চাণক্যমতে যাদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়!

অনলাইন ডেস্ক

চাণক্যমতে যাদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়!

আচার্য চাণক্য-কে ভারতবর্ষের সেরা পণ্ডিতদের মধ্যে একজন গণনা করা হয়। তিনি একজন বড় পন্ডিত, কূটনীতিবিদ, দার্শনিক এবং অর্থনীতিবিদ ছিলেন। ধর্ম, রাজনীতি ও সমাজ, মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তর নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।

মানুষের জীবনে কোন কোন ক্ষেত্রে কী কী করা উচিত, আর কী করা উচিত নয়, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাই, শত শত বছর পেরিয়ে গেলেও চাণক্যের বাণীগুলি যেন অমর হয়ে আছে এবং মানুষের জীবনে আজও সমানভাবে কার্যকর।

তাহলে জেনে নিন, আচার্য চাণক্যের মতে কোন ধরনের মানুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত নয় -

সমকক্ষ কারোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলুন

চাণক্যের মতে, কোন ব্যক্তির উচিত তার সমকক্ষ কারোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। কারণ সমতা না থাকলে প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে সবসময় সমস্যা দেখা দেয়। যে সম্পর্কের মধ্যে সাম্য থাকে না, প্রায়ই এমন সম্পর্কগুলি ভেঙে যায়।


ধৈর্য পরীক্ষা করুন

আচার্য চাণক্যের মতে, যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে সে সমস্ত ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সক্ষম। তাই, পুরুষ ও মহিলা উভয়েরই ধৈর্যশীল ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।

চাণক্য বলেছেন যে, বিয়ের আগে একজন ব্যক্তির অবশ্যই স্ত্রীর ধৈর্য পরীক্ষা করা উচিত। কারণ পত্নী যদি ধৈর্যশীল হয়, তবে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সে আপনাকে কখনোই ছেড়ে যাবে না। এই ধরনের ব্যক্তিরা কখনোই আপনাকে ঠকাবে না।


আরও পড়ুনঃ


এই সংস্কৃতিটা মামুনুল হকরা নিজে তৈরি করেছে

মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে মানতে হবে যে নির্দেশনা

টাকা আছে বলেই সব কিনে ফেলতে হবে!

দুবাইয়ে নগ্ন ছবি তোলার দায়ে একদল রাশিয়ান যুবতী আটক


রাগী স্বভাবের ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করবেন না

আচার্য চাণক্যের মতে, রাগী স্বভাবের ব্যক্তিরা তাদের চারপাশের সুখকে উপেক্ষা করে। এই ধরনের ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পরে, আপনার নিজের জীবনে সুখের কথা ভাবাও ভুল। এই ধরনের ব্যক্তিরা রাগের বশে সম্পর্ক ভেঙে দেয়। তাই সম্পর্ক স্থাপনের আগে এই সমস্ত বিষয় অবশ্যই পরীক্ষা করে নিন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে গুগলের বিশেষ ডুডল

অনলাইন ডেস্ক

আজ ২২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পৃথিবীর প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালিত হয়েছে আসছে।

১৯৭০ সালে তার নেতৃত্বেই বিশ্বের জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস শুরু হয়। তার অক্লান্ত চেষ্টায়ই যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ রক্ষা সংস্থা গড়ে ওঠে। এ ছাড়া দূষণমুক্ত বায়ু, পানি ও হুমকির মুখে থাকা জীব প্রজাতি সম্পর্কে আইন করা হয়। অবশ্য পরে বিশ্বজুড়েই জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

এই দিবসের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণায় বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাদের মূল পাতায় একটি বিশেষ ডুডল যুক্ত করেছে। বিশেষ দিনে হোমপেজে ডুডল ব্যবহার করে গুগল। ডুডল হলো বিশেষ নকশা বা চিত্রের মধ্য দিয়ে কোনো বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। ডুডল ব্যবহারের মাধ্যমে বিষয়টির উপলক্ষ সম্পর্কে সবাইকে জানানো হয়।

এবারের ধরিত্রী দিবসের গুগুল ডুডলে দেখা যায়, একটি গাছের নিচে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী গাছে হেলান দিয়ে বই পড়ছেন। আর, আরেক পাশে একই গাছের নিচে চারাগাছ হাতে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি শিশু। ডুডলটির ওপর ক্লিক করলে ইউটিউবে একটি ভিডিও আসে।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

বেনজেমা ভেল্কিতে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন


এতে দেখা যায় একটি শিশু গাছের চারা রোপণ করছে। এরপর চারাটি একসময় পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে রূপান্তরিত হয় এবং শিশুটিও প্রাপ্তবয়স্ক থেকে ক্রমে বৃদ্ধা হন। এরপর সেই বৃদ্ধা একটি শিশুর হাতে একটি গাছের চারা তুলে দেন। এভাবে চলতে থাকে। মূলত গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা ভিডিওটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ডুডলটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বীজবিহীন চায়না-৩ জাতের লেবু চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর রানীনগরে বীজবিহীন চায়না-৩ জাতের লেবু চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে কৃষকরা। রাণীনগর উপজেলাতে সুফলা নওগাঁ এগ্রো প্রজেক্ট-এর ১৫ জন যুবকের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে এ বাগান। তাদের সফলতা দেখে এ জাতের  লেবু চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অনেকে। 

নওগাঁর রাণীনগরের চকাদিন গ্রামে ২০১৯ সালের শুরুতে ২ একর পতিত জমি ১০ বছরের জন্য লিজ নেয় কয়েকজন যুবক। এই জমিতে চায়না-৩ লেবু, পেয়ারা, ড্রাগন ও মাল্টার গাছ লাগান তারা। তবে বাগানের ব্রান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে চায়না-৩ জাতের লেবু। করোনাকালে এই বাগানের উৎপাদিত লেবু সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


এ জেলার মধ্যে বীজবিহীন লেবু চাষে সুফলা নওগাঁ এগ্রো প্রজেক্ট দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সুফলার দেখাদেখি এই অঞ্চলে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে লেবুর বাগান করেছে অনেকে। এইসব বাগানে কর্মসংস্থানও হয়েছে শতাধিক মানুষের।

সংশ্লিস্টরা বলছেন, দেশে যত জাতের লেবু আছে তার মধ্যে এ জাতের লেবুর ধারন ক্ষমতা বেশি। এসব লেবুর মান ভাল হওয়ায় বাজার দরও বেশ চড়া।  

লেবু গাছের চারা লাগানোর তিন মাস পর ফুল ও ছয় মাস পর থেকে ফল আসা শুরু করে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তারা।  

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

প্রথমবারের মত মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে একটি ছোট ড্রোন ওড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ইনজেনুয়িটি নামের এই ড্রোন মঙ্গলের আকাশে এক মিনিটের কম সময়ে ওড়ে।

তবে অন্য একটি গ্রহের আকাশে এই প্রথম যন্ত্রচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত কোন যান ওড়ানোর এই সাফল্যে উল্লসিত নাসা। এই সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক বিমান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল বলে জানিয়েছে তারা।

মঙ্গলের বুক থেকে মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের এই ড্রোনটি প্রায় ৩ মিটার উপরে ওঠে, ড্রোনের পাখাগুলো ঘুরতে দেখা যায়, ড্রোনটি এদিক থেকে ওদিকে যায় এবং প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর ড্রোনটি আবার সফলভাবে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইনজেনুয়িটি ড্রোনটির প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


মঙ্গলের মাটি থেকে কোন বায়ুযান গ্রহটির আকাশে ওড়ানো খুবই কঠিন। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল খুবই পাতলা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের মাত্র ১% শতাংশ ঘনত্ব গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু’র গাছে আম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু’র গাছে আম

ঠাকুরগাঁওয়ে আব্দুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে রোপনকৃত লিচু গাছে আম ধরেছে। এমন খবর গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়লে তা এক নজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমায় এলাকাবাসী। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।  

জেলা সদরের বালিয়া ইউনিয়নের (ছোট বালিয়া) মুটকি বাজার কলোনীপাড়া আব্দুর রহমানের বসতভিটায় ৫ বছর আগে রোপনকৃত গাছে এমন দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

এলাকাবাসী জানান, লিচুর গাছে আমের ফল বিষয়টি অবাক করার মতো। আব্দুর রহমান লিচুর গাছে আম ধরেছে এমন কথা তিনি বললে কেউ বিশ্বাস করতেন না। সবাই মনে করতো হয়তো তিনি লিচু গাছে কলম করে আম গাছের চারা রোপন করেছে। কিন্তু তা নয়। আব্দুর রহমানের কথা শুনে এলাকার কয়েকজন মানুষ বাড়িতে  গিয়ে দেখেন লিচু গাছে লিচু ফলের সাথে আম ঝুলছে।

এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান জানান, ৫ বছর আগে বাড়িতে লিচু গাছের চারাটি রোপন করি। এবার লিচু গাছে আশানুরুপ মুকুল আসে। গাছ পরিচর্চা করতে গিয়ে চোখে পরে লিচু সাথেই এই ডালে একটি আমও ফলেছে। পরে বিষয়টি আশপাশে লোকদের জানালে তা ছড়িয়ে পরে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লঙ্গরখানা: গুরু নানকের আসল ব্যবসা!

হারুন আল নাসিফ

লঙ্গরখানা: গুরু নানকের আসল ব্যবসা!

লঙ্গরখানা শব্দটির অর্থ আমরা জানি। আর্তদের বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণের জন্য আপৎকালে লঙ্গরখানা খোলা হয়। লঙ্গরখানা শিখধর্মের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। অবশ্য শিখরা লঙ্গরখানা শব্দ ব্যবহার করেন না, তারা কেবল লঙ্গর শব্দটি ব্যবহার করেন।

শিখদের উপাসনালয়কে বলা হয় গুরুদুয়ারা, লঙ্গর তারই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। লঙ্গর ব্যতীত গুরুদুয়ারা সম্ভব নয়। লঙ্গরের মানবিক বৈশিষ্ট্য আমাদের কৌতূহলকে উসকে দেয়। লঙ্গর শব্দটি ফারসি। এর অর্থ: সমাজের দুঃস্থ ও নিঃস্বদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। সুফি-দরবেশদের খানকা বা আস্তানাকেও ফারসি ঐতিহ্যের সুবাদে লঙ্গর বলা হয়।

শিখদের বিশ্বাস নানকের যখন কুড়ি বছর বয়স, তখন তাঁর বাবা তাকে কিছু টাকা দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে বলেন। নানক দরিদ্র মানুষ দেখে বিচলিত ছিলেন। তাই তিনি টাকা দিয়ে গরীব-দুঃস্থদের আহারের ব্যবস্থা করলেন। বাবা জিজ্ঞেস করলেন, টাকা দিয়ে কী ব্যবসা করলে শুনি? নানক বললেন, টাকা দিয়ে দরিদ্র মানুষকে খাইয়েছি। এ-ই হল আসল ব্যবসা! এটি লঙ্গরের আদিকথা।

শিখরা বিশ্বাস করেন ক্ষুধার্ত থেকে ঈশ্বরের সাধনা-আরাধনা সম্ভব না। যে কারণে লঙ্গর ছাড়া গুরুদুয়ারা হয় না। কেবল প্রার্থনাসভা শিখদের কাছে মূল্যহীন। লঙ্গরে খেতে দেওয়া হয় রুটি, ডাল ও নিরামিষ। গুরু অঙ্গদের সময়ে অবশ্য মাংস দেওয়া হত। পরে মাংস বাদ দেওয়া হয়। এর কারণ, লঙ্গরে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লোকজন যেন আসতে পারে। লঙ্গর কেবল শিখদের জন্য নয়, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবারই জন্য।

লঙ্গরকে ‘গুরু কা লঙ্গর’ বলা হয়। গুরু মানে গুরু নানক। ঢাকায় যে গুরুদুয়ারা রয়েছে, সেখানেও প্রতি শুক্রবার লঙ্গরের ব্যবস্থা করা হয়। লঙ্গরের মূল উদ্দেশ্য মানবজাতির সেবা। লঙ্গরের রান্নাঘরকে বলা হয় ‘পবিত্র রান্নাঘর’ বা ‘হলি কিচেন। রান্নাবান্নার কাজটি করে শিখরাই, ‘হলি কিচেনে’ পেশাদার বাবুর্চির প্রবেশ নিষেধ।

রান্না ও খাবার পরিবেশনে এমনকি ছোট ছোট শিখ শিশুরাও অংশ নেয়।

দিল্লির গুরুদুয়ারার লঙ্গরে বছরের প্রতিটি দিনই দু’বার করে খাবার পরিবেশন করা হয়। প্রতিদিন এখানে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ মানুষের খাবার আয়োজন করা হয়। প্রতি সপ্তাহে এক কিংবা একাধিক শিখ পরিবার লঙ্গরের দায়িত্ব নেয়। পরিবারের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। তারা বাজার, রান্নাবান্না থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশনা, এমনকি ধোয়া মোছার কাজ পর্যন্ত করেন।

পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে প্রতিদিন একলাখ লোকের খাবারের আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন ২ লাখ রুটি ১৫০০ কেজি ডাল রান্না হয় আগতদের জন্য। পৃথিবীর সবচে বড় ফ্রি খাবার সার্ভিস এটি। প্রতিটি গুরুদুয়ারায় লঙ্গর আছে কিন্তু অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের লঙ্গর একটি আলাদা ব্যাপার। সাপ্তাহিক ছুটি ও অন্যান্য বন্ধের দিনে খাবারের পরিমান দ্বিগুণ হয়। লঙ্গর কখনো বন্ধ থাকে না।


আরও পড়ুনঃ


২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

ভারতে যেতে আর বাধা নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

করোনায় কাজ না থাকলেও কর্মীদের পুরো বেতন দিচ্ছেন নেইমার


অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের লঙ্গরে এক লাখ লোকের জন্য ৭০০০ কেজি আটা, ১২০০ কেজি চাল, ১৩০০ কেজি ডাল ৫০০ কেজি ঘি ব্যাবহার হয় খাবার তৈরিতে। এতে ১০০ এল পি জি সিলিন্ডার, ৫০০০ কেজি লাকড়ি আর রুটি তৈরিতে বৈদ্যুতিক মেশিন ব্যাবহার হয়।

এই সুবিশাল রান্না ঘর চালায় ৪৫০ জন কর্মী এবং মন্দির পরিদর্শনে আসা কয়েকশ স্বেচ্ছাবেী। এরা তিনলাখ প্লেট, চামচ, বাটি ধুয়ে দেন। এর অর্থ সারা পৃথিবী থেকে স্বেচ্ছায় দান হিসাবে পাঠানো হয়। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বছরে ১০ কোটি ডলার খরচ হয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর