তবুও তাদের ভোট কিন্তু আপনি পাবেন না

আশরাফুল আলম খোকন


তবুও তাদের ভোট কিন্তু আপনি পাবেন না

আশরাফুল আলম খোকন

আমাদের সরকারি দলের যত মন্ত্রী, এমপি, নেতা এবং রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আছেন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। কেউ কেউ হয়তো পরোক্ষভাবে অন্য কাউকে দিয়ে ফেসবুক একাউন্ট পরিচালনা করেন। 

তারা সবাই যদি নিজেদের রং বেরংয়ের ছবি না দিয়ে, নিজেদের খবরাখবর প্রচার না করে সঙ্কটময় মুহূর্তে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শুধু সত্যটা প্রচার করেন তাহলেই কিন্তু সব ষড়যন্ত্র বাতাসে মিলিয়ে যায়। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরাও সাহসী হয় ও একটা দিক নির্দেশনা পায়।

আরেকটা গ্ৰুপ আছেন, তারা শুধু নিজের দলের মন্ত্রী এমপি ও নেতাদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী বিদ্রোহী হয়ে লেখা শুরু করেন। বিএনপি, জামাত, হেফাজতের বিরুদ্ধে লিখতে খুব লজ্জা পান। কারণ ওনারা অনেক লাজুক।

এই সাম্প্রতিক হেফাজতের কথাই ধরুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে হেফাজতের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যা ফাইট করেছে তা তৃণমূলের অবহেলিত নেতাকর্মীরাই করেছে। গত কয়েকদিন ফেসবুক দেখে আমার তাই মনে হয়েছে। 

আপনারা যদি মনে করেন, এতে আপনাদের ভোট বাড়বে তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করেন। আর যদি ওদেরকে লালন পালন করেন তাহলে আপনার চেয়ে “বলদ” আর কেউ নাই। 

কারণ এই হেফাজত আপনার টাকা খাবে, দান-অনুদান সব খাবে, হয়তো মুরগির বড় রান টাও খাওয়াবেন তবুও তাদের ভোট কিন্তু আপনি পাবেন না। এটা গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়। 


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও

খুব অকথ্য এসব ফিলিংস!


আর একটা কথা, ধর্মীয় আলেম সমাজ আর হেফাজত-জামাত কিন্তু এক না। আমি নিজেও ধর্মীয় (সব ধর্মের) যে কোনো কাজে ভালোভাবেই সম্পৃক্ত থাকি তা বহুকাল আগে থেকেই। এটা আমার এলাকার সবাই জানেন। তবে ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকি।

আশরাফুল আলম খোকন (ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা নিরূপণ কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ

রায়হান রশিদ

মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা নিরূপণ কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ

একটা গণহত্যা ঘটে যাওয়ার ৫০ বছর পর এসে মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত (!) নিহতের সংখ্যা নিরূপণ করা এখন একটা অসম্ভব কাজ। কঠিন নয়, অসম্ভব কাজ। এটা আর কেউ না বুঝুক, গণহত্যাকারীরা আর তাদের দোসররা খুব ভালো করেই বোঝে। এজন্যই তারা ক'দিন পর পরই এই বিষয়টা উত্থাপন করে নানান ঢংয়ে আর অজুহাতে।

সুতরাং প্রকৃত শহীদের সংখ্যা নিরূপনের ভাণ ধরে যাবতীয় আপাত একাডেমিক, আধা-একাডেমিক, ছদ্ম-বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা, আর বিজ্ঞানপনা আসলে যে জেনোসাইড ডিনায়াল প্রকল্পের একটা পরোক্ষ প্রক্রিয়া, সেটা বোঝাটা খুব জরুরী। সবার জন্যই জরুরী। সবচেয়ে বেশী জরুরী ৭১ এর পক্ষের মানুষ হিসেবে যারা নিজেদের দাবী করেন, তাদের জন্য!

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নোম চমস্কি, বাংলার দার্শনিক ও সাইবার বুলিং

পারমিতা হিম

নোম চমস্কি, বাংলার দার্শনিক ও সাইবার বুলিং

নোম চমস্কি নিয়ে আগ্রহ একটু বেশি মনে হইছে এবার। দার্শনিক নিয়ে যেসব তর্কাতর্কি হইছিল কিছুদিন আগে আমি মনে করি এটা তার ফল।

অ্যাটেনশন সিকার সেলেব্রেটিদের দেখাদেখি আমজনতা মনে করতেছে দার্শনিক কে আর কে না, কিংবা আমার দেখা ৫ জন দার্শনিক—এমন তালিকা দিলেই বোধহয় নিজেও দার্শনিক হইয়া যাইতে পারবে।

কিংবা পুরাপুরি দার্শনিক না হোক, দার্শনিকদের নাম জানা ও তাদের নিয়ে স্ট্যাটাস দিতে পারলে নিজেও দার্শনিক হবার রাস্তায় আছে এরকম একটা ইশারা দিতে পারবে সমাজে।

তবে এটা দর্শনের প্রতি মানুষের আগ্রহ আদৌ বাড়াইলো কিনা আমি তা জানি না।

২. এলিটিজম

“দেখেন আমি একজন এলিট। আমি ব্রিটিশ অ্যাকসেন্টে ইংরেজি বলতে পারি এবং আমি ঢাকায় থাকি। আমি জানি ডে লাইট সেভিং কী। সুতরাং নোম চমস্কির সাথে কথা বলার পূর্ণ অধিকার একমাত্র আমার।”

অধিকাংশ ফেসবুক পোস্টের ভাবখানা এটা। একজন তো কমেন্ট করছেন চমস্কির সাথে কথা বলা দরকার ছিল একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের! যেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা কোনদিন জ্ঞানের গণেশ উল্টাইছে এদেশে!

কালকে রাতে যখন “নোম চমস্কি কথা বলবেন বাংলাদেশ” নিয়ে এইটা সবাই শেয়ার করতেছিল তখন দেখি নাই কে কথা বলবে, কে সেই পুঁচকা, কিংবা কী তার প্রতিভা সেটা নিয়ে এক লাইন কথা কাউকে লিখতে বা বলতে। আজকে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ছেলেটার উপরে ঝাঁপায়ে পড়ছে।

ব্যাপারটা খুব আগলি। আরেকজনকে মারতে গিয়ে নিজের লুঙ্গি খুলে যাওয়ার মত আগলি। বাট মনে হয় না ন্যাংটারা সেটা দেখতে পাইতেছে।

ওহে জ্ঞানের পরাকাষ্ঠা, ইংরেজি জানা না জানা নিয়ে আপনার দুঃখখানি নোম চমস্কির কোনো লেখা না পড়ার ফল। ভাষা কী, এইটার রাজনীতি কী আপনি তো এইটাই বুঝেন না। আপনি চমস্কিরে লাইভ শুনে করবেনটা কী?


আরও পড়ুন:

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো মারা গেছেন

তরুণীকে তুলে নিয়ে ভাড়া বাসায় ৩ যুবকের পালাক্রমে ধর্ষণ

টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে ২ বছরের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বোচ্চ


৩. ডে লাইট সেভিং সম্পর্কে না জানা কোনো ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ না। বন্ধুর কাপড়ের দোকান স্পনসর লেখা কোনো অপরাধই না। পুরা ঘটনাটা কৌতুককর বটে, তাও দুই সেকেন্ডের বেশি হাসবার মত না।

ভুল মানুষের হতেই পারে। তার উপর সে একটা বাচ্চা ছেলে। আপনাদের এত অ্যাটেনশন পাবে সেটা সে বোধহয় ভাবে নাই। তাই জানেও না আপনাদের অ্যাটেনশন আসলে কত ভয়ংকর।

তার চেষ্টাকে আমার স্যালুট।

যে সমাজে ভুলের জায়গা নাই, সেটা ভয়ংকর সমাজ। সে সমাজের অংশ হইয়েন না। ভুলকে জায়গা দিতে শিখেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান!

সাখাওয়াত টিপু

প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান!

নোম চমস্কি থেকে কি শিখবেন? প্রাথমিক শিক্ষাটা হলো সময় জ্ঞান! দ্বিতীয় হচ্ছে কমিটমেন্ট! এই দুটো জিনিস, আমাদের দেশের লেখক বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অভাব আছে। পশ্চিমা জগতে যাদের দুয়েকদানা লেখা প্রকাশিত হয়েছে, তারা হাড়ে হাড়ে টের পাবেন এটা। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দুটো ঘটনার কথা বলি! 

পশ্চিমা কোনো পত্রিকায় যখন কোনো লেখা রিবিয়ুর পর নির্বাচিত হয়, তখন তারা প্রকাশের একটা সিডিউল ঠিক করেন। তার থেকে এক সেকেন্ড আগে কিংবা পরে হয় না, ঠিক সময়ে লেখাটা প্রকাশিত হয়। অনেকেই বলেন এটাই প্রফেশনালিজম! আরেকটা অভিজ্ঞতার বলি, আজকের কাগজে আহমদ ছফা নিয়মিত লিখতেন।

একবার আমার এসাইনমেন্ট হয় ছফা ভাইয়ের লেখা জোগাড় করার। তিনি আমাকে সময় দেন সকাল ১০ টায়। আমি ঐদিন ১০ টা বাজার ৫ মিনিট পরে ছফা ভাইয়ের বাসায় হাজির হই। কিন্তু যখন সেখানে কলবেল দেই, ছফা ভাই ভেতর বলেন, কে? আমি নাম বললাম! কিন্তু তিনি আর দরজা খোলেন না। আমি ঠিক ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলাম। তারপর অনেক অনুনয় বিনয়ের পর দরজা খুললেন। 

আমি বললাম, ছফা ভাই দুঃখিত! ছফা ভাই বললেন, আপনার সময়ের মূল্য আছে, আমার সময়ের মূল্য নাই! আপনি আমাকে ৫ মিনিট বসিয়ে রাখলেন কেন? আমি অনেক বোঝানোর পর উনি শান্ত হলেন! তারপর উনি বললেন, আমি লিখলাম! ছফা ভাই বললেন, জীবন হচ্ছে মুহূর্ত যাপন! এটা ধরতে না পারলে আপনি কোথাও দাঁড়াতে পারবেন না!

সাখাওয়াত টিপু লেখক, কবি, সাহিত্যিক। ফেসবুক থেকে।

আরও পড়ুন:


ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

নুসরাতের ‘প্রাক্তন স্বামী’ নিখিলের সঙ্গে দুই নায়িকার প্রেমের গুঞ্জন

'কৃষ ফোর' ঋত্বিকের বিপরীতে থাকতে পারে ক্যাটরিনা!

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে

শওগাত আলী সাগর

ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে

ভারত তার নাম দিয়েছে- ‘ডেল্টা প্লাস’। ইন্ডিয়ান ভেরিয়েন্ট থেকে তার পোশাকি নাম হয়েছিল- ’ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’। জন্মস্থান ভারত তার নামের সাথে ‘প্লাস” যোগ করে দিয়েছে। 

ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডেল্টা প্লাস’কে ’ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। ডেল্টার চেয়ে ডেল্টা প্লাস ভারতকে বেশি উদ্বিগ্নতায় ফেলেছে।’ ডেল্টা’ না ’ডেল্টা প্লাস’-বাংলাদেশে কোনটা আছে এখন?

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

এই কাণ্ডটা দেখে খুব মন খারাপ হয়েছে

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

এই কাণ্ডটা দেখে খুব মন খারাপ হয়েছে

এই কাণ্ডটা দেখে খুব মন খারাপ হয়েছে। বাঙালির সময়জ্ঞান যে এতো কুৎসিতভাবে ফুটে উঠবে তা ভাবিনি। ছবির ছেলেটি, নোয়াম চমস্কির একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার নিয়েছে, এবং দেখিয়ে দিয়েছে যে সৌজন্যতা ভদ্রতা এগুলো আমাদের জন্য নয়। 

চমস্কি হয়তো নিতান্তই ভদ্রতার খাতিরে ছেলেটিকে সময় দিয়েছিলেন, কিন্তু চমস্কি অনুষ্ঠানে সঠিক সময়ে হাজির হলেও বাঙালি হাজির হয়েছে দেরিতে! এই বয়সের একটা মানুষ, এরকম একটি ফালতু ছেলেকে (ছেলেটির প্রশ্নের ধরণ শুনলেই আপনারা বুঝবেন কেন আমি তাকে ফালতু বলছি) সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য সঠিক সময়ে উপস্থিত হয়ে অপেক্ষা করে আছেন, আর ছেলেটি তেল মেখে ঘুমোচ্ছে, তা ভাবতেই আমার গা ঘিনঘিন করে উঠছে। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই চমস্কি বলেছেন যে আপনি দেরি করে ফেলেছেন, অনুষ্ঠানটি আরেকদিন করেন, কিন্তু ছেলেটি বারবার তাঁকে জবরদস্তি করতে লাগলো। বাঙালি সবসময় বাঙালির মতো চিন্তা করে। সে ভেবেছে, পরে যদি চমস্কি আর হাজির না হন! চমস্কি হয়তো রিস্কেজিউল করার কথা বলে আমাকে ফাঁকি দিতে চাইছে! 

যাইহোক, সে প্রশ্ন করা শুরু করলো, এবং একাত্তর টেলিভিশন হয়ে উঠলো। সে নির্ঘাত চমস্কির কোনো বই বা লেখা কখনো পড়ে নি, এবং পড়লেও বুঝে নি। কার সাথে কী নিয়ে আলোচনা করতে হয়, এই কাণ্ডজ্ঞানটুকোও যদি না থাকে, তাহলে কী বলার থাকে? আমি যে বলি, গাধা তার ঈশ্বরকেও গাধা ভাবে, এটি এমনি এমনি বলি না। 

যে দুটি প্রসঙ্গে সে প্রশ্ন করেছে, সে-প্রশ্নগুলোও যদি স্কলারলি করা হতো, তাহলেও ইজ্জত কিছুটা বাঁচতো। উত্তরদাতা কী বলবেন, তা অনেকখানি নির্ধারিত হয় প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন দ্বারা। চমস্কির সাথে কথা বলতে হলে চমস্কির মাপের প্রশ্ন আগে তৈরি করতে হবে। 

আরেকটা কথা না বললেই নয়। এই ছেলেটি যদি তার প্রেমিকার সাথে ভিডিও সাক্ষাতে আসতো, তাহলে কিন্তু এভাবে আসতো না। খুব সাজুগুজো করে আসতো, এবং তার কক্ষটিকেও ভালো করে গোছগাছ রাখতো। সে ক্যামেরাটিকে পর্যন্ত নিজের দিকে তাক করতে পারে নি। তাক করে রেখেছে কমলাপুর রেলস্টেশনের একটি ব্যাগের দিকে। তবে এগুলো কোনো বিষয় নয়, যদি মাথায় ঘিলু থাকতো। মাথায় ঘিলু না থাকলে, রাজপ্রাসাদের মালিককেও দরিদ্র দেখায়। 

চমস্কিকে আমরা জানিয়ে দিলাম, বাঙালির মাথায় কোনো ঘিলু নেই (ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, তবে তা এখানে ধর্তব্য নয়)। 

আরও পড়ুন:


এবার নিষিদ্ধ পরীমণি‍!

করোনা: খুলনা বিভাগে একদিনে রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে সুইজারল্যান্ডে এমপি হলেন সুলতানা খান


আমি একবার এক বিয়ের দাওয়াতে গেলাম। গিয়ে দেখি পুরো কমিউনিটি সেন্টার খালি। বিয়ের কার্ডে লেখা ছিলো ১২ ঘটিকা। আমি ১২ ঘটিকায় গিয়ে উপস্থিত। আমি আবার তাদের কাছের কোনো আত্মীয়ও নই। সবাই আমাকে নিয়ে কানাঘুষা শুরু করলো, আমি না কি খাওয়ার লোভে তাড়াতাড়ি চলে এসেছি! 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর