ধর্ম ব্যবসায়ীদের একটা একটা করে ধরে এনে আইনের সম্মুখীন করা হবে

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম ব্যবসায়ীদের একটা একটা করে ধরে এনে আইনের সম্মুখীন করা হবে

ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মনে রাখা প্রয়োজন স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দেশের জনগন এদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এদের ছাড়াই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে, আওয়ামী লীগ সহ প্রগতিশীল শক্তির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলো বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিতে যারা হাত দিয়েছে, এদের একটা একটা ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে।’ এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে  মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন চট্রলাবীর মহিউদ্দিন চৌধুরী পুত্র শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল  চট্রলাবীর আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

শিক্ষা উপমন্ত্রী স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘খেলাফতে মজলিশ নামক একটি দলের এক নেতা এই কুলাঙ্গার মামুনুল হকের পক্ষে যেভাবে সাফাই গাইল, এতে বোঝা যায় দ্বীনে ইসলাম শুধুই এদের বেঁচে থাকার জন্য একটি মাধ্যম।’

এদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে উল্লেখ করে নওফেল বলেন, ‘ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মনে রাখা প্রয়োজন স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দেশের জনগণ এদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এদের ছাড়াই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল শক্তির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। কিছু এতিম শিশুকে রাখে বলে এরা অনেকের সহানুভূতি পায়। এরা দেশের প্রচলিত সরকার কাঠামো, শিক্ষাব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে, এদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘জাতির পিতার ভাস্কর্য অপমানিত করার পর থেকে, এদের স্পর্ধার শুরু, এখন ১৭টি লাশের ওপরে চলছে এদের “রিফ্রেশমেন্ট” জীবন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগুন যারা জ্বালিয়েছে, পিতার ছবিতে হাত যারা দিয়েছে, এদের একটা একটা করে ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে। সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, সর্ব পর্যায়ে এই কাঠমোল্লা গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামী লীগ বানের জলে ভেসে আসে নাই। গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনীতি করতে চায় করবে, কিন্তু ধর্ম ব্যবসা করে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালানোর পরিণাম এদের বোঝাতে হবে। আগুন সন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত ছাড় পায় নাই, এই ধর্ম ব্যবসায়ীরাও ছাড় পাবে না। ইনশাআল্লাহ।’

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি সত্যি সত্যি ক্ষমা চাই, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই

শওগাত আলী সাগর

আমি সত্যি সত্যি ক্ষমা চাই, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই

আমি আবারো বলি,আমি ভুল করেছি, আমি সত্যি সত্যি ক্ষমা চাই, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাই।’- ইটোবিকোতে  মায়ের বাড়ীর ব্যাকইয়ার্ড থেকে কথাগুলো যখন তিনি বলেন, তার গলা ধরে আসে। কোভিডে মৃত্যুবরনকারী মানুষের সংখ্যাটা উল্লেখ করতে গিয়ে পেছন দিকে ঘুরে চোখ মুছে নেন প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড। 

ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কোভিড পজিটিভ হ্ওয়ায় মায়ের বাড়ীতে আইসোলেশনে আছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার। সেখান থেকেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। 

তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি, আমাদের সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ নাগরিকদের ক্ষুব্দ করেছে, আহত করেছে। আমি শুধু বলতে চাই, আমরা একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি, সেটা ভুল হয়েছে। আমরা ভুল করেছি। সে জন্য ক্ষমা চাই।’

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছিলো লক ডাউনের । কিন্তু মানুষকে ঘরে রাখার জন্য পুলিশকে বাড়তি ক্ষমতা দেয়ার সুপারিশ তাদের ছিলো না। প্রভিন্সিয়াল কনজারভেটিভ সরকার পুলিশকে বাড়তি ক্ষমতা দিয়েছিলেন- বাড়ীর বাইরে আসা যে কোনো গাড়ি বা ব্যক্তিকে থামিয়ে জ্ঞিাসাবাদ করা এবং প্রয়োজনে জরিমানা করার।

শহরের খেলার মাঠে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার সুপারিশও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ছিলো না। কিন্তু প্রভিন্সিয়াল সরকার শহরের সব খেলার মাঠ, পার্কে বাচ্চাদের খেলনায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলো। ফলে প্রভিন্সিয়াল সরকারকে তুমুল সমালোচনার মুখে পরতে হয়। প্রভিন্সিয়াল সরকার অবশ্য প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সেই সব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়। তারপরও  রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজের তুমুল সমালোচনার মুখে প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড আজ সাত সকালে উঠেই নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চান।  ঘুরে  ফিরে বার বার নিজের ভুল স্বীকার করেন।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার বেছে আনা মানুষগুলো ফুরিয়ে যাচ্ছেন একে একে

মারুফ কামাল খান

শহীদ জিয়ার বেছে আনা মানুষগুলো ফুরিয়ে যাচ্ছেন একে একে

বামে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সদ্য বিদায়ী প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ও ডানে সদ্য প্রয়াত বিএনপি নেতা এন আই খান।

বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই এন আই খানকে চিনবেন না। তবে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত, সেনাপতি এরশাদের ক্ষমতা দখলের মতন দুর্বিপাক জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিখাকে নিভিয়ে দেয়ার যে আশঙ্কা তৈরি করেছিল, সেই ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ দিনগুলোতে  সামান্য সংখ্যক যে মানুষগুলো দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে টিকিয়ে রাখতে ভুমিকা রেখেছিলেন এই খান সাহেব তাঁদের একজন। আদর্শবাদী, নিভৃতচারী, প্রচারবিমুখ, নীতিতে অটল এই সজ্জনেরা জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও দলকে সমুন্নত রাখতে কেবল দিয়েই গেছেন, বিনিময় চাননি কখনো। শহীদ জিয়ার বেছে আনা এ মানুষগুলো ফুরিয়ে যাচ্ছেন একে একে।

উনার মেয়ে নাহরিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালেয়ের শিক্ষিকা, বর্তমানে জার্মানিতে প্রবাসী, আমার পরম স্নেহভাজনদের একজন। গতকালই নাহরিনের বার্তায় জেনেছি উনি লাইফ সাপোর্টে, দোয়া চেয়েছে নাহরিন।

আমাদের সকলের দোয়া ব্যর্থ করে তিনি আজই চলে গেলেন অনন্তলোকে। আল্লাহ্ তাঁকে বেহেশত নসিব করুন। এন আই খানদের মতন নির্লোভ, আদর্শবাদী, সৎ, নিষ্ঠাবান মানুষ আমাদের দেশের দুর্জন-কবলিত বর্তমান রাজনীতিতে যে সময় খুব বেশি দরকার তখন তাদের জায়গাগুলো ক্রমাগত শূণ্য হচ্ছে। সেই শূণ্যতাগুলো আর পূর্ণ হচ্ছে না, এটাই দুঃখ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সদ্য বিদায়ী প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলের ফেসবুক হতে নেয়া।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হিরো আলমের চাইনিজ গানের পর থেকে আমাদের কষ্ট শুরু

নজরুল ইসলাম​

হিরো আলমের চাইনিজ গানের পর থেকে আমাদের কষ্ট শুরু

হিরো আলমের আরবি গান
ঢাকা শহরে যত্রতত্র এবং উম্মুক্ত জায়গায় মূত্র বিসর্জনের হাত থেকে রেহাই পেতে বেশ আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় এক ইউনিক কনসেপ্ট বের করেছিলেন। যেসব জয়গায় মানুষ সহজে দাঁড়িয়ে যায় কিংবা লুঙ্গি উঠিয়ে বসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে সেখানটায় লিখে দিলেন- يحظر التبول هنا  "ইয়াহঝুর আলবাতাউল হুনা"( এখানে প্রসাব করা নিষেধ।) ব্যস, আর কিছুই করা লাগলো না। লুঙ্গি উঠাতে গিয়েই এ লেখা দেখার সাথে সাথে মূত্র উর্দ্ধগামী। অথচ এর আগে কত "প্রসাব করা নিষেধ" কে যে তীব্রতায় দেয়াল থেকে মুছে দিয়েছে তার ইয়ত্তা নাই।

আহ! আরবীর প্রতি কত সম্মান আমাদের! এ  দুর্বলতার সুযোগে পবিত্র রমজানে  হিরো আলম আরবী গান নিয়ে হাজির। বাংলা,হিন্দি, ইংলিশ, চাইনিজ এবং সর্বশেষ আরবি। মারহাবা!  বাংলা,হিন্দি এমনকি ইংলিশ পর্যন্ত মেনে নিয়েছি। 

তবে চাইনিজ গানের পর থেকে আমাদের কষ্ট শুরু।

বাংলাদেশী এক লোকের এক চীনা বন্ধু ছিল, নাম তার চিং হোয়াই। তার সাথে  দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব হলেও লোকটি চীনা ভাষা জানে না। চিং হোয়াইও চীনা ভাষা ছাড়া আর কোনো ভাষা জানে না। কয়েক মাস আগে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল চিং। ওর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখে, বেচারার করুণ হাল। নাকে-মুখে অক্সিজেনের নল লাগানো। বাংলাদেশী বন্ধু কে কাছে পেয়েই ও কাতর হয়ে উঠল, বলল, ‘লি কায় ওয়াং কি গুয়ান', বলতে বলতেই বেচারা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল। অনেকদিন পর এক দোভাষীকে পেয়ে বন্ধুর বিদায় বেলায় বলে যাওয়া কথাটির জানতে চাইলো আমাদের দেশীয় লোকটি। অর্থটা খুব সহজ ‘ভাই দয়া করে অক্সিজেনের নলটার ওপর থেকে একটু সরে দাঁড়াও!'

এর মধ্যে আবার আরবদের পোশাকে  আরবি  গান  নিয়ে উপস্থিত হিরো আলম। তিনি কি জানেন না আমাদের আরবীর হালত "মাফি মুশকিল" টাইপ!

মজনু নামে একজন সৌদি আরবে গিয়ে বাড়িতে ফোন কর বলে," এখানে সব কিছু আরবিতে শুধু আযানটা বাংলায় "। মজনু যার  অধীনে গেছে সে সৌদি তারে জিজ্ঞেস করে, "হাল এইনদিক আকামা?" মজনু বলে "আমি এদিক ওদিক কোনদিকে কোন আকাম করিনাই।" এ কথা শুনে সৌদি কয়, "হাল আনতা মজনুন? মজনু মনে মনে বলে "শালা নামটাও তো জাইনা ফালাইছে"।

এ যখন আমাদের "আরবীর" অবস্থা, হিরো আলম, আপনি কোন দুঃখে আমাদের আরবী গান শোনাতে গেলেন।

অবশ্য চট্টগ্রামের কিছু মানুষ বলেছেন "আরবি গানটি  ভাল হয়েছে,আরবিকে আমরা একটু বেশি মহব্বত করি।" ঠিক আছে, কিন্তু আপনাদের ভাল লাগলেও তা অন্যদের কষ্টের কারণ হতে পারে-

ভিন্ন ড্রিস্ট্রিকের একজন কৃষি অফিসার চট্টগ্রামে বদলি আসলেন। তিনি এক কৃষককে উন্নত ধানের বীজ দিলেন চাষের জন্য । কয়েকমাস পর তিনি কৃষককে জিজ্ঞেস করলেন," ধান কেমন হয়েছে?
কৃষক বলে, " ধান গম অইয়্যি"
অফিসার চিন্তায় পড়ে গেলেন, "দিলাম ধান হইলো গম!

নজরুল ইসলাম​ (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি আমার আব্বুকে ঘৃনা করতে চাইনা আন্টি,প্লিজ কিছু করেন!

রাখী নাহিদ

আমি আমার আব্বুকে ঘৃনা করতে চাইনা আন্টি,প্লিজ কিছু করেন!

একটা বাচ্চা মেয়ে,১৬ ১৭ বছর বয়স হবে,বেশ কিছুদিন ধরে আমাকে ইনবক্স করে!!রিলেশনশিপ সংক্রান্ত কিছু জটিলতা নিয়ে কথা বলতে চায়!! আমি প্রথমদিন তার মেসেজ পেয়ে যার পর নাই বিরক্ত হলাম!!পুত্রের প্রায় সমবয়সী কারো সাথে তাদের জিএফ বিএফ নিয়ে আলোচনা করাটা একটু অস্বস্তিকর লাগে তাই এই ধরনের মেসেজ আমি একটু এভয়েডই করি!!

কিন্তু সে নাছোরবান্দা!!মেসেজ পাঠাতেই থাকে!!দুইদিন আগে মোটামুটি বাধ্য হয়ে রিপ্লাই দিতে বসলাম!!
-বল তোমার প্রবলেম 
- আমার প্রবলেম টা আমার আব্বু কে নিয়ে
-আব্বু কে নিয়ে??আব্বুকে নিয়ে কি প্রবলেম??
-আমার আব্বু খুব ভালো আন্টি!!সে জীবনেও আমাদের দুই ভাই বোনকে কখনো ধমক দিয়েও কথা বলেনি,মার দেয়া তো পরের কথা!!আমাদের কে আব্বু এখনো প্রায়ই মুখে তুলে ভাত খাওয়ায়!!এমন কোনো আবদার নাই যা আব্বু পূরণ করে না!!আমরা একদিকে পুরো পৃথিবী একদিকে!!
-বাহ,এটা তো খুব ভালো কথা!!তাহলে প্রবলেম কি??
-প্রবলেম হলো,এত ভালো হওয়ার পরেও আমি আমার আব্বুকে ভালবাসতে পারছিনা!!
-মানে কি??কেন পারছনা??
-কারণ আমার আর আমার ভাই এর সবচেয়ে আপন,সবচেয়ে ভালবাসার মানুষ মানে আমার আম্মুর প্রতি আব্বু দিনের পর দিন অন্যায় করে এসেছেন!!আগে ছোট ছিলাম তাই বুঝতে পারতাম না!!এখন বুঝি,আব্বু কখনই আমার আম্মুকে ভালোবাসেনি,সম্মান করেনি!!অনেক দিন আমাদের সামনেই আম্মুর গায়ে হাত তুলেছে,গালি দিয়েছে!!

শুধু তাইনা,আরো এমন কোনো ঘটনাও আছে যার কারণে আমার আম্মু রাতের বেলা বালিশে মুখ গুজে কাঁদে!!আমি জানি কারণ লাস্ট তিন চার বছর আম্মু আমার সাথেই ঘুমায়!!

-আচ্ছা 

-আন্টি আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি!!আমি এখন বড় হয়েছি!!প্রত্যেকটা জিনিস আমি এখন বুঝি!!আমার আম্মু কোনদিন সংসারের প্রতি,আব্বুর প্রতি অবহেলা করেনি!!তাহলে কেন সে এই কষ্ট ভোগ করবে??আমি এটা কোনো ভাবেই মানতে পারছিনা!!আব্বু মন খারাপ করবে ভেবে আমি প্রতিবাদও করতে পারিনা!!কিন্তু আমি চাই আমার ভাই প্রতিবাদ করুক!!

আমি সত্যি সত্যি পাগল হয়ে যাচ্ছি!!আমি আমার আব্বুকে ঘৃনা করতে চাইনা আন্টি!!প্লিজ কিছু করেন!!

আমি তার প্রবলেম শুনলাম,কিছু পরামর্শও দিলাম কিন্তু তার সাথে আরেকটা জিনিস বুঝলাম!!আমরা আমাদের বাচ্চাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসলেও সবচেয়ে বেশি ইগনোরও বোধয় করি তাদেরকেই!!আমরা ভুলে যাই তারাও একটা আলাদা সত্ত্বা!!তাদেরও ভালো মন্দ,ন্যায় অন্যায় বোঝার ক্ষমতা আছে!!আমরা তাদের চোখে একজন ভালো বাবা বা মা হতে পারি,তাদের আম্মু বা বাবার আদর্শ জীবন সঙ্গী হতে পেরেছি তো??

একটা বিখ্যাত উক্তি আছে,পৃথিবীতে খারাপ মানুষ অনেক আছে কিন্তু খারাপ বাবা একটাও নেই!!কথাটা হয়ত একটা লিমিট পর্যন্ত সত্যই ছিল কিন্তু ভালো বাবাটা যদি তাদের মায়ের স্বামী হিসেবে খারাপ হয় তাহলে কিন্তু অঙ্কটা পুরোপুরি উল্টো হয়ে যেতে পারে..........
আরো একটা উক্তি দিয়ে শেষ করি"সেই পুরুষই শ্রেষ্ট বাবা যে তার সন্তানের মা কে ভালবাসে"
তাই,পৃথিবীর সকল সন্তানের বাবারা,অতীতে যা করসেন করসেন,আজকে থেকে আপনার সন্তানের মাকে অনেক অনেক ভালবাসেন,পিলিজ.........

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এটাই সভ্য দেশের নমুনা

আসিফ নজরুল

এটাই সভ্য দেশের নমুনা

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বহিষ্কৃত শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চৌভিন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের সড়কে চৌভিন হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ধরে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যা করেছিল।

এদিকে এ ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ নজরুল। তার স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশি নির্যাতনে নিহত কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকারীর বিচার হয়েছে। 

এটি নিশ্চিত যে উপযুক্ত শাস্তিও হবে তার।

আমেরিকার পুলিশের সবচেয়ে বড় সমিতি এ বিচারকে স্বাগত জানিয়েছে। এই একটা হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ২০ টি অঙ্গরাজ্যে কমানো হয়েছে পুলিশের শক্তিপ্রয়োগের ক্ষমতা।

এটাই সভ্য দেশের নমুনা।

আসিফ নজরুল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক (ফেসবুক থেকে)

মন্তব্য

পরবর্তী খবর