আসছে ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি, আলোচনায় যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুব দ্রুত ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

আর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, অভিজ্ঞ আর নবীনের সমন্বয়ে কমিটি করার প্রক্রিয়া চলছে। কমিটি ঘোষণার খবরে দৌড়ঝাপ শুরু করে দিয়েছেন পদপ্রত্যাশী অন্তত এক ডজন নেতা। তারা বলেন, দল দায়িত্ব দিলে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে ঐক্যবদ্ধ করবেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপিকে। 

২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিল ঢাকা মহানগরকে দুই ভাগ করে হাবিব উন নবী খান সোহেলকে সভাপতি আর কাজী আবুল বাশারকে সাধারণ সম্পাদক করে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি করা হয়। দায়িত্ব পা্ওয়ার পরপরই দক্ষিণ বিএনপিকে চাঙা করতে থানা কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নিলে বিতর্কে জড়ান তারা। 

সর্বশেষ ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে ঢাকা মহানগরকে ঢেলে সাজাতে চায় হাইকমান্ড। যদিও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দাবি, তারা শতভাগ সফল।

নতুন কমিটির দায়িত্বে আসতে এরইমধ্যে দৌড়ঝাপ শুরু করে দিয়েছেন পদপ্রত্যাশীরা। নতুন কমিটির আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পেতে চান বর্তমান সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম রবি আর ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান। 


মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে শীতলক্ষ্যায় ডুবে গেল লঞ্চ

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে মাওলানা মামুনুল হকের ফেসবুক স্ট্যাটাস

ওই নারী মামুনুল হকের স্ত্রী নন: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


সদস্য সচিব হিসাবে আলোচনায় আছেন বতমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, যুবদলের দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু, সাবেক কাউন্সিলর হারুণ-উর রশীদ ও দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এরইমধ্যে কমিটি করার কাজ অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন। শক্তিশালী কমিটি করতে দলের সিনিয়র নেতাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

চলতি বছরের শেষের দিকে দক্ষিণের নতুন কমিটি হতে পারে বলে জানান বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সব বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে

ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সব বিধি নিষেধ উপেক্ষা করেই ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। গাবতলী থেকে যুক্ত হয়েছিল সহকর্মী মাসুদা লাবনী। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে বেপরোয়া গতিতে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ নৌ যাত্রা!

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান চলাচল করে। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে নদী পার হচ্ছেন অনেকে। তবে শীতলক্ষ্যার ব্যস্ততম নারায়ণগঞ্জ অংশে বেপরোয়া গতিতে নৌযানগুলো যেন প্রতিনিয়তই প্রতিযোগিতায় নামে। এ কারণে মাঝে মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। প্রাণ হারায়ও অনেকে। দুঘর্টনার কারণ হিসেবে ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদেরই দুষছেন স্থানীয়রা। 

গেল ৪ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে  যাত্রীবাহী লঞ্চকে একটি কার্গো জাহাজ পেছন থেকে ধাক্কা দিলে লঞ্চটি ডুবে যায়। পরে ৩৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

এভাবে একের পর এক দুঘটনা ঘটলেও শীতলক্ষা নদীর নারায়ণঞ্জ অংশে এখনও ঝুঁকি নিয়ে চলছে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন অনেকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন নির্বিকার থাকায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না নৌযান মালিক ও চালকরা। আর ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদের কারণেই ঘটে দুঘর্টনা।  

বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের তথ্য মতে, গেল এক বছরে শীতলক্ষ্যায় নারায়ণগঞ্জ অংশে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০টি নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের রাজধানীর সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান রুট মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুট। এই রুটটিতে এক সময় শুধু ফেরি চলাচল করতো। পরবর্তীতে ফেরির সাথে যুক্ত হয় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার এরপর লঞ্চ। সর্বশেষ সংযোজন স্পিডবোট।

এই রুটের ঘাট পরিবর্তন হয়েছে একাধিকবার। এখন এই রুটের মাদারীপুর অংশের ঘাটের নাম বাংলাবাজার এবং মুন্সিগঞ্জ অংশের নাম শিমুলিয়া। এই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে কোন স্পিডবোট চালকের নেই লাইসেন্স, বোট চলাচলের নেই কোন অনুমতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৯০ এর দশকে এই নৌরুটে ফেরির পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের পারাপারের বিকল্প বাহন ছিল ট্রলার। পরবর্তী সময়ে আধুনিক বাহন হিসেবে যুক্ত হয় লঞ্চ। ২০০২ সালের দিকে স্পিডবোট জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। সেই সময়ে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি বোট চলাচল করতো এই নৌরুটে। দ্রুত সময় পারাপারের কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠে স্পিডবোট। যাত্রীদের কাছেও চাহিদা বাড়ে এই বাহনটির। জনপ্রিয়তার সাথে সাথে স্পিডবোটের সংখ্যা ও ভাড়ার পরিমাণ বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। সাথে বাড়তে থাকে স্পিডবোট দুর্ঘটনার মাত্রাও। প্রাণহানি, নিখোঁজ, পঙ্গত্বের সংখ্যাও বাড়ে।

এই নৌপথে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় স্পিডবোটে। বর্তমানে এই নৌপথে প্রায় ২৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে। কিন্তু অবাক করা বিষয় এই নৌরুটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে স্পিডবোট চলাচলের কোন সরকারি অনুমিত নেই। স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমিত নিয়েই দিনের পর দিন চলছে এই ঘাতক বাহনটি। সরকারি কোন নীতিমালা বা নিবন্ধিত না থাকায় স্পিডবোটের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই কারও। তবে উভয় ঘাট মিলিয়ে আড়াইশ’র বেশি রয়েছে বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, স্বল্প সময়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় বিধায় এটি যাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি রুট। বিআইডব্লিউটিএ-এর তথ্য অনুযায়ী এই নৌরুটে নিয়মিত চলাচল করছে ৮৬টি ছোট-বড় লঞ্চ ও ১৬টি ফেরি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বোট চালানোয় কোনো প্রশিক্ষণ নেই চালকদের। আর চালকদের বেশির ভাগই উঠতি বয়সী তরুণ। বিশেষ করে পদ্মার ঘাট এলাকার এক শ্রেণির বখাটে, মাদকাসক্ত যুবকরাও স্পিডবোট চালক হিসেবে রয়েছে। আর এদের কাছেই বিভিন্ন সময়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে ঘটছে দুর্ঘটনাও। তাছাড়া প্রতিটি ট্রিপেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করে এসব স্পিডবোট। নেই কোন কর্তৃপক্ষের তদারকি।

আরও পড়ুন


কারাগারে পাঠানো হয়েছে রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে

যেসব অঞ্চলে আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

লকডাউনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করায় আইনজীবীকে জরিমানা

হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ইরাকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ


এদিকে এই নৌপথে চলাচলরত ৫০টির মতো স্পিডবোট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক লাইসেন্স নিয়েছে। যে ক’টির লাইসেন্স আছে, তারও আবার নবায়ন নেই। ফলে চলাচলরত স্পিডবোটগুলোর সব ক’টিই অবৈধ।

এ সম্পর্কে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, উভয় ঘাটে আড়াইশ স্পিডবোট চলে, যার একটিরও লাইসেন্স বা কোনো কাগজপত্র নেই। 

বিআইডব্লিউটিএ-এর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক (নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রায় ৫০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স আছে। তবে এগুলোর হয়তো নবায়ন নেই। এখানে আমাদের লাইসেন্স দিতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা দ্রুত স্পিডবোটগুলো লাইসেন্সসহ চলাচলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।’

এ সম্পর্কে বাংলাবাজার স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও পাঁচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের পারে (বাংলবাজার) ১০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স দেড় বছর আগে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এরপর এক বছর আগে ৩৯টি বোটের লাইসেন্সের জন্য কাগজপত্র ও তালিকা নেয়। চালকের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা নেয়। কিন্তু নতুন করে আর লাইসেন্সও দেয়নি। আর চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেয়নি।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৬টার দিকে শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বোঝাই একটি স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ী ঘাটে নোঙর করে রাখা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে স্পিডবোটের ২৬ যাত্রী নিহত হয়।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর শপিংমলগুলোতে জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা

ফাতেমা কাউসার

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। এরইমধ্যে রাজধানীর শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। তবে করোনা বাস্তবতায় গেলবারের তুলনায় বিক্রি কম বলে জানান দোকানিরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে বিপণী বিতানে আসলেও বেশিরভাগ ফ্যাশনহাউজ বলছে অনলাইনে বেড়েছে তাদের বেচাবিক্রি। 

ঈদ শপিং এ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতি। বড় বড় শপিংমলগুলোতে তাই ক্রেতা সাধারণের সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার লম্বা লাইন।

অন্যবারের মতো ফ্যাশন হাউজগুলো এবারো ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন নতুন কালেকশন। ক্রেতারাও ঈদ গরম দুটোকেই মাথায় রেখে সারছেন ঈদ কেনাকাটা।


রায়হান হত্যা: এসআই আকবরসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট

ভারতে আজ ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আগামী মাসে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলেন বাইডেন

বাবা-মা-বোনের পর এবার কোভিড পজিটিভ দীপিকা পাড়ুকোন


ঈদের বাকি আরো নয়দিন থাকায় দোকানিরা জানান সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে তাদের বেচাকেনা।

এদিকে করোনার কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার ঘরে বসেই সারছেন ঈদের কেনাকাটা। অনলাইনে আগের চেয়ে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান অনেকে। সামনের দিনগুলোতে বেচা-বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা

ফাতেমা কাউসার:

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা। তবে এবার বেচাকেনা অন্য বারের তুলনায় কম বলে জানান তারা। চলমান লকডাউনে গণ পরিবহন বন্ধ থাকায় কিছুটা হতাশ তারা। বলছেন, ঈদ পর্য্ন্ত বাজার খোলা থাকলে কিছুটা ক্ষতি কাটিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাপড়ের বাজার পুরান ঢাকার ইসলামপুর। সারা বছর তো থাকেই, ঈদকে কেন্দ্র করে এই এলাকার বিশাল বাজার শুরু হয় শবে বরাতের আগেই।

দেশে তৈরি পোশাক এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা বিশেষ করে পাইকারি থান কাপড়ের বাজার হিসেবে পরিচিত হলেও এলাকাটিতে খুচরা কাপড়ের দোকানও রয়েছে সারি সারি। উৎসবকে কেন্দ্র করে এই পাইকারি বাজারে ব্যবসা থাকে জমজমাট।

তবে এবারের দৃশ্যপট একেবারেই আলাদা। বেড়েছে করোনার প্রকোপ। আর তাই সারাদেশে চলছে লকডাউন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এবার আসতে পারেনি এই পাইকারি বাজারে। আর তাই বেচা কেনাও কম বলে জানান বিক্রেতারা।

এ বছর না হলেও প্রতিবারই ঈদ মৌসুমে এ বাজারে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় বলে জানান বাংলাদেশ বস্ত্র সমিতির নেতারা। সামনের দিনগুলোতে বেচা বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা ইসলামপুর পাইকারি বাজারের এই ব্যবসায়ীদের।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর