ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে পুঁজিবাজার

বাবু কামরুজ্জামান

লকডাউন আতঙ্ক কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন; নানা গুজব আর আতঙ্কের কারণেই লকডাউন শুরুর আগের দিন বড় পতন ঘটেছিলো শেয়ার বাজারে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন এখন বাজারে সূচকের যে অবস্থান তা অনেকটাই স্বাভাবিক। তাই অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে গুজব এড়িয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ধরে রাখার পরামর্শ বিশ্লেষকদের। 

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার লকডাউনেও চালু রয়েছে শেয়ার বাজারের লেনদেন। তবে সময়সীমা দুপুর আড়াইটার পরিবর্তে  করা হয়েছে সকাল ১০ থেকে ১২টা পর্যন্ত।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ সামাল দিতে এক সপ্তাহের লকডাউন শুরুর আগেরদিন  ব্যাপক দরপতন হয় দেশের উভয় পুঁজিবাজারে।লকডাউনের কারণে একদিকে শেয়ার বিক্রির হিড়িক অন্যদিকে গুজব ও আতঙ্কে গত রোববার দাম পড়ে যায় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের। 


ভাসানটেকে উদ্ধার লাশ নারী যৌনকর্মীর

ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার

করোনায় মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

সাধারণ রোগীদের জায়গা নেই সরকারি হাসপাতালে


দিনশেষে  এদিন প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে ১৮১ পয়েন্ট কমে যা গত ১ বছরের মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ। তবে সোমবার লকডাউনের প্রথম দিনই দেখা যায় উল্টো চিত্র। সূচক বাড়ে ৮৮ পয়েন্ট। যা অব্যাহত ছিল মঙ্গলবারেও। 

এমন দ্রুত উত্থান পতনে বিনিয়োগকারীদের গুজবে কান না দেয়ার পরামর্শ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের। বাজারের স্বাভাবিক ছন্দ ধরে রাখতে করোনার এই সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থেই মহামারীর এই সময়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে হবে পুঁজিবাজারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লকডাউন বা মহামারীকালে পুঁজিবাজার বন্ধ নয় বরং পৃথিবীর সব দেশের সাথে সমন্বয় করে তা আরো গতিশীল করতে হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

অনলাইন ডেস্ক

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।

এ লক্ষ্যে আজ বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ‘থার্ড প্রাগমেটিক জবস ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি-৩)’ বিষয়ক একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

বৃহস্পতিবার ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরিসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা সংস্থার সংশ্লিষ্টতায় কিছু সহায়ক নীতি কৌশল ও বিধিবিধান সংস্কার এবং আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রস্তাবিত সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে মোট তিন বছরে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদানে সম্মত হয়। এর আওতায় আজ শেষ কিস্তির জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হলো।

এই পরিকল্পনার মুল উদ্দেশ্য হলো-বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আধুকিায়ন, শ্রমিকদের সুরক্ষা প্রদান ও অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষমতা জোরদারকরণের পাশাপাশি দুঃস্থ জনগোষ্ঠির জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায়

পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোকাকোলা

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কোকাকোলা। দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমস কুইন্সি।

অন্য দুই কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কিম্বারলি ক্লার্ক ও জেএম স্মুকারের সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় যোগ দিলো কোকাকোলা। নিজেদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এ পদক্ষেপ। 

তবে করোনা মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাবে এরইমধ্যে নগদ অর্থের সংকটে থাকা গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের ফল প্রকাশের পর কোকের শেয়ারদর বেড়েছে ১ শতাংশ। 

সর্বশেষ ২০১৮ সালে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। সেসময় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের অধীনে অ্যালুমিনিয়ামের শুল্কের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছিল তারা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

মার্কেট খোলার দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণার পর রাজশাহী নগরের সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেট খুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে তাঁরা দোকান খুলতে শুরু করেন।

এদিকে দোকান খুলে দিতে ব্যবসায়ী নেতারা রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

জেলা প্রশাসক তাঁদের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে বলেন।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিলের সঙ্গে বৈঠক করে দোকান বন্ধ করবেন বলে জানায় ব্যবসায়ীরা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীরা তাঁর কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন। ২৮ এপ্রিলের পর সরকার লকডাউন শিথিল করলে তাঁরা ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন। আজ দোকান বন্ধ করবেন।

তবে বেলা একটা পর্যন্ত সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটে এ ঘোষণা অনুযায়ী কোনো দোকানই বন্ধ করা হয়নি।

পুলিশ দোকান খুলতে বাধা না দিলেও রাস্তার যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। তবে মার্কেটের পেছন দিক দিয়ে ক্রেতাদের ঢুকতে দেখা গেছে।

রাজশাহীতে ৮ এপ্রিল ব্যবসায়ীরা সংবাদ সম্মেলন করে ঈদের আগে লকডাউনের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিলেন।

তাঁরা প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন বাজার প্রতিনিধির সমন্বয়ে কমিটি করে বাজারের স্বাস্থ্যবিধি তদারক করার প্রস্তাব করেছিলেন।

তাঁরা বলছিলেন, প্রায় ১৩ মাস ধরে তাঁরা লোকসান গুনছেন। বর্তমানে প্রতিটি ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

এরপরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকান খোলার কোনো অনুমতি না পেয়ে ব্যবসায়ীরা আজ সকালে দোকান খুলে ফেলেন। তাৎক্ষণিক দোকানে কিছু ক্রেতাও আসতে শুরু করেছেন। তাঁরা অন্য কাজে এসে দোকান খোলা দেখে বাজারে ঢুকে পড়েছেন।

দোকানে বাচ্চাদের জন্য কাপড় পছন্দ করতে আসা মিনা বিন মুকুল বলেন, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গেলে টাকা পান, না গেলে পান না। লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকার কারণে মানুষ আসতে পারছে না। তাঁর চাকরিও চলছে না। তাঁর স্বামীর ভাতের হোটেল আছে। সেটাও তিনি খুলতে পারছেন না। তিনটা বাচ্চাকে বোঝাতে পারছেন না যে তাঁরা সমস্যায় আছেন।

তিনি বলেন, লকডাউন দিলে বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দিতে হবে।

দোকানি নাজমুল হক বললেন, তাঁর দুই ছেলে। এক ছেলে উচ্চমাধ্যমিক ও অন্য ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তাদের পেছনে খরচ আছে। ১৫ হাজার টাকা দোকানভাড়া। ব্যবসা না হলেও দিতে হচ্ছে। গত এক বছর নিজের দুই লাখ টাকা পুঁজি শেষ করে পাঁচ লাখ টাকার ঋণে পড়েছেন। তাঁদের বাঁচার উপায় নেই।

শেখ কালেশন নামের একটি পোশাকের দোকানের কর্মচারীরাও দোকান খুলে বসেছেন। কিন্তু তাঁদের দোকানে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো ক্রেতা নেই।

তাঁরা বলেন, ক্রেতারা তো জানেন না যে দোকান খোলা পাওয়া যাবে। লকডাউনে তাঁরা বাইরে আসেননি। চলতি পথের ক্রেতারা ছোট দোকানগুলোতে ঢুঁ মারছেন। এখন দেখা যাক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টায় ঝুঁকছেন যশোরের চাষিরা

রিপন হোসেন, যশোর

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় যশোরে ভুট্টার আশানুরুপ উৎপাদন হয়েছে। স্বল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় অনান্য ফসলের চেয়ে ভুট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকে। বর্তমানে বাজার দর ভাল থাকায় খুশি কৃষকরা। 

ভুট্টার আবাদ প্রসারের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে। যশোরের মাটি ও আবহাওয়া ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। ধান ও অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকছে এ অঞ্চলের  কৃষকরা। 

কৃষক জানান, গেল কয়েক বছর ধরে ধান, পাট ও গম চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে তাদের। লাভের আশায় এ বছর ভুট্টার আবাদ করেছেন তারা। 


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


ভুট্টার চাষ প্রসারেরর লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার, বীজসহ সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, যশোর অঞ্চলে ৯১ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দর ভাল না হওয়ায় বিপাকে চাষীরা

বেচাকেনায় জমে উঠেছে দিনাজপুরের গাবুড়া টমেটোর বাজার

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

করোনা মহামারীর এই সময়ে বেচাকেনায় জমে উঠেছে দিনাজপুরের গাবুড়া টমেটোর বাজার। স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদাসীন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই। তবে এবার বাজার দর ভাল না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ও লকডাউনের কারণে দুর-দুরান্ত থেকে পাইকার না আসায় টমেটোর দর নিম্নমুখী। টমেটো সংরক্ষেনের জন্য এই অঞ্চলে হিমাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষক নেতারা। 

দেশের সবচেয়ে বড় টমেটোর আড়ৎ দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী গাবুড়া টমেটোর বাজার। কৃষকরা বিভিন্ন এলাকা থেকে টমেটো নিয়ে আসে এই বাজারে। প্রতিদিন ভোর থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলে বেচা কিনি। তবে করোনা মহামারীর এই সময়ে স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করেই চলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এমনকি সামাজিক দুরত্বেরও নেই কোন বালাই।

কৃষকরা জানান, গেল বছর ভরা মৌসুমে এক মন টমেটোর দাম ছিল ৪শ থেকে ৫শ টাকা। এবার সেই টমেটো বিক্রি হচ্ছে আড়াইশ থেকে ৩শ টাকা মন দরে। এতে লাভ তো দুরের কথা, লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ও লকডাউনের কারণে দুর-দুরান্ত থেকে পাইকার না আসায় টমেটোর দর নিম্নমুখী ।

টমেটো সংরক্ষনের জন্য এই অঞ্চলে একটি হিমাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষক নেতারা। 

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, দিনাজপুর জেলায় প্রতিবছর প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়। আর উৎপাদন হয় ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।

আরও পড়ুন


স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ে করলেন শামীম-সারিকা!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেল ৯৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৪২৮০

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর