে পড়ছে তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা। তাঁত মালিকরা বলছে, করোনার কারণে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তাতে সরকারী সহায়তা না পেলে তাঁত শিল্প বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

সিরাজগঞ্জের অর্থনীতিতে প্রধান ভুমিকা রাখে তাঁতশিল্প। এখানকার উৎপাদিত শাড়ী-লুঙ্গি গামছা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হয়। এই তাঁতশিল্পের  সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত পরিবারগুলো উৎপাদনের ভিত্তিতে কাজ করে সংসার চালায়।

করোনার কারণে কাজ কম হলেও ঈদের আগে কিছুটা লাভের আশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁত শ্রমিকরা। কিন্তু  লকডাউনের কারণে হাটে কাপড় বিক্রি না হওয়ায় লাভ তো দূরের কথা মজুরি নিয়েই শঙ্কায় পড়েছেন তাঁতি শ্রমিকেরা।

এদিকে, তাঁত মালিকরা বলছেন, ঈদের আগে কাপড় উৎপাদন করে সারা বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেও বর্তমানে করোনায় লকডাউনের কারণে  হাট-বাজার বন্ধ এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকায় কাপড় বিক্রি করতে পরছেন না তারা। ফলে উদপাদন খরচ তো দূরের কথা শ্রমিকদেও বেতন পরিশোধে বিপাকে পড়েছেন তারা।

করোনার মহামারীতে তাঁতীরাও ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে জানিয়ে সহজ শর্তে ঋণের কথা জানালেন চেম্বার অব কর্মাসের এই কর্মকর্তা। সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় প্রায় ৩ লক্ষাধিক তাঁতকারাখনায় ৫ লক্ষাধিকের বেশি শ্রমিক জড়িত রয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বরগুনায় কয়েকগুণ বেশি দামে তরমুজ বিক্রি, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৌসুমের শেষে এসেও বরগুনার বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দামে। ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভের আশায় সিন্ডিকেট করছেন। খুচরা বিক্রেতারা এর জন্য আড়তদারদের দায়ী করেছেন। তবে বাম্পার ফলনের কারণে গেল বারের চেয়ে এবার কিছুটা বেশি লাভ করেছেন প্রান্তিক চাষি।

যে তরমুজ রোজার ঠিক আগেও বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে দেড়শ টাকায়, বরগুনার বাজারে সেটার দাম এখন চারশ থেকে পাঁচশ টাকা। অথচ আড়তে পণ্যের অভাব নেই। কেন এই মূল্য বৃদ্ধি তার সঠিক হিসেব নেই। তবে ক্রেতারা ক্ষুব্ধ। এভাবে চললে সাধ্যের বাইরে চলে যাবে বলেও অভিযোগ আছে।

কৃষকের ক্ষেত থেকে তরমুজ কেনে স্থানীয় পাইকাররা। তাদের একটি লভ্যাংশ রেখে বিক্রি হয় আড়তে। পরে বড় আড়তদাররা দাম নির্ধারণ করে বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের।


ছাদে মিলল মাদ্রসাছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ

রাশিয়ায় এক ডোজের স্পুটনিক টিকার অনুমোদন

জুমাতুল বিদাকে ‘আল-কুদস দিবস’ বলা হয় কেন?

মধ্যরাতে হেফাজতের নেতা শাহীনুর পাশা গ্রেপ্তার


তবে এবার বেশ ভালো ফলন হয়েছে তরমুজের। তাই আগের চেয়ে লাভও বেড়েছে। এজন্য খুশি কৃষক।

বরগুনার জেলা প্রশাসক অবশ্য দাবি করেছেন, দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত কাজে করছে। সচেতন নাগরিকদের দাবি মধ্যসত্ত্বভোগীদের বেশি লাভের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রান্তিক কৃষক।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দেশে প্রতিবছরই গমের চাহিদা বাড়লেও সে অনুযায়ী বাড়ছে না উৎপাদন

কাজী শাহেদ, রাজশাহী:

দেশে প্রতিবছরই গমের চাহিদা বাড়ছে। চাহিদা বাড়লেও সে অনুযায়ী বাড়ছে না উৎপাদন। কৃষিবিদরা বলছেন, চরাঞ্চলগুলোকে চাষের আওতায় নিয়ে আসা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব। 

গমের আমদানি নির্ভরতা কমাতে উন্নতজাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্র এলাকা, দক্ষিণাঞ্চলের সামুদ্রিক এলাকা এবং সিলেটের এক ফসলী জমি গম চাষের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২০১৫ সালে দেশে বছরে গমের চাহিদা ছিল ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন। ৬ বছরের ব্যবধানে এখন সেই চাহিদা এসে ঠেকেছে ৭০ থেকে ৭১ লাখ টনে। ফলে গম আমদানি করতে প্রতি বছর ব্যয় করতে হচ্ছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। (গ্রাফিক্স অন)

গমের এই আমদানি নির্ভরতা কমাতে উন্নতজাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্র এলাকা, দক্ষিণাঞ্চলের সামুদ্রিক এলাকা এবং সিলেটের এক ফসলী জমি গম চাষের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির উপর চাপ কমাতে কৃষকদের গম চাষে উদ্ভুব্ধ করা হচ্ছে। রাজশাহীর পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে পানির স্বল্পতা থাকায় গম চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকার চরাঞ্চলকে গম চাষের আওতায় নিয়ে আসা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমানো যাবে বলে মনে করেন কৃষিবিদরা। সরকার বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।

নদী এলাকার চরাঞ্চলগুলোকে গম চাষের আওতায় আনা গেলে, ধানের মতো গমেও বাংলাদেশ স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে-এমন প্রত্যাশা কৃষির সঙ্গে জড়িতদের।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর