তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বোরো ধান নষ্ট, কৃষকের কান্নার রোল

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বোরো ধান নষ্ট, কৃষকের কান্নার রোল

ধানের পরাগায়নের সময় কালবৈশাখী ঝড়ে আবহাওয়ার তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ১২৫ হেক্টর বোরো ধান নষ্ট হবার পথে। এ পর্যন্ত ওই উপজেলায় প্রায় ১২’শ কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আশঙ্কার কথা নষ্ট হওয়া জমির পরিমাণ দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে কৃষকদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের চেয়ে অধিক বৃদ্ধি পাওয়ায় আগাম জাতের বোরো ধানের শীষ সাদা বর্ণ হয়ে গেছে। এ উপজেলায় মাওহা, সহনাটি, বোকাইনগর , রামগোপালপু ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি কৃষকের বোরো ফসল নষ্ট হয়েছে। এছাড়া ২নং গৌরীপুর, ডৌহাখলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে আংশিক অংশে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১২’শ কৃষকের আনুমানিক ১২৫ হেক্টর বোরো ধান ক্ষতি হবার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কৃষকদের বোরো ধান ক্ষেতে সার্বক্ষণিক পানি ধরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন এ কৃষি কর্মকর্তা।

একদিনে ঝরল আরও ৫২ প্রাণ

দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড গড়ল করোনা

দেশে ফের করোনা শনাক্তের রেকর্ড

গৌরীপুর ইউনিয়নের বর্গাচাষী রবিকুল ইসলাম (৪৫) জানান, তিনি ৫০ শতক জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। তার সম্পূর্ণ বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোর কথা ভেবে তিনি অনেকটাই দিশেহারা।

রামগোপালপুর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের কৃষক আক্কাছ আলী জানান, ধার দেনা করে তিনি ১০০ শতক জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। এখন আর কিছুই নেই।

এছাড়া ফসল বিনষ্ট হয়েছে বোকাইনগর ইউনিয়নে কাশিমপুর গ্রামের কৃষক মুক্তার উদ্দিন, মাওহা ইউনিয়নের কৃষক আবু ছিদ্দিক, এমদাদুল হক, আর্শেদ আলীসহ আরও শত শত কৃষকের। সামনের দিনে নিজেদের খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সরকারের কাছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানায় ভুক্তভোগী কৃষকরা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এলাকা না ছাড়তে ব্যাংক কর্মচারীদের কড়া নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

এলাকা না ছাড়তে ব্যাংক কর্মচারীদের কড়া নির্দেশ

আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে সরকার ঘোষিত ৭ দিনের কঠোর লকডাউন। এসময় সরকারি নির্দেশনায় জরুরী সেবা ছাড়া সকল কিছুই বন্ধ থকাবে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তাই সব কিছুর মতো বন্ধ থাকছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও।

লকডাউনের ঘোষণা আসতেই শহর ছেড়ে গ্রামে ছুটতে শুরু করেছে মানুষ। যাতে করে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। সব কিছু বিবেচনা করে লকডাউনের এই সময়টাতে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্ম এলাকায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গতকাল সোমবার বিধিনিষেধ সম্বলিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে সাধারণভাবে সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এসময় ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর, বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা উপশাখা বুথসমূহ খোলা রাখার বিষয়ে বন্দর/কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। উক্ত ব্যাংকিং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্ব স্ব ব্যাংক প্রয়োজনীয়তার নিরিখে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সীমিত সংখ্যক জনবল দ্বারা খোলা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন


ব্যাংকে লেনদেন ৩টা পর্যন্ত, কাল থেকে সব বন্ধ

জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সন্ধ্যায়

শহর থেকে দলে দলে গ্রামে ছুটলে লকডাউনের মানে হয় না

‘দ্রুত মার্কিন সেনা বহিষ্কার ইরাকে স্থিতিশীলতা ফিরবে’


এছাড়ও, এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদের চালু রাখার সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহায়তায় এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা সার্বক্ষণিক চালু রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, জরুরিসেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস এবং গণপরিবহন ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্যাংকে লেনদেন ৩টা পর্যন্ত, কাল থেকে সব বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাংকে লেনদেন ৩টা পর্যন্ত, কাল থেকে সব বন্ধ

সরকারি নির্দেশনায় আগামিকাল ১৪ এপ্রিল বুধবার থেকে ৭ দিনের লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। এসময় সরকার ঘোষিত সব কিছুর পাশাপাশি বন্ধ থাকছে সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সে অনুসারে আজ মঙ্গলবার ব্যাংকগুলোর শেষ কার্যদিবস।

শেষ কার্যদিবসে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে বিকেল ৩টা পর্যন্তই লেনদেন করা যাবে। লকডাউনের কারণে সকাল থেকেই ব্যাংকের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

আরও পড়ুন


জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সন্ধ্যায়

শহর থেকে দলে দলে গ্রামে ছুটলে লকডাউনের মানে হয় না

‘দ্রুত মার্কিন সেনা বহিষ্কার ইরাকে স্থিতিশীলতা ফিরবে’

হবিগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য হলেন কানাডা প্রবাসী মাহমুদ


বেশির ভাগ ব্যাংকেই বাইরে গ্রাহকের লম্বা লাইন। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানালেন, গ্রাহকের চাপ রয়েছে, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে বলে বাইরে গ্রাহকের লাইনটা বড় হচ্ছে।

এর আগে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন শুরুর আগে চাপ বাড়তে পারে, এ কারণে গতকাল সোমবার রাতে ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আজও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

আজও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক

আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। গত ১১ এপ্রিল এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সেখানে বলা হয়, ‘আগামী ১২ এপ্রিল হতে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলো।’

‘এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে তিনটা পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে।’

লেনদেনে বিধিনিষেধ দেওয়ার পর ব্যাংকিং লেনদেন ছিল সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। তবে এই স্বল্প সময়ের কারণে শাখা পর্যায়ে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়িয়েছে।


একদিনে হেফাজতের ৪ নেতা আটক

বোনকে খুঁজে না পেয়ে ভাইয়ের জিডি, বলছেন তার বোনকেও বিয়ে করেছেন মাওলানা মামুনুল

সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

সক্রেটিস আইন মেনে মরলেন, রফিকুল আইন মানেন না


পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের সান্ধ্যকালীন ও সাপ্তাহিক ছুটিকালীন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। এ ছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার কার্যক্রম কীভাবে চলবে, ব্যাংকগুলো তা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

এই সময়ে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত অর্থ ও অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম সার্বক্ষণিক চালু রাখতে উদ্যোগ নিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার

অনলাইন ডেস্ক

১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার

করোনার সংক্রণে রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’র বিষয়ে আদেশ জারি করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ বন্ধ থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। এই সাতদিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর তাই বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের কার্যক্রমও।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ব্যাংক ছাড়া পুঁজিবাজারের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই আমরা চাইলেও এ সময়ে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবো না। তবে, ব্যাংক খোলার সাথে সাথে আমরা বাজারের কার্যক্রম শুরু করব।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সন্ধ্যা ৬টায় বলেন, সব শাখা বন্ধ থাকবে। আমদানি-রপ্তানিতে ব্যাংকের প্রয়োজন হলে চাহিদা মোতাবেক শাখা খোলা যাবে। তবে এতেও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ ভাবে মানতে হবে।

তবে এই সময়ে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি রপ্তানিকারকদের প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করা শাখা (এডি) নির্দিষ্ট দিনের জন্য খোলা রাখা যাবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংক খোলা রাখার ব্যাপারে নির্দেশনা দেবে না।

সর্বাত্মক লকডাউনে মেনে চলতে হবে যেসব বিধিনিষেধ-

১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোরর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (সরাসরি/অনলাইন) করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারা দেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবী নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

উপর্যুক্ত নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় করে আজ (সোমবার) থেকে শেয়ারবাজারে আড়াই ঘণ্টার লেনদেন চলছে। মঙ্গলবারও আড়াই ঘণ্টা লেনদেন হবে। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহ ব্যাংক বন্ধের কারণে শেয়ারবাজারেও লেনদেন বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

করোনার সংক্রণে রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’র বিষয়ে আদেশ জারি করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।  ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ বন্ধ থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। এই লকডাউনে দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এ সময় ব্যাংক শাখার পাশাপাশি আর্থিক সেবা দেওয়া ব্যাংকের সকল উপ-শাখা, বুথ ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং সেবাও বন্ধ থাকবে। তবে সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ অনলাইন সব সেবা। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

তবে এই সময়ে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি রপ্তানিকারকদের প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করা শাখা (এডি) নির্দিষ্ট দিনের জন্য খোলা রাখা যাবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংক খোলা রাখার ব্যাপারে নির্দেশনা দেবে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সন্ধ্যা ৬টায় বলেন, সব শাখা বন্ধ থাকবে। আমদানি-রপ্তানিতে ব্যাংকের প্রয়োজন হলে চাহিদা মোতাবেক শাখা খোলা যাবে। তবে এতেও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ ভাবে মানতে হবে।

১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করে সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিন দেশের সব অফিস-আদালত, শপিংমল, দোকানপাট, হাটবাজার বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সবধরনের পরিবহন চলাচল। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে পোশাক কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখা যাবে।

সর্বাত্মক লকডাউনে মেনে চলতে হবে যেসব বিধিনিষেধ-

১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোরর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (সরাসরি/অনলাইন) করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারা দেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবী নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

উপর্যুক্ত নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর