ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চা

অনলাইন ডেস্ক

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চা

চা পান করে অনেকেই দিন শুরু করেন। সকালে ঘুমের আমেজ কাটাতে এবং এনার্জি বৃদ্ধির জন্য অনেকেই চা পান করে থাকেন। তবে চা কেবল ক্লান্তি দূর করে না, পাশাপাশি এটি আমাদের ত্বককেও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।

আজ আপনাদের এমন কয়েকটি চায়ের কথা জানাব, যা আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।

গ্রিন টি

গ্রিন টি পান করলে শরীরে ফ্যাট জমে না। এটি মুখের ত্বক উজ্জ্বল করে। তাই সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য এই চা দিয়ে দিন শুরু করুন।

ব্ল্যাক টি

দুধ চা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব একটা ভাল নয়। বরং গ্লোয়িং ত্বক পেতে ব্ল্যাক টি দিয়ে দিন শুরু করুন। ব্ল্যাক টি পান করলে হজম ঠিক থাকে, পাশাপাশি শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায়। এক কাপ জল, আধা চামচ চা পাতা, লেবুর রস নিন। জল গরম করে, এতে চা পাতা দিন। এই চায়ে চিনি ব্যবহার করবেন না। জল ফুটতে শুরু করলে, এটি ছেঁকে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন।


আরও পড়ুনঃ


তিন পুরুষাঙ্গ নিয়ে শিশুর জন্ম!

টাকা আছে বলেই সব কিনে ফেলতে হবে!

গৃহবন্দি থাকার দুইদিনের মাথায় আনুগত্য প্রকাশ

একমত হইনি বলে দালাল হিসেবে সমালোচিত হয়েছি


পুদিনা পাতার চা

পুদিনা পাতার চা পান করলে ত্বক ফ্রেশ থাকে। স্ট্রেস কমাতে এবং গ্লোয়িং ত্বকের জন্য আপনি পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। কয়েকটা পুদিনা পাতা, আধা চা চামচ গোলমরিচ, আধা চা চামচ বিটনুন, দুই কাপ জল নিন। অল্প আঁচে জল গরম করুন। এতে পুদিনা পাতা, গোলমরিচ এবং বিট লবণ দিন। কিছুক্ষণ ফোটান। তারপরে এটি ছেঁকে পান করতে পারেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কালোজিরা: প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক

অনলাইন ডেস্ক

কালোজিরা: প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক

কালোজিরাকে বলা হয় সব রোগের মহৌষধ। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) কালোজিরা সম্পর্কে বলেছেন, কালোজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগেরই মহৌষধ।

কালোজিরা আমাদের শরীরে অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কালোজিরায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড; যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর। কালোজিরার অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আমাদের বিভিন্ন রকম ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, কাশি; এসব থেকে আমাদের মুক্ত রাখে। যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে, তারা যদি কালোজিরা খেয়ে থাকেন, তাহলে এই সমস্যা দূর হবে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী কালোজিরা। কালোজিরায় রয়েছে লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড। আমাদের প্রতিদিনকার বিভিন্ন রকমের স্ট্রেস আসে বা আলট্রাভায়োলেট রে-র প্রভাবে চামড়ায় বিভিন্ন রকম প্রভাব দেখা যায়, এই লিনোলিক ও লিনোরেলিক অ্যাসিড থাকায় আমাদের চামড়াকে সুরক্ষা দেয় কালোজিরা। কাজেই যারা চামড়ার সুরক্ষা পেতে চান, তারা কিন্তু কালোজিরা প্রতিদিন একটু করে ভর্তা হিসেবে বা কালোজিরার তেল বিভিন্নভাবে খেতে পারেন।

স্তন্যদায়ী মাইয়েরা কালোজিরার ভর্তা খেতে পারেন, এতে কিন্তু দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এ সময় কালোজিরা খেলে বিভিন্ন রকম স্ট্রেস ও শরীরে কোনো ঘা থাকলে, এটা শুকাতে সাহায্য করে। কাজেই স্তন্যদায়ী মায়েরা কালোজিরা ভর্তা হিসেবে খেতে পারেন।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

৫৩ জন নাবিকসহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন

ভিক্ষা করে হলেও অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ ভারতে

১৫ বছর ধরে কাজে যান না, বেতন তুললেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা!


এছাড়া মধু সহযোগে কালোজিরাও অনেক উপকারী। লিভারের জন্য দায়ী আলফা টক্সিন নামক উপাদান, এই বিষটিকে ধ্বংস করে কালোজিরা। কাজেই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিনই কালোজিরা খাওয়া যেতে পারে।

সুস্থতা বজায় রাখতে কালোজিরার ভর্তা এবং কালোজিরার তেল, যেভাবেই আপনি খান না কেন, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গ্রহণ করলে আপনি স্বাস্থ্যগত নানা উপকার পাবেন কালোজিরা থেকে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) চালু হয়েছে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড ইউনিট। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে রাজধানীতে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হলো বারোশ’ শয্যা।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ, হাইফ্লো নজেল ক্যানলা আর আইসিইউ সুবিধাও থাকছে এ কোভিড ইউনিটে। এতে হৃদরোগে আক্রান্ত কোভিড রোগী ছাড়াও যে কোনো করোনা রোগীই চিকিৎসা সেবা পাবেন।
প্রাথমিকভাবে ১০০ বেড চালু হলেও শিগগিরই চালু হবে পুরো ইউনিট। সেই প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


এনআইসিভিডির সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক সিয়াম বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র কার্ডিয়াক সার্জারি এখানে হয়ে থাকে, এসব কিছু মাথায় রেখে কোভিড ইউনিট করা হয়েছে, কোভিড ইউনিট তৈরির নির্দেশনা এসেছে, সেভাবে সুরক্ষা মেনেই কাজ করা হচ্ছে।
এ হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের পুরোটাই সেন্ট্রাল অক্সিজেনেরে আওতায় থাকছে। এছাড়া প্রয়োজনে আইসিইউ সেবা পাবেন ভর্তি রোগীরা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

খাবারের সঙ্গে শরীরের যে একটা সরাসরি যোগ রয়েছে, সেকথা নিশ্চয় কারও অজানা নেই। আর এ বিষয়টি তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে, রোগে ভোগের পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি তা অনেকাংশেই নির্ভর করে।

গবেষকদের মতে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা দেহে ক্যান্সারের বাসা বাঁধার সুযোগ করে দেয়। নিয়মিত ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি ও ফলযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায় বলে মনে করেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।

কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের সঙ্গে ছাড়তে হবে এমন কিছু খাবার, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। জেনে নিন এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে:

আলুর চিপস: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আলুর চিপস ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য ব্যবহৃত কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। যা এই রোগটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই: আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়। তাই সম্ভব থাকলে এই খাবারটি এড়িয়ে চলুন।

প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার: সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে। এই তালিকায় রয়েছে বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে।

সফট ড্রিংকস: বাজারে পাওয়া কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে গবেষণায় জানা যায়। এসব পানীয়তে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি থাক যা রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে। আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

খোলা বাজারের শরবত: রমজান আসলে বা গরমের দিনে রাস্তার পাশে নানা ধরনের শরবতের পসরা সাজিয়ে বসে দোকানীরা। এসব শরবতে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং থাকে যা জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

লাল মাংস: লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। গরু, ছাগল, ভেড়া, শূকর ও অন্যান্য পশুর লাল মাংস সুষম খাবারের উৎস; যা শাক-সবজি ও ফলমূলে পাওয়া যায় না। অতিমাত্রায় লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়- এ কথাটি পুরনো হলেও লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।


বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া

২০ এপ্রিল, ইতিহাসে আজকের এই দিনে

সিঙ্গাপুরগামী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ছে আজ


সাদা আটা:

দোকানে পাওয়া রুটি, পরোটা থেকে শুরু করে বড় বড় বেকারির কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুডের পিজা…এমনকি বাসায় বানানো রুটি-পরোটা – সবকিছুতেই এখন পরিশোধিত সাদা আটা-ময়দার ব্যবহার। সাদা আটায় থাকে উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, বেশি বেশি গ্রহণে যা নানা রোগের কারণ হতে পারে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন:

বাজারে কিছু রেডি-টু-বেক মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেট পাওয়া যায়। এগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্যাকেটসহ দিয়েই তৈরি করা যায় সুস্বাদু খাওয়ার যোগ্য গরম গরম পপকর্ন। কিন্তু এসব পপকর্নে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে থাকতে পারে পিএফওএ জাতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক, যার নিয়মিত গ্রহণে কিডনি ও ব্লাডারে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব রাসায়নিক অত্যাধিক খেলে নারীদেহে বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা খুব বেশি পরিমাণে শর্করাযুক্ত খাবার খান তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। রক্তে চিনি শোষণের মাত্রাও বেড়ে যায় বেশি শর্করা খেলে। তাই এর পরিবর্তে পুরো গম, কাঠবাদাম, কিনোয়া বা বার্লির আটা খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

করোনাভাইরাস রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা খুব দ্রুত মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। হাসপাতালে ভর্তির ৫ দিনেই ৪৮ শতাংশ করোনা রোগী মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।

গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে আইইডিসিআর তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করে।
আইইডিসিআর বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার ৪৪ শতাংশ। এ সময়ে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা (৩৩ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর হাসপাতালে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন। আর ৫ থেকে ১০ দিনের ভেতরে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ।
সংস্থাটি বলছে, করোনা মহামারিতে গত মাসে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৩৮, যা এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪১–এ। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


করোনা সংক্রমণে গত বছরের চেয়ে এ বছর নারীরা অধিক হারে মারা যাচ্ছেন বলে আইইডিসিআরের তথ্যে উঠে এসেছে।

তারা বলছেন, গত বছরের জুলাই মাসে যখন কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট মৃত্যুহার সর্বোচ্চ ছিল সে সময়ে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২২৬/৯৮২) অনুপাত ছিল ১:৩.৫। এ বছরের এপ্রিলে এসে দেখা যাচ্ছে যে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২৬৩/৬১৪) অনুপাত ১:২.২৩। অর্থাৎ গত বছরের চাইতে নারী বেশি হারে মৃত্যুবরণ করছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

৫০টি আইসিইউ শয্যা নিয়ে রোববার থেকে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) করোনা হাসপাতাল চালু হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ হাসপাতালের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

শনিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।

হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘আমরা ৫০ শয্যার আইসিইউ সুবিধাসহ হাসপাতালটি আংশিকভাবে শুরু করছি। আমরা আরও জনবল নিয়োগ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে এটিকে পূর্ণভাবে চালাতে পারব বলে আশা করছি।’

পূর্ণাঙ্গ হলে এই করোনা হাসপাতালে রোগীদের জন্য ২১২টি আইসিইউ, ২৫০টি এইচডিইউ ও ৫৪০টি আইসোলোটেড হাই কেয়ার রুম থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এখানে ৫০০ জনেরও বেশি করোনা রোগিকে একসঙ্গে উচ্চ-প্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর