দোকান খোলা রাখার দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক

দোকান খোলা রাখার দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের বিধিনিষেধের কারণে দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এদিকে দোকান খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ অব্যহত রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চাঁদনী চক শপিং কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ী ও দোকানমালিকেরা।

তাদের দাবি দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হোক।

এর আগে লকডাউনের প্রথম দিন সোমবার সকালে নিউমার্কেটের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। 

এর আগে গতকাল রোববার দুপুরের পর অবিলম্বে লকডাউন প্রত্যাহার দাবিতে ব্যবসায়ীরা মিছিল বের করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকালেও রাস্তায় নামেন তারা।


একদিনে ঝরল আরও ৫২ প্রাণ

দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড গড়ল করোনা

দেশে ফের করোনা শনাক্তের রেকর্ড


কামাল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘সরকার ভাবুক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান না টিকলে দেশও টিকবে না। আমরা নির্দিষ্ট একটা সময় মার্কেট খোলা রাখতে চাই। রমজানে দোকান খোলা না থাকলে কী হবে, জানি না। গত বছরের ক্ষতিই পুষিয়ে উঠতে পারিনি।’ এ কথা বলেই কেঁদে ফেলেন গ্লোব শপিং কমপ্লেক্সের এই ব্যবসায়ী।

দিলশাদ আফরিন একজন নারী উদ্যোক্তা। তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন বিক্ষোভে যোগ দিতে। সেখানে তাঁর একটি কাপড়ের কারখানা আছে।

দিলশাদ নিউমার্কেট ও চাঁদনী চকের বিভিন্ন দোকানে কাপড় সরবরাহ করেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মতো হাজারো নারী উদ্যোক্তা ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। উদ্যোক্তা হয়েছে। অনেক নারী উদ্যোক্তাই এখন খেয়ে না খেয়ে আছে।’ এ অবস্থায় মার্কেট বন্ধ থাকলে তাঁদের ঋণ শোধ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে জানান তিনি। দিলশাদ অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার নাকি নারীদের বিভিন্ন সুবিধা দিচ্ছে। আমরা তো সেসব সুবিধা পাচ্ছি না।’

চাঁদনী চক বিজনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, গত বছরের সাধারণ ছুটি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ধাক্কা জানুয়ারি মাস থেকে একটু একটু করে সামলে উঠছেন তাঁরা।

মনির হোসেন আরও বলেন, ‘আমাদের কাপড়টা পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে যাবে। তারপর কাস্টমাররা কিনবেন, তারপর টেইলরের কাছে বানাতে দেবে। আমাদের পিক আওয়ার এখন।’

মনির হোসেন জানান, থ্রিপিস এবং অন্যান্য জামা ১০ থেকে ১৫ রোজার পর আর বিক্রি হয় না। কারণ, টেইলরের কাজ থাকে পরে। টেইলর যদি অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দেন, তখন তাঁদের কাপড়ও কেউ কিনবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে বিনিয়োগ করেছি, সেই টাকা কাপড় প্রস্তুতকারী, ব্যাংকের ঋণ, দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, পারিবারিক খরচ—এগুলোর পেছনে খরচ করা হয়। সব মিলিয়ে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। এমনকি আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রীয় প্রণোদনাও পাই না।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ছাড়

অনলাইন ডেস্ক

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ছাড়

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধেও ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো গ্রাহক মার্চ প্রান্তিকের ঋণের কিস্তি জুনের মধ্যে পরিশোধ করলেও তাকে খেলাপি করা যাবে না।

সিডিউল অনুযায়ী, কিস্তি না দিলে নিয়মিত সুদের বাইরে দণ্ডসুদও নেওয়া যাবে না। 

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কা শুরুর পর ২০২০ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা ঋণ পরিশোধ না করলেও খেলাপি না করার ঢালাও সুবিধা দেওয়া হয়। প্রথমে জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে পরে ২ দফায় তা ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এবার ঢালাও সুবিধা না দিলেও কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে।


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটুনির ১মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

একদিনে করোনা শনাক্ত ৪৫৫৯

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯১ জন


এর আগে গত ২৪ মার্চ অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে কিছু শিথিলতা আনা হয়।

মঙ্গলবারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ, লিজ বা অগ্রিম শ্রেণিকরণ বিষয়ে ইতিপূর্বে কিছু শিথিলতা আনা হয়েছিল। করোনাভাইরাসজনিত কারণে সাময়িকভাবে ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যার সম্মুখীন হওয়া গ্রাহকরা মার্চের কিস্তি ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। বিদ্যমান নিয়মে সুদ নিতে হবে। বিলম্বে পরিশোধের কারণে কোনো ধরনের দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে মাশরুম চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষিদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার মহামারিতে কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মাশরুম চাষ করে বেশ সারা ফেলেছে যুবক আমিনুল ইসলাম মিলন। উত্তরের এই জনপদে মাশরুম চাষ করে সাফল্য পাওয়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। মাশরুম বাজারজাত করা এবং মাশরুমের উপকারিতা প্রচার বৃদ্ধি পেলে জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন মাশরুম বড় ভূমিকা রাখবে বলে অভিমত বিশিষ্টজনদের।   

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীর ঝাড় সড়ক কাটা গ্রামের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম মিলন। করোনার প্রভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি হারিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করেন। প্রায় সোয়া লাখ টাকা খরচ করে অবকাঠামো তৈরি করে ৬০০ মাশরুম স্পন দিয়ে শুরু করেন উৎপাদনের কার্যক্রম। মাশরুমের প্রথম ফলনেই প্রায় ৮০ হাজার টাকার মাশরুম বিক্রি করেন তিনি।

মাশরুম একটি মৃতজীবী ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ। এর মধ্যে রয়েছে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন এবং মিনারেলসহ  বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। যা চাষে আর্থিক লাভবানসহ বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পেলে কুড়িগ্রামে বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম চাষ বৃদ্ধি পাবে। এতে দারিদ্রপীড়িত খ্যাত উত্তরের এই জনপদে বেকারত্ব কমবে পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।


সাতদিনের রিমান্ডে মাওলানা মামুনুল হক

এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


লাভ ও আত্মকর্মসংস্থান তৈরি হওয়ায় জেলার অনেকেই এখন মাশরুম চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে জানালেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

মাশরুম বাজারজাত করা এবং মাশরুমের উপকারিতা প্রচার বৃদ্ধি পেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মাশরুম বড় ভূমিকা রাখবে অভিমত বিশিষ্টজনদের।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় চাহিদা অনুযায়ী মিলছে না টিসিবির পণ্য

সোহান আহমেদ কাকন, নেত্রকোনা:

নেত্রকোনায় চাহিদা অনুযায়ী মিলছে না টিসিবির পণ্য। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষদের অভিযোগ, করোনা মহামারীর এই সময়ে চাহিদা কয়েক গুন বৃদ্ধি পেলেও পন্য সরবরাহ অনেক কম। 

এ কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে অনেককে। তবে পর্যাপ্ত ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে চলমান সংকট নিরসনে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

নেত্রকোনায় এভাবেই দীর্ঘক্ষন লাইনে দাড়িয়ে টিসিবির পন্য কেনার জন্য অপেক্ষা করেছেন নারী-পুরুষ সহ সব বয়সী মানুষ। সপ্তাহে ৫ দিন  শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে থেকে তেল, চিনি, ডাল, পেয়াজ ও ছোলা বিক্রি করছে টিসিবির ডিলাররা।

নিন্ম আয়ের মানুষদের অভিযোগ, লকডাউন ও রোজার কারণে এসব পন্যর চাহিদা কয়েকগুন বাড়লেও সরবরাহ খুবই কম। এ কারণে দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। তবে আরও ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে চলমান সংকট নিরসনে ব্যবস্থা নেয়ার আশস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

শুধু আশ্বাস নয়, জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে পর্যাপ্ত  পণ্য সরবরাহে ব্যবস্থা নিবে কতৃপক্ষ এমন  প্রত্যাশা নিন্ম ও মধ্য আয়ের মানুষদের।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই: অ্যাপেক্স এমডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই: অ্যাপেক্স এমডি

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর

‘বাংলাদেশের করব্যবস্থা চূড়ান্ত রকমের ব্যবসা–অবান্ধব’ উল্লেখ করে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেছেন, আমরা যারা বাংলাদেশে ব্যবসা করি, কাল থেকে কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই।

অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) উদ্যোগে শনিবার (১৭ এপ্রিল) এক ভার্চ্যুয়াল সভায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (আরএপিআইডি) ও এশিয়া ফাউন্ডেশন-‘পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য ও উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যাত্রাকে মসৃণ করতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)’ শীর্ষক এ আলোচনা সভাটির আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নিহাদ কবীর, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আরএপিআইডির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,  ‘বাংলাদেশের করব্যবস্থা চূড়ান্ত রকমের ব্যবসা–অবান্ধব। এ কারণে ব্যবসা বন্ধ করেই দেওয়া উচিত। আমরা যারা বাংলাদেশে ব্যবসা করি, আমরা কাল থেকে কান ধরে ছেড়ে দিতে চাই। লাভ হোক আর লোকসান, যা-ই হবে, কর দিয়েই যাবেন। যারা কর দেয় না, তারাই ভালো থাকবে। তারা আরও বড় বড় ব্যবসা করবে আর আমরা মরব। এই ধরনের ব্যবসার মধ্যে আর আমরা নেই। করব্যবস্থা ঠিক করেন। অন্যথায় বর্তমান ব্যবসাই থাকবে না, নতুন বিনিয়োগের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

তিনি বলেন,  বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যদি কর সংগ্রহকারী হিসেবে থাকে এবং সারা জীবন শুধু বলে “শুনছি”, কিন্তু বাস্তবে কোনো প্রতিফলন না দেখি, তার মানে বাংলাদেশে আপনারা কোনো বিনিয়োগ চান না। বলে দেন, আমরা বন্ধ (কারখানা) করে ট্রেডার হয়ে যাই। কারণ, ট্রেডিং ব্যবসা ভালো। উৎপাদন করে এই মরার খাটুনি যুক্তিসংগত নয়।’


এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যে ৩ প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিলেন মাওলানা মামুনুল


পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়ে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি করেছিল। একই সময়ে ভিয়েতনামের জুতা রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের। তাদের শীর্ষ পাঁচটি জুতা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগে। ভিয়েতনামে যৌথ বিনিয়োগে স্থাপিত একটি কোরিয়ান কোম্পানি ১০০ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি করে। আর আমরা সারা বছর সবাই মিলে সেই পরিমাণ জুতা রপ্তানি করছি। এটিই আসলে এফডিআইয়ের মূল শক্তি।’

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর আরও বলেন, ‘করোনার কারণে সারা বিশ্বে এফডিআইয়ের হার অর্ধেক হয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ আছে। বিধিনিষেধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্র্যান্ড চীনের কাপড় নেবে না। সে জন্য ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশে বস্ত্রকল হচ্ছে। বাংলাদেশ সেই সুযোগ নিতে পারে। তা ছাড়া মিয়ানমার থেকে ব্যবসা ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ এখনই।’

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লিচুর ফলন কম হওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিনাজপুরের বাগানিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরে লিচুর ফলন তুলনামূলক কম হওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বাগানিরা। তার উপর গেলো দুই তিন বছর রোজার মাসে লিচু পাকায় বেশ লোকসান গুণতে হয়েছে তাদের। পাশাপাশি একদিকে করোনা অন্যদিকে ফলন বিপর্যয় নিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছেন তারা। তবে এবার বাজার মূল্য ভালো পেলে ক্ষতি অনেকটা কাটিয়ে উঠা সম্ভব বলে মনে করছেন লিচু চাষিরা।  

লিচুর জেলা হিসেবে পরিচিতি দিনাজপুর। জেলার ১৩টি উপজেলাতেই কম-বেশি লিচু বাগার রয়েছে। তবে দিনাজপুর সদর ও বিরল উপজেলায় বাগানের সংখ্যা বেশি। এই অঞ্চলে বম্বাই, মাদ্রাজী, বেদানা, কাঠালী, চায়না থ্রীসহ বিভিন্ন জাতের লিচুর বাগান রয়েছে। থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা সবুজ রঙ্গের লিচু যেন অপেক্ষায় রয়েছে জ্যৈষ্ঠ মাসের।

লিচু পাকতে এখনো সময় লাগবে দেড় মাসেরও বেশি। তাই বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন বাগান মালিকেরা।

তবে এ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বম্বাই জাতের লিচু হয়ে থাকে। এবার সেই বম্বাই জাতের লিচু ফলন অনেক কম আসায় বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লিচু চাষিরা।  তবে অন্যান্য জাতের লিচুর ফলন ভালো হওয়ায় এবং সময় মত দাম পেলে ক্ষতি অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছেন লিচু চাষি ও বাগানিরা।


যাদের সন্দেহ করছেন নাম বলুন: মির্জা আব্বাসকে কাদের

করোনায় মারা গেলেন একুশেপদপ্রাপ্ত অভিনেতা এসএম মহসিন

যে সিনেমা নায়ক ওয়াসিমকে সুপারস্টারের খ্যাতি এনে দেয়

বিলবাওকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা খরা ঘুচালো বার্সা


বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আশানুরুপ ফলনের কথা জানালেন স্থানীয় কৃষি অফিসার।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে এ জেলায় ছোট বড় সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে এবং লিচুর গাছের সংখ্যা সাড়ে সাত লাখ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর