মির্জা কাদেরের শতাধিক অনুসারীকে পৌর ভবন থেকে বের করে দিল প্রশাসন

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মির্জা কাদেরের শতাধিক অনুসারীকে পৌর ভবন থেকে বের করে দিল প্রশাসন

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার শতাধিক অনুসারীকে বসুরহাট পৌরসভা ভবন থেকে বের করে দিয়েছে প্রশাসন।

(৫ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে মির্জা অনুসারী বহিরাগতদের বসুরহাট পৌরসভা ভবনের বের করে দেয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এর আগে, পৌর ভবনে অভিযান করে জেলা পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তারা।

পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা আ.লীগ ও কাদের মির্জার মধ্যে বিবদমান দ্বন্ধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন থেকে মির্জা কাদেরের শতাধিক অনুসারী আ.লীগ নেতাকর্মী পৌরসভা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থান করে আসছিল। সন্ধ্যায় ফের দু’গ্রুপের মধ্যে বসুরহাট পৌরসভার করালিয়া এলাকায় সংঘর্ষ হলে দু’পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পৌর ভবনে বহিরাগতদের ভিড় বাড়তে থাকে।

এক পর্যায়ে  রাত ৯টার দিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা পৌর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে মির্জা কাদেররের অনুসারী বহিরাগতদের পৌর ভবন ছাড়তে ৫ মিনিটের সময় বেধে দিয়ে মাইকিং করে প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মির্জা কাদেরের অনুসারীরা পৌরসভা ভবন ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।


ধর্মের নাম নিয়ে অধর্ম কাজ জনগণ মেনে নেবে না: প্রধানমন্ত্রী

সমস্যা হলো কে কার বউ নিয়ে গেল তাই তো?

প্রথম বউয়ের অনুমতি ছাড়া গোপনে বিয়ে করা কি বেআইনি নয়!

মামুনুলের ঘটনা প্রমাণ করে হেফাজতের নেতৃত্ব কতটা নষ্ট ও ভন্ড: তথ্যমন্ত্রী


 

অভিযানে অংশ নেয়, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.শামীম কবির,  সহকারী পুলিশ সুপার (হাতিয়া সার্কেল) মো.ফারুক, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুপ্রভাত চাকমা, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি, পরিদর্শক (তদন্ত) মো.রবিউল হক।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জিয়াউল হক মীর জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে করোনাকালীন সময়ে শতাধিক বহিরাগত ব্যক্তি এক সাথে পৌর ভবনে অবস্থান করায় তাদেরকে পৌর ভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক

মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাঁদা না পেয়ে জেলেদের মাছ ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে জিয়াউর রহমান (৩৩) নামে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে  জিয়াউর রহমানকে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।  

শনিবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে মাছ ছিনতাইয়ের এই এ ঘটনাটি ঘটে।  

এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল রাতে ভুক্তভোগী জেলে রহমত আলী বাদী হয়ে জিয়াকে প্রধান আসামি করে আরও একজনকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।  

অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান উপজেলার দোয়ানী পিত্তিফাটা এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে। এছাড়া সে উপজেলা ছাত্রলীগের দোয়ানী ইউনিটের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি। তবে সে ছাত্রলীগের কেউ নন বলে দাবি করেন হাতীবান্ধা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি।

থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় অসহায় গরীব ২২ জন জেলেদের নিয়ে গঠিত দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ মৎসজীবী সমবায় সমিতি। সেই সমিতির সভাপতি জেলে রহমত আলীর নেতৃত্বে ব্যারাজের পিছনের তিস্তা নদী থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন সমিতির সকলে। প্রায় বছর দুয়েক আগ থেকে চাঁদার জন্য জেলেদের নদী থেকে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে আসছেন জিয়া গং। এরই মাঝে বেশ কয়েকবার চাঁদার টাকা না পেয়ে ঝামেলা করে জোর পূর্বক ২-৩ কেজি বৈরালী মাছ নিয়ে চলে যায়। টাকাতো দেননা উল্টো ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তিনি।

গত ১৯ এপ্রিল জেলেরা তিস্তা ব্যারাজ এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলো। এ সময় জিয়াসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে মাছ ধরতে বাধা দেন। যদি দশ হাজার টাকা না দেয় তাহলে মাছ ধরতে পারবে না বলে জানান। এতে রহমত আলীসহ অন্যান্যরা চাঁদা দিকে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এতে জিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে জেলেদের ধরা ৮শত টাকা মূল্যের বৈরালী মাছ জোরপূর্বক নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে এতে বাধা দেন রহমত। ফলে জিয়া গং রহমের উপর হামলা চালিয়ে মারধর শুরু করে।

এ সময় গড্ডিমারী ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান ছুটে এসে রহমতকে রক্ষা করে জিয়াকে চলে যেতে বলে। কিন্ত জিয়া চলে না গিয়ে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্যের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান।  

এ বিষয়ে উপজেলার দোয়ানী ইউনিট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, ওরা নিজেরাই চলতে পারে না। কোন রকম মাছ ধরে দিন পার করে। ওরা দশ হাজার টাকা কই পাইবে। আমি তাদের কাছে কোন চাঁদা দাবি করিনি। এটা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে আহত ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, ওই জিয়া প্রায় জেলেদের উপর অবিচার করে। জেলেরা অনেক কষ্টে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা দশ হাজার টাকা কই পাবে। উল্টো টাকা ছাড়া মাছ নিয়ে যায়। বাধা দেয়ায় রহমতকে মারধর করে। আমিও বাধা দিতে গিয়ে জিয়ার মারধরের স্বীকার হই। আমি জিয়ার বিচার চাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি,  তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী চৌধুরীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায়  উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান বাদী থানায় মামলা করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে খিজির হায়াত খান বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

মামলায় কাদের মির্জার অনুসারী যুবলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন মিকনকে প্রধান আসামি, তার সহযোগী শহিদ উল্যাহ রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল, কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা, ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০-৩০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শেখ তন্ময়ের পক্ষে রাজধানীতে ইফতার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক

শেখ তন্ময়ের পক্ষে রাজধানীতে ইফতার বিতরণ

বাগেরহাট-২ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের পক্ষ থেকে রাজধানীতে অসহায় দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে লকডাউন চলাকালীন সময়ে অসহায় ও দুস্থদের জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিবাস মজুমদার উদ্যোগে চার শতাধিক মানুষের মাঝে রাজধানীর কমলাপুর এলাকায় ইফতারি ও খাদ্য বিতরণ করা হয়। 

এসময় দক্ষিণ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিবাস মজুমদার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তারুণ্যের অহংকার বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য  শেখ তন্ময়ের নির্দেশে রাজধানীর কমলাপুর এলাকার আশেপাশে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই বাগেরহাটে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় রোগীর কাছে চিকিৎসক পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ধারাবাহিকতায় এখন অন্যান্য এমপিরা তাদের নিজ এলাকায় বাস্তবায়ন করা শুরু করেছেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছেন। তাই চলমান পরিস্থিতিতে  অসহায় মানুষেরা ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারছে না তাই যতটুকু পারি আমরা ওনার নির্দেশে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। পুরো রমজান এবং করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালে যতটুক সম্ভব অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতার জবানবন্দি

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সরাসরি হেফাজতের কর্মসূচীতে ঢুকে জ্বালাও পোড়াও করে সরকারের পতন ঘটাতে চেয়েছিল। শাপলা চত্বরের সমাবেশের ঠিক এক সপ্তাহ আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন জুনায়েদ বাবুনগরী। বিএনপির পক্ষ থেকে ওই আন্দোলনে জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয় বলে  আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলাম। 

গত সোমবার মুখ্য মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুফতি ফখরুল বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র সেই সহিংসতায় তৎকালীন বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক শীর্ষ নেতা অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন। সহিংসতায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও।

 গত ১৪ এপ্রিল লালবাগ এলাকা থেকে মুফতি ফখরুলকে গ্রেফতারের পর পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে সোমবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

সরকার কোনো আলেম বা ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করছে না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতিকারীদের বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ।

‘সরকার ধর্মীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করছে’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ।

আজ রাজধানীতে সরকারি বাসভবন থেকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এটুআই আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক অনলাইন কর্মশালা উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে সমস্ত দুষ্কৃতকারী ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সমগ্র দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে, নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি, সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে, ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পুড়িয়েছে, ফায়ার স্টেশন ও রেল স্টেশনে হামলা করে ক্ষতি করেছে এবং যারা মানুষের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, তাদের এবং তাদের নির্দেশদাতাদের সরকার গ্রেপ্তার করছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোনো ভালো আলেম এসব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, আলেমের মুখোশধারীরাই এসবে যুক্ত এবং সরকার তাদেরকেই গ্রেপ্তার করছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এর আগে বাসসের কর্মশালায় দেওয়া বক্তব্যে সংস্থাটির সব জেলা প্রতিনিধির ল্যাপটপ সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেন। বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড. আব্দুল মান্নান অনলাইনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর