ভারতীয় ‘ডাবল মিউট্যান্ট’ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে ঢুকেছে কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার

শওগাত আলী সাগর

ভারতীয় ‘ডাবল মিউট্যান্ট’ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে ঢুকেছে কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার

শওগাত আলী সাগর

মার্চে ভারতে কোভিডের নতুন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত হবার খবর প্রচারিত হবার পর  এ নিয়ে তেমন আর উচ্চবাচ্চ শোনা যায়নি। ভারত সরকারিভাবে নিজ দেশের নাগরিকদের আশ্বস্ত করেছে- এই ভ্যারিয়েন্টের তেমন বিস্তৃতি ঘটেনি, সেখানে বরং ইউ কে ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের হারটাই বেশি। 

তবে ভারতের ভ্যারিয়েন্ট ভারতের মধ্যে সীমিত থাকেনি, এটি ইতিমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় পৌঁছে গেছে। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এই ভ্যারিয়েন্ট এসেছে কিনা তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ভারতের গবেষকরা জানিয়েছেন- কোভিডের নতুন ধরনের যে ভ্যারিয়েন্টটি ভারতে চিহ্নিত হয়েছে – সেটি হচ্ছে ‘ডাবল মিউট্যান্ট‘ ভ্যারিয়েন্ট। ইউ কে বা ব্রাজিলে যে ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত হয়েছে সেগুলোর সবকটিই সিঙ্গেল মিউট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট। গবেষকদের তথ্য-  ভারতের ভ্যারিয়েন্টটি  দুটি ভ্যারিয়েন্ট মিলিত হয়ে নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

গবেষকদের তথ্য, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের একটি হচ্ছে - E484Q। স্বভাবে এটি ব্রাজিল বা দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টের মতোই।এই ভ্যারিয়েন্ট তার ’স্পাইক প্রোটিন’ এর অংশ বিশেষ বদলে ফেলতে পারে। কোভিড  ভাইরাস তার দেহের বহিরাংশে এই স্পাইক প্রোটিন তৈরি করে এবং মানবদেহে সেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহার করে। এই সংযোগের মাধ্যমেই সে মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটায়। 

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের আরেকটি হচ্ছে L452R, গবেষকরা এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে মনে করছেন- এটি স্পাইক প্রোটিনের মানবে দেহে সংযোগ স্থাপনের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। প্রাথমিক তথ্যে গবেষকরা ধারনা করছেন- এই ভ্যারিয়েন্ট মানবদেহে এন্টিবডি তৈরির সক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে ফেলে।


মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে মানতে হবে যে নির্দেশনা

দুই রমণীই মামুনুলকে প্রভু মানে

বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য ফাঁস!

লকডাউন কি বাড়বে?


বাংলাদেশে বর্তমানে সংক্রমণের যে উর্ধ্বহার তার পেছনে নতুন ভ্যারিয়েন্ট কতোটা ভূমিকা রাখছে- সেই ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো তথ্য কোথাও নাই। তবে ইউ কে ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে টুকটাক আলাপ শোনা গেছে। ভারতীয় ‘ডাবল মিউট্যান্ট’ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশের প্রবেশ করেছে কিনা সে ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষা দরকার।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমরা সামান‍্য একটা যৌক্তিক তর্ক থেকে মানুষের কুৎসা রটানো শুরু করি

রউফুল আলম

আমরা সামান‍্য একটা যৌক্তিক তর্ক থেকে মানুষের কুৎসা রটানো শুরু করি

দুইটা ঘটনা, 
মারসিন ক‍্যালেক ছিলো আমার সিনিয়র কলিগ। ওর যখন পিএইচডি শেষ, আমি তখন শুরু করেছিলাম। পোলান্ডের ছেলে। আন্তর্জাতিক ক‍েমেস্ট্রি অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক জয়ী। একটা পিএইচডি কোর্সে, প্রফেসর ফাহমি হিমুর ক্লাসে, মারিসন ক‍্যালেক প্রচণ্ড তর্কে জড়িয়ে যায়। পাঠের একটা বিষয় নিয়ে। তর্ক, পাল্টা তর্ক চলে। তার কিছুদিন পর দেখি, মারসিন ক‍্যালেক সেই প্রফেসরের গ্রুপে পোস্টডক হিসেবে জয়েন করছে। 

করোনা শুরু হওয়ার আগে, একদিন গ্রুপ মিটিং চলছে। আমার এক সিনিয়র কলিগ আমার প্রেজেন্টেশনের সময় ডিফেন্ড করার চেষ্টা করে। আমি ছাড় না দিয়ে ডিফেন্ড করতেই থাকি। পরিবেশ উত্তাপ ছড়ায়। আমার বস (ভাইস প্রেসিডেন্ট) আমাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করে, আমার সাথে সেই কলিগের কোন দ্বন্দ্ব আছে নাকি। আমি বলেছি, না। আমি তো আমার কাজকে ডিফেন্ড করেছি মাত্র। ব‍্যক্তিগত কোন সমস‍্যা নেই। 

তার কিছুদিন পর (গত বছরের মার্চে) আমাকে সিনিয়র সাইন্টিস্ট হিসেবে প্রমোশন দেয়া হয় ইউথ এন ইন্টারনাল এওয়ার্ড! (আমি যেহেতু বাঙালী সংস্কৃতি থেকে এসেছি, আমি অবশ‍্য একটু চিন্তায় ছিলাম যে এই ঘটনা কোন ইমপ‍্যাক্ট ফেলবে কিনা)। 

এই রকম বহু তর্ক, বহু বিষয়ে দ্বিমত দেখেছি। করেছি। কিন্তু কখনো এগুলোকে ব‍্যাক্তিগত ক্রোধ, ঘৃণার পর্যায়ে নিতে দেখিনি। নিজেও নেইনি। আর যেহেতু, বিজ্ঞান গবেষণা করি, সেহেতু এই ফিল্ডে এটা আরো বেশি প্রয়োজন। দ্বিমত না থাকলে কোন সৃষ্টি হয় না। দ্বিধা না থাকলে সৃষ্টিশীল হওয়া যায় না। 

কিন্তু আমাদের অসংখ‍্য মানুষ, দ্বিমত পোষণ না করে সরাসরি এসে অশ্রাব‍্য ভাষায় মন্তব‍্য করা শুরু করবে। আপনাকে ব‍্যক্তিগতভাবে আক্রমন করবে। বিষয়ের প্রসঙ্গে না থেকে অবান্তর বিষয় নিয়ে প‍্যাঁচাল শুরু করবে। আমরা সামান‍্য একটা যৌক্তিক তর্ক থেকে মানুষের কুৎসা রটানো শুরু করি। খুবই তুচ্ছ একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে দূরত্ব তৈরি করি। অনেক যৌক্তিক বিষয় অনেক সময় লিখিনা বা এড়িয়ে যাই শুধু এইসব ব‍্যক্তিগত আক্রমনের ভয়ে।

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জনাব, কিছু ফেলে গেলেন কি?

মনিজা রহমান

জনাব, কিছু ফেলে গেলেন কি?

ঢাকায় আগে বাসের ভিতরে অনেক কিছু লেখা দেখতে পেতাম- ‘বাকী চাহিয়া লজ্জ্বা দেবেন না’, ‘ব্যবহারে বংশের পরিচয়’ … ‘জনাব কিছু ফেলে গেলেন কি’… । তখন কথাগুলো অতটা মনোযোগ আকর্ষণ করত না। আজ এত কাল পরে মনে হয়- এই বাক্যগুলোতে মানুষের নিগুঢ় বিশ্বাস কিংবা চিরায়ত মূল্যবোধের প্রকাশ থাকতো। যেমন মেয়েরা সূচিকর্মে নানাকিছু লিখে টাঙ্গিয়ে রাখত বাড়ির বৈঠকখানায়! কথাগুলো আমাদের সামান্য সময়ের জন্য হলেও থমকে দিত, গভীর ভাবনায় ফেলে দিত! 

 ‘জনাব, কিছু ফেলে গেলেন কি!’ এই কথাটা তো আমার প্রায়ই মনে হয়। খুব সকালে যখন বাসা থেকে কাজের জায়গার উদ্দেশ্যে বের হই, দরজার কাছে গিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি! চারপাশে তাকাই। কখনও ব্যাগ হাতড়াই। ঠান্ডা মাথায় ভাবার চেষ্টা করি। আইডি কার্ড, মোবাইল, কফির বোতল, মেট্রোকার্ড… আরও কত কি… সবকিছু ঠিকঠাকভাবে নিয়েছি তো! কিছু ফেলে গেলাম নাতো! 

দিনশেষেও এভাবে থমকে যেতে হয়। ক্লাসরুমে ছাত্ররা চলে গেলে চেয়ারগুলি টেবিলের ওপর রাখা থাকে। জানালার পর্দা নামানো। দিনের তুমুল কোলাহল শেষে শান্ত চারদিক। ক্লাসরুম ছাড়ার আগে আবারও চারদিকে তাকাই, থমকে যাই, মনে মনে ভাবি- ‘কিছু ফেলে গেলাম কি!’ 
প্রতি বারই যখন বাইরে যাই, আবার ফিরে আসার সময় এই কথাটাই বার বার কেন মনে হয়! আমি একটু বেশীরকম ভুলোমনা বলেই হয়ত বেশী সতর্ক থাকার চেষ্টা করি! গত বছর আগস্টে নিউইয়র্ক থেকে এক রোড ট্রিপে বের হয়েছিলাম আমরা। সাতদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি স্টেটের অনেকগুলো শহর ভ্রমন করেছিলাম। বাফেলো হয়ে ওহাইও’র রাজধানী কলম্বাস, শিকাগো, ডেট্রয়েট, হ্যারিসবার্গ, ফিলাডেলফিয়া হয়ে আবার নিউইয়র্কে ফিরে আসি। 

প্রতিটি শহরে গিয়ে এক রাতের জন্য হোটেলে উঠতাম। লাগেজ থেকে সব কিছু বের করে সংসার সাজাতাম। আবার সকালে সব গুটিয়ে রওনা হতাম নতুন শহরের উদ্দেশ্যে। যাবর আগে হোটেল রুমের সবকিছু তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখতাম। দরজা থেকে বের হবার সময় বার বার পিছনে ফিরে তাকাতাম, শুধু মনে হত- ‘কিছু ফেলে গেলাম কি!’ 

আজকাল রৌদ্রোজ্জ্বল দিন থাকলে বাড়ি ফেরার পথে ইস্ট রিভারের  তীরে বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকি। রোজার দিন বলে অত তাড়া থাকেনা ঘরে ফেরার। বসে বসে কি করি জানেন? নদীর ধারে বেড়াতে আসা বৃদ্ধ মানুষদের দেখি। একেকজন মহামারী জয় করতে চলেছেন দুর্জয় সাহসে। মমতা মাখানো ভালোবাসায়  দুই চোখ ভিজে আসে। 

বাংলাদেশ থেকে এখন প্রতিদিন মৃত্যুর খবর আসে। ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, মিতা হক, শামসুজ্জামান খান, কবরী, তারেক শামসুর রহমান, ওয়াসিম, এসএম মহসিন… যাদের শুন্যস্থান কোনদিন পূর্ণ হবার নয়। এক শোকের হাহাকার না নিভতেই, আরেকটি দু:সংবাদ। নিউইয়র্কে বাস করতেন আহমেদ মুসা ভাই, তিনিও না ফেরার দেশে নাম লেখালেন। ওনার সাংবাদিকতার সময় আমার দেখা হয়নি। তবে ওনার বই পড়েছি, খুব ভালো লিখতেন। যদিও এই শহরে সেভাবে কেউ লেখক হিসেবে মূল্যায়ন করত না তাঁকে। 
মৃত্যু সংবাদ শুনি আর মনে হয়, আমি যে শোকে কাতর হচ্ছি, আমাকেও তো চলে যেতে হতে পারে যে কোন সময়। যতই মনে হবে, কিছু ফেলে গেলাম কি, কিন্তু ফেলে তো যেতেই হবে সব। 

মনিজা রহমান নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজতের কর্মকাণ্ড যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক: জায়েদুল আহসান পিন্টু

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের কর্মকাণ্ড যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক: জায়েদুল আহসান পিন্টু

ডিবিসি নিউজের সম্পাদক জায়েদুল আহসান পিন্টু হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের কর্মকাণ্ডকে যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক বলে উল্লেখ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোষ্ট দিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। এখানে তিনি হেফাজতের আমির বাবুনগরীর একটি ভিডিওবার্তা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে এই মন্তব্য করেন।

News24bd.tv -র পাঠকদের জন্য তার পোষ্টটি তুলে ধরা হলঃ

“Interesting Enough:

কয়দিন আগে শুনলাম সরকারকে টেনে হিচড়ে ক্ষমতা থেকে নামাবে হেফাজত। আজ হেফাজতের আমির বাবুনগরী ভিডিওবার্তা দিয়ে বললেন, কাউকে ক্ষমতায় বসানো বা ক্ষমতা থেকে নামানোর কাজ হেফাজতের না। একটি কুচক্রি মহল নাকি গুজব ছড়াচ্ছে। সরকার যেন এসব গুজবে কান না দেয়। আরো বললেন কোন পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়নও হেফাজত করতে দিবে না।”

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মিডিয়া এবার কানাডার অর্থমন্ত্রীর জুতার দিকে তেমন একটা নজর দেয়নি

শওগাত আলী সাগর

মিডিয়া এবার কানাডার অর্থমন্ত্রীর জুতার দিকে তেমন একটা নজর দেয়নি

কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড

হাউজ অব কমন্সে জাতীয় বাজেট পেশ করার আগে কানাডার অর্থমন্ত্রী নতুন জুতা কেনেন। সেই জুতা পায়ে দিয়ে তিনি সংসদে যান এবং বাজেট পেশ করেন। এটিই হচ্ছে কানাডার ঐতিহ্য। 

অর্থমন্ত্রী কোন ধরনের জুতা কিনছেন মিডিয়ার তীক্ষ্ণ নজর থাকে সেদিকে। বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রীর কেনা জুতা দেখে বাজেটে কী গুরুত্ব পাচ্ছে সে ব্যাপারে সবাই একটা ধারনা নেয়। 

এবার অবশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের পরিবেশে ফেডারেল সরকার তাদের বাজেট পেশ করেছে। সংসদ স্থগিত করে দিয়ে নতুন যাত্রার পর লিবারেল সরকার কোনো বাজেট পেশ করেনি। গত দুই বছরে এটিই তাদের প্রথম বাজেট। ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর এটি হচ্ছে তাঁর প্রথম বাজেট। কানাডার ইতিহাসে কোনো নারী অর্থমন্ত্রীর দেয়া প্রথম বাজেটও এটি। 

করোনার কারণেই হোক আর নারী অর্থমন্ত্রী বাজেট দিচ্ছেন বলেই হোক- মিডিয়া এবার অর্থমন্ত্রীর জুতার দিকে তেমন একটা নজর দেয়নি। কোভিডকালীন বিপুল ব্যয়, অকল্পনীয় ঘাটতির আলোচনায় অর্থমন্ত্রীর জুতার আলোচনাটি আড়ালই হয়ে গিয়েছিলো।তাতে কি। 

ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড অর্থমন্ত্রীদের চিরায়ত ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করেননি। বাজেট পেশের আগের দিন রোববারই তিন বাজেট অধিবেশনে পায়ে  দেয়ার জন্য জুতা কিনে ফেলেন।

টরন্টোর ডাউন ডাউনে তার নিজের নির্বাচনী এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বাজেট অধিবেশনের জুতা কিনেন তিনি। ’ভাজেল’ নামের এই জুতা কোম্পানিটি টরন্টোয় যাত্রা শুরু করেছিলো ২০১৫ সালে। অপেক্ষাকৃত নতুন এবং ক্ষুদ্র একটি কোম্পানি থেকে বাজেট অধিবেশনের জুতা কিনে নিয়ে আসেন কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। 

জুতা কিনে এনেই তিনি ফোন করেন কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর  এল আইয়ুবজাদেহকে। ইরানী বংশোদ্ভূত তরুণী ’এল’কে অর্থমন্ত্রী জানান, তার ডিজাইন করা, তার প্রতিষ্ঠানের জুতা পরে তিনি এবার বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন। 


কী পরিণতি হলো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই যুবকের

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

বাংলা ভাষা থেকে তুই তুলে দেওয়ার প্রস্তাব

সোনারগাঁয়ের সেই ওসি রফিকুল এবার অবসরে


বাজেট অধিবেশনে পায়ে দেয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের বাছাই করা জুতার তাৎপর্য কি? বাজেটপূর্ব সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পোষ্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পকে তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করতে চান।  

বাজেট অধিবেশনে পায়ে দেয়ার জন্য  কিনি বেছে নিয়েছেন ক্ষুদ্র একটি কোম্পানি আর কানাডার ‘ওয়ার্কিং উইম্যান’দের পায়ে দেয়ার জুতা। কোভিড থেকে অর্থনীতিকে উদ্ধারের কর্মসূচীকে তিনি ‘ফেমিনিস্ট রিকভারি’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন আগেই। বাজেটে নজর দিয়েছেন কানাডার ‘ওয়ার্কিং উইম্যান’দের দিকে।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মামুনুল করলে সমস্যা নেই, বললেই বিরাট সমস্যা: মোজাফ্ফর হোসেন

মোজাফ্ফর হোসেন

মামুনুল করলে সমস্যা নেই, বললেই বিরাট সমস্যা: মোজাফ্ফর হোসেন

মামুনুল হক বলেছেন, তিনি পরের দুইজনকে বিয়ে করেননি। তবে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে মামুনুলের চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির কপিও উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। চুক্তিতে বলা হয়েছে, মামুনুল হক তাদের বিয়ে করবেন না। স্ত্রীর মর্যাদাও দেবেন না। তবে তাদের ভরণপোষণ দেবেন। এই শর্তে যে, তিনি স্ত্রীর মতো করে তাদের সঙ্গে মিশবেন। যেখানে যেতে বলবেন, সেখানে যেতে হবে এবং তার সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে হবে।

এ বিষয়ে মামুনুল হক বলেন, এটা শরীয়তসম্মত। স্ত্রীর মর্যাদা না দিলেও তাদের ভরণপোষণ দেওয়ার বিনিময়ে তারা তাকে সঙ্গ দিচ্ছে। এটা ইসলামের বিধিবিধানের মধ্যেই আছে।

আরও পড়ুন


রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট

ভুয়া আইডির জ্বালায় থানার শরণাপন্ন নায়ক আমিন খান

রাজনীতির চেয়েও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সর্বনাশ করছে বিজ্ঞান

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা


বাহ! এরা এসেছে ইসলামের হেফাজত করতে; হেফাজতে ইসলাম! যারা এখনো মামুনুলের পক্ষে আছেন, তারা নিজের বোন বা কন্যাকে মামুনুলদের যৌনদাসী হিসেবে লিখে দিতে রাজি আছেন তো? অবশ্য অনেকেই থাকবেন, আছেন সে তো দেখতেই পাচ্ছি, বউকেও দিয়ে দিচ্ছে ‍হুজুরের খেদমতে। আর একজন পুরুষও দেখলাম মামুনুলের খেদমত করার জন্য হাউমাউ করে কান্নাকাটি করছে, কী খেদমত কে জানে!

মামুনুল অবশ্য করলে সমস্যা নেই। কিন্তু সে করেছে এইটা বললে বিরাট সমস্যা। অন্তত বৌয়ের সামনে তো বলাই যাবে না। বললেই, যত দোষ নাকি সব আমার মনে!!

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর