থানায় কেন হামলা হবে?

শরীফুল হাসান

থানায় কেন হামলা হবে?

শরীফুল হাসান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় নিরাপত্তাচৌকি বসানোর ছবি ও খবর দেখলাম। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে এসব এলাকায় পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি মেশিনগান বা এলএমজি দিয়ে নিরাপত্তা চৌকি বানানো হয়েছে। নাগরিক হিসেবে কাউকে কাউকে এ নিয়ে উদ্বিগ্নও হতে দেখলাম। 

ওদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তর ও স্থাপনায় একাধিক হামলার ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে মাঠ প্রশাসনেও উদ্বেগ বেড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারদের মধ্যে (এসি ল্যান্ড, ভূমি) নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আমি মনে করি এই বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার। পৃথিবীর আর কোন দেশের মানুষ নিজেদের সম্পদে এভাবে আগুন দেয়? আপনি আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত-বাম-না ডান না পূর্ব-পশ্চিম কোন দল করেন দেখার বিষয় নয়, আমার শুধু প্রশ্ন সরকারি দপ্তরে কেন হামলা হবে? থানায় কেন হামলা হবে? 

এই দেশের ডিসি অফিস-ইউএনও অফিস-থানা কী কোন দলের নাকি রাষ্ট্রের? আপনি যেই দলেরই হন না কেন এই দেশটা তো আমাদের সবার। 

একইভাবে প্রাণহানিও কাম্য নয়। কারণ এই দেশের নাগরিকরাও আমাদের স্বজন। এই দেশের সরকারি সম্পদ পুড়ুক সেটা যেমন আমাদের কাম্য নয়, তেমনি কোন মানুষের প্রাণহানিও কাম্য নয়। কারণ এই দেশের সম্পদও আমাদের আবার যিনি মারা যাচ্ছেন তিনিও আমাদেরই কারও না কারও স্বজন। দুটোকেই রক্ষা করতে হবে। কিন্তু কীভাবে?

সেই আলাপে যাওয়ার আগে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই শুরু করি। আমি গত ১৯ বছর ধরে কম-বেশি সাংবাদিকতা করি। এই ১৯ বছরে আমি দেশের এমন কোন জেলা নেই যেখানে যাইনি। সাংবাদিক হিসেবে নানা ধরনের ঘটনা কাভার করার চেষ্টা করেছি। 

নিজের ব্যক্তিগত আদর্শ যাই থাকুক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা শতভাগ মানার চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি ঘটনাস্থলে গিয়ে সব দেখার। এমনও হয়েছে মাসের পর মাস আমি ঢাকার বাইরে থেকেছি। অনেক সময় ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যেও গিয়েছি। 

এই ১৯ বছরে আমার কোন সরকারি দপ্তর পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে ফেলা দেখার অভিজ্ঞতা প্রথম ঘটে ২০১৩ সালের মার্চের প্রথম সপ্তায়। ঘটনাস্থল ছিল বগুড়ার নন্দীগ্রাম। ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়। 

এই রায়ের প্রতিবাদে গাইবান্ধার সুন্দরগেঞ্জে সুন্দরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ঢুকে চার পুলিশ সদস্য তোজাম্মেল হক, নজিম উদ্দিন, বাবলু মিয়া ও হযরত আলীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি এক আওয়ামী লীগ সমর্থকের জিহ্বা কেটে ও চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বামনডাঙ্গা রেল স্টেশন। 

আমাকে তখন ঢাকা থেকে এই ঘটনা কাভার করার জন্য পাঠানো হয়। আমি সুন্দরগঞ্জে গিয়ে যে বিভৎসা দেখি সেটি আজও মনে পড়ে। এ নিয়ে গাইবান্ধা ঘুরে ঘুরে রিপোর্ট করার চেষ্টা করি। এই ঘটনার তিনদিন পরেই সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়র প্রতিবাদে ৩ মার্চ হরতাল ডাকে জামায়াত-শিবির। আমি তখনো গাইবান্ধায়। 

৩ মার্চের হরতালের আগেরদিন রাতে বগুড়ায় প্রচার করা হয়, ‘সাঈদীর মুখ চাঁদে দেখা গেছে’। মসজিদে মাইকে ঘোষণা করা হয়, সাঈদীকে রক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এরপর হাজার হাজার মানুষ বগুড়ার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায়। 

পুলিশের অস্ত্র লুট করে। বগুড়া শহরের ছয়টি পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সে সময় বগুড়ার এসপি ছিলেন মোজাম্মেল হক। আমি নিজে তাঁর সাথেও কথা বলেছি। সেদিন নিজের বাসভবনে তিনি নিজের স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চরম আতঙ্কে ছিলেন। 

বগুড়া শহরের ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ির প্রত্যেকটায় সেদিন আগুন দেওয়া হয়েছিল। গাইবান্ধার মতো সেদিনও অনেক পুলিশ মরতে মারতো। এসব ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে ১০ জন মারা যান। সেদিন বগুড়া রেল স্টেশন, আজিজুল হক কলেজ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাসভবন সব জায়গায় আগুন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ঘটে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায়। 

হরতালের দুদিন পর আমি নন্দীগ্রামে যাই। শুধু সাংবাদিক হিসেবে নয়, আমি বোধহয় এই রাষ্ট্রের গুটিকয়েকজন মানুষদের একজন ছিলাম যে ওই অবস্থার মধ্যও নন্দীগ্রামে গিয়েছিল। আমার আজও সেই দৃশ্যগুলো মনে আছে। পুরো ইউএনও অফিস পুড়ে ছাই। পাশাপাশি কৃষি অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়, মৎস্য অফিসসহ সরকারের নানা দপ্তর পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বগুড়ার আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সাধারণ সব লোকজন আমাকে বলেছিলেন, এমন বিভৎস ঘটনা তারা কখনো দেখেননি। 

গাইবান্ধায় বগুড়ায় গিয়ে সেই আমার প্রথম দেখা যে হরতাল চলাকালে ইউএনও অফিস পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে দেওয়া যায়। পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দেওয়া যায়। গাইবান্ধা-বগুড়ায় সেই যে তাণ্ডব শুরু হলো সেই বিভৎসা আজও থামেনি। সর্বশেষ সেই তাণ্ডব দেখা গেল, হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। আবারও সেই মার্চ মাসেই।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনের সহিংসতায় মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল সরকারি স্থাপনা। শহরটির ৫৮টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় হামলা হয়েছে। গানপাউডার ও পেট্টোল দিয়ে পৌরসভা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রেল স্টেশন থেকে শুরু করে ভূমি অফিস থেকে শুরু করে ৩১টি সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই তিন দিনে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। হাটহাজারীতে প্রাণ হারিয়েছেন আরও চারজন। 

শুধু চট্টগ্রাম বা  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নয়, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তরে একই সময়ে হামলা হয়েছে। ফরিদপুরের সালথায় তো শুধুমাত্র গুজব ছড়িয়ে কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়, ত্রাণের গুদাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনসংলগ্ন গ্যারেজ, ভূমি অফিস, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন ও থানায় হামলা হলো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তর ও স্থাপনায় এসব হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে মাঠ প্রশাসনে উদ্বেগ বেড়েছে। 

আমার প্রশ্ন হলো, আপনি আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত-বাম-না ডান না পূর্ব-পশ্চিম কোন দল করেন দেখার বিষয় নয়, আমার শুধু প্রশ্ন সরকারি দপ্তরে কেন হামলা হবে? 


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও

খুব অকথ্য এসব ফিলিংস!


থানায় কেন হামলা হবে? এই দেশের ডিসি অফিস-ইউএনও অফিস-থানা কী কোন দলের নাকি রাষ্ট্রের? এই যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্টেশন পুড়লো, পৌরসভা পুড়লো, ভূমি অফিস পুড়লো দুর্ভোগ তো পোহাতে হচ্ছে জণগনের। তাহলে কেন এইসব হামলা? একইভাবে ডিসি-পুলিশ,  ইউএনও-এসিল্যান্ড-ডাক্তার, বা যে কোন সরকারি কর্মকর্তা যে কারও উপর তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য হামলার ঘোর বিরোধী আমি। একইভাবে কোন সাংবাদিকের উপরও হামলা করা যাবে না। 

এই দেশের প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ, আপনারা হরতাল করুন, মিছিল সমাবেশ যা ইচ্ছে করেন কিন্তু দয়া করে রাষ্ট্রীয় কোন সম্পদ ধ্বংস করবেন না। কথাটা আওয়ামী লীগের জন্যও প্রযোজ্য। আজকে আপনারা ক্ষমতায় আছেন কিন্তু কোনদিন বিরোধী দলে যাবেন না তা তো না? প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ, সরকারি কোন দপ্তরে যেন হামলা না হয়, সরকারি কোন সম্পদ যেন না পুড়ে। এই অপসংস্কৃতি আমাদের বন্ধ করতেই হবে। আমাদের প্রত্যেকের এই বোধোদয় দরকার।  

একই সাথে রাষ্ট্রকে বলবো, এমন ব্যবস্থা নিন এমন আইন করুন যাতে রাষ্ট্রীয় কোন সম্পদ পোড়ালে বা আগুন দিলে ওই হামলাকারীর কঠোর শাস্তি হয়। ভিডিও ফুটেজ ছবি দেখে প্রতিটা হামলাকারীকে চিহৃিত করুন। কোটি কোটি টাকার সম্পদ এভাবে পুড়তে পারে না। 

এবার আসি প্রাণহানির ঘটনায়। গোটা পৃথিবীর বিনিময়েও একজন মানুষের প্রাণহানি মেনে নেওয়া যায় না। কাজেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা উচিত যেন মানুষ প্রাণে মারা না যায়। এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত যাতে প্রাণহানি এড়ানো যায়। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বা তাদের সদস্যরা এখন প্রশ্ন করতে পারেন,  কেউ যদি পুলিশ-বিজিবি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা চালায়? কেউ যদি তাদের হত্যার চেষ্টা করে? আমি মনে করি এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত। 

আমি আপনাদেরও আবারও ফিরিয়ে নিয়ে যাই সেই বামনডাঙ্গায় যেখানে চারজন পুলিশকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের ঘটনার পরদিনও কিন্তু নারায়নগঞ্জে বিজিবির নায়েক সুবেদার শাহ আলম, পুলিশের কনস্টেবল ফিরোজ, জাকারিয়াকে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের কুপিয়ে, পিটিয়ে ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছিল। আর এসব হামলায় পড়ে সাধারণ অনেক মানুষের প্রাণ গেছে।

এই যে প্রাণহানি এগুলো কী এড়ানো যায় না? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এসব বিষয়ে সতর্ক হতে বলবো। কিন্তু একই সাথে এই প্রশ্ন তোলাও জরুরী কেন পুলিশ-বিজিবির উপর হামলা চালাতে হবে? নিরাপত্তা চৌকি দেখে আজকে আপনারা যারা উদ্বিগ্ন তারা বলেন তো কেন সরকারি অফিস পোড়াতে হবে? কেন থানায় হামলা চালাতে হবে? এটা কেমন কর্মসূচি?

আমি আজকাল দেখি অনেকেই ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেন যে ওমকু জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে তারপর ওমকু জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এসব খোঁড়া যুক্তি দেবেন না। কোন কারণে কোন অবস্থাতেই আপনি থানায় বা সরকারি কোন দপ্তরে হামলা করতে পারেন না। কোনভাবেই না। এমনকি কোন পরিবারের কেউ যদি মারা যায় তারাও অধিকার রাখেন না সরকারি দপ্তরে হামলা চালানোর। এটাই আইন। এই আইন সবাইকে মানতে হবে। আচ্ছা নিজের পরিবারে কিছু হলে আপনি কী নিজের বাড়িতে আগুন দেন? তাহলে সরকারি দপ্তরে কেন দেবেন?

আরেকটা বিষয় নিয়ে না বললেই নয়। গত কয়েক বছর ধরে দেখি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সরকারি দলের লোকজনও অস্ত্র বা লাঠিসোটা হাতে থাকে। বিশেষ করে কোটা বা সড়ক আন্দোলনে আমরা দেখেছি তাদের তাণ্ডব। এগুলোকেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেই সব নিয়ন্ত্রণ করতে দিন। দেশটা মগের মুলুক না যে রাজপথে নেমে মারামারি করবেন। এসব না করে শান্তিপূর্ণভাবে সবাইকে সব কর্মসূচি পালন করতে দেন ।

রাষ্ট্রের ১৭ কোটি মানুষের কাছে অনুরোধ, চলুন আমরা সবাই মিলে এই দেশটাকে বাঁচাই। দেখেন একসময় বাংলাদেশ বন্যা বা দুর্যোগের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে খবর হতো। আর এখন কয়দিন পরপর রাজপথে মারামারি-তাণ্ডব-প্রাণহানি-আগুনে পোড়ানোর কারণে খবর হয়। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এগুলো কোনভাবেই কাম্য নয়। 

রাষ্ট্রকে বলবো, এই রাষ্ট্রে কোন সরকারি দপ্তরে বা থানায় যদি কেউ হামলা চালায় কঠোর হাতে সেগুলো দমন করুন। প্রত্যেকটা ঘটনার বিচার করুন। বিচার না হলে এই অপসংস্কৃতি আরও বাড়বে। দেশটা ধ্বংস হবে। একইভাবে সবার কাছে আহবান, আপনারা যা ইচ্ছে কর্মসূচি পালন করেন কিন্তু দয়া করে সরকারি দপ্তরে হামলা, পুলিশ-সাংবাদিকদের উপর হামলা এগুলো বন্ধ করুন। 

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে একটা শান্তিপূর্ণ সুন্দর বাংলাদেশ গড়াটা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন সবাই মিলে আমরা দেশটা বাঁচাই। বাঁচাই দেশের মানুষকে। 

এই দেশের সম্পদ যেমন আমাদের, দেশের মানুষও আমাদের স্বজন। আবার যারা সরকারি দায়িত্ব পালন করে তারাও আমাদেরই স্বজন। কাজেই ভিন্নমত থাকুক, ভিন্ন রাজনীতি থাকুক কিন্তু দেশটা সবার। ভালো থাকুন সবাই। ভালো থাকুক বাংলাদেশ।

শরিফুল হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক ও উন্নয়ন কর্মী

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মিডিয়ার লোকজন ভালো হয় না, ভালোরাও খারাপ হয়ে যায়!

এমি জান্নাত

মিডিয়ার লোকজন ভালো হয় না, ভালোরাও খারাপ হয়ে যায়!

মিডিয়ার লোকজন ভালো হয়না! ভালোরাও খারাপ হয়ে যায়। এইটা মাঝে মধ্যে শুনি। এখানে মিডিয়ার লোকজন বলতে যারা চাকরি করেন তারাসহ শিল্পীদের চৌদ্দগোষ্ঠী যে বোঝানো হয় এইটুকু আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবাই বুঝবে।

সে যাই হোক, ঠিক কোন কিছিমের পেশার লোকজন ভালো আর ভালোর সঠিক ব্যাখ্যা কী এইটা বহুত আপেক্ষিক ব্যাপার।

সাধারণ জ্ঞান মানে কমনসেন্সে দেখতে গেলে ভালো বলতে যাদের মন ভালো, উদার, কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করেনা, সৎ, পরোপকারী, কোনো কুটিলতা, সমালোচনার মধ্যে নাই এগুলোর সমষ্টি যে মানুষগুলোর মধ্যে আছে তাদেরকে ভালো বলা হয়। কিন্তু এই গুনগুলো থাকার পর বেশিরভাগ মানুষের কাছে ভালো থাকলেও সবার কাছে ভালো থাকা যায় কী?

এই যেমন, আপনি সৎ! অসৎ লোকের কাছে আপনি খারাপ কারণ আপনি তার বিরুদ্ধ পক্ষ। আবার আপনি কারও সাতে পাঁচে নেই, আপনার পাশের একজন নানান রঙ মাখানো সমালোচনার ঝুড়ি নিয়ে এসে পাত্তা পেলো না। তার কাছেও আপনি ঠিক সুবিধার না। আপনিও তার সেই ফুলঝুড়ির একটা অংশ।

যে অন্যের ভালো খারাপের বিচার নিয়ে বসে সে নিজের চেহারা আয়নায় কতটা স্পষ্ট দেখতে পায় আমার জানা নেই। মানুষের কাছে ভালো থাকার চেয়ে সবচেয়ে দরকার নিজের কাছে পরিষ্কার থাকা। যেটাই করছি, ১০০% দিয়ে করছি কিনা। নিজের সম্পর্কে নিজের হিসাবের অংক মিললো কিনা এই ক্লিয়ারেন্সটা থাকা সবচেয়ে জরুরি।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


শুরুর লাইনে আসি, ভালো খারাপ মানুষের পেশায় থাকে না। রক্তে আর মনে মিশে থাকে। আর তাই যেমন ধর্মশালায় বলাৎকার হয়, পরিবারেও রক্তারক্তি হয় অন্যদিকে কিছু মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ায় মন উজার করে। সবটাই হয় কিন্তু মনের তাগিদেই। কোনো পেশায় না, মনের ঘরেই ভালো-মন্দের বসবাস।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং কিসের উপর ভিত্তি করে হয়?

রউফুল আলম

ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং কিসের উপর ভিত্তি করে হয়?

ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং কিসের উপর ভিত্তি করে হয়?

অনেকগুলো বিষয়কে বিবেচনা করা হয়। তবে প্রধাণত যে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দেয়া হয়-

এক. প্রতি বছর কী পরিমাণ গবেষণা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত আর্টিকেলগুলোর আন্তর্জাতিক স্কেলে মান। এই আর্টিকেলগুলো কতোবার সাইট করা হয়—মোট সাইটেশন নাম্বার।

দুই. স্টুডেন্ট-ফ‍্যাকাল্টি অনুপাত। যেমন, প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট-ফ‍্যাকাল্টি অনুপাত হলো ৫:১।

তিন. প্রতি বছর কি পরিমান ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়া হয়।

চার. ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও ছাত্র সংখ‍্যা কেমন। দুনিয়ার যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো র‍্যাঙ্কে এগিয়ে থাকে তাদের ক‍্যাম্পাসে একটা ডাইভারসিটি দেখা যায়। বহু দেশের স্টুডেন্টরা এসে পড়াশুনা করে। গবেষণা করে।

পাঁচ. আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে কতো সংখ‍্যক স্টুডেন্ট জব পায়, সেটা বিবেচনা করা হয়। এটা মূলত ইঙ্গিত করে যে একটা প্রতিষ্ঠান তরুণদেরকে কেমন মানের যোগ‍্য করে তুলছে। আমি যে বারবার বিশ্বমানের তারুণ‍্যের কথা বলি—এ জন‍্যই। আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে স্টুডেন্টরা পাশ করে বের হয়েই যদি সরাসরি আন্তর্জাতিক যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোতে চাকরি পায়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলোতে বিশ্বমানের পড়াশুনা ও গবেষণা হচ্ছে।

ছয়. পড়াশুনা এবং গবেষণার মান সম্পর্কিত “একাডেমিক রেপুটেশন” জরিপ করা হয়।

বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের র‍্যাংকিং একই রকম হয় না। অবশ‍্যই কিছু হেরফের হয়। কিন্তু তাই বলে, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি যদি কোন তালিকায় দশম হয় অন‍্য তালিকায় একশো হবে না।


আরও পড়ুন:


 

নাসির আমার বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে: পরীমণি

জি-সেভেনের বিবৃতি চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মারাত্মক হস্তক্ষেপ: বেইজিং

‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

এমন ফ্রি-কিকে গোল মেসির দ্বারাই সম্ভব (ভিডিও)


 

আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে র‍্যাংকিং চিন্তা করার দরকার নেই। একটা প্রতিষ্ঠানকে যদি ইউনিভার্সিটি বলতে হয়, সেটার মৌলিক কতোগুলো ক্রাইটেরিয়া থাকে। আগে তো ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলো ঠিক করা চাই। তারপর আসে র‍্যাংকিং নিয়ে চিন্তা।

ক‍্যাম্পাসে গুণ্ডামি, দলাদলি, ছাত্র-শিক্ষক মিলে রাজনীতি, দেয়ালে দেয়ালে নেতা-নেত্রীর পোস্টার-শ্লোগান, শিক্ষক নিয়মে সীমাহীন অনিয়ম, গবেষণার জন‍্য নামমাত্র বরাদ্ধ, শিক্ষকের সংখ‍্যা বিবেচনা না করে গণহারে ছাত্র ভর্তি, ভিসি’দের সেচ্ছাচারিতা, ব‍্যাচেলর পাশ স্টুডেন্টদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ—এগুলো ইউনিভার্সিটি নামধারী কোন প্রতিষ্ঠানে থাকে না।

এগুলো ঠিক-ঠাক না করে, র‍্যাংক-ফ‍্যাংক নিয়ে চিন্তা করার কোন মানেই নাই! আগে তো খুঁটি, নাইলে চাল দিয়ে কি হবে?

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে!

তসলিমা নাসরিন

প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে!

তসলিমা নাসরিন

পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের বড় বোনকে দিদি বলে ডাকে, অথবা না ডাকলেও দিদি মানে কী, তা জানে। মুসলমানদের মধ্যে দিদিকে বুবু ডাকার চল বেশ। 

আমার কিছু উপন্যাসে ছোটবোন বড়বোনকে বুবু বলে ডাকে। 'অপরপক্ষ' এবং 'ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে' -- এই দুটো উপন্যাসিকায় দু'বোনের কাহিনী বর্ণনা করেছি। ছোটবোন নূপুর বড়বোন যমুনাকে বুবু বলে। 

পশ্চিমবঙ্গে আমার ওই দুটো উপন্যাসিকা যারা পড়েছে, তারা অনেকেই আমার সঙ্গে কাহিনী নিয়ে আলোচনা করেছে। আমাকে কিন্তু বারবারই তখন  মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। তারা ভেবেছে, আমার  কাহিনীর চরিত্র তিনজন, নূপুর, যমুনা আর বুবু। 

তারা বুবু যে দিদি জানে না, তারা মনে করে বুবু কারও নাম,  কারণ তাদের অনেকের  ডাক নাম বুবু। দুটো চরিত্রের মধ্যে কথোপকথন চলতে থাকলে ওরা কিভাবে তিনটে চরিত্রের  মধ্যে কথোপকথন চলছে ভেবে নেয়, আমার মাথায় ঢোকে না। 

একজন বললো, তোমার বইয়ে নূপুর একটু ভীরু, যমুনা ততটা ভীরু নয়, তবে বুবু বেশ সাহসী চরিত্র। আমি বললাম, বুবু আবার আলাদা চরিত্র কী করে হলো, যমুনাই তো নূপুরের বুবু, মানে দিদি!  কী বলছো? 

পাঠিকা অবিশ্বাস চোখে আমার দিকে তাকায়, যেন আমি মিথ্যে বলছি। দিদিকে যে বাঙালি- মুসলমানদের অনেকে বুবু ডাকে, এ তোমার জানা নেই? আকাশ থেকে পড়লো পাঠিকা, 

একেবারেই জানা নেই। তোমার রাজ্যের শতকরা তিরিশ ভাগ তো মুসলমান, তাই না? হ্যাঁ। ওদের দাদা দাদি নানা নানি চাচা ফুপা ডাক জানো না, কিন্তু হিন্দি ছবি দেখে তো জানো ডাকগুলো।

আরও পড়ুন:


পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: প্রধান আসামী নাসিরসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে না: কাদের

পরীমণিকে নির্যাতনের ঘটনায় সংসদে বিচার চাইলেন এমপি হারুন

মামলার এজাহারে যা বলেছেন পরীমণি


তাছাড়া আমার বই যখন পড়ছো, তখন তো বোঝার কথা যে, বড়বোনকে বুবু বলে ডাকা হচ্ছে। অন্য কোনও কালচারের বা ভাষার বই যদি পড়ো তাহলে কি ওদের অনেক কিছুই জানা হয়ে যায় না? কোনও বইয়ে যদি পিটার নাম দেখ, তাহলে কি ভাবতেই হবে, এ তোমাদের কুকুরকে নিয়ে গল্প, যেহেতু তোমাদের কুকুরের নাম পিটার? 

নিজের ছোট্ট গন্ডি থেকে বেরোতে হয় দুনিয়াকে জানতে হলে! অবশ্য প্রতিবেশীকে যে না জানে, দুনিয়াকে কী করে জানবে! আমি কী বললাম পাঠিকা হয়তো বুঝতেই পারেনি। নূপুর আর যমুনার মতো নয়, বুবুর মতো চরিত্র যেন আরও নির্মাণ করি, সেই আশা ব্যক্ত করে বিদেয় নিয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মরে যায়!

এমি জান্নাত

স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মরে যায়!

ঘর-সংসার শব্দটা আমরা একসাথে জুড়ে দেই ঠিকই। কিন্তু ঘর আর সংসারের মধ্যে একটা বিস্তর ফারাক আছে বোধহয়।

আমার সীমিত জ্ঞানে ঘর বলতে বুঝি একটা ভালোবাসার ছায়াতলে বসবাস। যেখানে সুখ না থাকলেও শান্তি থাকে। দিন শেষে ফেরার তাড়া থাকে। কিন্তু সংসার নামক বেড়াজালে মানুষ শুধুই আবদ্ধ থাকে দায়িত্ব, ভাঙা গড়ার খেলায় মত্ত সুখের খোঁজে! প্রশান্তিটা এসবের মাঝেই অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। ঘর মানে চার দেয়ালের প্রতিটা কোণায় অভিমান, অনুরাগ আর ভালোবাসার নিবিড় বন্ধন, যেখানে সংসারে চারটা দেয়াল থাকে আর স্যাক্রিফাইস এর বদলে কম্প্রোমাইজ বেশি থাকে। কোথায় একটা লিখেছিলাম, স্যাক্রিফাইস করলে মন বড় হয়, আর কম্প্রোমাইজ করলে মন মরে যায়! সংসারের সবাই হতে পারে, কিন্তু ঘরের কয়জন!

সংসার থেকে পালিয়ে বাঁচা যায়, ঘর থেকে না। মনের বসত তো ঘরেই হয়। দায়িত্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া মায়া কাটানো যায়, কিন্তু ভালোবাসা থেকে সৃষ্টি হওয়া মায়া কাটানো বড় কঠিন!

তাই মনে হয়, সব ঘরই সংসার, কিন্তু সব সংসার ঘর হতে পারে কী?

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

এতো মন্ত্রণালয় থেকে কী হবে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে ভালো কথা। যুক্তি বোঝা যায়। যেটা বোঝা যায় না সেটা হলো শিক্ষার ব্যাপারে পরিকল্পনা কি?

কিভাবে ভালো ভাবে ক্লাস নেওয়া যাবে অনলাইনে? কোনো নতুন হাল্কা (লাইট) সফটওয়ার কেনা হয়েছে? পরীক্ষা পদ্ধতির ব্যাপারে কোনো চিন্তা ভাবনা?

অনলাইনে বেশী মানুষকে কিভাবে এনগেজ করা হবে তার কোনো পরিকল্পনা? বিশ্বের অন্যদেশ অনলাইনে কিভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তার কোনো গবেষণা কি হয়েছে?

কিভাবে ছাত্রদের সৃজনশীলতার বাড়ানো যাবে তার ব্যাপারে কেউ কি কিছু ভেবেছে?

অনলাইনে কিউ এস রাংকিং এর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রাম পার্টনারশিপ করছে। অল্প কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। বাকিরা?

ছাত্রদের মোটিভেট করতে কোনো মাস্টারপ্লান আছে?

যেহেতু কোনো ফল দেখছিনা তাই ধরে নেওয়া যায় প্রশ্ন গুলোর পজিটিভ উত্তর নাই।

তাহলে এত মন্ত্রনালয় থেকে কি হয়? কি হবে? দেশের সেরা মেধাবীদের নিয়ে তৈরি, দেশ সেবায় নিয়জিত ক্যাডার সার্ভিসের মানুষজন কি ভাবে শিক্ষার উন্নয়নে তাদের সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন?


আরও পড়ুন:


ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ: মাঠে যাওয়ার সময় আম্পায়ারদের গাড়িতে হামলা

১০ বছরের জেল হতে পারে নেতানিয়াহুর: ইসরাইলি আইনজীবী

এবার ফিলিস্তিনি নারীকে গুলি করে হত্যা ইসরাইলি বাহিনীর

বিয়ের আসরে নকল গহনা, মারামারি পরে ক্ষতিপূরণ রেখে তালাক


আগেও বলেছি করোনার আগের শিক্ষা ব্যবস্থা আর পরেরটা একই থাকবে না। বদল হবে। হবেই।

এই কথা সরকার-মন্ত্রানালয়-শিক্ষক-ছাত্র-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যত দ্রুত বুঝবে ততই মঙ্গল।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর