এরা কি জানে, তাদের স্যার বিদেশে এসে ন্যুড বীচ খুঁজে বেড়ায়?

আমিনুল ইসলাম

এরা কি জানে, তাদের স্যার বিদেশে এসে ন্যুড বীচ খুঁজে বেড়ায়?

বছর ১২ আগের কথা। সুইডেনে থাকি। দেশ থেকে ৬-৭ জন সরকারি বড় কর্তা এসছেন একটা ট্রেনিং এ। উনারা আমার সাথে যোগাযোগ করেছেন। তখন সুইডেনে সামার প্রায় চলে এসছে।

এই দেশে সামারের সময় ছেলে-মেয়ে সবাই ছোট-খাটো ড্রেস পরে ঘুরে বেড়ায়। এটা খুব স্বাভাবিক এই সব দেশে।

তো, প্রথম যেদিন ওই সরকারি কর্তা'দের নিয়ে আমি বের হয়েছি, উনারা এক জন আরেজনের সাথে কথা বলছেন- "এই দেশের মেয়ে গুলো একেক'টা "মা ...ল!" 

আমি বেশ অবাক'ই হয়েছি তাদের কথা বলার ভাষা দেখে। এরপর মনে হয়েছে- এটা হয়ত অস্বাভাবিক কিছু না। উনারা নিজেরা একজন আরেকজনের সহকর্মী; তাই হয়ত এভাবে কথা বলতেই পারেন!

খানিক বাদে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন

-ভাই এখানে ন্যুড বীচ আছে না? আমাদের একটু ন্যুড বীচে নিয়ে যান।

আমি বেশ অবাক হয়েছি। কারন সেদিনই তাদের সাথে আমার পরিচয়। প্রথম পরিচয়ে কেউ এই ধরনের কথাবার্তা বলতে পারে, আমার অন্তত জানা ছিল না।

এই কর্তারা ট্রেনিং শেষ করে দেশে চলে গেলেন। অনেক দিন আর যোগাযোগ নেই।

একদিন হঠাৎ দেখি এদের মাঝে একজন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন

- "নারীদের উচিত সঠিক পোশাক পরে বাইরে বের হওয়া। ধর্ষণের মতো ঘটনা গুলো দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।"

তার ওই স্ট্যাটাস পড়ে আমার চোখ কপালে উঠার জোগাড়।

যেই ভদ্রলোক বিদেশে এসে নারীদের "মা...ল" বলছেন কিংবা ন্যুড বীচে যেতে চেয়েছেন, তিনিই দেশে গিয়ে নারীদের পোশাক নিয়ে কথাবার্তা বলছেন। এবং সেখানে তার ফলোয়ার'রা এসে- "জ্বী স্যার", "ইয়েস স্যার", "সহমত স্যার" ইত্যাদি আরও কতো রকম কমেন্ট করেছেন।


আরও পড়ুনঃ


গৃহবন্দি থাকার দুইদিনের মাথায় আনুগত্য প্রকাশ

একমত হইনি বলে দালাল হিসেবে সমালোচিত হয়েছি

তারপরও জীবনের উপর দিয়ে মানুষ হেঁটে যাক অপূর্ণতার গন্তব্যে

বড়দের দায়িত্বহীনতার জন্য সন্তানদের মূল্য দিতে হয়


আমি এদের কমেন্ট পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম- আচ্ছা, এরা কি জানে, তাদের এই স্যার বিদেশে এসে ন্যুড বীচ খুঁজে বেড়ায়? 

আপনাদের জানিয়ে রাখি- এখানকার বেশিরভাগ ন্যুড বীচে যেতে হলে আপনাকেও জামা-কাপড় খুলে ন্যুড হয়েই যেতে হবে। এতে অবশ্য ওই ভদ্রলোকের কোন সমস্যা হয়নি!

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোভিড আক্রান্ত রোগীর যন্ত্রনা আর মৃত্যুর দৃশ্য দেখে স্বাস্থ্যকর্মীর কান্না

শওগাত আলী সাগর

কোভিড আক্রান্ত রোগীর যন্ত্রনা আর মৃত্যুর দৃশ্য দেখে স্বাস্থ্যকর্মীর কান্না

এই যে ছবিটা দেখছেন তার নাম কেন্ডাল স্কুটা। কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার এবোটসফোর্ড রিজিওনাল হাসপাতালের একজন নার্স তিনি। মঙ্গলবার রাতে ইনটেনসিভ ওয়ার্ডে ডিউটি সেরে এভাবেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। না, তার স্বজন কেউ মারা যাননি হাসপাতালে। 

আগের রাতে হাসপাতালে তার ওয়ার্ডে কোভিড আক্রান্ত একজন রোগীর যন্ত্রনা আর মৃত্যুর দৃশ্য তাকে এতোটাই স্পর্শ করে যে তিনি নিজেকে স্বাস্থ্যকর্মীর বিধিনিষেধের গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখতে পারেননি। হাসপাতাল থেকেই বেরিয়েই কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তিনি। তার প্রশ্ন-  সামান্য, খুবই সামান্য একটা কাজ  মানুষ কেন করতে পারবে না! মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য মানুষের এই সামান্য কাজটুকুই তো  যথেষ্ট!

নিজের এই ছবিটি তিনি পোষ্ট করেছেন ইন্সটাগ্রামে। সঙ্গে নিজের আকুতি জুড়ে দিযেছেন ছবির সাথে। কেন্ডাল স্কুটা তার পোষ্টটা লিখেছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়াবাসীর উদ্দেশ্যে। আমার কাছে মনে হয়েছে, এই বার্তাট তিনি আসলে দিয়েছেন পুরো কানাডয়িানদের কাছে, পৃথিবীর মানুষের কাছে।

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


আগের রাতের ডিউটির একটি অভিজ্ঞতার কথাও তিনি লিখেছেন ইন্সটাগ্রামে তার পোষ্টে। একজন রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে তাঁর বেদনার্ত মুখ, চিকিৎসক, নার্স অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটাছুটি তাকে ভীষনভাবে  স্পর্শ করে। চোখের সামনে ছটফট করতে করতে একজন মানুষের মরে  যাওয়ার  দৃশ্য তাকে আলোড়িত করে। হাসপাতালগুলোয় আইসিইউর সংকটের কথা তো সবারই জানা আছে। 

তিনি বলছেন, গত এক বছর ধরেই এই ভাবে তিনি মৃত্যু দেখে আসছেন। আর যেনো এই সব মৃত্যু তিনি আর সইতে পারছেন না। তিনি বলছেন, সবাই ভাবে, কোভিডে কেবল বয়স্করারা মরছে। না, তা ঠিক না। এদের কারোই মুত্যুর সময় এখনো আসেনি, অথচ এরা মরে যাচ্ছে! জীবনকে শুরুই যে করতে পারেনি, চোখের সামনে তার মৃত্যু কিভাবে মানুষ সইতে পারে! 

কেন্ডাল স্কুটা লিখছেন, আমি প্রতিদিনই নিজকে প্রশ্ন করি, মানুষ কখন, কবে এই  মহামারীকে সিরিয়াসলি নেবে? কখন? তারপর তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দোহাই, তোমাদের কাছে ভিক্ষা চাই, অনুরাধ করি, শুধু এই কাজটুকু করো। ঘরে থাকো, মাস্ক পরো আর যখনি সুযোগ পাও ভ্যাকসিন নিয়ে নাও।আমরা যারা হাসপাতালে কাজ করছি আমরা আর নিতে পারছি না। দোহাই তোমাদের, সামান্য কাজটুকু করো।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সমাজ বিরোধী প্রতারক দুর্নীতিবাজদের করোনা নিয়ে যাক বলছি না

পীর হাবিবুর রহমান

সমাজ বিরোধী প্রতারক দুর্নীতিবাজদের করোনা নিয়ে যাক বলছি না

করোনার মহাপ্রলয়ের  লিলা খেলা বুঝি না!পরিবার সমাজ দেশের জন্য যাদের বেঁচে থাকা বড় বেশি প্রয়োজন তাদের প্রাণ একে একে নিভে যাচ্ছে! অথচ সমাজ বিরোধী, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, অসৎ, মোনাফেক, প্রতারক, বিশ্বাসঘাতক, চরিত্রহীনদের জীবন বড় বেশি নিরাপদ! আমি বলছি না সমাজ বিরোধী প্রতারক বেইমান দুর্নীতিবাজ লোভীদের করোনার মহাপ্রলয় নিয়ে যাক। সমাজ দূষণ মুক্ত হোক।

বলছি তারাও বেঁচে থাক, তাদের অভিশপ্ত নস্ট জীবন উপভোগ করুক। কিন্তু মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ সকল মানুষকেই হেফাজত করুন। পরিবার সমাজ দেশ, রাজনীতি, প্রশাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, অর্থনীতি শিল্প সাহিত্যের জন্য এক কথায় দেশের জন্য যেসব সৃষ্টশীল মানিষের বেঁচে থাকা অনিবার্য আল্লাহ তাদের হেফাজত করুন।

সকল মানুষের জীবনই মূল্যবান। করোনা কাউকে দেখে না, মানুষের জীবন চায়। আল্লাহ রহম করো।

পীর হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আপনাদের নেতিবাচক রিপোর্টিং লকডাউনকে অকার্যকর করছে

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু

আপনাদের নেতিবাচক রিপোর্টিং লকডাউনকে অকার্যকর করছে

হ্যালো টেলিভিশন! আমাদের টিভিগুলো গত ৫/৬ দিন ধরে কেবলই বলছে মানুষ লকডাউন মানছে না, উপেক্ষা করছে,নানা অজুহাতে রাস্তায় আসছে । আমার প্রশ্ন হচ্ছে,মিডিয়া স্বাভাবিক সময়ের সাথে তুলনা করে দেখাক কত পার্সেন্ট মানুষ এখন রাস্তায় আর কত পার্সেন্ট মানুষ এখন স্বেচ্ছায়ই হোক আর অনিচ্ছাতেই হোক বাড়িতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

এটা সত্য,নির্মমসত্য যে,শহরের শ্রমজীবী মানুষের অনেকেই পেটের তাগিদে রাস্তায়। কই তারা যে লকডাউনে কোন দিক থেকেই কোন সাহায্য পাচ্ছে না সেটার জন্যতো স্পেশাল কোন নিউজ আইটেম একটি টিভিতেও দেখলাম না,খালি দেখছি,খালি শুনছি,মানুষ লকডাউন মানতে চাইছে না,মানছে না।
লকডাউনের অবস্থা যত খারাপই হোক এখনও তা ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ মানুষকে ঘরে রাখতে পেরেছে। করোনা সংক্রমন রোধে এটুকুও অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।

আপনারা রাস্তায় যে মানুষ দেখছেন,রিক্সা অটোবাইক দেখছেন মিলকারখানা, গার্মেন্ট বন্ধ থাকলে তার সিকিও দেখতেন না। এগুলো যে খোলা, কারখানার মালিকরা নিজস্ব পরিবহন দিয়ে তাদের আনবে, নেবে বলে সরকারকে কথা দিয়েছিল,তারা সেটা করেনি,করলে রাস্তায় ভীর কম হত।
ভাবুন একবার ঢাকা শহরসহ বড় বড় শহরের শপিংমল, মার্কেট,অফিস খোলা থাকলে প্রতিদিন কত লক্ষ লোককে রাস্তায়,শপিংমলে,রেস্টুরেন্টে, হোটেলে দেখতেন সে হিসাবটা মেলান। এইসব জায়গার মানুষ কিন্তু এখন বাইরে নেই।

আপনাদের এই নেতিবাচক রিপোর্টিং লকডাউনকে ধীরে ধীরে অকার্যকর করছে। লকডাউন নিয়ে  সাধারণ মানুষের যে প্রতিক্রিয়াকে আপনারা হাইলাইট করছেন সেটা মূলত লকডাউন বিরোধী জনমতকে উষ্কে দিচ্ছে।

ভাবুন আরেকবার। লকডাউনের পক্ষে কথা বলুন,লকডাউনে অসহায়,কর্মহীন মানুষদের সরকারি বেসরকারি সহায়তা না পাবার কথা জোরে বলুন,বিত্তবানদের সহায়তার জন্য উদ্বুদ্ধ করুন। এটিই সময়ের চাহিদা,বাস্তবতা।

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু'র ফেসবুক থেকে নেওয়া

news24bd.tv/আলী

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কথা বলতে তো আর পয়সা লাগে না

তারিক শামমি

কথা বলতে তো আর পয়সা লাগে না

১৯৯৭ সাল। ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। হাউসে থাকি। রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের পেছনের গেট এর জাস্ট অপজিটে কোক খাচ্ছি তিন বন্ধু। এমন সময় একটা নতুন মডেলের প্রাইভেট কার এসে থামল। পেছনে নাম লেখা- CAMRY. রুবেল বললো, ওই দেখ দোস্ত নতুন গাড়ি। নাম ছেমড়ি। রাজন বললো, না না হয় নাই। গাড়ির নাম হচ্ছে- কামড়াই। আসলে আমাদেরই সব দোষ। ইংরেজী পাঠ্যবই এর গল্প "The gift of the Magi" ভুলভাল উচ্চারণ করতে করতে আমাদের এই করুণ দশা হয়েছিল।

ইদানীং নাকি অনেকেই জিলাপীকে 'জেলেবী' 'জিলেবী' ইত্যাদি বলছে। যারা বলছে তাদের মুখে গ্লাভস পড়ে  একটা নরম বস্তু ছুঁড়ে দিতে মন চায় যেটার নাম এই পবিত্র রমজান মাসে উচ্চারণ করতে পারছি না তবে জিলাপীর সাথে বস্তুটির একটা বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান।‌ সম্পর্ক হচ্ছে-পেটে পর্যাপ্ত মাল-মসল্লা থাকলে নাকি জিলাপীর মতো ওই বস্তুটা শরীর থেকে ইচ্ছামতো বের করে দেওয়া যায়।

রোজা রাখার ফলে দিনের বেলায় বেশিরভাগ মানুষের পেটে মাল-মসল্লা কম থাকে কিন্তু উল্টাপাল্টা কথার অফুরন্ত ভান্ডার যে থাকে অনেকের পেটের মধ্যে সেটা টের পাওয়া যাচ্ছে।

অনেকেই দেখছি ইনিয়ে বিনিয়ে বলছে, সরকার নাকি লকডাউন দিয়েছে মামাকে মানে মাওলানা মামুনুলকে নির্বিঘ্নে গ্রেপ্তারের জন্য। মানবিক বিবাহের প্রবক্তা মামা মানে মাওলানা মামুনুল শ্বশুরবাড়ির রিমান্ডে নাকি ভরণপোষণের বিনিময়ে শরীয়তসম্মত পারস্পরিক সহাবস্থানের নতুন নতুন তত্ত্ব হাজির করছেন। ভাবছিলাম, মামার ভক্তরা মামাকে সাঈদীর মতো চাঁদে দেখতে পাবেন। শেষপর্যন্ত চাদে কিছু একটা ঘটেছে। আকাশের চাঁদে নয়, মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদ এর প্রেসিডেন্ট বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। উল্টাপাল্টা ঘটনার জের উদ্ভিদ সমাজেও পরেছে।

পত্রিকায় দেখলাম, লিচু গাছে আম ধরেছে। ইব্রাহীম হুজুরকে নাকি করোনা বলেছে, এ বছর মাহফিল কম হয়েছে বলে করোনা আবার ভয়ংকর রূপে বাংলাদেশে এসেছে। ওদিকে নয়া মাওলানা নুরু ভাই 'প্রকৃত মুসলমান' এর সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। দুইটা ডিজিটাল ডলা খেয়ে এখন বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ১৫ রমজানের মধ্যে সমাপ্ত করে ফেসবুকে সচিত্র আপলোড দেওয়ার মহান ব্রত নিয়েছেন। আর ডাক্তার-নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট- পুলিশের বাক-বিতণ্ডা তো স্বচক্ষেই দেখেছেন। যে যেভাবে পারছেন জিলাপীর মতো প্যাচিয়ে প্যাচিয়ে মুখ দিয়ে কথা উগড়ে দিচ্ছেন। কোথায় সংযম? কথা বলতে তো আর পয়সা লাগে না। লাগলে না হয় একটা চিন্তার বিষয় ছিল। এতো উল্টাপাল্টা কথার ভিড়ে বরিশালের মনুর মায়ের আর দোষ কি?
: হ্যালো গ্রামীণ ফোন কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস?
: জ্বি ম্যাম। বলুন আপনাকে কীভাবে সেবা দিতে পারি?
: আমার ১০ বছরের মনু গ্রামীণের একটা সিম গিল্লা হালাইছে।
: বলুন কি ম্যাম। তাড়াতাড়ি মনুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। আমরা কীভাবে সাহায্য করতে পারি আপনাকে ম্যাম।
: হেইয়া ঠিক আছে। আমি কি কারণে ফোন হরছি বোজ্জেন।‌ ওই সিমে দুইশ টাহা আছেলে। এহন মনু যদি কথা কয়, হেইলে কি টাহা কাটবেয়ানে?

তারিক শামমি

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এখন ভালবাসার সময়, আসুন ভালবাসায় বাঁচি

জসিম মল্লিক

এখন ভালবাসার সময়, আসুন ভালবাসায় বাঁচি

মানুষের ব্যাপারে আমার সবসময় একটা ভীতি কাজ করত। কোনো কারণ ছাড়াই এই ভীতি ছিল। মানুষকে আমি এড়িয়ে চলতাম। সহজে কারো সাথে মন খুলে মিশতে পারতাম না। জড়তা কাজ করত। মানুষের সামান্য একটা কটু বাক্য বা আচরণ আমার বুকে তীব্র হয়ে বাজত। এই সব কারণে অনেকের সাথেই আমার সখ্যতা হয়নি সহজে। 

আবার সখ্যতা হলেও স্থায়ী হয়নি। মরিচা পড়ে গেছে অনেক সম্পর্কে। কখনো আমার দিক থেকে, কখনো অপর পক্ষ থেকে। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের সম্পর্কেও ফাটল ধরার ঘটনা আছে। এক সময় মনে হয়েছে আমাদের কোথাও কোনো সমস্যা আছে, কোনো ভুল আছে। আমরা পরস্পরকে চিনতে ভুল করেছি। আমরা একে অপরের যোগ্য হয়ে উঠিনি। 

আসলে সমস্যা আমারই বেশি। আমারই যোগ্যতার অভাব। আমার অনেক সীমাবদ্ধতা, অনেক ত্রুটি আছে। আমার কারণেই বেশিরভাগ সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে। সামান্য কারণে পরস্পর থেকে দূরে সরে গেছি। এটা ঠিক যে কিছু মানুষ আমাকে বুঝে হোক না বুঝে হোক কষ্ট দিয়েছে, অবজ্ঞা দেখিয়েছে, আমাকে মূল্যায়ন করেনি। আবার অনেকে আমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে। আমি নিজেও সুযোগ করে দিয়েছি। আমি তাদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছি। আমি সবক্ষেত্রে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারিনি। আমি অনেক ভুল করি। একই ভুল বার বার করি।

তবে আমি মানুষের কাছ থেকে ভালবাসাই বেশি পেয়েছি। এতোখানি পাওয়ার যোগ্য আমি না। যতখানি পেয়েছি দেইনি তার কিছুই। নিয়েছি শুধু। অনেক ভালবাসাকে আমি সঠিক মূল্যায়ন করিনি। ভুল বুঝেছি, কষ্ট দিয়েছি। এখন সেসব ভাবলে অনুশোচনা হয়। ভুলের কারনে অনেক সম্পর্ক ঝড়ে গেছে যা আর ফিরে পাব না, অনেক সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে যা আর জোড়া লাগবে না। অনেক সম্পর্ক সময়ের অতলে হারিয়ে গেছে। 

এখন মানুষ নিয়ে আমার কোনো ভীতি নাই আর। ভীতি দূর হয়েছে। কেউ নেগেটিভ কথা বললে বা আচরণ করলে বা ভুল বুঝলে বুকে তীব্র হয়ে বাজে না। কষ্ট পাই বটে কিন্তু ভুলে থাকার চেষ্টা করি। কষ্ট না ভুললে মানুষ বাঁচতে পারত না। জীবনে কি অপমানিত হইনি! 


পালাকেল্লেতে ঝড় তুললেন তামিম

করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম


অনেকই হয়েছি, এখনও কী হইনা! হই। ঘরে হই, বাইরে হই। তাই বলে ভুল বুঝে বসে থাকলে তো হবে না! এখন সবকিছু সহজভাবে নিতে চেষ্টা করি। আগে পারতাম না। 

সামান্য কারণে ভুল বুঝতাম, নিজেকে গুটিয়ে ফেলতাম। আমার অনেক আত্মাভিমান, অনেক জেদ। মনে হতো লেখকের কষ্ট কেউ বোঝে না। সন্তান বোঝে না, স্বামী বোঝে না, স্ত্রী বোঝে না, মা বাবা বোঝে না, বন্ধু বোঝে না, প্রেমিক বোঝে না। লেখককে সবাই কষ্ট দেয়। তবে আনন্দের ব্যপার হচ্ছে মানুষ যতনা কষ্ট দেয় তারচেয়ে ভালবাসে বেশি। ভালবাসাই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। উজ্জীবিত রাখে। এখন ভালবাসার সময়। আসুন ভালাবাসায় বাঁচি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর