ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ সিপিবি নেতার বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ সিপিবি নেতার বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফয়েজ উল্লাহর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দুই নেতা জলি তালুকদার এবং হজরত আলীর বিরুদ্ধে। সোমবার (৫ এপ্রিল) এর বিচারের দাবিতে সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকর্মী রাজধানীর পল্টনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

ছাত্র নেতারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) শ্রমিক নেতা জলি তালুকদার এবং হজরত আলী রোববার রাত ৯টার দিকে ফয়েজ উল্লাহকে পল্টনে অমর চাঁদ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে ঢেকে এনে মারধর করেন। তার দেহে আঘাতের চিহ্নও স্পষ্ট । এ দুই নেতার বিচারের দাবিতে তারা সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। এদিকে মারধরের শিকার ফয়েজ উল্লাহর ছবি সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।


এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ রোধে সারা দেশের যেখানে যা বন্ধ

দেশে প্রবেশ বন্ধ ইউরোপ ও ১২ দেশের নাগরিকের

পরিবারের করোনা উপসর্গে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছে : ওমর সানী

স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ওজনের শিশুর জন্ম


 

তবে অভিযুক্তরা তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এর আগে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ জানান, অবস্থান কর্মসূচি গতকাল রোববার রাত ১১টা থেকে শুরু হয়। তারা সিপিবির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন৷

এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।

news24bd.tv/আলী

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেপ্তার

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


এ নিয়ে হেফাজতের ১১ জন কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ও পুলিশ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজত!

অনলাইন ডেস্ক

নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজত!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক সফরকে কেন্দ্র করে সরকারের সঙ্গে চরম বিরোধে জড়িয়ে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। দেশজুড়ে চলে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা। আর এই তাণ্ডবের জন্য অভিযোগের আঙ্গুল উঠে হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে। এরপরই সরকার সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করে। গ্রেপ্তার করা হয় বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে। ধরপাকড়ের মুখে পড়ে 'কঠোর পথ' ছেড়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারা। 

দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, হেফাজতকে 'ভুল বোঝা' হচ্ছে। রাজনীতির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই, সরকারের বিরুদ্ধেও নন তারা- এটাই তারা সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন।

তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের কয়েকজন জানিয়েছেন, এজাহারভুক্তদের গ্রেপ্তার এবং সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই যখন অবস্থা তখন দলে নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে হেফাজতে ইসলাম। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন বাংলানিউজ২৪.কম-এর এক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, দেশজুড়ে তাণ্ডবের পর ব্যাপক সমালোচিত হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে যেকোন সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য কাউকে নেতৃত্বে আনার পাশাপাশি কওমি মাদরাসার ওপর থেকে দলটির একক কর্তৃত্ব বন্ধের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কওমি মাদরাসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত নেবে নির্ধারিত বোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। মাদরাসা পরিচালনায় কোনধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারবে না হেফাজতে ইসলাম।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১০ সালে হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু দলটির সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম রাজনৈতিক দলের দিকে মোড় নেয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হেফাজতের কমিটিতে যুক্ত হতে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে নতুন নেতৃবৃন্দ সরকারবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এ অবস্থায় হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটি যেকোন সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। 


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


নতুন নেতৃত্বে দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। দুটির একটি হলো- নেতৃত্বে এমন একজন ব্যক্তিকে খোঁজা হচ্ছে যিনি সব মহলে গ্রহণযোগ্য। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে-আল্লামা শফীর অনুসারী। 

নতুন কমিটিতে কারা স্থান পেতে পারেন সে বিষয়টিও সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে- অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ হেফাজতে ইসলামের কমিটিতে থাকতে পারবেন না, তাদের অবশ্যই হেফাজতের পদ ছাড়তে হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

(ছবি বাঁ-দিক থেকে) খালেদা জিয়া, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে যাওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন সংগঠনটির তৎকালীন মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

সোমবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটির তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলনের চেয়ারম্যান।

তার এই জবানবন্দিকে উদ্ধৃত করে দেশের গণমাধ্যমগুলো সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। আর এই জবানবন্দি ও প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যাচার উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

আজ ভোররাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ পত্রে এসব কথা বলা হয়।

প্রতিবাদপত্রে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম বলেন, হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বকে কলংকিত করতে মুফতি ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে পুলিশ মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করেছে। এই স্বীকারোক্তি একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়। দেশবাসী এমন মিথ্যা স্বীকারোক্তি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই মিথ্যাদাবির স্বপক্ষে কেউই কখনো কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ যাবত কোনো বৈঠক তো দূরের কথা, বাবুনগরী সামনাসামনি বেগম জিয়াকে কখনোই দেখেননি।


কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন

ফজিলতপূর্ণ ইবাদত তাহাজ্জুদের নামাজ

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া


মাওলানা তাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ইবাদত-বন্দেগীর মাসে হেফাজতের নেতাকর্মী ও হক্কানী উলামায়ে কেরামের উপর পুরনো মিথ্যা মামলা সচল করে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। গুটিকয়েক নীতি-আদর্শচ্যুত সাবেক নেতাকে এতে দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ ২০১৩ সাল বেশি দিন আগের ঘটনা নয়।

সরকার ও প্রশাসনের প্রতি হক্কানী উলামায়ে কেরামের উপর দমন-পীড়ন ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা এবং অপবাদ আরোপ বন্ধের দাবি জানান তিনি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা: ১৪ দল

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা: ১৪ দল

বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা। এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দমনে কোনো আপস নয়। দুধ দিয়ে সাপ পুষলে তার ফল কখনও শুভ হয় না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তরা।

ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছিল, আর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকারের অধীনেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, অসহযোগ আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের যে হাই কমান্ডকে জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন তাদের নিয়ে গঠন করা হয় মুজিবনগর সরকার। আর এই সরকারের অধীনেই কাজ করেছেন সকল সেক্টর ও সাবসেক্টর কমান্ডারসহ বিভিন্ন ফোর্স। আজ যে যত কথাই বলুক না কেন এরা সবাই ছিলেন মুজিবনগর সরকারের বেতনভুক্ত।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, নীতির প্রশ্নে শক্তভাবে দাঁড়ালে কোনো অশুভ শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। ২০১৩ সালের ৫ মে তাণ্ডবের পরই হেফাজত প্রশ্নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, চেতনাবোধ ও দেশপ্রেম সঠিকভাবে জাতীয় জীবনে প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা। সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দমনে কোনো আপস নয়। দুধ দিয়ে সাপ পুষলে তার ফল কখনও শুভ হয় না।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি-জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজ ভাণ্ডারি, গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক

মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাঁদা না পেয়ে জেলেদের মাছ ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে জিয়াউর রহমান (৩৩) নামে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে  জিয়াউর রহমানকে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।  

শনিবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে মাছ ছিনতাইয়ের এই এ ঘটনাটি ঘটে।  

এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল রাতে ভুক্তভোগী জেলে রহমত আলী বাদী হয়ে জিয়াকে প্রধান আসামি করে আরও একজনকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।  

অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান উপজেলার দোয়ানী পিত্তিফাটা এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে। এছাড়া সে উপজেলা ছাত্রলীগের দোয়ানী ইউনিটের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি। তবে সে ছাত্রলীগের কেউ নন বলে দাবি করেন হাতীবান্ধা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি।

থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় অসহায় গরীব ২২ জন জেলেদের নিয়ে গঠিত দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ মৎসজীবী সমবায় সমিতি। সেই সমিতির সভাপতি জেলে রহমত আলীর নেতৃত্বে ব্যারাজের পিছনের তিস্তা নদী থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন সমিতির সকলে। প্রায় বছর দুয়েক আগ থেকে চাঁদার জন্য জেলেদের নদী থেকে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে আসছেন জিয়া গং। এরই মাঝে বেশ কয়েকবার চাঁদার টাকা না পেয়ে ঝামেলা করে জোর পূর্বক ২-৩ কেজি বৈরালী মাছ নিয়ে চলে যায়। টাকাতো দেননা উল্টো ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তিনি।

গত ১৯ এপ্রিল জেলেরা তিস্তা ব্যারাজ এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলো। এ সময় জিয়াসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে মাছ ধরতে বাধা দেন। যদি দশ হাজার টাকা না দেয় তাহলে মাছ ধরতে পারবে না বলে জানান। এতে রহমত আলীসহ অন্যান্যরা চাঁদা দিকে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এতে জিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে জেলেদের ধরা ৮শত টাকা মূল্যের বৈরালী মাছ জোরপূর্বক নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে এতে বাধা দেন রহমত। ফলে জিয়া গং রহমের উপর হামলা চালিয়ে মারধর শুরু করে।

এ সময় গড্ডিমারী ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান ছুটে এসে রহমতকে রক্ষা করে জিয়াকে চলে যেতে বলে। কিন্ত জিয়া চলে না গিয়ে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্যের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান।  

এ বিষয়ে উপজেলার দোয়ানী ইউনিট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, ওরা নিজেরাই চলতে পারে না। কোন রকম মাছ ধরে দিন পার করে। ওরা দশ হাজার টাকা কই পাইবে। আমি তাদের কাছে কোন চাঁদা দাবি করিনি। এটা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে আহত ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, ওই জিয়া প্রায় জেলেদের উপর অবিচার করে। জেলেরা অনেক কষ্টে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা দশ হাজার টাকা কই পাবে। উল্টো টাকা ছাড়া মাছ নিয়ে যায়। বাধা দেয়ায় রহমতকে মারধর করে। আমিও বাধা দিতে গিয়ে জিয়ার মারধরের স্বীকার হই। আমি জিয়ার বিচার চাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি,  তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর